📄 ক) আইন প্রণয়নের অধিকার মানবের হাতে
ক) আইন প্রণয়নের অধিকার মানবের হাতে: ধারা: ৭। (১) প্রজাতন্ত্রের সকল ক্ষমতার মালিক জনগণ; এবং জনগণের পক্ষে সেই ক্ষমতার প্রয়োগ কেবল এই সংবিধানের অধীন ও কর্তৃত্বে কার্যকর হইবে। (গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধান - পঞ্চদশ সংশোধন আইন ২০১১- প্রথম ভাগ, প্রজাতন্ত্র, পৃঃ ৩)
📄 খ) চারটি কুফরি মতবাদ রাষ্ট্র পরিচালনার মহান আদর্শ ও মূলনীতি
খ) চারটি কুফরি মতবাদ রাষ্ট্র পরিচালনার মহান আদর্শ ও মূলনীতি: 'আমরা অঙ্গিকার করিতেছি যে, যে সকল মহান আদর্শ আমাদের বীর জনগণকে জাতীয় মুক্তি সংগ্রামে আত্মনিয়োগ ও বীর শহীদদিগকে প্রাণোৎসর্গ করিতে উদ্বুদ্ধ করিয়াছিলো-জাতীয়তাবাদ, সমাজতন্ত্র, গণতন্ত্র ও ধর্মনিরপেক্ষতার সেই সকল আদর্শ এই সংবিধানের মূলনীতি হইবে।' (গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধান - পঞ্চদশ সংশোধন আইন ২০১১- প্রস্তাবনা, পৃঃ ১) ধারা: ৮। (১) জাতীয়তাবাদ, সমাজতন্ত্র, গণতন্ত্র ও ধর্মনিরপেক্ষতা-এই নীতিসমূহ এবং তৎসহ এই নীতিসমূহ হইতে উদ্ভুত এই ভাগে বর্ণিত অন্য সকল নীতি রাষ্ট্র পরিচালনার মূলনীতি বলিয়া পরিগণিত হইবে। (গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধান - পঞ্চদশ সংশোধন আইন ২০১১- দ্বিতীয় ভাগ, রাষ্ট্র পরিচালনার মূলনীতি, পৃঃ ৪)
📄 গ) রাষ্ট্র থেকে ধর্ম বিয়োজিত
গ) রাষ্ট্র থেকে ধর্ম বিয়োজিত: ধারা: ১২। ধর্ম নিরপেক্ষতা নীতি বাস্তবায়নের জন্য (ক) সর্ব প্রকার সাম্প্রদায়িকতা, (খ) রাষ্ট্র কর্তৃক কোন ধর্মকে রাজনৈতিক মর্যাদা দান, (গ) রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে ধর্মীয় অপব্যবহার, (ঘ) কোন বিশেষ ধর্ম পালনকারী ব্যক্তির প্রতি বৈষম্য বা তাহার উপর নিপীড়ন, বিলোপ করা হইবে। (গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধান - পঞ্চদশ সংশোধন আইন ২০১১- দ্বিতীয় ভাগ, রাষ্ট্র পরিচালনার মূলনীতি, পৃ: ৪)
📄 ঘ) ঐক্য ও একক সত্তার ভিত্তি ইসলাম নয়, বরং ভাষা ও সংস্কৃতি
ঘ) ঐক্য ও একক সত্তার ভিত্তি ইসলাম নয়, বরং ভাষা ও সংস্কৃতি: ধারা: ৯। ভাষাগত ও সংস্কৃতিগত একক সত্তাবিশিষ্ট যে বাঙালী জাতি ঐক্যবদ্ধ ও সংকল্পবদ্ধ সংগ্রাম করিয়া জাতীয় মুক্তিযুদ্ধের মাধ্যমে বাংলাদেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব অর্জন করিয়াছেন, সেই বাঙালী জাতির ঐক্য ও সংহতি হইবে বাঙালী জাতীয়তাবাদের ভিত্তি। (গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধান - পঞ্চদশ সংশোধন আইন ২০১১- দ্বিতীয় ভাগ, রাষ্ট্র পরিচালনার মূলনীতি, পৃঃ ৪)