📘 মুসলিম বিশ্ব ও সমকালীন মাসায়েল 📄 শাইখুল ইসলাম ইবনে তাইমিয়া

📄 শাইখুল ইসলাম ইবনে তাইমিয়া


"ومن لم يحكم بما أنزل الله فأولئك هم الكافرون" قال: ولا ريب أن من لم يعتقد وجوب الحكم بما أنزل الله على رسوله فهو كافر، فمن استحل أن يحكم بين الناس بما يراه هو عدلاً من غير اتباع لما أنزل الله فهو كافر، فإنه ما من أمة إلا وهي تأمر بالحكم بالعدل وقد يكون العدل في دينها ما رآه أكابرهم، بل كثير من المنتسبين إلى الإسلام يحكمون بعاداتهم التي لم ينزلها الله سبحانه وتعالى كسوالف البادية وكأوامর المطاعين فيهم، ويرون أن هذا هو الذي ينبغي الحكم به دون الكتاب والسنة.
وَهَذَا هُوَ الْكُفْرُ فَإِنَّ كَثِيراً مِنْ النَّاسِ أَسْلَمُوا وَلَكِنْ مَعَ هَذَا لَا يَحْكُمُونَ إِلَّا بِالْعَادَاتِ الْجَارِيَةِ لَهُمْ الَّتِي يَأْمُرُ بِهَا الْمُطَاعُوْنَ، فَهُؤُلَاءِ إِذَا عَرَفُوْا أَنَّهُ لَا يَجُوْزُ الْحُকْمُ إِلَّا بِمَا أَنْزَلَ اللهُ فَلَمْ يَلْتَزِمُوْا ذَلِكَ، بَلْ اِسْتَحَلُّوْا أَنْ يَحْكُمُوْا بِخِلَافِ مَا أَنْزَلَ اللهُ فَهُمْ كُفَّارٌ، وَإِلَّا كَانُوْا جُهَالًا، كَمَنْ تَقَدَّمَ أَمْرُهُمْ. (مِنْهَاجُ السُّنَّةِ لِابْنِ تَيْمِيَّةَ، ٥/١٣٠)

“যে আল্লাহ কর্তৃক রাসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে প্রদত্ত বিধান মতে ফয়সালা করাকে আবশ্যকীয় মনে করে না, সে নিঃসন্দেহে কাফের। সুতরাং যে আল্লাহর বিধানের অনুসরণ না করে নিজে যেটিকে ন্যায় মনে করে সে অনুযায়ী ফয়সালা করাকে বৈধ মনে করে সে কাফের। কেননা প্রত্যেক জাতিই ন্যায়সঙ্গত ফয়সালা করে এবং তার ধর্মে সেটিই ন্যায়সঙ্গত যা তাদের বড়োরা ন্যায় মনে করে। বরং বহু মুসলমান নামধারী আল্লাহর আইনের পরিবর্তে নিজেদের রীতি-নীতি অনুযায়ী ফয়সালা করে, যেমন যাযাবরদের পূর্বসূরি এবং তাদের অনুসৃত নেতৃবৃন্দ। কিতাব ও সুন্নাহ’র পরিবর্তে এসবের মাধ্যমে ফয়সালা করাকে তারা মুনাসেব মনে করে।

এটিই হচ্ছে কুফর। কেননা অনেকেই ইসলাম গ্রহণ করা সত্ত্বেও তাদের নেতাদের নির্দেশিত প্রচলিত রীতি-নীতি মতে ফয়সালা করে। এরা যদি আল্লাহর বিধানের বিপরীত ফয়সালা দেয়া জায়েয নয় জেনেও আল্লাহর বিধানকে আঁকড়ে না ধরে, বরং আল্লাহর আইনের বিপরীত ফয়সালা করাকে বৈধ মনে করে তারা কাফের। অন্যথায় তারা জাহেল, যেমনিভাবে পূর্বে তাদের বিষয়ে আলোচনা হয়েছে।” (মিনহাজুস সুন্নাহ, ৫/১৩০)

📘 মুসলিম বিশ্ব ও সমকালীন মাসায়েল 📄 ইবনে আবিল ইয্য আলহানাফি

📄 ইবনে আবিল ইয্য আলহানাফি


قَالَ الْقَاضِي ابْنِ أَبِي الْعِزِّ الْحَنَفِي: وَهُنَا أَمْرٌ يَجِبُ أَنْ يَتَفَطَّنَ لَهُ وَهُوَ: أَنَّ الْحُكْمَ بِغَيْرِ مَا أَنْزَلَ اللهُ قَدْ يَكُوْنُ كُفْراً يَنْقُلُ عَنِ الْمِلَّةِ وَقَدْ يَكُوْنُ مَعْصِيَةً: كَبِيْرَةً أَوْ صَغِيْرَةً، وَيَكُوْنُ كُفْراً: إِمَّا مَجَازِيّاً، وَإِمَّا كُفْراً أَصْغَرَ، عَلَى الْقَوْلَيْنِ الْمَذْكُوْرِيْنِ. وَذَلِكَ بِحَسَبِ حَالِ الْحَاكِمِ: فَإِنَّهُ إِنِ اعْتَقَدَ أَنَّ الْحُكْمَ بِمَا أَنْزَلَ اللهُ غَيْرُ وَاجِبٍ وَأَنَّهُ مُخَيَّرٌ فِيْهِ أَوِ اسْتَهَانَ بِهِ مَعَ تَيَقُّنِهِ أَنَّهُ حُكْمُ اللهِ، فَهَذَا كُفْرٌ أَكْبَرُ. (شَرْحُ الْعَقِيْدَةِ الطَّحَاوِيَّةِ لِابْنِ أَبِي الْعِزِّ الْحَنَفِي، ٢/ ٩٥)

“এখানে একটি বিষয় ভালোভাবে বুঝে নেয়া উচিত, আর তা হচ্ছে- আল্লাহ তাআলার বিধান অনুযায়ী ফয়সালা না করা কখনো এমন কুফরের অন্তর্ভুক্ত হয়, যা তাকে ইসলাম থেকে বের করে দেয়। আর কখনো তা কবিরা বা সগিরা গুনাহ হিসেবে ধর্তব্য হয়। উপর্যুক্ত দুই মতানুযায়ী কখনো তা 'কুফরে মাজাযি' বা 'কুফরে আসগর' হয়। মূলত তা বিচারকের অবস্থা অনুযায়ী বিবেচ্য। যদি আল্লাহর আইন অনুযায়ী ফয়সালা করা আবশ্যকীয় নয় এবং এ বিষয়ে তার জন্য সুযোগ আছে মনে করে, অথবা তা আল্লাহ তাআলার হুকুম হওয়ার ব্যাপারে নিশ্চিত হওয়া সত্ত্বেও সেটিকে হালকা মনে করে, তাহলে এটি কুফরে আকবর।” (শরহুল আকিদাতিত তহাবিয়্যাহ, ২/৯৫)

📘 মুসলিম বিশ্ব ও সমকালীন মাসায়েল 📄 মুফতি মুহাম্মাদ শফি

📄 মুফতি মুহাম্মাদ শফি


অর্থাৎ জো লগ আল্লাহ কে নাজিল কিয়িয়ে হুয়ে আহকাম কো ওয়াজিব নেহি সমঝতে অউর উন পর ফয়সালা নেহি দিতে, বালকে উন কে খেলাফ ফয়সালা করতে হ্যাঁয়, ওহ কাফের ও মুনকির, জিন কি সাজা দায়েমি জাহান্নাম হ্যায়। (মাআরিফুল কুরআন, ৩/১৬১)

“যারা আল্লাহ তাআলা প্রদত্ত বিধানকে আবশ্যকীয় মনে করে না এবং সে অনুযায়ী ফয়সালা করে না, বরং তা পরিপন্থী ফয়সালা করে, তারা কাফের ও মুনকির। তাদের শাস্তি চিরস্থায়ী জাহান্নাম।” (মাআরিফুল কুরআন, ৩/১৬১)

অউর ঈমান অউর কুফর কি মজকুরা তারিফ সে ইয়ে ভি সাবিত হো গয়া কি কুফর সিরফ ইসি (ইমান ও ইরতিদাদের পরিচয়). কা নাম নেহি কি কোয়ি শখস আল্লাহ তাআলা ইয়া রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কো সিরে সে না মানে। বালকে ইয়ে ভি ইসি দরজা কা কুফর অউর না মাননে কা এক শোবা হ্যায় কি আনহযরত সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম সে জো আহকাম কতিয়ি ও ইয়াকিনি তৌর পর সাবিত হ্যাঁয় উন মেঁ সে কিসি এক হুকুম কে তাসলিম করনে সে (ইয়ে সমঝতে হুয়ে কি হুজুর সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কা হুকুম হ্যায়) ইনকার কর দিয়া যায়ে, আগার চে বাকি সব আহকাম কো তাসলিম করে অউর পুরে এহতেমাম সে সব পর আমিল হো। (জাওয়াহিরুল ফিকহ, তাকফিরের উসুল, ১/২৫)

“(ইমান ও ইরতিদাদের পরিচয়)..... ইমান ও কুফরের পূর্বে উল্লিখিত সংজ্ঞা থেকে এটাও প্রমাণিত হয়েছে যে, কুফর শুধু আল্লাহ ও আল্লাহর রাসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে না মানার নাম নয়। বরং রাসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে যে সকল বিধি-বিধান সুনিশ্চিতভাবে প্রমাণিত; রাসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের বিধান হিসেবে জানা সত্ত্বেও তা থেকে কোনো একটিকে গ্রহণ করতে প্রস্তুত না থাকাও এ পর্যায়ের কুফর এবং অস্বীকারের একটি দিক। যদিও অন্যান্য সকল বিধি-বিধানকে মেনে নেয়া হয় এবং পূর্ণ গুরুত্বের সহিত সেগুলো অনুযায়ী আমল করা হয়।” (জাওয়াহিরুল ফিকহ, ১/২৫)

📘 মুসলিম বিশ্ব ও সমকালীন মাসায়েল 📄 মুফতি আব্দুস সালাম চাটগামি

📄 মুফতি আব্দুস সালাম চাটগামি


আগার কোয়ি কাজি ইয়া ফয়সালা তলব করনে ওয়ালা কুরআন ও সুন্নাহ কে খেলাফ ফয়সালা করতা হ্যায় ইয়া করাতি হ্যায় অউর ওহ উস পর রাজি অউর খুশ হ্যায়, তো ফির গায়রে শরয়ি ফয়সালা করনে ওয়ালা কাজি অউর ফয়সালা তলব করনে ওয়ালা মুদদাই মুমিন নেহি রেহতা। (জাওয়াহিরুল ফাতাওয়া, ৩/১৬৩)

“যদি কোনো বিচারক বা বিচারপ্রার্থী কুরআন ও সুন্নাহ পরিপন্থী ফয়সালা করে বা করায় এবং তাতে সন্তুষ্ট থাকে, তাহলে শরিআতবিরোধী ফয়সালাদাতা বিচারক এবং বিচারপ্রার্থী ইমানের দাবিদার হতে পারে না।” (জাওয়াহিরুল ফাতাওয়া, ৩/১৬৩)

ফন্ট সাইজ
15px
17px