📘 মুসাফিরের পাথেয় 📄 শেষের তিনটি কথা

📄 শেষের তিনটি কথা


এই দীর্ঘ কথার পরিবর্তে তিনটি কথা এমন আছে, যা সহজেই মানসপটে অঙ্কন করে এবং প্রতিটি ক্ষণে মনে রাখা যায়। সালাফে সালেহীন সেসব কথা তাদের লেখা পত্রের মাঝে উল্লেখ করতেন। কথা তিনটি হলো,

১. যে ব্যক্তি নিজের অন্তরকে সংশোধন করে নেয়, আল্লাহ তার প্রকাশ্য অবস্থা সংশোধন করে দেন।
২. যে ব্যক্তি আল্লাহর সাথে তার নিজের মিলঝিল করে নেয়, আল্লাহ তাআলা মানুষের সাথে তার মিল করিয়ে দেন।
৩. যে ব্যক্তি আখিরাতের জন্য আমল করে, আল্লাহ তার দুনিয়ার জন্য যথেষ্ট হয়ে যান।

এসব পালনের তাওফীক একমাত্র আল্লাহ তাআলার কাছে। তিনি ছাড়া অন্য কোনো ইলাহ নেই। তিনিই একমাত্র প্রতিপালক।

আমার লেখার ভুল-ত্রুটিগুলো আল্লাহ তাআলা ক্ষমা করুন। এগুলো আসলে জ্বরে আক্রান্ত ব্যক্তির দীর্ঘশ্বাসের মতো। এসব মানসিক চাপে জর্জরিত এক ব্যক্তির কথা, যার ভেতরটা তলে তলে ক্ষয় হয়ে যাচ্ছে। কষ্টের সূচনা তার থেকেই এবং শেষও তারই মাঝে। কারও সাথে সে তা ভাগাভাগি করতে পারছে না। এই কষ্টের বাহ্যিক এবং অভ্যন্তরীণ প্রভাব কেবল সে-ই ভোগ করে চলছে।

যে তোমাদেরকে ভালোবাসে, সে তার থেকে দূরে থাকা লোকদের প্রভাবিত করতে চাইছে এসব কথার মাধ্যমে।

প্রত্যেক ব্যথিত ব্যক্তিই এ জাতীয় কথাকে নিজের সাথে যুক্ত করে থাকে। উদ্দেশ্য থাকে-মানসিক প্রশান্তি লাভ করা। তবে এটা অরণ্যে রোদনের মতো। এতে কোনো লাভ নেই। কারণ অন্তর কেবল নিজের স্থানেই স্থিতি লাভ করে। নিজের স্থান ছাড়া অন্য কারও জায়গাতে তা আসন গাঁড়তে পারে না। যেমন কোনো এক কবি বলেছেন, ‘অন্তরকে অন্য কোনো স্থানে পাত্রবিহীন অবস্থায় রাখলে, তা বিনষ্ট হয়ে যায়।’ কবির এ কথার অনেক মর্ম আছে। আমি অন্য এক জায়গায় তা লিখেছি।

ফন্ট সাইজ
15px
17px