📄 পরিশিষ্ট : গ্র্যান্ড মুফতি সামাহাতুশ শাইখ আব্দুল আজিজ বিন আব্দুল্লাহ আলুশ শাইখের অভিমত
যাবতীয় প্রশংসা জগৎসমূহের প্রতিপালক আল্লাহর জন্য নির্ধারিত। হে আল্লাহ, আপনার বান্দা ও রসুল, সর্বশ্রেষ্ঠ নবি ও রসুল, মুহাম্মাদের প্রতি, তাঁর সমুদয় সাহাবির প্রতি এবং কেয়ামত পর্যন্ত তাঁদেরকে উত্তমরূপে অনুসরণকারী ব্যক্তিবর্গের প্রতি সালাত, সালাম ও বরকত বর্ষণ করুন। অতঃপর :
আজ রাতে আমাদের সামনে অত্যন্ত মূল্যবান, উপকারী ও ফলপ্রসূ লেকচার পেশ করা হয়েছে। প্রত্যেক মুসলিমের জন্য খুবই জরুরি এই আলোচনার বিষয়গুলো অনুধাবন করা, যাতে সে জাগ্রত জ্ঞানের মাধ্যমে আল্লাহর ইবাদত করতে পারে, এবং কুরআন-সুন্নাহ-বিরোধী বাতিল ও বিরল মতবাদ থেকে বেঁচে থাকতে পারে।
লেকচারের বিষয় ছিল, ইমানের প্রকৃতত্ব (এবং মুরজিয়াদের বিদাত)। ইমানের মর্মার্থ কী, যা কুরআনের আয়াত এবং মুহাম্মাদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের হাদিস থেকে প্রমাণিত হয়েছে? যেমন আল্লাহ তায়ালা বলেছেন, “যারা অদৃশ্যের প্রতি ইমান রাখে।”
মহান আল্লাহ আরও বলেন, “(এই নেক আমলগুলো যারা করে) তারাই তো প্রকৃত মুমিন।” তিনি আরও বলেন, "আর আমাদের দায়িত্ব হলো মুমিনদের সাহায্য করা।” তিনি আরও বলেন, “নিশ্চয় আমাদের রসুলগণকে এবং যারা ইমান এনেছে তাদেরকে আমি সাহায্য করব পার্থিব জীবনে, আর যেদিন সাক্ষীবর্গ দণ্ডায়মান হবে (সেই কেয়ামত-দিবসে)।”
ইমান কী? ইমানের প্রকৃত বাস্তবতা কী? ইমানের মূল কী? নিশ্চয় এটি অত্যন্ত গুরুত্ববহ একটি বিষয়। মুসলিমরা মুস্তাফা সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের যুগে এবং খোলাফায়ে রাশেদিনের যুগে— যেসময় মুসলিমদের অন্তরে ইমান অনেক শক্তিশালী ছিল— বিশ্বাস করতেন, ইমান হলো অন্তরের বিশ্বাস, জবানের কথা এবং অঙ্গপ্রত্যঙ্গের কাজ; এখানে কাজ তথা আমল হলো ইমানের অংশ। তাঁরা বলতেন না, আমল ইমানের পূর্ণতার শর্ত। বরং তাঁরা বিশ্বাস করতেন, আমল ইমানের পরিচয়েরই একটি অংশ। তাই ইমান শব্দের মধ্যে যাবতীয় (ইবাদতমূলক) কথা, কাজ, এবং বিশ্বাস অন্তর্ভুক্ত হয়। ইমানের পরিচয় সবগুলোকেই শামিল করে এবং ইমানের মর্মার্থ সবগুলোকেই দাবি করে।
এজন্য তাঁরা আল্লাহর ইবাদত করেছেন; ইলম ও জাগ্রত জ্ঞানের ভিত্তিতে। তারা আল্লাহর রহমতের আশা করতেন এবং তাঁর আজাবের ভয় করতেন। যেমনভাবে কোনো মৃত্যুশয্যায় শায়িত ব্যক্তিকে যদি জিজ্ঞেস করা হয়, “তুমি তোমার অন্তরে কেমন অনুভব করছ?” তাহলে সে বলবে, “আল্লাহর কাছে মঙ্গল কামনা করছি, এবং আমার পাপের জন্য আশঙ্কাও করছি।”
নবিজি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, “কোনো বান্দার অন্তরে যদি এমনটি একত্রিত হয় তাহলে তাকে ক্ষমা করে দেওয়া হবে।”
সাহাবিগণ আল্লাহর প্রতি আশা এবং নিজেদের কৃত পাপের জন্য আশঙ্কাকে সমন্বয় করেছিলেন। আশা তাঁদেরকে (পাপকে) অবহেলা করতে প্ররোচিত করেনি, আবার ভয়ও তাদেরকে নিরাশ ও হতাশ হতে উদ্বুদ্ধ করেনি। বরং তাঁরা একইসাথে ভয় করতেন এবং আশাও রাখতেন। মহান আল্লাহ বলেছেন, “যে ব্যক্তি রাতের বিভিন্ন প্রহরে সিজদাবনত হয়ে ও দাঁড়িয়ে আনুগত্য করে, পরকালকে ভয় করে এবং তার রবের অনুগ্রহ প্রত্যাশা করে, (সে কি তার মতো যে তা করে না?)।”
ইসলামের প্রথম যুগের মানুষরাও মনে করতেন, শরিয়তের অবাধ্য হওয়া ব্যক্তি একজন পাপী লোক, তাঁরা তাকে ইমানের পরিচয়ের আওতা থেকে বের করে দিতেন না, আবার তাকে পরিপূর্ণ ইমানের পরিচয়ও দিতেন না। তাঁরা মনে করতেন, একজন লোক মুমিন হওয়া সত্ত্বেও জাহেলি যুগের আচরণ ও ছোটো কুফরমূলক কর্মকাণ্ডে নিপাতিত হতে পারেন। যেমন আবু জার রাদিয়াল্লাহু আনহু জনৈক ব্যক্তিকে তাঁর মা তুলে ভর্ৎসনা করলে নবিজি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাঁর উদ্দেশে বলেন, «إِنَّكَ امْرُؤٌ فِيكَ جَاهِلِيَّة». “নিশ্চয়ই তুমি এমন লোক, যার মধ্যে জাহেলি যুগের স্বভাব আছে।”
সাহাবিগণ মনে করতেন, ইমানের পরিচয় একজন মুসলিমের ক্ষেত্রে ব্যবহার করা যায়, যদিও তার মাঝে শরিয়তবিরোধী বিষয়াদি বিদ্যমান থাকে। অনুরূপভাবে একজন লোক মুমিন হওয়া সত্ত্বেও নিজের মধ্যে মুনাফেকির বৈশিষ্ট্য ধারণ করতে পারে। যেমন নবিজি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম মুনাফেকের ব্যাপারে বলেছেন, «آيَةُ الْمُنَافِقِ ثَلَاثُ إِذَا حَدَّثَ كَذَبَ وَإِذَا وَعَدَ أَخْلَفَ وَإِذَا اؤْتُمِنَ خَانَ». “মুনাফেকের আলামত তিনটি; কথা বললে মিথ্যা বলে, ওয়াদা দিলে খেলাপ করে এবং আমানত দেওয়া হলে খেয়ানত করে।” তিনি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আরও বলেছেন, «لا يَزْنِي الزَّانِي حِينَ يَزْنِي وَهُوَ مُؤْمِنٌ وَلَا يَشْرَبُ الْخَمْرَ حِينَ يَشْرَبُ وَهُوَ مُؤْمِنٌ وَلَا يَنْتَهِبُ نُهْبَةً يَرْفَعُ النَّاسُ إِلَيْهِ فِيهَا أَبْصَارَهُمْ حِينَ يَنْتَهِبُهَا وَهُوَ مُؤْمِنٌ».
“কোনো ব্যভিচারী মুমিন অবস্থায় ব্যভিচার করে না এবং কোনো মদ্যপায়ী মুমিন অবস্থায় মদ পান করে না। কোন লুটতরাজকারী মুমিন অবস্থায় এরূপ লুটতরাজ করে না যে, যখন সে লুট করে তখন তার প্রতি লোকজন চোখ তুলে তাকিয়ে থাকে।”
এ সত্ত্বেও উক্ত ব্যক্তির লুটতরাজ, চুরি ও মদ্যপান তাকে ইমানের পরিচয়ের গণ্ডি থেকে বের করে দেয়নি। কিন্তু এসব বিষয় তার ইমানকে দুর্বল করে দেয় এবং তার ইমানকে ত্রুটিপূর্ণ করে তোলে, পরিপূর্ণ ইমান আনয়ন করে না।
আবার সাহাবিগণ পাপী লোকদেরকে স্রেফ তাদের পাপের জন্য কাফির বলতেন না। কিন্তু তাঁরা বলতেন, এ সমস্ত লোক ফাসিক, কবিরা-গুনাহগার। তবে তারা পাপের জন্য কাফির বলতেন না।
অনন্তর যখন আলি রাদিয়াল্লাহু আনহুর খেলাফত-আমলের সায়াহ্নে খারেজিদের উত্থান ঘটল এবং খারেজিরা তাদের এই কদর্য ও জঘন্য বিদাত জাহির করল—যে ব্যক্তিই পাপকাজ করবে, সে কাফির হয়ে যাবে, আর যে কাফির হবে তার জান-মাল হয়ে যাবে হালাল; ইমান বিভাজিত হতে পারে না, হয় পূর্ণাঙ্গ ইমান থাকবে, আর নয়তো পূর্ণাঙ্গ কুফর। যখন তারা এগুলো জাহির করল, তখন তারা এমন ভ্রষ্ট বিদাত আনয়ন করল, যার দরুন তারা মুসলিমদের বিরুদ্ধে যুদ্ধে রত হয়েছিল এবং তাদের জান-মাল হালাল গণ্য করেছিল।
ফলে আলি রাদিয়াল্লাহু আনহু ও তাঁর সাথে সাহাবিগণও এই অনিষ্টকর ভ্রষ্ট বিদাতের জন্য তাদের বিরুদ্ধে যুদ্ধে অবতীর্ণ হন, যে বিদাতের দরুন তারা মুসলিমদেরকে কাফির ফতোয়া দিয়েছিল, শুধু কোনো পাপ বা ভুলে পতিত হওয়ার কারণে। তাঁরা ওই সম্প্রদায়ের বিরুদ্ধে কুফর ও ভ্রষ্টতার ফতোয়া আরোপ করেছিলেন। এজন্য নবিজি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম খারেজিদের ব্যাপারে বলেছেন, «تحقرون صلاتكم مع صلاتهم، وقراءتكم مع قراءتهم، يمرقون من الدين كما يمرق السهم من الرمية». “তাদের নামাজের তুলনায় তোমরা তোমাদের নামাজকে তুচ্ছ ভাববে। তাদের কেরাতের তুলনায় তোমরা তোমাদের কেরাতকে তুচ্ছ ভাববে। তারা দ্বীন থেকে বের হয়ে যাবে, যেমনভাবে তির শিকার ভেদ করে বেরিয়ে যায়।”
হিজরি প্রথম শতাব্দীর শেষের দিকে খারেজিদের একটি বিরোধী ফের্কার উদ্ভব হয়, যারা আমলকে ইমান থেকে পিছিয়ে দেওয়ার মত পোষণ করে (অর্থাৎ তাদের মতে আমল ইমানের অন্তর্ভুক্ত নয়)। বরং তারা অতিরঞ্জন করে এমনও বলে যে, ইমান ও আমলের মধ্যে কোনো সম্পর্ক নাই। আমল এক জিনিস, ইমান আরেক জিনিস! তাদের এ বক্তব্যের উদ্দেশ্য-আমল ইমানের অন্তর্ভুক্ত নয়।
আবু হানিফার বক্তব্য সরাসরি এমন নয়। বরং আবু হানিফা বলতেন, আমল ও ইমান আলাদা; কিন্তু ইমানের দাবি হলো আমল করা। তিনি এমনটি মনে করতেন না যে, আমল পরিত্যাগকারী সঠিক অবস্থানে আছে। বরং (তাঁর কাছে) আমল পরিত্যাগের ফলে উক্ত ব্যক্তি পাপী হিসেবেই বিবেচিত হবে। কিন্তু আবু হানিফা এটা বলতেন না যে, আমল ইমানেরই অংশ। তিনি আহলুস সুন্নাহর সাথে এ বিষয়ে একমত ছিলেন যে, শরিয়তের অবাধ্যতা ও শরিয়ত লঙ্ঘন করা ব্যক্তি ফাসিক। কিন্তু বিদাতি মুরজিয়ারা বলে, আমল ও ইমান সম্পূর্ণ আলাদা বিষয়, কোনোভাবেই বিষয়দুটোর মাঝে কোনো সম্পর্ক নেই। তাদের এই মতাদর্শ কুরআনের দলিলপ্রমাণকে মিথ্যা-প্রতিপন্নকারী।
বরং তারা বলে—যেমনটি শাইখ ইঙ্গিত করেছেন—ইমানের জন্য স্রেফ অন্তরের বিশ্বাসই যথেষ্ট, অথবা শুধু আল্লাহকে জানাই যথেষ্ট, কিংবা আল্লাহর ব্যাপারে অজ্ঞ না থাকাই যথেষ্ট। এগুলো এমনসব কথা, তারা যদি এগুলোর প্রকৃত বাস্তবতা নিয়ে চিন্তা করত, তাহলে এমন মতাদর্শের দিকে তারা অগ্রসর হতো না। তাদের কেউ যদি এসব কথার ফলে অপরিহার্যভাবে চলে আসা বিষয়াদি ও কথাগুলোর পরিণাম চিন্তা করত, তাহলে কখনোই তারা এ জাতীয় মতাদর্শের দিকে যেত না। কিন্তু তাদের কেউ কেউ তাকলিদ করে এসব মতাদর্শ গ্রহণ করেছে, আবার কেউ কেউ জেনেশুনেই এগুলো বলেছে তাদের অন্তরে থাকা মুনাফেকি ও ব্যাধির কারণে।
এসব থেকে বেঁচে আছে কেবল আহলুস সুন্নাহ, যাঁরা এ বিষয়ে অন্যায়ভাবে কাফির আখ্যাদাতা খারেজি-মুতাজিলি গোষ্ঠী এবং পথভ্রষ্ট মুরজিয়া গোষ্ঠীীর মাঝে মধ্যপন্থি। তারা এই দুটো বিপথগামী ফের্কার মাঝে মধ্যপন্থি। আহলুস সুন্নাহ বলে, নিশ্চয় ইমান কথা, কাজ ও বিশ্বাসের নাম। আহলুস সুন্নাহ মনে করে, নিশ্চয় আমল ইমানের অংশ। আহলুস সুন্নাহ বলে, স্রেফ পাপের ফলে একজন মুমিন ইসলামের গণ্ডি থেকে বের হয়ে যায় না; সে কেবল তখনই ইসলামের গণ্ডি থেকে বের হয়ে যায়, যখন ইমানের মূলনীতি-বিনাশী কোনো বিষয় আনয়ন করে। যেমন দেখা গেল, সে আল্লাহর সিফাত অস্বীকার করে, কিংবা গাইরুল্লাহর ইবাদত করে, অথবা শরিয়তের কোনো হারাম বিষয়ে হালাল বলে বিশ্বাস করে, বা কোনো হালাল বিষয়ে হারাম বলে বিশ্বাস করে।
হারামকে হালাল বলে বিশ্বাস করা কিংবা হালালকে হারাম বলে বিশ্বাস করা বড়ো কুফর হওয়ার ব্যাপারে উম্মতের সবাই একমত। কিন্তু আহলুস সুন্নাহ (বড়ো কুফর নয় এমন) গুনাহ ও পাপকাজকেই কুফরকে অপরিহার্যকারী বড়ো কুফর সাব্যস্ত করেনি। বরং আল্লাহর হারামকৃত বিষয় সম্পাদনকারীকে ইসলামের গণ্ডি থেকে বের না করে দিয়ে তারা তাকে ফাসিক (পাপী) আখ্যা দেয়। এজন্য কাউকে কাফির বলা, ফাসিক বলা ও বিদাতি বলার ব্যাপারগুলো আহলুস সুন্নাহর কাছে শরয়ি নীতিমালা অনুযায়ী সুশৃঙ্খলিত।
পক্ষান্তরে খারেজি ও মুতাজিলিদের কাছে এসব বলার পদ্ধতি—নিজেদের খেয়ালখুশি, আল্লাহর কাছে পানা চাই। আর মুরজিয়া সম্প্রদায়ের লোকেরা, যারা দুনিয়ায় কোনো কাফির আছে বলে মনে করে না, তারা আল্লাহর শরিয়তকে বাতিল করেছে এবং পাপিষ্ঠ ও পাপাচারী ব্যক্তিকে সাব্যস্ত করেছে ইমানের তরিকার ওপর প্রতিষ্ঠিত! কুরআনে এসেছে, “তবে কি আমরা (রবের অনুগত) মুসলিমদেরকে অপরাধীদের সমান গণ্য করব? তোমাদের কী হয়েছে, তোমরা এ কেমন সিদ্ধান্ত দিচ্ছ?!” এরাও নিজেদের চিন্তাধারা ও খেয়ালখুশিকে ফয়সালাকারী বানিয়ে নিয়েছে।
শাইখ এই লেকচারে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ কিছু মূলনীতি বর্ণনা করেছেন। যদিও এ বিষয়টি গুরুতর লড়াইয়ের জায়গা। এক্ষেত্রে কতজনের সমঝই না বিপথগামী হয়েছে এবং কতজনই না হয়রান-পেরেশান হয়েছে! কিন্তু মহান আল্লাহ শাইখকে যেই সূক্ষ্ম সমঝ এবং ইলম ও বয়ানের দৃঢ়তা দিয়ে তৌফিকপ্রাপ্ত বান্দা করেছেন, তা এই স্বল্প সময়ের মধ্যে এমন আলোচনাকে উত্তমরূপে নির্গত করেছে। শাইখ এ বিষয়ক সংশয় দূর করেছেন, (হককে আচ্ছন্নকারী) পর্দা উন্মোচিত করেছেন এবং হকের ব্যাখ্যা দিয়েছেন ও হককে স্পষ্ট করেছেন। নিঃসন্দেহে এটি আল্লাহর তরফ থেকে আসা তৌফিক ও হেদায়েত, যা দিয়ে আল্লাহ মুমিনের অন্তরকে সঠিক পথের দিশা দিয়ে থাকেন।
হে আল্লাহ, হে জিবরিল, মিকাইল ও ইসরাফিলের রব, হে আসমান ও জমিনের সৃষ্টিকর্তা, হে দৃশ্য ও অদৃশ্যের পরিজ্ঞাতা! আপনিই আপনার বান্দাদের মধ্যকার মতপার্থক্যে ফায়সালা করে দিন। হে আল্লাহ, হকের ব্যাপারে যে ইখতিলাফ করা হয়েছে, এ সম্পর্কে আপনার ইচ্ছায় আমাকে সরল সঠিক পথ দেখান। কারণ আপনি যাকে ইচ্ছা সরল পথ দেখিয়ে থাকেন।
মানুষদের মধ্যকার মতপার্থক্যে আল্লাহ যাকে সুস্পষ্ট হক এবং কুরআন ও রসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের সুন্নাহ মোতাবেক সঠিক মানহাজের দিশা দেন, তাকে সঠিক পথের হেদায়েতই দেওয়া হয়েছে। কেননা কুরআনের দলিলপ্রমাণে কোনো মতদ্বৈধতা ও বৈপরীত্য নেই, সুন্নাহর দলিলগুলোতেও বৈপরীত্য নেই। বরং যাকে আল্লাহ তৌফিক দিয়েছেন এবং হেদায়েত দিয়েছেন, তার কাছে এসব দলিল সুস্পষ্ট নিদর্শন। আল্লাহর কাছে আমি সবার জন্য তৌফিক চাইছি। আর নবি মুহাম্মাদের জন্য আল্লাহ সালাত ধার্য করুন।
সমাপ্ত, আলহামদুলিল্লাহ।
টিকাঃ
২১৬ আল-কুরআন, ২ (সুরা বাকারা): ৩।
২১৭ আল-কুরআন, ৮ (সুরা আনফাল) : ৪।
২১৮ আল-কুরআন, ৩০ (সুরা রুম) : ৪৭।
২১৯ আল-কুরআন, ৪০ (সুরা গাফির) : ৫১।
২২০ তিরমিজি, হা. ৯৮৩; ইবনু মাজাহ, হা. ৪২৬১; বর্ণনার মান : সহিহ।
২২১ আল-কুরআন, ৩৯ (সুরা জুমার): ৯।
২২২ আল-বুখারি, আস-সহিহ, হা. ৬০৫০; মুসলিম বিন হাজ্জাজ, আস-সহিহ, হা. ১৬৬১।
২২৩ আল-বুখারি, আস-সহিহ, হা. ৩৩, মুসলিম বিন হাজ্জাজ, আস-সহিহ, হা. ৫৯।
২২৪ আল-বুখারি, আস-সহিহ, হা. ২৪৭৫; হাদিসে চোরের ব্যাপারেও একই কথা বলা হয়েছে, কিন্তু শাইখ হাফিজাহুল্লাহ বাক্যটি উল্লেখ করেননি। – অনুবাদক।
২২৫ অনুবাদকের টীকা: খারেজিরা কাফির, না কাফির নয়-এ বিষয়ে আহলুস সুন্নাহর উলামাদের মাঝে খুবই শক্তিশালী ইখতিলাফ (মতদ্বৈধতা) আছে। অধিকাংশ উলামার মতে, খারেজিরা কাফির নয়। আরেকদল উলামার মতে, খারেজিরা কাফির। আর আল্লাহই সর্বাধিক অবগত। বিস্তারিত দ্রষ্টব্য: ইবতিহাজ বিনতু আব্দিল্লাহ আশ-শালান, আকওয়ালু আইম্মাতি আহলিস সুন্নাহ ফিল হুকমি আলাল খাওয়ারিজ (রিয়াদ: দারুস সামিয়ি, ১ম প্রকাশ, ১৪৩৪ হি./২০১৩ খ্রি.), পৃ. ৯৬-১১৫, ১৩৭-১৬৩, ১৭৯-৩৫২।
২২৬ হাদিসটির মূল দ্রষ্টব্য: আল-বুখারি, আস-সহিহ, হা. ৬৯৩১; মুসলিম বিন হাজ্জাজ, আস-সহিহ, হা. ১৫৬৬।
২২৭ আল-কুরআন, ৬৮ (সুরা কালাম): ৩৫-৩৬।
📄 অনুবাদকদ্বয়ের গ্রন্থপঞ্জি
১. মুহাম্মাদ ইবনু সাদ আল-হাশিমি (মৃ. ২৩০ হি.)। আত-তাবাকাতুল কুবরা। তাহকিক : মুহাম্মাদ আব্দুল কাদির আতা। বৈরুত: দারুল কুতুবিল ইলমিয়্যা, ১ম প্রকাশ, ১৪১০ হি./১৯৯০ খ্রি।
২. আবু আব্দুল্লাহ মুহাম্মাদ বিন ইসমায়িল আল-বুখারি (মৃ. ২৫৬ হি.)। আস-সহিহ আল-জামি। পরিশীলন : মুহাম্মাদ আজ-জুহাইর আন-নাসির। বৈরুত : দারু তাওকিন নাজাত, ১৩১১ হিজরিতে সুলতান দ্বিতীয় আব্দুল হামিদের ফরমানে মিশরের আল-মাতবাআতুল কুবরা আল-আমিরিয়্যায় মুদ্রিত কপির ওপর ভিত্তি করে প্রকাশিত, ১ম প্রকাশ, ১৪২২ হি.।
৩. আবুল হুসাইন মুসলিম বিন হাজ্জাজ আল-কুশাইরি আন-নাইসাবুরি (মৃ. ২৬১ হি.)। আল-জামি আস-সহিহ। তাহকিক : আহমাদ বিন রিফআত, মুহাম্মাদ ইজ্জাত বিন উসমান ও মুহাম্মাদ শুকরি বিন হাসান। পরিশীলন: মুহাম্মাদ জুহাইর আন-নাসির। বৈরুত : দারু তাওকিন নাজাত, তুরস্কের দারুত তাবাআতিল আমিরায় মুদ্রিত কপির ওপর ভিত্তি করে শাইখ ফুআদ আব্দুল বাকির সংখ্যায়নে প্রকাশিত, ১ম প্রকাশ, ১৪৩৩ হি.।
৪. আবু আব্দুর রহমান আহমাদ বিন শুয়াইব আন-নাসায়ি (মৃ. ৩০৩ হি.)। আস-সুনানুল কুবরা। তাহকিক : হাসান আব্দুল মুনয়িম শালাবি। বৈরুত : মুআসসাসাতুর রিসালা, ১ম প্রকাশ, ১৪২১ হি./২০০১ খ্রি.।
৫. আবু জাফার মুহাম্মাদ বিন জারির আত-তাবারি (মৃ. ৩১০ হি.)। জামিউল বায়ান আন তাবিলি আয়িল কুরআন। তাহকিক : আব্দুল্লাহ আত-তুর্কি। দারু হাজার, ১ম প্রকাশ, ১৪২২ হি./২০০১ খ্রি.।
৬. আবু বকর মুহাম্মাদ বিন ইসহাক ইবনু খুজাইমা (মৃ. ৩১১ হি.) কিতাবুত তাওহিদ ওয়া ইসবাতু সিফাতির রব। তাহকিক : আব্দুল আজিজ বিন ইবরাহিম আশ-শাহওয়ান। রিয়াদ : মাকতাবাতুর রুশদ, ৫ম প্রকাশ, ১৪১৪ হি./১৯৯৪ খ্রি.।
৭. আবু মানসুর মুহাম্মাদ বিন আহমাদ আল-আজহারি (মৃ. ৩৭০ হি.)। তাহজিবুল লুগাহ। তাহকিক : মুহাম্মাদ আওয়াদ মুরয়িব। বৈরুত : দারু ইহইয়ায়িত তুরাসিল আরাবি, ১ম প্রকাশ, ২০০১ খ্রি.।
৮. আবু আব্দুল্লাহ উবাইদুল্লাহ বিন মুহাম্মাদ ইবনু বাত্তাহ আল-উকবারি (মৃ. ৩৮৭ হি.)। আল-ইবানা আন শারিয়াতিল ফিরকাতিন নাজিয়াতি ওয়া মুজানাবাতুল ফিরাকিল মাজমুমা। তাহকিক : ওয়ালিদ বিন মুহাম্মাদ নাসর। রিয়াদ: দারুর রায়াহ, ১ম প্রকাশ, ১৪১৫ হি.।
৯. আবুল কাসিম হিবাতুল্লাহ বিন হাসান আত-তাবারি আর-রাজি আল-লালাকায়ি (মৃ. ৪১৮ হি.)। শারহু উসুলি ইতিকাদি আহলিস সুন্নাতি ওয়াল জামাআহ। তাহকিক : আহমাদ আল-গামিদি। আলেকজান্দ্রিয়া: দারুল বাসিরা, ৮ম প্রকাশ, ১৪২৩ হি./২০০৩ খ্রি.।
১০. কাদি আবু ইয়ালা মুহাম্মাদ বিন হুসাইন আল-ফারা আল-হাম্বালি (মৃ. ৪৫৮ হি.)। আল-উদ্দাহ ফি উসুলিল ফিকহ। তাহকিক : আহমাদ আল-মুবারাকি। প্রকাশনার নামবিহীন, ২য় প্রকাশ, ১৪১০ হি./১৯৯০ খ্রি.।
১১. আবু ইসমায়িল আল-হারাউয়ি (মৃ. ৪৮১ হি.)। জাম্মুল কালামি ওয়া আহলিহি। তাহকিক : আব্দুর রহমান বিন আব্দুল আজিজ আশ-শিবল। মদিনা : মাকতাবাতুল উলুমি ওয়াল হিকাম, ১ম প্রকাশ, ১৪১৬ হি./১৯৯৬ খ্রি. - ১৪২২ হি./২০০২ খ্রি.।
১২. মুহাম্মাদ বিন মুহাম্মাদ আল-গাজালি (মৃ. ৫০৫ হি.)। আল-মুস্তাসফা। তাহকিক : মুহাম্মাদ আব্দুস সালাম আব্দুশ শাফি। বৈরুত : দারুল কুতুবিল ইলমিয়্যা, ১ম প্রকাশ, ১৪১৩ হি./১৯৯৩ খ্রি.।
১৩. আবুল ওয়াফা আলি ইবনু আকিল আল-বাগদাদি আল-হাম্বালি (মৃ. ৫১৩ হি.)। আল-ওয়াদিহ ফি উসুলিল ফিকহ। তাহকিক : আব্দুল্লাহ আত-তুর্কি। বৈরুত : মুআসসাসাতুর রিসালা, ১ম প্রকাশ, ১৪২০ হি./১৯৯৯ খ্রি.।
১৪. মুওয়াফফাকুদ্দিন আব্দুল্লাহ বিন আহমাদ ইবনু কুদামা আল-মাকদিসি (মৃ. ৬২০ হি.)। রওদাতুন নাজির ওয়া জুন্নাতুল মুনাজির। তাহকিক : ড. শাবান মুহাম্মাদ ইসমায়িল। বৈরুত : মুআসসাসাতুর রাইয়্যান, ২য় প্রকাশ, ১৪২৩ হি./২০০২ খ্রি.।
১৫. নাজমুদ্দিন আবুর রাবি সুলাইমান বিন আব্দুল কাউয়ি আত-তুফি (মৃ. ৭১৬ হি.)। শারহু মুখতাসারির রওদা। তাহকিক : আব্দুল্লাহ আত-তুর্কি। বৈরুত : মুআসসাসাতুর রিসালা, ১ম প্রকাশ, ১৪০৭ হি./১৯৮৭ খ্রি.।
১৬. আবুল আব্বাস আহমাদ বিন আব্দুল হালিম ইবনু তাইমিয়া আল-হারানি আন-নুমাইরি (মৃ. ৭২৮ হি.)। মিনহাজুস সুন্নাতিন নাবাবিয়্যা ফি নাকদি কালামিশ শিআতিল কাদারিয়া। তাহকিক : মুহাম্মাদ রাশাদ সালিম। রিয়াদ : ইমাম মুহাম্মাদ বিন সাউদ বিশ্ববিদ্যালয়, ১ম প্রকাশ, ১৪০৬ হি./১৯৮৬ খ্রি.।
১৭. আবুল আব্বাস আহমাদ বিন আব্দুল হালিম ইবনু তাইমিয়া আল-হারানি আন-নুমাইরি (মৃ. ৭২৮ হি.)। মাজমুউল ফাতাওয়া লি শাইখিল ইসলাম। সংকলন ও বিন্যাস : আব্দুর রহমান ইবনু কাসিম। মদিনা : কিং ফাহাদ গ্লোরিয়াস কুরআন প্রিন্টিং কমপ্লেক্স, ১৪২৫ হি./২০০৪ খ্রি.।
১৮. আবুল আব্বাস আহমাদ বিন আব্দুল হালিম ইবনু তাইমিয়া আল-হারানি আন-নুমাইরি (মৃ. ৭২৮ হি.)। আল-ইমান। তাহকিক : মুহাম্মাদ নাসিরুদ্দিন আল-আলবানি। আম্মান : আল-মাকতাবুল ইসলামি, ৫ম প্রকাশ, ১৪১৬ হি./১৯৯৬ খ্রি.।
১৯. আবুল আব্বাস আহমাদ বিন আব্দুল হালিম ইবনু তাইমিয়া আল-হারানি (মৃ. ৭২৮ হি.)। শারহুল আকিদাতিল আসফাহানিয়্যা। তাহকিক : মুহাম্মাদ বিন রিয়াদ আল-আহমাদ। বৈরুত : আল-মাকতাবাতুল আসরিয়্যা, ১ম প্রকাশ, ১৪২৫ হি.।
২০. আবু আব্দুল্লাহ মুহাম্মাদ বিন আবু বকর ইবনুল কাইয়্যিম আল-জাওজিয়্যা (মৃ. ৭৫১ হি.)। মিফতাহু দারিস সাআদাহ ওয়া মানশুরু ওয়ালাইয়াতিল ইলমি ওয়াল ইরাদা। তাহকিক : আব্দুর রহমান বিন হাসান বিন কায়িদ। রিয়াদ: দারু আতাআতিল ইলম, ৩য় প্রকাশ, ১৪৪০ হি./২০১৯ খ্রি.।
২১. আবু আব্দুল্লাহ মুহাম্মাদ বিন আবু বকর ইবনুল কাইয়্যিম আল-জাওজিয়্যা (মৃ. ৭৫১ হি.)। আস-সাওয়ায়িকুল মুরসালা আলাল জাহমিয়্যাতি ওয়াল মুয়াত্তিলা। তাহকিক : হুসাইন বিন উক্বাশা বিন রমদান। রিয়াদ : দারু আতাআতিল ইলম; বৈরুত : দারু ইবনু হাজম, ১ম প্রকাশ, ১৪৪২ হি./২০২০ খ্রি.।
২২. আবুল ফিদা ইসমায়িল বিন উমার ইবনু কাসির আল-কুরাশি আদ-দিমাশকি (মৃ. ৭৭৪ হি.)। তাফসিরুল কুরআনিল আজিম। তাহকিক : মুহাম্মাদ হুসাইন শামসুদ্দিন। বৈরুত : দারুল কুতুবিল ইলমিয়্যা, ১ম প্রকাশ, ১৪১৯ হি.।
২৩. আলাউদ্দিন আলি বিন মুহাম্মাদ ইবনু আবিল ইজ আল-হানাফি (মৃ. ৭৯২ হি.)। শারহুল আকিদাতিত তাহাবিয়্যা। তাহকিক : শুওয়াইব আল-আরনাউত ও আব্দুল্লাহ বিন মুহসিন আত-তুর্কি। বৈরুত : মুআসসাসাতুর রিসালা, ১০ম প্রকাশ, ১৪১৭ হি./১৯৯৭ খ্রি.।
২৪. জাইনুদ্দিন আব্দুর রহমান বিন আহমাদ ইবনু রজব আল-হাম্বালি (মৃ. ৭৯৫ হি.)। ফাতহুল বারি শারহু সহিহিল বুখারি। তাহকিক : মাহমুদ বিন শাবান ও অন্যান্য। মদিনা : মাকতাবাতুল গুরাবায়িল আসারিয়্যা, ১ম প্রকাশ, ১৪১৭ হি./১৯৯৬ খ্রি.।
২৫. হাফিজ আহমাদ বিন আলি ইবনু হাজার আল-আসকালানি (মৃ. ৮৫২ হি.)। ফাতহুল বারি বি শারহি সহিহিল বুখারি। পরিশীলন : মুহিব্বুদ্দিন আল-খতিব। বৈরুত : দারিল মারিফা, আব্দুল আজিজ ইবনু বাজের টীকা-সংবলিত, প্র. ১৩৭৯ হি.।
২৬. বুরহানুদ্দিন ইবনু মুফলিহ আল-হাম্বালি (মৃ. ৮৮৪ হি.)। আল-মুবদি ফি শারহিল মুকনি। বৈরুত: দারুল কুতুবিল ইলমিয়্যা, ১ম প্রকাশ, ১৪১৮ হি./১৯৯৭ খ্রি.।
২৭. আবুল বাকা মুহাম্মাদ বিন আহমাদ ইবনুন নাজ্জার আল-ফুতুহি আল-হাম্বালি (মৃ. ৯৭২ হি.)। শারহুল কাওকাবিল মুনির। তাহকিক : মুহাম্মাদ জুহাইলি ও নাজিহ হাম্মাদ। রিয়াদ : মাকতাবাতুল উবাইকান, ২য় প্রকাশ, ১৪১৮ হি./১৯৯৭ খ্রি.।
২৮. মুহাম্মাদ বিন আলি আশ-শাওকানি (মৃ. ১২৫০ হি.)। ইরশাদুল ফুহুল ইলা তাহকিকিল হাক্কি মিন ইলমিল উসুল। তাহকিক : আহমাদ ইজ্জু ইনায়া। দেমাস্ক : দারুল কিতাবিল আরাবি, ১ম প্রকাশ, ১৪১৯ হি./১৯৯৯ খ্রি.।
২৯. মুহাম্মাদ আনওয়ার বিন মুআজ্জাম শাহ আল-কাশ্মিরি (মৃ. ১৩৫২ হি.)। ফাইদুল বারি আলা সহিহিল বুখারি। তাহকিক : মুহাম্মাদ বদর আলম মিরাঠী। বৈরুত : দারুল কুতুবিল ইলমিয়্যা, ১ম প্রকাশ, ১৪২৬ হি./২০০৫ খ্রি.।
৩০. আব্দুর রহমান বিন নাসির আলু সাদি (মৃ. ১৩৭৬ হি.)। আত-তাম্বিহাতুল লাতিফা ফিমা ইহতাওয়াত আলাইহিল ওয়াসিতিয়্যাতু মিনাল মাবাহিসিল মুনিফা। রিয়াদ : দারু তাইবা, ১ম প্রকাশ, ১৪১৪ হি.।
৩১. মুহাম্মাদ আল-আমিন আশ-শানকিতি (মৃ. ১৩৯৩ হি.)। মুজাক্কিরাতু উসুলিল ফিকহ। রিয়াদ : দারু আতাআতিল ইলম, ১ম প্রকাশ, ১৪৪১ হি./২০১৯ খ্রি.।
৩২. মুহাম্মাদ আল-আমিন আশ-শানকিতি (মৃ. ১৩৯৩ হি.)। আদাবুল বাহসি ওয়াল মুনাজারা। তাহকিক : সাউদ বিন আব্দুল আজিজ আল-আরিফি। রিয়াদ : দারু আতাআতিল ইলম, ৫ম প্রকাশ, ১৪৪১ হি./২০১৯ খ্রি.।
৩৩. আব্দুল আজিজ বিন আব্দুল্লাহ বিন বাজ (মৃ. ১৪২০ হি.)। আত-তালিকাতুল বাজিয়্যা আলা শারহিত তাহাউয়িয়্যা। রিয়াদ : দারু ইবনিল আসার, ১ম প্রকাশ, ১৪২৯ হি./২০০৮ খ্রি.।
৩৪. মুহাম্মাদ নাসিরুদ্দিন আল-আলবানি (মৃ. ১৪২০ হি.)। আল-আকিদাতুত তাহাবিয়্যা শারহ ওয়া তালিক। রিয়াদ : মাকতাবাতুল মাআরিফ, প্র. ১৪২২ হি./২০০১ খ্রি.।
৩৫. মুহাম্মাদ নাসিরুদ্দিন আল-আলবানি (মৃ. ১৪২০ হি.)। সহিহ সুনানি আবি দাউদ। কুয়েত : মুআসসাসাতু গিরাস, ১ম প্রকাশ, ১৪২৩ হি./২০০২ খ্রি.।
৩৬. মুহাম্মাদ নাসিরুদ্দিন আল-আলবানি (মৃ. ১৪২০ হি.)। সহিহুত তারগিবি ওয়াত তারহিব। রিয়াদ : মাকতাবাতুল মাআরিফ, ১ম প্রকাশ, ১৪২১ হি./২০০০ খ্রি.।
৩৭. মুহাম্মাদ বিন সালিহ আল-উসাইমিন (মৃ. ১৪২১ হি.)। মুজাক্কিরাতুন আলাল আকিদাতিল ওয়াসিতিয়্যা। রিয়াদ: মাদারুল ওয়াতান, প্র. ১৪২৬ হি.।
৩৮. মুহাম্মাদ বিন সালিহ আল-উসাইমিন (মৃ. ১৪২১ হি.)। তালিকুন মুখতাসার আলা কিতাবি লুমআতিল ইতিকাদ। তাহকিক : আশরাফ বিন আব্দুল মাকসুদ। রিয়াদ : মাকতাবাতু আদওয়ায়িস সালাফ, ৩য় প্রকাশ, ১৪১৫ হি./১৯৯৫ খ্রি.।
৩৯. মুহাম্মাদ বিন সালিহ আল-উসাইমিন (মৃ. ১৪২১ হি.)। মাজমুউ ফাতাওয়া ওয়া রাসায়িল। বিন্যাস ও সংকলন: ফাহাদ বিন নাসির আস-সুলাইমান। রিয়াদ : দারুল ওয়াতান ও দারুস সুরাইয়া, প্র. ১৪১৩ হি.।
৪০. মুহাম্মাদ বিন সালিহ আল-উসাইমিন (মৃ. ১৪২১ হি.)। আশ-শারহুল মুমতি আলা জাদিল মুস্তাকনি। সৌদি আরব : দারু ইবনিল জাওজি, ১ম প্রকাশ, ১৪২২-১৪২৮ হি.।
৪১. আব্দুল কারিম বিন মুরাদ আল-আসারি (মৃ. ১৪২৮ হি.)। তাসহিলুল মানতিক। কায়রো : দারু মিসর, প্রকাশের ক্রমধারাবিহীন, তাবি।
৪২. আব্দুল কারিম আন-নামলা (মৃ. ১৪৩৫ হি.)। আল-মুহাজ্জাব ফি ইলমি উসুলিল ফিকহিল মুকারান। রিয়াদ : মাকতাবাতুর রুশদ, ১ম প্রকাশ, ১৪২০ হি./১৯৯৯ খ্রি.।
৪৩. গালিব আল-আওয়াজি (মৃ. ১৪৩৮ হি.)। ফিরাকুন মুআসিরা তানতাসিবু ইলাল ইসলাম ওয়া বায়ানু মাওকিফিল ইসলামি মিনহা। জেদ্দা : আল-মাকতাবাতুল আসরিয়্যাতুজ জাহাবিয়্যা, ৪র্থ প্রকাশ, ১৪২২ হি./২০০১ খ্রি.।
৪৪. মুস্তাফা মুহাম্মাদ হিলমি (জ. ১৩৫১ হি.)। মানহাজু উলামায়িল হাদিসি ওয়াস সুন্নাতি ফি উসুলিদ্দিন। বৈরুত : দারুল কুতুবিল ইলমিয়্যা, ১ম প্রকাশ, ১৪২৬ হি.।
৪৫. সালিহ বিন ফাওজান আল-ফাওজান (জ. ১৩৫৪ হি.)। শারহু আকিদাতিল ইমামিল মুজাদ্দিদ মুহাম্মাদ ইবনি আব্দিল ওয়াহহাব। রিয়াদ: মাকতাবাতু দারিল মিনহাজ, ২য় প্রকাশ, ১৪৩১ হি.।
৪৬. সালিহ বিন ফাওজান আল-ফাওজান (জ. ১৩৫৪ হি.)। আল-আজউয়িবাতুল মুফিদা আন আসয়িলাতিল মানাহিজিল জাদিদা। কায়রো : দারুল মিনহাজ, ৩য় প্রকাশ, ১৪২৪ হি.।
৪৭. সালিহ বিন আব্দুল আজিজ আলুশ শাইখ (জ. ১৩৭৮ হি.)। আল-লাআলিল বাহিয়্যা ফি শারহিল আকিদাতিল ওয়াসিতিয়্যা। রিয়াদ: দারুল আসিমাহ, ১ম প্রকাশ, ১৪৩১ হি./২০১০ খ্রি.।
৪৮. সাদ বিন নাসির আশ-শাসরি (জ. ১৩৮৭ হি.)। আত-তাফরিক বাইনাল উসুলি ওয়াল ফুরু। রিয়াদ : দারুল মুসলিম, ১ম প্রকাশ, ১৪১৭ হি./১৯৯৭ খ্রি.।
৪৯. ইউসুফ বিন মুহাম্মাদ আলি আল-গাফিস (জ. ১৩৯১ হি.)। শারহুল কাওয়ায়িদিস সাবয়ি মিনাত তাদমুরিয়্যা। ই-বুক। মুদ্রণবিহীন ডক ফাইল, তাবি, https://t.me/yosfe555/14661
৫০. আব্দুল্লাহ আস-সানাদ। আরাউল মুরজিয়া ফি মুসান্নাফাতি শাইখিল ইসলাম ইবনি তাইমিয়া আরদ ওয়া নাকদ। রিয়াদ : দারুত তাওহিদ, ১ম প্রকাশ, ১৪২৮ হি./২০০৭ খ্রি.।
৫১. ইবতিহাজ বিনতু আব্দিল্লাহ আশ-শালান। আকওয়ালু আইম্মাতি আহলিস সুন্নাহ ফিল হুকমি আলাল খাওয়ারিজ। রিয়াদ: দারুস সামিয়ি, ১ম প্রকাশ, ১৪৩৪ হি./২০১৩ খ্রি.।
৫২. জাহরান কাদা। আল-ওয়াসিত ফিল মানতিক। তিউনিস : দারুল ইমামিল মাজিরি, ২য় প্রকাশ, ১৪৪৩ হি./২০২১ খ্রি.।
৫৩. মুহাম্মাদ বিন মাহমুদ আলু খুদাইর। আল-ইমান ইনদাস সালাফ ওয়া আলাকাতুহু বিল আমাল ওয়া কাশফু শুবুহাতিল মুআসিরিন। রিয়াদ: মাকতাবাতুর রুশদি নাশিরুন, ৩য় প্রকাশ, ১৪৩০ হি./২০০৯ খ্রি.।
৫৪. মুহাম্মাদ বিন সায়িদ আল-কুসাইরি। বারাআতু আহলিল হাদিসি ওয়াস সুন্নাহ মিন বিদআতিল মুরজিআহ। রিয়াদ: দারুল মুহাদ্দিস, ১ম প্রকাশ, ১৪২৬ হি.।
৫৫. সুলতান বিন আব্দুর রহমান আল-উমাইরি। আল-উকুদুজ জাহাবিয়্যা আলা মাকাসিদিল আকিদাতিল ওয়াসিতিয়্যা। সৌদি আরব : দারু মাদারিজ, ২য় প্রকাশ, ১৪৪২ হি./২০২১ খ্রি.