📄 বিশ্বাসগত ও কর্মগত মুনাফিকী
মুনাফিকীর প্রকারভেদ :
মুনাফিকী বড় ও ছোট দু'ভাগে বিভক্ত। ইমাম ইবনু তায়মিয়াহ (রহঃ) বলেছেন, 'কুফরের মতই মুনাফিকীর স্তরভেদ আছে। এজন্য অনেক সময় বলা হয়, এমন কুফর যা ইসলাম থেকে বের করে দেয় এবং এমন কুফর যা ইসলাম থেকে বের করে না। অনুরূপ বড় মুনাফিকী (نفاق أكبر) ও ছোট মুনাফিকী (نفاق أصغر)।
১. বিশ্বাসগত মুনাফিকী (বড় মুনাফিকী): যে ব্যক্তি বাইরে নিজের ঈমান ও ইসলাম যাহির করে কিন্তু নিজের মনের মাঝে কুফরী লালন করে, সে আক্বীদাগত মুনাফিক। এ ধরনের মুনাফিকী রাসূলুল্লাহ (ছাঃ)-এর যুগে ছিল। এদেরই নিন্দায় কুরআন নাযিল হয়েছে এবং এদেরকে কুরআন কাফির বলেও ঘোষণা দিয়েছে। কুরআনের বার্তা অনুযায়ী এরা জাহান্নামের সর্বনিম্নস্তরে বসবাস করবে। ইবনু রজব বলেছেন, আল্লাহ তা'আলা, তাঁর ফেরেশতা মণ্ডলী, তাঁর গ্রন্থাবলী, তাঁর রাসূলগণ ও পরকালের প্রতি ঈমানের কথা যে মুখে প্রকাশ করে কিন্তু এর সবগুলো কিংবা অংশবিশেষকে অন্তরে অবিশ্বাস করে সে বড় মুনাফিক। ফক্বীহ বা মুসলিম আইনজ্ঞরা কখনো কখনো মুনাফিক-এর ক্ষেত্রে 'যিনদীক' শব্দ ব্যবহার করে থাকেন। ইবনুল ক্বাইয়িম (রহঃ) বলেছেন, 'এক শ্রেণীর যিনদীক আছে যারা বাহ্যিকভাবে ইসলাম ও রাসূলগণের অনুসরণের কথা প্রকাশ করে এবং মনের মাঝে কুফর, আল্লাহ ও তাঁর রাসূলগণের প্রতি শত্রুতা লুকিয়ে রাখে। এরাই মূলতঃ মুনাফিক এবং এদেরই আবাসস্থল হবে জাহান্নামের নিম্নতম স্তরে'।
২. আমল বা কর্মগত মুনাফিকী (ছোট মুনাফিকী) :
ধর্মীয় কাজগুলো লোকচক্ষুর অন্তরালে নিয়মমাফিক পালন না করা, তবে জনসমক্ষে সেগুলো যথাযথ পালন করার নাম আমল বা কর্মগত মুনাফিকী। এক্ষেত্রে কিন্তু আল্লাহ্র প্রতি ঈমান ও অন্যান্য আক্বীদা-বিশ্বাসে কোন ঘাটতি থাকবে না। ইবনু রজব বলেছেন, ছোেট মুনাফিকী (النفاق الأصغر) হ'ল আমলে মুনাফিকী। যখন মানুষ প্রকাশ্যে নেক আমল করে, কিন্তু অপ্রকাশ্যে তার উল্টো কাজ করে তখন তা ছোট মুনাফিকী বলে গণ্য হয়। আমলকেন্দ্রিক এই ছোট মুনাফিকী মূল ঈমান বিদ্যমান থাকা অবস্থায়ও মুসলিমের মনে বাসা বাঁধতে পারে। যদিও সেটা কবীরা বা বড় গুনাহ। কিন্তু বড় মুনাফিকী সর্বতোভাবে ঈমানের পরিপন্থী। একজন মানুষের অন্তরে আল্লাহ্র প্রতি ঈমান বিদ্যমান থাকা অবস্থায় বড় মুনাফিকী তাতে যুক্ত হ'তে পারে না। তবে ছোট মুনাফিকী যখন অন্তরে শিকড় গেড়ে বসে এবং পূর্ণতা লাভ করে, তখন সময় বিশেষে তা ঐ মুনাফিককে বড় মুনাফিকীর দিকে ধাবিত করে এবং দ্বীন থেকে সম্পূর্ণরূপে খারিজ করে দেয়।
আমলগত মুনাফিক জাহান্নামের চিরস্থায়ী অধিবাসী হবে না। সে বরং অন্য সকল কবীরা গুনাহগারদের কাতারভুক্ত। আল্লাহ চাইলে ক্ষমা করে তাকে জান্নাতে দাখিল করবেন, আর চাইলে তার পাপের কারণে শাস্তি দিয়ে পরিশেষে জান্নাতের অধিবাসী করবেন।
টিকাঃ
৩. ইবনু তায়মিয়াহ, মাজমূ' ফাতাওয়া ৭/৫২৪।
৪. ইবনু রজব, জামিউল উলূম ওয়াল হিকাম ১/৪৩১।
৫. ইবনুল ক্বাইয়িম, তরীকুল হিজরাতায়ন, পৃঃ ৫৯৫।
৬. জামিউল উলূম ওয়াল হিকাম ১/৪৩১।
📄 মৌলিক ও অমৌলিক মুনাফিকী
যে লোক আদি থেকেই কোনদিন ছহীহ-শুদ্ধ, খাঁটি ইসলামে বিশ্বাসী নয় মূলতঃ সেই মূল থেকে মুনাফিক। জাগতিক কোন স্বার্থের টানে এমন লোকেরা ইসলামের সঙ্গে সম্বন্ধ যাহির করে বটে, অথচ তারা মন থেকে ইসলামকে বিশ্বাস করে না। ফলে তারা তাদের ইসলাম ঘোষণার প্রথম দিন থেকেই মুনাফিক। তারপর সেই মুনাফিকীর উপর তারা চলছেই। এটা মৌলিক মুনাফিকী।
আবার কিছু লোক আছে যারা সত্যিকারভাবেই অন্তর থেকে ইসলামের ঘোষণা দেয়। তারপর তাদের মনে সন্দেহ ও শঠতা ভর করে। অতঃপর বিভিন্ন পরীক্ষার সম্মুখীন করে আল্লাহ তা'আলা তাদের ঈমানের সত্যতার পরীক্ষা নেন। তখন তারা ইসলামের দাবী রক্ষা করতে না পেরে ভেতর থেকে ইসলাম ছেড়ে দেয় বা মুরতাদ হয়ে যায়। কিন্তু প্রকাশ্যে ঘোষণা দিলে তাদের উপর মুরতাদের বিধান কার্যকর হ'তে পারে কিংবা মুসলিম নাম বহাল থাকায় জাগতিক যেসব সুযোগ-সুবিধা সে পাচ্ছে তা খোয়াতে হবে অথবা তাকে নিন্দা শুনতে হবে এবং সমাজে তার যে অবস্থান আছে তা তাকে হারাতে হবে, এরকম আরো অনেক উপভোগ্য ও লোভনীয় বিষয়ের কথা চিন্তা করে তারা প্রকাশ্যে ইসলাম ত্যাগের ঘোষণা দিতে ভয় পায়। ফলে তারা বাহ্যিকভাবে ইসলামের উপর চলে। কিন্তু প্রকৃতপক্ষে তারা কাফির মুরতাদ হয়ে গেছে। এটাই অমৌলিক মুনাফিকী।
📄 মুনাফিক হয়ে যাওয়ার ভয়
ছাহাবায়ে কেরাম (রাঃ) ও তাঁদের পরবর্তী আমলের নেককার লোকেরা মুনাফিকীকে প্রচণ্ড ভয় করতেন। এমনকি আবুদ্দারদা (রাঃ) ছালাতে তাশাহহুদ শেষে মুনাফিকী থেকে রক্ষা পাওয়ার জন্য বেশী বেশী করে আল্লাহ পাকের আশ্রয় চাইতেন। একবার তো এক ব্যক্তি তাঁকে বলেই বসল, وَمَا لَكَ يَا أَبَا الدَّرْدَاءِ أَنْتَ وَالْنِّفَاقَ؟ ‘হে আবুদ্দারদা! মুনাফিকী নিয়ে আপনি এত বিচলিত বোধ করেন কেন?’ তিনি উত্তরে বললেন, ،دَعْنَا عَنْكَ فَوَاللَّهِ إِنَّ الرَّجُلَ لَيُقْلَبُ عَنْ دِينِهِ فِي السَّاعَةِ الوَاحِدَةِ، فَيُخْلَعُ مِنْهُ ‘কথা ছাড়। আল্লাহ্র কসম! মানুষ এক মুহূর্তে তার দ্বীন বদলে ফেলতে পারে! তখন তার নিকট থেকে দ্বীন ছিনিয়ে নেয়া হয়'।
عَنْ حَنْظَلَةَ الْأُسَيِّدِيِّ قَالَ - وَكَانَ مِنْ كُتَابِ رَسُولِ اللَّهِ ص قَالَ - لَقِيَنِي أَبُو بَكْرٍ فَقَالَ كَيْفَ أَنْتَ يَا حَنْظَلَةُ قَالَ قُلْتُ نَافَقَ حَنْظَلَةُ قَالَ سُبْحَانَ اللَّهِ مَا تَقُولُ قَالَ قُلْتُ تَكُونُ عِنْدَ رَسُولِ اللَّهِ ص يُذَكِّرُنَا بِالنَّارِ وَالْجَنَّةِ حَتَّى كَأَنَّا رَأَى عَيْنٍ فَإِذَا خَرَجْنَا مِنْ عِنْدِ رَسُولِ اللَّهِ صــــ عَافَسْنَا الْأَزْوَاجَ وَالأَوْلَادَ وَالضَّيْعَاتِ فَنَسِينَا كَثِيرًا قَالَ أَبُو بَكْرٍ فَوَاللَّهِ إِنَّا لَنَلْقَى مِثْلَ هَذَا. فَانْطَلَقْتُ أَنَا وَأَبُو بَكْرٍ حَتَّى دَخَلْنَا عَلَى رَسُولِ اللَّهِ -صلى الله عليه وسلم- قُلْتُ نَافَقَ حَنْظَلَةُ يَا رَسُولَ اللَّهِ. فَقَالَ رَسُولُ اللَّهِ -صلى الله عليه وسلم - « وَمَا ذَاكَ ». قُلْتُ يَا رَسُولَ اللَّهِ تَكُونُ عِنْدَكَ تُذَكِّرُنَا بِالنَّارِ وَالْجَنَّةِ حَتَّى كَأَنَا رَأَى عَيْنِ فَإِذَا خَرَجْنَا مِنْ عِنْدِكَ عَافَسْنَا الأَزْوَاجَ وَالْأَوْلَادَ وَالضَّيْعَاتِ نَسِينَا كَثِيرًا. فَقَالَ رَسُولُ اللَّهِ - صلى الله عليه وسلم- « وَالَّذِي نَفْسِي بِيَدِهِ إِنْ لَوْ تَدُومُونَ عَلَى مَا تَكُونُونَ عِنْدِى وَفِي الذِّكْرِ لَصَافَحَتْكُمُ الْمَلَائِكَةُ عَلَى فُرُشِكُمْ وَفِي طُرُقِكُمْ وَلَكِنْ يَا حَنْظَلَةُ سَاعَةً وَسَاعَةً - ثَلَاثَ مَرَّاتٍ -
হানযালা (রাঃ) থেকে বর্ণিত তিনি বলেন, আবুবকর (রাঃ) আমার সঙ্গে দেখা করে বললেন, হানযালা কেমন আছ? আমি বললাম, হানযালা তো মুনাফিক হয়ে গেছে। তিনি বললেন, সুবহানাল্লাহ! আরে তুমি বলছ কি? আমি বললাম, আমরা যখন রাসূলুল্লাহ (ছাঃ)-এর নিকট থাকি আর তিনি আমাদের সামনে জান্নাত-জাহান্নামের আলোচনা করেন তখন তো মনে হয় আমরা যেন সেগুলো স্বচক্ষে দেখতে পাচ্ছি। কিন্তু যখন রাসূলুল্লাহ (ছাঃ)-এর নিকট থেকে চলে আসি এবং স্ত্রী, সন্তান-সন্ততি ও পেশাগত কাজে জড়িয়ে পড়ি, তখন আমরা অনেক কিছুই ভুলে যাই। আবুবকর (রাঃ) বললেন, আল্লাহ্র কসম! আমারও তো এমন অবস্থা হয়। তখন আবুবকর (রাঃ) ও আমি রওয়ানা হয়ে রাসূলুল্লাহ (ছাঃ)-এর নিকট হাযির হ'লাম। আমি তাকে বললাম, আল্লাহ্র কসম! হে আল্লাহ্র রাসূল (ছাঃ), হানযালা মুনাফিক হয়ে গেছে। রাসূলুল্লাহ (ছাঃ) বললেন, সেটা কীভাবে? আমি বললাম, হে আল্লাহ্র রাসূল (ছাঃ)! আমরা যখন আপনার কাছে থাকি এবং আপনি আমাদের নিকট জান্নাত-জাহান্নামের আলোচনা করেন তখন তো মনে হয় আমরা ওগুলো স্বচক্ষে দেখতে পাচ্ছি। অথচ যখন আপনার নিকট থেকে চলে যাওয়ার পর আমাদের স্ত্রী, সন্তান-সন্ততি ও পেশাগত কাজে জড়িয়ে পড়ি তখন তার অনেক কিছুই ভুলে যাই। তখন রাসূলুল্লাহ (ছাঃ) বললেন, 'যার হাতে আমার জীবন তার শপথ! তোমরা যদি আমার নিকট থাকাকালীন অবস্থায় এবং সর্বদা যিকিররত থাকতে পারতে, তাহ'লে তোমাদের ঘরে-বাইরে ফেরেশতারা তোমাদের সাথে মুছাফাহা (করমর্দন) করত। কিন্তু হে হানযালা! সময় সময় অবস্থার হেরফের ঘটে। একথা তিনি তিনবার বললেন'।
'হানযালা মুনাফিক হয়ে গেছে' (نافق حنظلة) কথাটির অর্থ তাঁর এ শঙ্কা মনে জাগছে যে, তিনি মুনাফিক। কারণ তিনি যখন নবী করীম (ছাঃ)-এর মজলিসে থাকেন তখন তাঁর মনে এক প্রকার ভয় কাজ করে। এর প্রভাব স্বরূপ আখিরাতের প্রতি তাঁর ধ্যান-ধারণা ও মনোনিবেশ সৃষ্টি হয়। কিন্তু সেখান থেকে বের হওয়ার পর স্ত্রী, সন্তান-সন্ততি ও জীবন-জীবিকার মাঝে মশগুল হয়ে পড়লে তাঁর এ ভাবনা অনেকাংশে লঘু হয়ে পড়ে। তাই তাঁর চিন্তা হয়- তিনি মুনাফিক হয়ে গেছেন বলেই এমন হয় কি-না। কিন্তু মুনাফিকী তো মূলতঃ দুরভিসন্ধি মনের মাঝে গোপন রেখে তার উল্টোটা প্রকাশ করা। তাই নবী করীম (ছাঃ) তাঁদের জানিয়ে দিলেন, এরূপ অবস্থা তৈরী হওয়া কোন মুনাফিকী নয় এবং এরূপ মানসিক অবস্থায় সর্বক্ষণ বিরাজিত থাকার জন্যও তারা বাধ্য নন। 'সময় সময়' (ساعة ساعة) অর্থ এক সময়ে অবস্থা উন্নত হ'তে পারে এবং অন্য সময়ে তার অবনতি ঘটতে পারে অর্থাৎ অবস্থার পরিবর্তন ঘটতে পারে।
হুযায়ফা ইবনুল ইয়ামান (রাঃ) হ'তে বর্ণিত তিনি বলেন, একটি জানাযায় হাযির হওয়ার জন্য ওমর (রাঃ)-কে ডাকা হয়। তিনি তাতে অংশ নেয়ার উদ্দেশ্যে যাত্রা করেন। আমি তখন তাঁকে আঁকড়ে ধরে বললাম, হে আমীরুল মুমিনীন! আপনি বসুন। কেননা এই মৃত লোকটা ওদের অর্থাৎ মুনাফিকদের অন্তর্ভুক্ত। আমার কথা শুনে ওমর (রাঃ) বললেন, তোমাকে আল্লাহ্র কসম করে বলছি, আমি কি তাদের একজন? আমি বললাম, না। অবশ্য আপনার জীবনাবসানের পর আমি আর কাউকে নির্দোষ আখ্যায়িত করব না।
أَدْرَكْتُ ثَلاثِينَ مِنْ أَصْحَابِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم، كُلُّهُمْ يَخَافُ النِّفَاقَ عَلَى نَفْسِهِ ، مَا مِنْهُمْ أَحَدٌ يَقُولُ إِنَّهُ عَلَى إِيْمَانِ جِبْرِيلَ وَمِيكَائِيلَ 'আমি নবী করীম (ছাঃ)-এর ত্রিশজন ছাহাবীর সাক্ষাৎ পেয়েছি যাঁদের প্রত্যেকেই নিজের মাঝে মুনাফিকী থাকার ভয় করতেন। তাঁরা কেউই বলতেন না, আমার ঈমান জিবরীল ও মিকাঈলের তুল্য'।
ইবনুল ক্বাইয়িম (রহঃ) বলেছেন, আল্লাহ্র কসম! এই ছাহাবীদের অন্তর ঈমান ও ইয়াকীনে একদম পরিপূর্ণ ছিল। অথচ তাঁরা কঠিনভাবে মুনাফিকীর ভয় করতেন। মুনাফিকী নিয়ে তাদের দুশ্চিন্তার অন্ত ছিল না। কিন্তু তাঁদের পরবর্তীকালে এসে অনেককে দেখুন, ঈমান তাদের কণ্ঠদেশও অতিক্রম করেনি অথচ তাদের ঈমান জিবরীল মিকাইলের সমতুল্য বলে তারা দাবী করে।
ছাহাবীগণ তাঁদের মুনাফিকী দ্বারা ঈমানের পরিপন্থী যে মুনাফিকী তা বুঝাননি। বরং মূল ঈমানের সঙ্গে যে মুনাফিকী যুক্ত হয় তাই বুঝিয়েছেন।
টিকাঃ
৭. শামসুদ্দীন আয-যাহাবী, সিয়ারু আ'লামিন নুবালা ৬/৩৮২, যাহাবী, সনদ ছহীহ।
৮. মুসলিম হা/২৭৫০; মিশকাত হা/২২৬৮।
৯. নববী, শারহু মুসলিম ১৭/৬৬-৬৭।
১০. ইবনু আবী শায়বা ৮/৬৩৭; আল-হায়ছামী মাজমাউয যাওয়ায়েদ (৩/৪২ পৃষ্ঠায়) গ্রন্থে বলেছেন, সনদের বর্ণনাকারীগণ নির্ভরযোগ্য (رجاله ثقات)। শুআইব আরনাউত একে ছহীহ বলেছেন। দ্রঃ মুসনাদে আহমাদ হা/২৬৬৬৩, ৬/৩০৭ পৃঃ।
১১. বুখারী ১/৯৩, 'ঈমান' অধ্যায়, অনুচ্ছেদ ৩৬।
১২. মাদারিজুস সালিকীন ১/৩৫৮।
১৩. ইমাম গাযালী, ইহইয়াউ উলূমিদ্দীন ৪/১৭২।