📘 মুমিনের ক্যারিয়ার ভাবনা 📄 সঞ্চয়

📄 সঞ্চয়


সঞ্চয় না করার দলিল হিসেবে একটা হাদিস বেশ প্রসিদ্ধ। বেলাল রা. একবার কিছু খেজুর জমা করছিলেন, তখন আল্লাহর রাসুল বলেছেন, "হে বেলাল, কালকের দিনের জন্য কিছু জমা রেখো না। তুমি যদি প্রশস্ত-হস্তে দান করো, তাহলে আল্লাহ তাআলাও তোমাকে সেভাবে দান করবেন।" [৫১]

রাসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম প্রথমদিকে সঞ্চয় করতে নিষেধ করতেন, যখন সাহাবিদের মাঝে অভাবী মানুষ বেশি ছিল। পরে যখন সাহাবিদের মাঝে আমভাবে সচ্ছলতা এসে গেল, তিনি তাঁর পোষ্যদের জন্য এক বছরের খাদ্য মজুদ করেছিলেন। [৫২] রাসুলের যে বিরাট পরিবার, এগারোজন আম্মাজান আছেন, তাদের জন্য একবছরের পরিমাণ খাবার রাসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম মজুদ করেছিলেন। এতে বোঝা গেল, পরিবারের জন্য সঞ্চয় করা খারাপ কিছু নয়।

১. সাদ বিন আবি ওয়াক্কাস রা. যখন রোগাক্রান্ত হলেন, তখন নবিজি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তাকে দেখতে এলেন। সাদ রা. বললেন, আল্লাহর রাসুল! আমার অবস্থা তো আপনি দেখছেন। আমার কিছু সম্পদ আছে। আর ওয়ারিশ হিসেবে আছে কেবল এক কন্যা। আমি কি আমার সম্পদের দুই-তৃতীয়াংশ দান করব?
- না।
- তবে অর্ধেক?
- না।
- তবে এক-তৃতীয়াংশ?
- এক-তৃতীয়াংশ (করা যায়, তবে তাও) অনেক। তুমি তোমার ওয়ারিশদের অন্যের কাছে হাত পাতার মতো অবস্থায় রেখে যাওয়ার চেয়ে তাদেরকে সহায়সম্বল দিয়ে রেখে যাওয়া উত্তম। [৫৩]

■ সাদ ইবনে আবি ওয়াক্কাস রা. অর্থনৈতিকভাবে এতটা সাদাসিধা জীবনযাপন করতেন যে, আল্লাহর রাসুল তাকে সঞ্চয় করার উৎসাহ দিয়েছেন। [৫৪] বলেছেন, আপনার মৃত্যুর পরে, তারা যেন পথে বসে না যায়।

রাসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম একটা দোয়া পড়তেন, "হে আল্লাহ, বার্ধক্যে ও জীবনের শেষলগ্নে আমার জীবনোপকরণে প্রশস্ততা দিয়ো।" [৫৫] মানে, শেষজীবনে আমি যেন অভাবে না পড়ি। এর মানে বুঝতে পারলাম, সঞ্চয় করা, পরিবারের জন্য কিছু সঞ্চয় করার জন্য আয়-রোজগার করাও খারাপ নয়। এই পরিমাণ সঞ্চয় রাখা যে, আমার যদি হঠাৎ করে মৃত্যু হয়ে যায়, তাহলে আমার স্ত্রী-সন্তানকে যেন রাস্তায় বসে যেতে না হয়। মানুষের কাছে ধারদেনা চাইতে যেন না হয়। এইজন্য কিছু সঞ্চয় করা, এটাও শরিয়তে বৈধ।

টিকাঃ
[৫১] সুনানু আবি দাউদ: ৪১৬১; মিশকাতুল মাসাবিহ: ৪৩৪৫; হাদিসটি সহিহ
[৫২] মুসনাদুল বাযযার: ১৯৭৮; সহিহুল জামি: ১৫১২; হাদিসটি সহিহ
[৫৩] সহিহুল বুখারি: ৫৩৫৭; সহিহুল জামি: ৪৮৯৬
[৫৪] সহিহুল বুখারি: ২৭৪২; সহিহ মুসলিম: ১৬২৮; সুনানু আবি দাউদ: ২৮৬৪
[৫৫] আল-মুসতাদরাক, হাকিম: ১৯৮৭; আল-মুজামুল আওসাত, তাবারানি: ৩৬১১; হাদিসটি হাসান

সঞ্চয় না করার দলিল হিসেবে একটা হাদিস বেশ প্রসিদ্ধ। বেলাল রা. একবার কিছু খেজুর জমা করছিলেন, তখন আল্লাহর রাসুল বলেছেন, "হে বেলাল, কালকের দিনের জন্য কিছু জমা রেখো না। তুমি যদি প্রশস্ত-হস্তে দান করো, তাহলে আল্লাহ তাআলাও তোমাকে সেভাবে দান করবেন।" [৫১]

রাসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম প্রথমদিকে সঞ্চয় করতে নিষেধ করতেন, যখন সাহাবিদের মাঝে অভাবী মানুষ বেশি ছিল। পরে যখন সাহাবিদের মাঝে আমভাবে সচ্ছলতা এসে গেল, তিনি তাঁর পোষ্যদের জন্য এক বছরের খাদ্য মজুদ করেছিলেন। [৫২] রাসুলের যে বিরাট পরিবার, এগারোজন আম্মাজান আছেন, তাদের জন্য একবছরের পরিমাণ খাবার রাসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম মজুদ করেছিলেন। এতে বোঝা গেল, পরিবারের জন্য সঞ্চয় করা খারাপ কিছু নয়।

১. সাদ বিন আবি ওয়াক্কাস রা. যখন রোগাক্রান্ত হলেন, তখন নবিজি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তাকে দেখতে এলেন। সাদ রা. বললেন, আল্লাহর রাসুল! আমার অবস্থা তো আপনি দেখছেন। আমার কিছু সম্পদ আছে। আর ওয়ারিশ হিসেবে আছে কেবল এক কন্যা। আমি কি আমার সম্পদের দুই-তৃতীয়াংশ দান করব?
- না।
- তবে অর্ধেক?
- না।
- তবে এক-তৃতীয়াংশ?
- এক-তৃতীয়াংশ (করা যায়, তবে তাও) অনেক। তুমি তোমার ওয়ারিশদের অন্যের কাছে হাত পাতার মতো অবস্থায় রেখে যাওয়ার চেয়ে তাদেরকে সহায়সম্বল দিয়ে রেখে যাওয়া উত্তম। [৫৩]

■ সাদ ইবনে আবি ওয়াক্কাস রা. অর্থনৈতিকভাবে এতটা সাদাসিধা জীবনযাপন করতেন যে, আল্লাহর রাসুল তাকে সঞ্চয় করার উৎসাহ দিয়েছেন। [৫৪] বলেছেন, আপনার মৃত্যুর পরে, তারা যেন পথে বসে না যায়।

রাসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম একটা দোয়া পড়তেন, "হে আল্লাহ, বার্ধক্যে ও জীবনের শেষলগ্নে আমার জীবনোপকরণে প্রশস্ততা দিয়ো।" [৫৫] মানে, শেষজীবনে আমি যেন অভাবে না পড়ি। এর মানে বুঝতে পারলাম, সঞ্চয় করা, পরিবারের জন্য কিছু সঞ্চয় করার জন্য আয়-রোজগার করাও খারাপ নয়। এই পরিমাণ সঞ্চয় রাখা যে, আমার যদি হঠাৎ করে মৃত্যু হয়ে যায়, তাহলে আমার স্ত্রী-সন্তানকে যেন রাস্তায় বসে যেতে না হয়। মানুষের কাছে ধারদেনা চাইতে যেন না হয়। এইজন্য কিছু সঞ্চয় করা, এটাও শরিয়তে বৈধ।

টিকাঃ
[৫১] সুনানু আবি দাউদ: ৪১৬১; মিশকাতুল মাসাবিহ: ৪৩৪৫; হাদিসটি সহিহ
[৫২] মুসনাদুল বাযযার: ১৯৭৮; সহিহুল জামি: ১৫১২; হাদিসটি সহিহ
[৫৩] সহিহুল বুখারি: ৫৩৫৭; সহিহুল জামি: ৪৮৯৬
[৫৪] সহিহুল বুখারি: ২৭৪২; সহিহ মুসলিম: ১৬২৮; সুনানু আবি দাউদ: ২৮৬৪
[৫৫] আল-মুসতাদরাক, হাকিম: ১৯৮৭; আল-মুজামুল আওসাত, তাবারানি: ৩৬১১; হাদিসটি হাসান

📘 মুমিনের ক্যারিয়ার ভাবনা 📄 সঞ্চয় ও অতিরিক্ত আয়ের প্রয়োজনীয়তা

📄 সঞ্চয় ও অতিরিক্ত আয়ের প্রয়োজনীয়তা


নবিজি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম ইরশাদ করেন, "ওপরের হাত নিচের হাতের তুলনায় উত্তম। ওপরের হাত হলো দাতার হাত। আর নিচের হাত গ্রহীতার হাত।" [৫৬] এর মানে, তিনি দানখয়রাত করার প্রতি উৎসাহ দিয়েছেন। দান করতে হলে, আপনাকে ফরজ পরিমাণ প্লাস ভবিষ্যতের সঞ্চয় করে আরও কিছু অতিরিক্ত আয় করতে হবে।

২. রাসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম আমর ইবনুল আস রা.-কে বলেন, "আমি তোমাকে সম্পদ উপার্জনের নির্দেশ দিচ্ছি। সৎ মানুষের কাছে হালাল সম্পদ থাকা অতি উত্তম। কারণ তা দিয়ে সে আত্মীয়তার সম্পর্ক বজায় রাখবে। " [৫৭]

অর্থাৎ, তাদের আমরা দানখয়রাত করব। আমি যেহেতু দ্বীনকে বুঝেছি। আল্লাহকে ভয় করি, আল্লাহর রাসুলের শরিয়ত অনুযায়ী চলি। সুতরাং আমার কাছে যদি অতিরিক্ত সম্পদ থাকে, তাহলে তা সমাজকল্যাণে ব্যয় হবে। দ্বীনের প্রয়োজনে ব্যয় হবে, মসজিদে-মাদরাসায় ব্যয় হবে। যেহেতু দাতার হাত গ্রহীতার হাতের তুলনায় উত্তম, সুতরাং আমার হাত যেন দাতার হাত হয়, গ্রহীতার হাত না হয়।

প্রাসঙ্গিকভাবে আরেকটি আলাপের অবতারণা করি। একটা দেশে কী পরিমাণ ব্যাংকনোট থাকবে, তা মোটামুটি ফিক্সড। দেশের মুদ্রাস্ফীতির হার হিসাব করে প্রতিবছর কেন্দ্রীয় ব্যাংক নোট ছাপে। এ ছাড়া এখন এই মুহূর্তে পুরো দেশে কী পরিমাণ নোট আছে, তা কমবেশি স্থির। এই নোটগুলোই হাতবদল হয়। আমরা যারা দ্বীনকে বুঝেছি, আলেমদের সাথে সম্পর্ক রাখি, আমরা যদি এই নোটগুলো নিই, তবে দ্বীনের জন্য খরচ হবে। যদি ছেড়ে দিই, তবে বদ লোকেরা এসব খরচ করবে বদ কাজে। এটা আরেকটি বাস্তবতা বললাম। যদিও এটিও তকদিরের অন্তর্ভুক্ত। কিন্তু চেষ্টার আদেশ তো সর্বদা রয়েছেই।

৩. ■ আরেকটা হাদিস, "দারিদ্র্য কুফর বা অকৃতজ্ঞতার অনেক কাছাকাছি অবস্থান করে।" [৫৮] এতে বোঝা গেল, ইচ্ছাকৃতভাবে গরিব হয়ে যাওয়া উচিত হবে না। এটা অনেক সময় কুফরের দিকে পৌঁছে দেয়।

সুতরাং-
প্রথমত, ফরজ পরিমাণ আয়,
দ্বিতীয়ত, নিজের বৃদ্ধ বয়সের জন্য কিছুটা সঞ্চয়,
তৃতীয়ত, আমার মরণের পর পরিবার যেন হাত পাতার অবস্থায় না পড়ে, সেজন্য আরেকটু কিছু।
চতুর্থত, কিছুটা অতিরিক্ত আয়; যাতে করে আমি দান-সদকা করতে পারি; হজে যাওয়ার জন্য কিছু টাকা জমিয়ে রাখতে পারি।

এই পরিমাণ উপার্জন করতে শরিয়ত আমাদের উৎসাহিত করেছে। কিন্তু এই সবকিছু আবর্তিত হবে সাদাসিধে মধ্যপন্থী জীবনকে কেন্দ্র করে।

টিকাঃ
[৫৬] সহিহুল বুখারি : ১৪২৭; সহিহ মুসলিম: ১০৩৩; সুনানুত তিরমিজি: ৬৮০
[৫৭] আল-আদাবুল মুফরাদ: ২৯৯; মুসনাদু আহমাদ: ১৭৭৬৩; আল-মাবসুত লিস-সারাখসি : ৩০/২৫৭; ইমাম মুসলিমের শর্তে হাদিসটি সহিহ
[৫৮] মিশকাতুল মাসাবিহ: ৫০৫১; আল-জামিউস সগির, সুয়ুতি: ৯৬৩৩; হাদিসটির সনদ দুর্বল

নবিজি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম ইরশাদ করেন, "ওপরের হাত নিচের হাতের তুলনায় উত্তম। ওপরের হাত হলো দাতার হাত। আর নিচের হাত গ্রহীতার হাত।" [৫৬] এর মানে, তিনি দানখয়রাত করার প্রতি উৎসাহ দিয়েছেন। দান করতে হলে, আপনাকে ফরজ পরিমাণ প্লাস ভবিষ্যতের সঞ্চয় করে আরও কিছু অতিরিক্ত আয় করতে হবে।

২. রাসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম আমর ইবনুল আস রা.-কে বলেন, "আমি তোমাকে সম্পদ উপার্জনের নির্দেশ দিচ্ছি। সৎ মানুষের কাছে হালাল সম্পদ থাকা অতি উত্তম। কারণ তা দিয়ে সে আত্মীয়তার সম্পর্ক বজায় রাখবে। " [৫৭]

অর্থাৎ, তাদের আমরা দানখয়রাত করব। আমি যেহেতু দ্বীনকে বুঝেছি। আল্লাহকে ভয় করি, আল্লাহর রাসুলের শরিয়ত অনুযায়ী চলি। সুতরাং আমার কাছে যদি অতিরিক্ত সম্পদ থাকে, তাহলে তা সমাজকল্যাণে ব্যয় হবে। দ্বীনের প্রয়োজনে ব্যয় হবে, মসজিদে-মাদরাসায় ব্যয় হবে। যেহেতু দাতার হাত গ্রহীতার হাতের তুলনায় উত্তম, সুতরাং আমার হাত যেন দাতার হাত হয়, গ্রহীতার হাত না হয়।

প্রাসঙ্গিকভাবে আরেকটি আলাপের অবতারণা করি। একটা দেশে কী পরিমাণ ব্যাংকনোট থাকবে, তা মোটামুটি ফিক্সড। দেশের মুদ্রাস্ফীতির হার হিসাব করে প্রতিবছর কেন্দ্রীয় ব্যাংক নোট ছাপে। এ ছাড়া এখন এই মুহূর্তে পুরো দেশে কী পরিমাণ নোট আছে, তা কমবেশি স্থির। এই নোটগুলোই হাতবদল হয়। আমরা যারা দ্বীনকে বুঝেছি, আলেমদের সাথে সম্পর্ক রাখি, আমরা যদি এই নোটগুলো নিই, তবে দ্বীনের জন্য খরচ হবে। যদি ছেড়ে দিই, তবে বদ লোকেরা এসব খরচ করবে বদ কাজে। এটা আরেকটি বাস্তবতা বললাম। যদিও এটিও তকদিরের অন্তর্ভুক্ত। কিন্তু চেষ্টার আদেশ তো সর্বদা রয়েছেই।

৩. ■ আরেকটা হাদিস, "দারিদ্র্য কুফর বা অকৃতজ্ঞতার অনেক কাছাকাছি অবস্থান করে।" [৫৮] এতে বোঝা গেল, ইচ্ছাকৃতভাবে গরিব হয়ে যাওয়া উচিত হবে না। এটা অনেক সময় কুফরের দিকে পৌঁছে দেয়।

সুতরাং-
প্রথমত, ফরজ পরিমাণ আয়,
দ্বিতীয়ত, নিজের বৃদ্ধ বয়সের জন্য কিছুটা সঞ্চয়,
তৃতীয়ত, আমার মরণের পর পরিবার যেন হাত পাতার অবস্থায় না পড়ে, সেজন্য আরেকটু কিছু।
চতুর্থত, কিছুটা অতিরিক্ত আয়; যাতে করে আমি দান-সদকা করতে পারি; হজে যাওয়ার জন্য কিছু টাকা জমিয়ে রাখতে পারি।

এই পরিমাণ উপার্জন করতে শরিয়ত আমাদের উৎসাহিত করেছে। কিন্তু এই সবকিছু আবর্তিত হবে সাদাসিধে মধ্যপন্থী জীবনকে কেন্দ্র করে।

টিকাঃ
[৫৬] সহিহুল বুখারি : ১৪২৭; সহিহ মুসলিম: ১০৩৩; সুনানুত তিরমিজি: ৬৮০
[৫৭] আল-আদাবুল মুফরাদ: ২৯৯; মুসনাদু আহমাদ: ১৭৭৬৩; আল-মাবসুত লিস-সারাখসি : ৩০/২৫৭; ইমাম মুসলিমের শর্তে হাদিসটি সহিহ
[৫৮] মিশকাতুল মাসাবিহ: ৫০৫১; আল-জামিউস সগির, সুয়ুতি: ৯৬৩৩; হাদিসটির সনদ দুর্বল

ফন্ট সাইজ
15px
17px