📘 মুমিনের ক্যারিয়ার ভাবনা 📄 নবিদের (আলাইহিমুস সালাম) জীবিকা

📄 নবিদের (আলাইহিমুস সালাম) জীবিকা


নবিদেরকে (আলাইহিমুস সালাম) তো আল্লাহ তাআলা দ্বীনের দাওয়াতের জিম্মাদারি দিয়ে পাঠিয়েছেন। কিন্তু তাঁদেরও জীবিকা ছিল। তাদেরকেও আল্লাহ তাআলা বস্তুগত জীবিকা অর্জন করতে বলেছেন। অর্থাৎ, দাওয়াতের পাশাপাশি নিজের রুজি নিজেকে অর্জন করার আদেশ দিয়েছেন আল্লাহ তাআলা। দেখুন, তারা কিন্তু চাইলেই বলতে পারতেন, হে আল্লাহ, আমার ঘরে খাবার নেই, আমায় খাবার দেন। আল্লাহ অবশ্যই পাঠিয়ে দিতেন। তারা যদি বলতেন, হে আল্লাহ, আমার কিছু টাকাপয়সা দরকার, তাহলেও আল্লাহ তাআলা টাকাপয়সা পাঠিয়ে দিতেন। আমাদের নবিজিকে আল্লাহ দুনিয়া-আখিরাতের সমস্ত ধনভান্ডারের চাবি দিয়ে দিয়েছিলেন। কিন্তু আল্লাহ তাআলা হুকুম দিয়েছেন এটা, আমাদেরকে শেখানোর জন্য। আমরা যেন কাজকর্ম অর্থাৎ জীবিকা উপার্জন ছেড়ে দিয়ে ইবাদতে বসে না যাই। এইজন্য আল্লাহ তাআলা আমাদেরকে শেখানোর জন্য, নবিদেরকেও দুনিয়াতে জীবিকা করে উপার্জনের আদেশ দিয়েছেন; যারা আল্লাহর কাছে চাইলেই সবকিছু পেয়ে যেতে পারতেন।

| নবি | পেশা |
| --- | --- |
| আদম আ. | কৃষি |
| নূহ, জাকারিয়া আ. | কাঠমিস্ত্রী |
| ইদরিস আ. | দরজি |
| ইবরাহিম আ. | বস্ত্র ব্যবসায়ী |
| দাউদ আ. | বর্ম তৈরি |
| সুলাঈমান আ. | তালপাতার ঝুড়ি তৈরি |
| ঈসা আ. | চরকায় সুতা কাটা |

রাসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন, "তোমরা যা খাও তার মাঝে সর্বোত্তম হলো ওই খাবার, যা তোমরা নিজের হাতে উপার্জন করো। আমার ভাই দাউদ নিজের হাতে উপার্জন করে খেতেন।" [৩৬]

দাউদ আলাইহিস সালামের কাজ ছিল, বর্ম তৈরি করা। কুরআনের মধ্যে কিন্তু এই আয়াতটা আছে, আল্লাহ তাআলা বলেছেন যে, দাউদের জন্য আমি লোহাকে নরম করে দিয়েছি। মানে, দাউদ আলাইহিস সালাম লোহায় হাত দিলেই তা আটার খামিরের মতো নরম হয়ে যেত। [৩৭] এক তো তিনি নবি ছিলেন, রাসুল ছিলেন আবার ইসরাইলের বাদশাহও ছিলেন, এবং তিনি লোহার বর্মও তৈরি করতেন। সেই পোশাক তৈরি করে তিনি নিজের জীবিকা নির্বাহ করতেন।

ঈসা আলাইহিস সালামের জীবিকা ছিল, চরকায় সুতা কাটা। ঈসা আলাইহিস সালামের মা, মারইয়াম আলাইহিস সালামের একটা চরকা ছিল, সুতা কাটার জন্য। পশুর লোম থেকে পশমি সুতা তৈরি করা। তো, এটাই ছিল তার জীবিকা উপার্জনের মাধ্যম। [৩৮]

তার মানে বোঝা গেল, নবিদেরকে—যারা আল্লাহর কাছে হাত পাতলেই পেয়ে যান; এই সমস্ত শ্রেষ্ঠ মানুষদেরকেও আল্লাহ তাআলা দুনিয়াতে নিজের জীবিকা নিজে অর্জন করতে শিখিয়েছেন। এবং তারা তাদের যে মূল দায়িত্ব, অর্থাৎ, দাওয়াতের কাজের পাশাপাশি নিজের জীবিকা নিজেই উপার্জন করতেন।

টিকাঃ
[৩৬] সহিহুল বুখারি : ২৯৭৭; সহিহ মুসলিম: ৫২৩; সুনানুন নাসায়ি: ৪২৮০
[৩৭] বুখারি, ৪/৩০৩
[৩৮] কিতাবুল কাসব, পৃষ্ঠা: ৭৫-৭৯

নবিদেরকে (আলাইহিমুস সালাম) তো আল্লাহ তাআলা দ্বীনের দাওয়াতের জিম্মাদারি দিয়ে পাঠিয়েছেন। কিন্তু তাঁদেরও জীবিকা ছিল। তাদেরকেও আল্লাহ তাআলা বস্তুগত জীবিকা অর্জন করতে বলেছেন। অর্থাৎ, দাওয়াতের পাশাপাশি নিজের রুজি নিজেকে অর্জন করার আদেশ দিয়েছেন আল্লাহ তাআলা। দেখুন, তারা কিন্তু চাইলেই বলতে পারতেন, হে আল্লাহ, আমার ঘরে খাবার নেই, আমায় খাবার দেন। আল্লাহ অবশ্যই পাঠিয়ে দিতেন। তারা যদি বলতেন, হে আল্লাহ, আমার কিছু টাকাপয়সা দরকার, তাহলেও আল্লাহ তাআলা টাকাপয়সা পাঠিয়ে দিতেন। আমাদের নবিজিকে আল্লাহ দুনিয়া-আখিরাতের সমস্ত ধনভান্ডারের চাবি দিয়ে দিয়েছিলেন। কিন্তু আল্লাহ তাআলা হুকুম দিয়েছেন এটা, আমাদেরকে শেখানোর জন্য। আমরা যেন কাজকর্ম অর্থাৎ জীবিকা উপার্জন ছেড়ে দিয়ে ইবাদতে বসে না যাই। এইজন্য আল্লাহ তাআলা আমাদেরকে শেখানোর জন্য, নবিদেরকেও দুনিয়াতে জীবিকা করে উপার্জনের আদেশ দিয়েছেন; যারা আল্লাহর কাছে চাইলেই সবকিছু পেয়ে যেতে পারতেন।

| নবি | পেশা |
| --- | --- |
| আদম আ. | কৃষি |
| নূহ, জাকারিয়া আ. | কাঠমিস্ত্রী |
| ইদরিস আ. | দরজি |
| ইবরাহিম আ. | বস্ত্র ব্যবসায়ী |
| দাউদ আ. | বর্ম তৈরি |
| সুলাঈমান আ. | তালপাতার ঝুড়ি তৈরি |
| ঈসা আ. | চরকায় সুতা কাটা |

রাসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন, "তোমরা যা খাও তার মাঝে সর্বোত্তম হলো ওই খাবার, যা তোমরা নিজের হাতে উপার্জন করো। আমার ভাই দাউদ নিজের হাতে উপার্জন করে খেতেন।" [৩৬]

দাউদ আলাইহিস সালামের কাজ ছিল, বর্ম তৈরি করা। কুরআনের মধ্যে কিন্তু এই আয়াতটা আছে, আল্লাহ তাআলা বলেছেন যে, দাউদের জন্য আমি লোহাকে নরম করে দিয়েছি। মানে, দাউদ আলাইহিস সালাম লোহায় হাত দিলেই তা আটার খামিরের মতো নরম হয়ে যেত। [৩৭] এক তো তিনি নবি ছিলেন, রাসুল ছিলেন আবার ইসরাইলের বাদশাহও ছিলেন, এবং তিনি লোহার বর্মও তৈরি করতেন। সেই পোশাক তৈরি করে তিনি নিজের জীবিকা নির্বাহ করতেন।

ঈসা আলাইহিস সালামের জীবিকা ছিল, চরকায় সুতা কাটা। ঈসা আলাইহিস সালামের মা, মারইয়াম আলাইহিস সালামের একটা চরকা ছিল, সুতা কাটার জন্য। পশুর লোম থেকে পশমি সুতা তৈরি করা। তো, এটাই ছিল তার জীবিকা উপার্জনের মাধ্যম। [৩৮]

তার মানে বোঝা গেল, নবিদেরকে—যারা আল্লাহর কাছে হাত পাতলেই পেয়ে যান; এই সমস্ত শ্রেষ্ঠ মানুষদেরকেও আল্লাহ তাআলা দুনিয়াতে নিজের জীবিকা নিজে অর্জন করতে শিখিয়েছেন। এবং তারা তাদের যে মূল দায়িত্ব, অর্থাৎ, দাওয়াতের কাজের পাশাপাশি নিজের জীবিকা নিজেই উপার্জন করতেন।

টিকাঃ
[৩৬] সহিহুল বুখারি : ২৯৭৭; সহিহ মুসলিম: ৫২৩; সুনানুন নাসায়ি: ৪২৮০
[৩৭] বুখারি, ৪/৩০৩
[৩৮] কিতাবুল কাসব, পৃষ্ঠা: ৭৫-৭৯

📘 মুমিনের ক্যারিয়ার ভাবনা 📄 নবিজি সা.-এর জীবিকা

📄 নবিজি সা.-এর জীবিকা


নবিজি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের হাদিস, "আমি সম্পদ জমা করব ও ব্যবসায়ী হব, এজন্য আমার কাছে ওহি পাঠানো হয়নি। বরং আমার কাছে ওহি পাঠানো হয়েছে, "তোমার রবের প্রশংসাসহ পবিত্রতা বর্ণনা করো; সিজদাকারীদের অন্তর্ভুক্ত হও; এবং চরম নিশ্চিত বিষয় (মৃত্যু) আসার আগ পর্যন্ত তোমার রবের গোলামি করতে থাকো।" [৩৯]

অর্থাৎ, আমার কাছে ওহি মানুষকে ব্যবসা শেখানোর জন্য পাঠানো হয়নি। মানে ব্যাপারটা হলো, আমি ওহির মাধ্যমে মানুষকে জাহান্নাম থেকে জান্নাতের দিকে নেব। কিন্তু এই ওহির মাধ্যমে আমাকে ব্যবসা করতে বলা হয়নি।

এখানে অনেকে ভুল ব্যাখ্যা করেন। তারা বলেন যে, রাসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের দুনিয়াবি কোনো পেশা ছিল না। 'আমি সম্পদ জমা করব ও ব্যবসায়ী হব, এজন্য আমার কাছে ওহি পাঠানো হয়নি।' এর মানে হলো, 'ওহি পাঠিয়ে' আমাকে বলা হয়নি যে, আপনি সম্পদ জমা করুন বা ব্যবসায়ী হোন। ওহি পাঠানোর উদ্দেশ্য দুনিয়ার কামাই না। বরং ওহি পাঠানো হয়েছে আখেরাতের কামাই বাতলানোর জন্য। যেন আমি নিজের রবের প্রশংসা করি, সেজদাকারীদের অন্তর্ভুক্ত হই এবং রবের গোলামি করতে থাকি। ওহি পাঠিয়ে এই কথাগুলোই আমাকে বলা হয়েছে।

অর্থাৎ ওহি পাঠানোর উদ্দেশ্য কী, সেটা বলা হাদিসের উদ্দেশ্য। নয়তো, রাসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের নিজের ব্যবসা ছিল, এবং তিনি সম্পদও জমা করেছেন। সেটা আমরা সামনে দেখব। তার মানে, এই কথা ওহির সাথে খাস। অর্থাৎ, ওহি আসার উদ্দেশ্য আমাকে এগুলো বানানো নয়। বরং আখেরাতমুখী করার জন্য। [৪০]

আমাদের নবিজি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম-
১. প্রথম জীবনে মেষের রাখাল ছিলেন। একসময় খাদিজা রা.-এর ব্যবসাও রাসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম সামলাতেন। পরবর্তী সময়ে আম্মা খাদিজার সম্পদই ছিল তাঁর জীবিকানির্বাহের বড় একটা মাধ্যম। নবুয়তের পর...
২. তিনি চামড়ার কারবারে অংশীদার ছিলেন। সাহাবিগণ রা. ব্যবসা করতেন, আর রাসুল ইনভেস্ট করতেন এবং সেখান থেকে লাভ গ্রহণ করতেন। [৪১]
৩. 'জুরফ' নামক একটি এলাকায় আল্লাহর রাসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বীজ বপন করাতেন। সেখান থেকে তাঁর ফসল আসত। এটা দিয়ে রাসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম নিজের জীবিকা এবং এগারোটা সংসারের জীবিকা উপার্জন করতেন। অর্থাৎ, চামড়ার কারবার ও জুরফের বীজের ফসল থেকে তিনি জীবিকা উপার্জন করতেন। আর সেইসাথে হাদিয়া তো আছেই। এবং যুদ্ধের গনিমতের মালামাল থেকেও কিছু আসত। [৪২]

টিকাঃ
[৩৯] আয-যুহদ লিল আহমদ, আবু মুসলিম খাওলানির সূত্রে
[৪০] কিতাবুল কাসব, পৃষ্ঠা ৭৮
[৪১] আবু দাউদ সূত্রে ইমাম মুহাম্মাদ রহ., প্রাগুক্ত।
[৪২] সহিহুল বুখারি, ২০৭১

নবিজি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের হাদিস, "আমি সম্পদ জমা করব ও ব্যবসায়ী হব, এজন্য আমার কাছে ওহি পাঠানো হয়নি। বরং আমার কাছে ওহি পাঠানো হয়েছে, "তোমার রবের প্রশংসাসহ পবিত্রতা বর্ণনা করো; সিজদাকারীদের অন্তর্ভুক্ত হও; এবং চরম নিশ্চিত বিষয় (মৃত্যু) আসার আগ পর্যন্ত তোমার রবের গোলামি করতে থাকো।" [৩৯]

অর্থাৎ, আমার কাছে ওহি মানুষকে ব্যবসা শেখানোর জন্য পাঠানো হয়নি। মানে ব্যাপারটা হলো, আমি ওহির মাধ্যমে মানুষকে জাহান্নাম থেকে জান্নাতের দিকে নেব। কিন্তু এই ওহির মাধ্যমে আমাকে ব্যবসা করতে বলা হয়নি।

এখানে অনেকে ভুল ব্যাখ্যা করেন। তারা বলেন যে, রাসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের দুনিয়াবি কোনো পেশা ছিল না। 'আমি সম্পদ জমা করব ও ব্যবসায়ী হব, এজন্য আমার কাছে ওহি পাঠানো হয়নি।' এর মানে হলো, 'ওহি পাঠিয়ে' আমাকে বলা হয়নি যে, আপনি সম্পদ জমা করুন বা ব্যবসায়ী হোন। ওহি পাঠানোর উদ্দেশ্য দুনিয়ার কামাই না। বরং ওহি পাঠানো হয়েছে আখেরাতের কামাই বাতলানোর জন্য। যেন আমি নিজের রবের প্রশংসা করি, সেজদাকারীদের অন্তর্ভুক্ত হই এবং রবের গোলামি করতে থাকি। ওহি পাঠিয়ে এই কথাগুলোই আমাকে বলা হয়েছে।

অর্থাৎ ওহি পাঠানোর উদ্দেশ্য কী, সেটা বলা হাদিসের উদ্দেশ্য। নয়তো, রাসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের নিজের ব্যবসা ছিল, এবং তিনি সম্পদও জমা করেছেন। সেটা আমরা সামনে দেখব। তার মানে, এই কথা ওহির সাথে খাস। অর্থাৎ, ওহি আসার উদ্দেশ্য আমাকে এগুলো বানানো নয়। বরং আখেরাতমুখী করার জন্য। [৪০]

আমাদের নবিজি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম-
১. প্রথম জীবনে মেষের রাখাল ছিলেন। একসময় খাদিজা রা.-এর ব্যবসাও রাসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম সামলাতেন। পরবর্তী সময়ে আম্মা খাদিজার সম্পদই ছিল তাঁর জীবিকানির্বাহের বড় একটা মাধ্যম। নবুয়তের পর...
২. তিনি চামড়ার কারবারে অংশীদার ছিলেন। সাহাবিগণ রা. ব্যবসা করতেন, আর রাসুল ইনভেস্ট করতেন এবং সেখান থেকে লাভ গ্রহণ করতেন। [৪১]
৩. 'জুরফ' নামক একটি এলাকায় আল্লাহর রাসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বীজ বপন করাতেন। সেখান থেকে তাঁর ফসল আসত। এটা দিয়ে রাসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম নিজের জীবিকা এবং এগারোটা সংসারের জীবিকা উপার্জন করতেন। অর্থাৎ, চামড়ার কারবার ও জুরফের বীজের ফসল থেকে তিনি জীবিকা উপার্জন করতেন। আর সেইসাথে হাদিয়া তো আছেই। এবং যুদ্ধের গনিমতের মালামাল থেকেও কিছু আসত। [৪২]

টিকাঃ
[৩৯] আয-যুহদ লিল আহমদ, আবু মুসলিম খাওলানির সূত্রে
[৪০] কিতাবুল কাসব, পৃষ্ঠা ৭৮
[৪১] আবু দাউদ সূত্রে ইমাম মুহাম্মাদ রহ., প্রাগুক্ত।
[৪২] সহিহুল বুখারি, ২০৭১

📘 মুমিনের ক্যারিয়ার ভাবনা 📄 সাহাবিদের জীবিকা

📄 সাহাবিদের জীবিকা


আম্মাজান আয়িশা রা. বলেন, আল্লাহর রাসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের সাহাবিগণ শারীরিক শ্রম দিয়ে উপার্জন করতেন। [৪৩]

সাহাবিদের প্রত্যেকের জীবিকা ছিল। যারা সুফিবাদের নামে বলছে যে কোনো দুনিয়াবি পেশা আমরা গ্রহণ করব না। অথচ দেখুন, সাহাবিদের চেয়ে বড় আল্লাহওয়ালা, বড় বুজুর্গ তো আর কেউ ছিলেন না। সাহাবিদের চেয়ে বড় বুজুর্গ হওয়া সম্ভবও না। সেই সাহাবিদের প্রত্যেকের জীবিকা ছিল। জীবিকাহীন জীবন কাটানোর দলিল হিসেবে আসহাবে সুফফার সাহাবিগণ বিশেষ করে আবু হুরাইরা রা.-কে বারবার সামনে আনা হয়। সেই আবু হুরাইরা রা.-ও জীবিকা নিজে উপার্জন করতেন। আসহাবে সুফফার প্রত্যেকে গভর্নর ও সরকারি আমলা হয়েছিলেন পরবর্তী জীবনে, সরকারি ভাতা পেতেন। সুতরাং জীবিকা উপার্জনকে দ্বীনদারির বিরুদ্ধে দাঁড় করানো ইসলামসম্মত কথা নয়।

উমর রা. একবার মসজিদে কিছু লোক দেখে জিজ্ঞেস করলেন, এরা কারা? বলা হলো, এরা তাওয়াক্কুলকারী। এরা আল্লাহর ওপর ভরসা করে থাকে, জিকির-আজকার করে, ইবাদত-বন্দেগি করে। তখন উমর রা. বললেন, এরা কিছুতেই তাওয়াক্কুলকারী নয়। বরং এরা তো বসে বসে খাওয়ার লোক।... প্রকৃত তাওয়াক্কুলকারী তো সে, যে জমিতে বীজ বপন করার পর, রবের ওপর ভরসা করে। [৪৪]

তার মানে, দুনিয়াবি কোনো আয়-উপার্জনের ধান্দা করব না-এটা না রাসুলের শিক্ষা, না সাহাবায়ে কেরামের শিক্ষা। এমনকি জান্নাতের সুসংবাদপ্রাপ্ত দশজন সাহাবির মাঝে ছয়জন তাদের যুগের শীর্ষ ধনী ছিলেন।

* আবু বকর রা. বস্ত্র ব্যবসায়ী ছিলেন।
* উমর রা. চামড়ার ব্যবসায়ী ছিলেন। খাইবারে উমর রা.-এর একখণ্ড জমি ছিল, নাম ছিল সামগ (Thamgh)। সেই জমি থেকে তার উপার্জন আসত।
* উসমান রা. খাদ্যশস্যের ব্যবসায়ী ছিলেন।
* আলি রা.-ও ব্যবসা করতেন, পাশাপাশি কায়িক শ্রমও দিতেন। তাদের সংসারে যখন খুব অভাব ছিল, তখন তিনি এক ইহুদির কাছ থেকে অল্প কয়েকটি খেজুরের বিনিময়ে কূপ থেকে পানি তুলতেন। যখন মুহাজির সাহাবিদের অবস্থা খুব খারাপ ছিল, তখন তারা এই কাজগুলোও করতেন। [৪৫]

খাইবারে উমর রা.-এর একখণ্ড জমি ছিল, নাম ছিল সামগ (Thamgh)। সেই জমি থেকে তার উপার্জন আসত।

সাওয়াদ এলাকায় (দক্ষিণ ইরাক) ইবনু মাসউদ রা., হাসান রা. ও আবু হুরাইরা রা.-এর শস্যক্ষেত ছিল। সেখানে তারা মানুষ দিয়ে চাষাবাদ করতেন এবং সেখান থেকে খাজনা আদায় করতেন।

সাওয়াদ এলাকায় ও অন্যান্য জায়গায় ইবনে আব্বাস রা.-এর শস্যক্ষেত ছিল। সেসব স্থান থেকে তার আয়-উপার্জন আসত।

সাদ বিন আবি ওয়াক্কাস রা.-এর ছিল তির-বর্শার ব্যবসা।

টিকাঃ
[৪৩] সহিহুল বুখারি, ২০৭১
[৪৪] আল-ইকদুল ফারিদ, ২/৩৪২; ইহইয়াউ উলুমিদ্দিন, ২/৬২
[৪৫] আল-ফিকহ আলাল মাজাহিবিল আরবাআ: ৩/১২

আম্মাজান আয়িশা রা. বলেন, আল্লাহর রাসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের সাহাবিগণ শারীরিক শ্রম দিয়ে উপার্জন করতেন। [৪৩]

সাহাবিদের প্রত্যেকের জীবিকা ছিল। যারা সুফিবাদের নামে বলছে যে কোনো দুনিয়াবি পেশা আমরা গ্রহণ করব না। অথচ দেখুন, সাহাবিদের চেয়ে বড় আল্লাহওয়ালা, বড় বুজুর্গ তো আর কেউ ছিলেন না। সাহাবিদের চেয়ে বড় বুজুর্গ হওয়া সম্ভবও না। সেই সাহাবিদের প্রত্যেকের জীবিকা ছিল। জীবিকাহীন জীবন কাটানোর দলিল হিসেবে আসহাবে সুফফার সাহাবিগণ বিশেষ করে আবু হুরাইরা রা.-কে বারবার সামনে আনা হয়। সেই আবু হুরাইরা রা.-ও জীবিকা নিজে উপার্জন করতেন। আসহাবে সুফফার প্রত্যেকে গভর্নর ও সরকারি আমলা হয়েছিলেন পরবর্তী জীবনে, সরকারি ভাতা পেতেন। সুতরাং জীবিকা উপার্জনকে দ্বীনদারির বিরুদ্ধে দাঁড় করানো ইসলামসম্মত কথা নয়।

উমর রা. একবার মসজিদে কিছু লোক দেখে জিজ্ঞেস করলেন, এরা কারা? বলা হলো, এরা তাওয়াক্কুলকারী। এরা আল্লাহর ওপর ভরসা করে থাকে, জিকির-আজকার করে, ইবাদত-বন্দেগি করে। তখন উমর রা. বললেন, এরা কিছুতেই তাওয়াক্কুলকারী নয়। বরং এরা তো বসে বসে খাওয়ার লোক।... প্রকৃত তাওয়াক্কুলকারী তো সে, যে জমিতে বীজ বপন করার পর, রবের ওপর ভরসা করে। [৪৪]

তার মানে, দুনিয়াবি কোনো আয়-উপার্জনের ধান্দা করব না-এটা না রাসুলের শিক্ষা, না সাহাবায়ে কেরামের শিক্ষা। এমনকি জান্নাতের সুসংবাদপ্রাপ্ত দশজন সাহাবির মাঝে ছয়জন তাদের যুগের শীর্ষ ধনী ছিলেন।

* আবু বকর রা. বস্ত্র ব্যবসায়ী ছিলেন।
* উমর রা. চামড়ার ব্যবসায়ী ছিলেন। খাইবারে উমর রা.-এর একখণ্ড জমি ছিল, নাম ছিল সামগ (Thamgh)। সেই জমি থেকে তার উপার্জন আসত।
* উসমান রা. খাদ্যশস্যের ব্যবসায়ী ছিলেন।
* আলি রা.-ও ব্যবসা করতেন, পাশাপাশি কায়িক শ্রমও দিতেন। তাদের সংসারে যখন খুব অভাব ছিল, তখন তিনি এক ইহুদির কাছ থেকে অল্প কয়েকটি খেজুরের বিনিময়ে কূপ থেকে পানি তুলতেন। যখন মুহাজির সাহাবিদের অবস্থা খুব খারাপ ছিল, তখন তারা এই কাজগুলোও করতেন। [৪৫]

খাইবারে উমর রা.-এর একখণ্ড জমি ছিল, নাম ছিল সামগ (Thamgh)। সেই জমি থেকে তার উপার্জন আসত।

সাওয়াদ এলাকায় (দক্ষিণ ইরাক) ইবনু মাসউদ রা., হাসান রা. ও আবু হুরাইরা রা.-এর শস্যক্ষেত ছিল। সেখানে তারা মানুষ দিয়ে চাষাবাদ করতেন এবং সেখান থেকে খাজনা আদায় করতেন।

সাওয়াদ এলাকায় ও অন্যান্য জায়গায় ইবনে আব্বাস রা.-এর শস্যক্ষেত ছিল। সেসব স্থান থেকে তার আয়-উপার্জন আসত।

সাদ বিন আবি ওয়াক্কাস রা.-এর ছিল তির-বর্শার ব্যবসা।

টিকাঃ
[৪৩] সহিহুল বুখারি, ২০৭১
[৪৪] আল-ইকদুল ফারিদ, ২/৩৪২; ইহইয়াউ উলুমিদ্দিন, ২/৬২
[৪৫] আল-ফিকহ আলাল মাজাহিবিল আরবাআ: ৩/১২

📘 মুমিনের ক্যারিয়ার ভাবনা 📄 সাহাবিদের জীবনযাপনের ধরন

📄 সাহাবিদের জীবনযাপনের ধরন


এক সাহাবি বলেন, আমাকে খুবই পুরাতন পোশাক পরে থাকতে দেখে নবিজি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম প্রশ্ন করলেন, তোমার ধনদৌলত আছে? আমি বললাম, আল্লাহ তাআলা আমাকে উট, ছাগল, ভেড়া প্রভৃতি সকলপ্রকার সম্পদই দিয়েছেন। তিনি বললেন, তা তোমার শরীরে পরিলক্ষিত হওয়া উচিত। [৪৬] মানে, আল্লাহ যে তোমাকে সচ্ছলতা দিয়েছেন, সেটা তোমার পোশাক-আশাকে ফুটে ওঠা উচিত। মানে একদম জীর্ণশীর্ণ অবস্থায় থাকা, এটা রাসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম পছন্দ করেননি।

রাসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম 'সুহরাতাইন' পরতে নিষেধ করেছেন, মানে, এত জীর্ণ পোশাক না পরা, যাতে লোকেরা আঙুল উঁচিয়ে কানাঘুষা করে। আবার এত জাঁকজমকপূর্ণ পোশাক না পরা যাতে আঙুল তুলে কানাঘুষা করে। তার মানে দাঁড়াল, ইসলাম হল ব্যালেন্স। মানে, মাঝামাঝি। আল্লাহ তাআলা কুরআনের মধ্যে বলেছেন আমি তোমাদেরকে মধ্যবর্তী উম্মত হিসেবে প্রেরণ করেছি। [৪৭]

হজরত ইবনে উমর রা. বলেন, এমন কাপড় পরবে, যাতে বেকুবের তোমাকে তুচ্ছ মনে না করে (যারা কাপড় দেখে মানুষকে মূল্যায়ন করে); আবার এত জাঁকজমকপূর্ণ পোশাক পরো না, যাতে ধৈর্যশীলরাও তোমার ওপর অসন্তুষ্ট হয় (মনে না করে, তুমি দুনিয়াদার)। 'কেমন সেটা' জানতে চাইলে বললেন, ৫ থেকে ২০ দিরহামের কাপড়। [৪৮]

আলি রা. ৩-৪ দিরহামের কাপড় পরেছেন, আবার ইবনে আওফ রা. ৪০০-৫০০ দিরহামের কাপড় পরেছেন, আবার ইবনে আব্বাস রা. ১০০০ দিরহামের কাপড়ও কিনেছেন। [৪৯]

আল্লাহর রাসুল বলেছেন, সৌভাগ্যের বিষয় তিনটি—নেককার স্ত্রী, দ্রুতগামী বাহন, কয়েক স্তরের প্রশস্ত কামরা। অর্থাৎ, বড় ঘর, বা বাসা, যেখানে মহিলাদের পর্দার হেফাজত হয়, যেখানে বড় পরিবার থাকা যায়; এরকম বাসা থাকা সৌভাগ্যের বিষয় মনে করা হয়। [৫০]

আমরা এর মাধ্যমে সাহাবিদের লাইফস্টাইল সম্পর্কে একটা ধারণা পেলাম যে, কী ধরনের লাইফস্টাইল আমাদের মেইনটেইন করা প্রয়োজন। মাঝামাঝি ধরনের লাইফস্টাইল অবলম্বন করা ইসলামের মেজাজ। রাসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের একটা বিখ্যাত হাদিস আছে, "সাদাসিধা জীবন ঈমানের অঙ্গ।” আর সাহাবিরা সাদাসিধা জীবনযাপন করার চেষ্টা করতেন। অর্থাৎ, মাঝামাঝি জীবনযাপন। খুব জীর্ণশীর্ণও না, আবার জাঁকজমকপূর্ণও না।

টিকাঃ
[৪৬] সুনানু আবি দাউদ: ৪০৬৩; সুনানুত তিরমিজি: ২০০৬; সুনানুন নাসায়ি: ৫২২৪; হাদিসটি সহিহ
[৪৭] সুরা বাকারা: ১৪৩
[৪৮] ইমাম মুহাম্মাদ রহ, প্রাগুক্ত।
[৪৯] বাইহাকির সূত্রে জামিউস সগির, ইমাম সুয়ুতি। 'জীবিকার খোঁজে', ইমাম মুহাম্মদ রহিমাহুল্লাহ, মাকতাবাতুল বায়ান, পৃষ্ঠা ১০৫।
[৫০] মুসতাদরাকে হাকিম, হাদিস: ২৬৮৪, সূত্রে, আদর্শ পরিবার গঠনে ৪০ উপদেশ, শাইখ সালেহ আল-মুনাজ্জিদ রহ., রুহামা পাবলিকেশন।

এক সাহাবি বলেন, আমাকে খুবই পুরাতন পোশাক পরে থাকতে দেখে নবিজি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম প্রশ্ন করলেন, তোমার ধনদৌলত আছে? আমি বললাম, আল্লাহ তাআলা আমাকে উট, ছাগল, ভেড়া প্রভৃতি সকলপ্রকার সম্পদই দিয়েছেন। তিনি বললেন, তা তোমার শরীরে পরিলক্ষিত হওয়া উচিত। [৪৬] মানে, আল্লাহ যে তোমাকে সচ্ছলতা দিয়েছেন, সেটা তোমার পোশাক-আশাকে ফুটে ওঠা উচিত। মানে একদম জীর্ণশীর্ণ অবস্থায় থাকা, এটা রাসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম পছন্দ করেননি।

রাসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম 'সুহরাতাইন' পরতে নিষেধ করেছেন, মানে, এত জীর্ণ পোশাক না পরা, যাতে লোকেরা আঙুল উঁচিয়ে কানাঘুষা করে। আবার এত জাঁকজমকপূর্ণ পোশাক না পরা যাতে আঙুল তুলে কানাঘুষা করে। তার মানে দাঁড়াল, ইসলাম হল ব্যালেন্স। মানে, মাঝামাঝি। আল্লাহ তাআলা কুরআনের মধ্যে বলেছেন আমি তোমাদেরকে মধ্যবর্তী উম্মত হিসেবে প্রেরণ করেছি। [৪৭]

হজরত ইবনে উমর রা. বলেন, এমন কাপড় পরবে, যাতে বেকুবের তোমাকে তুচ্ছ মনে না করে (যারা কাপড় দেখে মানুষকে মূল্যায়ন করে); আবার এত জাঁকজমকপূর্ণ পোশাক পরো না, যাতে ধৈর্যশীলরাও তোমার ওপর অসন্তুষ্ট হয় (মনে না করে, তুমি দুনিয়াদার)। 'কেমন সেটা' জানতে চাইলে বললেন, ৫ থেকে ২০ দিরহামের কাপড়। [৪৮]

আলি রা. ৩-৪ দিরহামের কাপড় পরেছেন, আবার ইবনে আওফ রা. ৪০০-৫০০ দিরহামের কাপড় পরেছেন, আবার ইবনে আব্বাস রা. ১০০০ দিরহামের কাপড়ও কিনেছেন। [৪৯]

আল্লাহর রাসুল বলেছেন, সৌভাগ্যের বিষয় তিনটি—নেককার স্ত্রী, দ্রুতগামী বাহন, কয়েক স্তরের প্রশস্ত কামরা। অর্থাৎ, বড় ঘর, বা বাসা, যেখানে মহিলাদের পর্দার হেফাজত হয়, যেখানে বড় পরিবার থাকা যায়; এরকম বাসা থাকা সৌভাগ্যের বিষয় মনে করা হয়। [৫০]

আমরা এর মাধ্যমে সাহাবিদের লাইফস্টাইল সম্পর্কে একটা ধারণা পেলাম যে, কী ধরনের লাইফস্টাইল আমাদের মেইনটেইন করা প্রয়োজন। মাঝামাঝি ধরনের লাইফস্টাইল অবলম্বন করা ইসলামের মেজাজ। রাসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের একটা বিখ্যাত হাদিস আছে, "সাদাসিধা জীবন ঈমানের অঙ্গ।” আর সাহাবিরা সাদাসিধা জীবনযাপন করার চেষ্টা করতেন। অর্থাৎ, মাঝামাঝি জীবনযাপন। খুব জীর্ণশীর্ণও না, আবার জাঁকজমকপূর্ণও না।

টিকাঃ
[৪৬] সুনানু আবি দাউদ: ৪০৬৩; সুনানুত তিরমিজি: ২০০৬; সুনানুন নাসায়ি: ৫২২৪; হাদিসটি সহিহ
[৪৭] সুরা বাকারা: ১৪৩
[৪৮] ইমাম মুহাম্মাদ রহ, প্রাগুক্ত।
[৪৯] বাইহাকির সূত্রে জামিউস সগির, ইমাম সুয়ুতি। 'জীবিকার খোঁজে', ইমাম মুহাম্মদ রহিমাহুল্লাহ, মাকতাবাতুল বায়ান, পৃষ্ঠা ১০৫।
[৫০] মুসতাদরাকে হাকিম, হাদিস: ২৬৮৪, সূত্রে, আদর্শ পরিবার গঠনে ৪০ উপদেশ, শাইখ সালেহ আল-মুনাজ্জিদ রহ., রুহামা পাবলিকেশন।

ফন্ট সাইজ
15px
17px