📘 মুমিনের বিনোদন > 📄 অপরাধমূলক কাজের চিত্রায়ণ

📄 অপরাধমূলক কাজের চিত্রায়ণ


কোনো কোনো গল্পে ভয়ংকর যে বিষয়টি রয়েছে, তা হলো, সেখানে অপরাধের এমন কৌশল তুলে ধরা হয়েছে, যা সাধারণ মেধার কোনো মানুষের দ্বারা সম্ভব নয়। সেগুলো সংঘটিত করার জন্য এবং তার দোষ থেকে বাঁচার জন্য, এসংক্রান্ত যাবতীয় পরীক্ষা ও সমস্যা থেকে মুক্তি পাওয়ার জন্য প্রয়োজন তীক্ষ্ণ মেধা ও কূটনৈতিক বুদ্ধিমত্তার। অনেক কিশোর-কিশোরী তো বুদ্ধিমত্তা ও অনুভূতি খুইয়ে চুরি, ডাকাতি, ছিনতাই থেকে আরম্ভ করে ভয়ংকর সব অপরাধে জড়িয়ে পড়ছে। আবার মনে মনে নিজেদের এই কাজকে সমর্থনও করছে।
আমি এটা বলছি না যে, প্রতিটি গোয়েন্দা উপন্যাসেই এমন অনিষ্টকর দিক রয়েছে; বরং কিছু কিছু উপন্যাসে এমন জটিলতা রয়েছে, তাও আবার সবগুলোতে সমানহারে নয়।

📘 মুমিনের বিনোদন > 📄 কিছু অপরাধীকে সম্মাননা দেওয়া হয়

📄 কিছু অপরাধীকে সম্মাননা দেওয়া হয়


অনেক সময় কিছু চোরের আলোচনা এভাবে করা হয়—'মেধাবী চোর, ভদ্র চোর' ইত্যাদি। এমন চোরদের তালিকায় সবচেয়ে প্রসিদ্ধ হলো 'আরসিন লুপিন'। সে ধনীদের অর্থ চুরি করে গরিবদের মাঝে বিলিয়ে দিত। অথবা জালিমের কাছ থেকে নিয়ে মাজলুমকে দিয়ে দিত। কিন্তু পরবর্তী সময়ে তার অনুসারীরা প্রকৃত অর্থেই চুরি করতে আরম্ভ করে।
ওই সমস্ত লেখক, যারা আরবিতে এগুলোর অনুবাদ করেছে, তারা এটা বেমালুম ভুলে গেছে যে, চুরি ও চোর যে কোয়ালিটিরই হোক না কেন, শরিয়তে তার বিধান একই। আর সেটা হলো চোরের হাত কেটে দেওয়া। উপরন্তু কোনো মানুষের এই অধিকার নেই যে, সে ব্যক্তিগতভাবে ইনসাফ প্রতিষ্ঠা করবে; বরং এই দায়িত্বটি রাষ্ট্রপ্রধান ও বিচারকদের ওপর বর্তায়। যদি প্রত্যেকেই এভাবে ইনসাফ কায়েম করা আরম্ভ করে, তাহলে মানুষের সম্পদ নষ্ট হতে থাকবে; অথচ না কেউ তার কাছে ইনসাফ কায়েমের বিচার দিয়েছে, আর না কেউ এর প্রতিকার চেয়েছে।
তাহলে এই ধরনের মানুষ কীভাবে অনুসরণীয় ও রোলমডেল হতে পারে!? আল্লাহ তাআলা আমাদের সুমতি দান করুন। আমিন।

লিঙ্ক শেয়ার করুন
close

লিঙ্ক কপি করুন

0:00
0:00