📄 উপন্যাসের প্রকারভেদ
আমরা আগের পৃষ্ঠাগুলোতে ওই সমস্ত উপন্যাস নিয়ে আলোচনা করেছি, যেগুলোর লেখকেরা আল্লাহর সত্তা নিয়ে সমালোচনা করেছে, ইসলাম ও তার সংবিধান নিয়ে আপত্তি তুলেছে এবং ভ্রষ্ট চরিত্রের দিকে আহ্বান করেছে। বস্তুত তারা অধিকাংশ ক্ষেত্রে আধুনিক ও সামাজিক উপন্যাসগুলোর ওপর ভরসা করে লিখেছে।
সমস্ত লেখক শুরুতেই কিন্তু নাস্তিকতা ও পাপাচার প্রচারের উদ্দেশ্যে লেখেনি; বরং তারা প্রাথমিক পর্যায়ে জৈবিক চাহিদা পূরণ করার জন্য কিংবা সাহিত্যিক আবেদনে তৃপ্ত হওয়ার জন্য লিখেছে। আর এভাবে চলতে গিয়েই তারা মারাত্মক কিছু ভুলের শিকার হয়েছে।
সামাজিক ও আধুনিক উপন্যাস ছাড়াও উপন্যাসের অনেক প্রকার রয়েছে। এই অধ্যায়টির পূর্ণতার জন্য সেই প্রকারগুলো নিয়েও আলোকপাত করব ইনশাআল্লাহ।
উপন্যাসের অনেক আকৃতি-প্রকৃতি ও ভাব-ধরন রয়েছে। প্রত্যেক প্রকারের জন্য পৃথক পৃথক লেখক ও পাঠক রয়েছে। বিষয়টি কেবল সামাজিক উপন্যাসের মাঝেই সীমিত নয়; বরং এখানে গোয়েন্দা উপন্যাস, অ্যাকশন উপন্যাস, ভৌতিক উপন্যাস, সায়েন্স ফিকশন উপন্যাস এবং ভালোবাসা ও রোমান্স উপন্যাস প্রভৃতি। এগুলোর মধ্য থেকে কিছু প্রকার এবং সেগুলোর উদ্দেশ্য ও ইশতেহার নিয়ে আলোচনা করব ইনশাআল্লাহ।
📄 ঐতিহাসিক গল্প-উপন্যাস
মানুষের মাঝে বহুলপ্রচলিত আরেকটি গল্প-উপন্যাসের প্রকার হলো ভীতিকর গল্প-উপন্যাস। এই ধরনের গল্প ও উপন্যাসের প্রধান লক্ষ্য থাকে পাঠকের মন-মগজে ভীতি সৃষ্টি করা। ভৌতিক উপন্যাসের জগতে সবচেয়ে প্রসিদ্ধ হলো পাশ্চাত্য লেখক লাভক্রাফট।
এই ধরনের গল্প-উপন্যাসের পাঠক ও ফিল্মের দর্শকদের মন-মগজে এর ভয়ংকর প্রভাব পড়ে। যেমন:
১. মানসিকভাবে তার মাঝে সেই ভয়টি প্রবল হয়ে ওঠে। এই ধরনের উপন্যাসের পরিষ্কার লক্ষণ হলো, তার মাঝে হিংস্রতা বৃদ্ধি পায়। কেননা, এই ধরনের উপন্যাস, গল্প ও সিনেমায় রক্তের নদী বয়ে যায় এবং শরীর ক্ষতবিক্ষত হয়।
এই উপন্যাসগুলো আমাদের শিশুদের হৃদয়ে এমন আতঙ্ক ও ভীতি সৃষ্টি করে, তারা বেঁচে থাকার মনোবল হারিয়ে ফেলে। শিশুদের মানসপটে এমন দৃশ্য ভেসে ওঠে যে, সেখানে মানুষের রক্তপিপাসু কোনো হায়েনা অবস্থান করে। যারা দেখতে ঠিক মানুষের ন্যায়, কিন্তু তারা মানুষ নয়। তারা প্রথমে মানুষের সাথে সখ্যতা গড়ে তোলে, এরপর তাদের সাথে বাড়িতে গিয়ে রাতের আঁধারে তাদের রক্ত পান করে। এই শিশুটি কেবল এই চিন্তায় কাতর হয়ে থাকে, কখন যেন সে এই ধরনের প্রাণীর শিকারে পরিণত হয়! সমাজের ব্যাপারে তার চিন্তা-ভাবনাতেও ব্যাপক পরিবর্তন আসে। এজন্যই তো অনেক সময় দেখা যায়, প্রতিবেশী বা নিজের বন্ধুকে দেখিয়ে শিশু হঠাৎ বলে উঠছে, এরা কি রক্তচোষা? এরা কি রাক্ষস?
ভীতিকর কোনো কোনো গল্পের কারণে শিশুর মনে সর্বদা এই সংশয় দানা বেঁধে থাকে, যেকোনো সময় তাকে অকারণে হত্যা করা হতে পারে। বিশেষকরে এমন সিরিয়াল কিলারদের হাতে সে যেকোনো মুহূর্তে মারা পড়তে পারে, যারা শুধু এ কারণে শিশুদের হত্যা করে যে, তারা নীলচোখা বা প্রখর মেধাবী। নিহতদের সাথে সামান্য কথাবার্তার সম্পর্ক ছাড়া তাদের এসব হত্যার পেছনে বিশেষ কোনো উদ্দেশ্য থাকে না।
এই অনিষ্টতা ও অপকারিতা শুধু বহিরাগত উপন্যাসগুলোর মাঝে কিংবা কেবল সাম্প্রতিক লেখকদের লেখার মাঝেই সীমিত নয়; বরং প্রাচীনকাল থেকেই এমন কল্পকাহিনি প্রচলিত আছে। যেমন: ভূত-প্রেতের গল্প, দৈত্যের গল্প, শয়তানের গল্প ইত্যাদি। এগুলোও উপরে বর্ণিত অনিষ্টতার কারণ হয়ে দাঁড়ায়।
এই গল্প, উপন্যাস ও ফিল্ম আমাদের মাঝে বীর-বাহাদুর সন্তান সৃষ্টির পথে অন্তরায় হয়ে দাঁড়ায়। এগুলোর সাথে সম্পৃক্ত শিশুরা কাপুরুষ, ভীত, লাঞ্ছিত ও অপদস্থ হয়েই বেঁচে থাকার পথ খুঁজবে। একটি শিশু যখন তার পড়ালেখার মাঝেই এই ধরনের চিন্তা-ভাবনা নিয়ে বেড়ে উঠবে, এগুলো তার মাঝে বড় ধরনের প্রভাব সৃষ্টি করবে।
আমাদের শিশুদের যখন তার মা এই বলে ভয় দেখাবে যে, এটা করো, ওটা করো, কথা না শুনলে কিন্তু ভূতে ধরবে, ওই যে কূপের পাশে ভূত আছে, তো এই শিশু কি কোনোদিন একাকী কূপ থেকে পানি উঠাতে যেতে সাহস করবে?
২. ভীতিকর ঘটনা, উপন্যাস ও ফিল্মগুলোতে অনেক সময় তাওহিদ তথা আল্লাহ তাআলার একত্ববাদবিরোধী কথাও থাকে। যেমন: জনগণের মাঝে বহুলপ্রচলিত ড্রাকুলার গল্প। যেটি পশ্চিমা ফিল্মগুলোর প্রতিপাদ্য বিষয় হয়ে গেছে। এগুলোর মাঝে শরিয়ত-গর্হিত অনেক বাজে আকিদা ও ভ্রষ্ট চিন্তা-চেতনার বীজ রয়েছে। যেমন:
ক. রক্তচোষারা কখনও ধ্বংস হবে না, তারা মারা যাবে না।
খ. ড্রাকুলা মৃতকে কবর থেকে জীবিত করতে পারে।
গ. সাধারণত সেই গল্পগুলোতে এই ধ্যান-ধারণাও প্রচার করা হয় যে, ক্রুস ড্রাকুলার আক্রমণ ও অনিষ্টতা থেকে রক্ষা করতে পারে, যার মাঝে ক্রুসের প্রতি অপরিসীম সম্মান প্রদর্শন করা হয়। এমনকি আমাদের অনেক মুসলিম শিশুদের বাহুতে ক্রুস ঝুলানোর কথা শুনেছি, যারা ড্রাকুলার গল্প ও উপন্যাস পড়ে এবং এ ধরনের সিনেমা দেখে।
আল্লাহর কাছে প্রার্থনা করছি, তিনি যেন আমাদের সন্তানসস্তুতি ও সমস্ত মুসলিমকে এই ধরনের বিনোদনগত ফিতনা থেকে হিফাজত করেন। আমিন।
📄 অলীক উপন্যাস
অলীক উপন্যাস বলতে যেসব উপন্যাসে এমন বিষয় উপস্থাপন করা হয়, যার সাথে সাধারণ পৃথিবীর কোনো সম্পর্ক নেই। যেমন, 'আজব দেশে অ্যালিসের অভিযাত্রা' নামক উপন্যাস। এতে এমন একটি মেয়ের কাহিনি বর্ণনা করা হয়েছে, যে অচিন কোনো গ্রহে ঘুরতে গেছে।
এগুলো নিয়ে এমন এমন উপন্যাস তৈরি করা হয়েছে, যাতে অলীক জগতের অলীক সব বিষয়কে চিত্রায়িত করা হয়েছে। যেমন: 'আংটিসমূহের রাজা' নামক উপন্যাস। এতে এমন কিছু মানুষের ঘটনা বর্ণনা করা হয়েছে, যারা অন্য একজগতের বাসিন্দা এবং তারা বিভিন্ন ধরনের অলৌকিক কাজের ক্ষমতা রাখে। এই জাতীয় আরেকটি উপন্যাসের নাম হলো 'হ্যারি পটার', যা সারাবিশ্বেই প্রসিদ্ধি অর্জন করেছে।
অলীক গল্পগুলোতে আপনি দেখতে পাবেন যে, অধিকাংশ বইয়েই চাঁদের রাতে নেকড়ে বাঘে রূপান্তরিত মানুষ, ভ্যাম্পায়ার (রক্তচোষা) ও জম্বি (জীবন্ত লাশ) ইত্যাদি নিয়ে আলোচনা করা হয়।
আরবে এমন কিছু লেখকও আত্মপ্রকাশ করেছে, যারা বিনোদন হিসেবে নিজেদের লেখায় এই ধরনের গল্প যুক্ত করেছে। যেমন: আহমাদ খালিদ তাওফিক। সে 'অলীক গল্প' নামে একটি সিরিয়াল রচনা করেছে। অনেকের মতে গত এক দশকে আরববিশ্বের যুবকদের মাঝে এই ধরনের গল্প খুব বেশি প্রভাব সৃষ্টি করেছে।
এ ধরনের গল্প-উপন্যাসের চরিত্র বিভিন্ন রকমের হওয়ায় তার ভয় ও ভীতির ধরনও নানারকমের হয়ে থাকে। যেমন: জম্বির গল্প। জম্বি বলা হয়, জীবন্ত লাশকে। অর্থাৎ মারা যাওয়ার মৃত লাশ জীবন্ত হয়ে ওঠে। ইসলাম এটাকে কোনোভাবেই সমর্থন করে না। কেননা, মৃত মানুষের প্রাণ এই পৃথিবীতে আর কখনও ফিরে আসতে পারে না।
ইসা আলাইহিস সালামের হাতে মৃত মানুষের জীবিত হয়ে ওঠার যে ঘটনা বর্ণিত হয়েছে, সেটা ছিল তাঁর মুজিজা। এমনিভাবে উজাইর আলাইহিস সালাম বিলীন হয়ে যাওয়া এক জনপদের পাশ দিয়ে অতিক্রম করাকালে উট জীবিত হওয়ার যে ঘটনা আছে, সেটাও আল্লাহর পক্ষ থেকে নবিদের বিশেষ মুজিজা ছিল। এ ধরনের দাবি না অন্য কারও জন্য করার বৈধতা আছে, আর না কোনো মানুষের জন্য এমন ক্ষমতার অধিকারী হওয়ার সুযোগ আছে।
এমনিভাবে আনকা বা ফিনিক্স পাখির গল্প। এটি একটি রূপকথার পাখি। পৌরাণিক কাহিনিতে বলা আছে, সে মরে ছাইয়ে রূপান্তরিত হয়েছে। মারা যাওয়ার পর বিশেষ কিছু ঘটনা ঘটলে সে আবার প্রাণ ফিরে পাবে।[৮০]
এখানে অভিশপ্ত ফিরআউনের একটি গল্পও প্রচলিত আছে। বলা হয়ে থাকে, ফেরাউনের জাদুর এমন পাওয়ার রয়েছে যে, সে নিজের ওপর আসা অভিশাপ সমস্ত রাজার কবরে প্রেরণ করতে পারে। এমনকি যারা তাদের কবরগুলোকে নষ্ট করতে চায়, তাদের ওপরও এই মরণঅভিশাপ আক্রমণ করে থাকে।
এসব ভ্যাম্পায়ার, জম্বি ও নেকড়ে বাঘে রূপান্তরিত মানুষের গল্প-উপন্যাসে মূল প্রতিপাদ্য বিষয় থাকে ক্রুসকে সম্মান করা। এসব বইয়ে এ বিশ্বাস চর্চা করা হয় যে, ক্রুশের মর্যাদা দান করলেই কেবল মানুষ এসব ভয়ংকর প্রাণী থেকে রক্ষা পেতে পারে। এসব গল্প-উপন্যাসে এ ধরনের আরও অনেক ইসলাম পরিপন্থি বিষয় পাওয়া যায়।
টিকাঃ
[৮۰] পৌরাণিক কাহিনি অনুসারে (যার কোনো শরয়ি বা ঐতিহাসিক ভিত্তি নেই) পবিত্র অনল প্রভা থেকে ফিনিক্স পাখির সৃষ্টি। ফিনিসীয় পুরাণ, চাইনিজ পুরাণ, গ্রিক পুরাণ ও প্রাচীন মিসরীয়দের বর্ণনায়ও ফিনিক্স পাখির উল্লেখ পাওয়া গেছে। প্রাচীন গ্রিক পুরাণ অনুসারে ফিনিক্স হলো এক পবিত্র 'অগ্নিপাখি'। আর এটি এমনই একটি পবিত্র আগুনের পাখি, যার জীবনচক্র আবর্তিত হয় হাজার বছর ধরে। (উইকিপিডিয়া- ঈষৎ পরিমার্জিত) -সম্পাদক
📄 আরও কিছু গর্হিত বিষয়
ইতিপূর্বে উল্লিখিত গর্হিত বিষয়গুলো ছাড়াও উপন্যাসে আরও অনেক গর্হিত বিষয় রয়েছে। সেগুলোর মধ্য থেকে কিছু এখানে তুলে ধরা হলো। যথা-
১. উপন্যাসগুলোতে এত বেশি মদ্যপানের কথা বর্ণনা করা হয় যে, কম্পেয়ার করলে পানি পান করার চেয়ে মদ পান করার মাত্রাই বেশি হবে।
২. প্রকাশ্যে ব্যভিচার ও নোংরামির দিকে আহ্বান করা হয়।
৩. নারী-পুরুষের অবাধ মেলামেশা এবং উভয়ের মাঝখান থেকে অন্তরায় উৎখাত করার প্রচারণা চালানো হয়।
৪. বাস্তবতার বিবর্তন। অনেক ঘটনা এমন রয়েছে, যেগুলোতে অপরাধীর প্রতি করুণাভাব প্রদর্শন করা হয় এবং পরিশেষে এমনভাবে উপস্থাপন করা হয়, যেন কোনো ভালো মানুষকে সাহায্য করা হচ্ছে।
৫. অক্ষম, দুর্বল, বিকলাঙ্গ মানুষদের প্রতি উপহাস ও বিদ্রূপ করা হয়।
৬. জাদু ও জাদুকর সম্মান প্রদর্শন করা হয়। যেমনটি হ্যারিপটারের ঘটনাগুলোতে করা হয়েছে। সেখানে এই চরিত্র ফুটিয়ে তোলা হয়েছে যে, একজন সভ্য ছোট জাদুকর অসভ্য বড় জাদুকরের সাথে যুদ্ধ করে।
কিন্তু আমাদের শরিয়ত নির্দেশ দিয়েছে জাদুকরদের হত্যা করতে। সেখানে ভালো ও খারাপ জাদুকরের মাঝে ব্যবধান করার নির্দেশ দেওয়া হয়নি, যা প্রমাণ করে যে, প্রত্যেক জাদুকরই খারাপ। যদি আমরা আমাদের শিশুদেরকে শেখাই যে, (জাদুকর হওয়ায় শরয়ি দৃষ্টিতে) হ্যারিপটারের মৃত্যুদণ্ডের উপযুক্ত, তাহলে লোকজন সবাই এর প্রচণ্ড বিরোধিতা করবে।
এই ধরনের উপন্যাসগুলো আমাদের সমাজে মহামারির মতো ছড়িয়ে পড়েছে। আর এ কারণে 'হ্যারিপটার' উপন্যাসটির লেখিকা এতবেশি জনপ্রিয়তা লাভ করেছে যে, যদি এই বই থেকে উপার্জিত অর্থগুলো প্রতিটি শব্দের ওপর ভাগ করে দেওয়া হয়, তাহলে প্রতিটি শব্দের বিপরীতে আড়াই হাজার ডলার অর্থাৎ প্রায় দুই লাখ দশ হাজার টাকা করে আসে। এই শিরোনাম ও গল্প দিয়ে যে ছোট ফিল্ম তৈরি করা হয়েছে, তার নায়ক লাভের অর্থগুলোর জন্য অসিয়ত করে গেছে। শুধু তার একার লভ্যাংশের ভাগেই এসেছিল দশ মিলিয়ন ডলার। যদিও সে পরে (বেশিদিন) বেঁচে থাকেনি।
৭. কোনো কোনো গল্প-উপন্যাসের দ্বারা কোনোরকম উপকারই হয়নি। যেমন, ওই সমস্ত ঘটনা, যেগুলোতে ডিজিটাল প্রযুক্তি নিয়ে আলোচনা করা হয়েছে। অনেক মানুষকে দেখা যায়, তারা ডিজিটাল প্রযুক্তির অস্তিত্ব ও রক্ষণাবেক্ষণ নিয়ে দ্বন্দ্বযুদ্ধে লিপ্ত হয়। উদ্দেশ্য, এ প্রযুক্তিজগৎ যেন ধ্বংস না হয়ে যায়! অথচ এ জগৎ পুরোটাই তো অলীক কল্পনা, যার স্থায়িত্ব বা অস্থায়িত্বের কারণে কোনো কিছু যায় আসে না।
অনেক সময় পাঠকেরও ভুল হয়। যেমন, এই ধরনের উপন্যাস পড়তে গিয়ে সুদীর্ঘ সময় নষ্ট করা। অনেকে তো উপন্যাসের আকর্ষণের কারণে সালাত পর্যন্ত কাজা করে ফেলে।