📘 মুমিনের বিনোদন > 📄 প্রথম ক্ষতি

📄 প্রথম ক্ষতি


ইসলামি আকিদায় প্রচণ্ড মাত্রার ঝাঁকুনি খাওয়া এবং এর ফলে কিছু মানুষের নাস্তিকতার দিকে ধাবিত হওয়া।
এ ব্যাপারে সবচেয়ে মজবুত প্রমাণ হলো, ওই সকল নাস্তিক ও ধর্মদ্রোহীদের লিখিত গল্প ও উপন্যাস, যেগুলোতে তারা নিজেদের কপটতা, ধর্মদ্রোহিতা ও নাস্তিকতার সূত্র ও সূচনা নিয়ে আলোচনা করেছে। তারা সেখানে স্বীকারোক্তি দিয়েছে যে, আমাদের নাস্তিকতা, কপটতা ও ধর্মদ্রোহিতার আরম্ভ বিনোদনমূলক এ সমস্ত উপন্যাস, গল্প এবং আমাদেরকে গোপনে উপহার দেওয়া কিছু পুস্তক থেকে।
যেমন কেউ কেউ লিখেছে, সে এই গল্প, উপন্যাস ও বইগুলো শহরের বাইরে পাহাড়ে গিয়ে পড়ত। কেননা, সে ভয় করত যে, এগুলোর কারণে সমস্যার সম্মুখীন হতে হবে। ওই ধর্মদ্রোহীদের কারও কারও নাস্তিকতার সূচনা এভাবেই হয়েছিল মর্মে তারা জানিয়েছে।
ওই উপন্যাসগুলো, যেগুলোর কিছু রচনা করেছে কোনো কাদিরি আকিদায় বিশ্বাসী ঔপন্যাসিক, আবার কোনোটি তৈরি করেছে জাবারি আকিদায় বিশ্বাসী ঔপন্যাসিক। এগুলো যদি দেখেন, তাহলে পরিষ্কার বুঝতে পারবেন যে, এই উপন্যাসগুলোর মাধ্যমে কত সূক্ষ্মভাবে মুসলিমদের আকিদা নষ্ট করার অপপ্রয়াস চালানো হয়েছে।

📘 মুমিনের বিনোদন > 📄 দ্বিতীয় ক্ষতি

📄 দ্বিতীয় ক্ষতি


হারামকে হারাম মনে করার বিশ্বাসে দুর্বলতা সৃষ্টি করে এবং এ সন্দেহ সৃষ্টি করে যে, এটা আদৌ হারাম কিনা। পাশাপাশি তার এ ধারণা সৃষ্টি হয় যে, সমাজে বিরাজমান কিছু হারাম বোধহয় শরয়ি নয়; বরং সামাজিক দৃষ্টিতে কিংবা রাষ্ট্রীয় আইনে হারাম তথা নিষিদ্ধ।

📘 মুমিনের বিনোদন > 📄 তৃতীয় ক্ষতি

📄 তৃতীয় ক্ষতি


পাপাচার ও সমাজে অবর্তমান বিরল অপরাধমূলক বিষয়গুলোর সাথে এক প্রকারের সহমর্মিতাপূর্ণ অবস্থান তৈরি করে। ফলে আপনি তাদের বইগুলোতে দেখতে পাবেন ব্যভিচারের কারণে কোনো নারীকে প্রস্তরাঘাতে হত্যা করা হয়েছে; কিন্তু এরপর তার প্রতি এই বিশ্বাস সৃষ্টি করে সহমর্মিতা প্রকাশ করা হয়েছে যে, মেয়েটি নিঃস্ব ছিল, নতুবা এমন নাও হতে পারত। যার কারণে পাঠকহৃদয়ে তার প্রতি একটি মায়াভাব সৃষ্টি হয়।
এরপর তারা সমাজে এই চিত্র ফুটিয়ে তোলার অপচেষ্টা করে যে, তারা কর্তাসমাজের বলির পাঠা। অপরাধীদের ওপর শরিয়তের এই দণ্ডবিধি প্রয়োগ না করে, এর পরিবর্তে তাদের নিজেদের সংশোধন হওয়ার সুযোগ দেওয়া যেতে পারত।
হলিউড এমন একটি ফিল্ম তৈরি ও পরিবেশন করেছে, যাতে তারা ছিন্নমূল দুই রাখালের ঘটনা তুলে ধরেছে। ঘটনার লেখক এখানে একটি কৃত্রিম ঘটনা লিখেছে। এরপর চিত্রজগতের লোকেরা ঘটনার বিষয়টিকে ইতিবাচকভাবে উপস্থাপন করে, তাদের প্রতি সুকৌশলে সহমর্মিতা সৃষ্টির অপপ্রয়াস চালিয়েছে।
আমি একটি পত্রিকায় বিস্তারিতভাবে লিখেছিলাম, এই ফিল্মটির কারণে কত মানুষের চিন্তা-চেতনা বিকৃত হয়েছিল এবং জাতিগত প্রেতাত্মা মাথাচাড়া দিয়ে উঠেছিল।
এই অপপ্রয়াসের আরেকটি জঘন্য ব্যাপার হলো, সমাজের মাঝে মুরতাদ, ধর্মদ্রোহী ও নাস্তিকদেরকে গবেষক ও চিন্তাবিদ বলে প্রচার করা হয় এবং বিখ্যাত ব্যক্তিত্ব বলে প্রতিষ্ঠা করার চেষ্টা করা হয়। এই প্রতিষ্ঠার অন্তরালে তারা এই দাবি করে যে, তাদের চিন্তা ও গবেষণার সামনে প্রতিরোধ সৃষ্টি করা যাবে না।

📘 মুমিনের বিনোদন > 📄 চতুর্থ ক্ষতি

📄 চতুর্থ ক্ষতি


নোংরামির কিছু মাধ্যমকে সহজলভ্য, সুন্দর ও আকর্ষণীয় করে উপস্থাপন করা। যার কারণে কোনো মানুষ সেগুলো খুব সহজেই গ্রহণ করতে পারে।
সুতরাং ওই যুবতী, যার সামনে এই নোংরা বিষয়গুলো সুন্দর ও মোহনীয় করে ফুটিয়ে তোলা হবে, সে কি নিজের প্রেমিক থেকে দূরে যেতে চাইবে? আপনি কি দেখেননি যে, যখন কোনো যুবতী তার প্রেমিকের সাক্ষাৎ পেয়েছে, তখন তারা কতটা আনন্দিত হয়েছে!

লিঙ্ক শেয়ার করুন
close

লিঙ্ক কপি করুন

0:00
0:00