📄 ন্যায়বিচারের একটি স্বর্ণালি ঘটনা
আলি (রা.) তখন খলিফা। তাঁর একটি ঢাল হারিয়ে যায়। আর সেটি খুঁজে পাওয়া যায় এক ইহুদির কাছে। তিনি ইহুদিকে ধরে নিয়ে যান বিচারক কাজি শুরাইহ ইবনে আল হারিস (রহ.)-এর কাছে। ঢালটি যে আলি (রা.)-এর ছিল, সেটার সাক্ষী ছিলেন দুজন। একজন তাঁর পুত্র হাসান (রা.), আরেকজন তাঁর দাস কানবার।
বিচারক কানবারের সাক্ষ্য গ্রহণ করেন, কিন্তু বাবার পক্ষে পুত্রের সাক্ষ্য গ্রহণ করলেন না। কারণ, স্বজনপ্রীতির জায়গা থেকে এটা করা হয়নি। আলি (রা.) বিচারের রায়ে হেরে যান।
ইহুদি দেখল একজন খলিফা হওয়া সত্ত্বেও আলি (রা.) পর্যাপ্ত সাক্ষ্য-প্রমাণ উপস্থাপন না করায় রায় তাঁর বিপক্ষে গেল। তিনি বুঝে গেলেন ইসলামের ন্যায়বিচারের গুরুত্ব। বিচারকের রায়ে মুগ্ধ হয়ে তিনি ইসলাম গ্রহণ করেন এবং ঢালটি আলি (রা.)-কে ফিরিয়ে দেন। অন্যদিকে আলি (রা.) আবার খুশি হয়ে নওমুসলিমকে ঢালটি উপহার দেন।
খুলাফায়ে রাশেদিন এত সম্মানিত; কারণ তাঁরা ছিলেন ন্যায়পরায়ণ। তাঁদের যুগটি সর্বোত্তম, তাঁরা ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠা করে গেছেন। আমরাও যেন আমাদের জীবনে ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠা করতে পারি। একজন মুমিন হিসেবে এটা আমাদের অবশ্যকর্তব্য।
টিকাঃ
২৪৯ আব্দুল মাবুদ, তাবেয়িদের জীবনকথা: ১/১৮৮-১৮৯