📄 পাপের কথা প্রচার হলে সেটা স্বাভাবিক হয়
আপনি যখন পাপের কথা নিঃসংকোচে প্রচার করতে থাকবেন, তখন সমাজে পাপাচার স্বাভাবিক হয়ে যাবে। একসময় পাপকে আর পাপ মনে হবে না। আমরা যদি বলতে থাকি-অমুক মদ খায়, তমুক মদ খায়। অমুকের গার্লফ্রেন্ড আছে, তমুকের বয়ফ্রেন্ড আছে। দেখা যাবে ১০-১৫% পাপে লিপ্ত। কিন্তু তাদের পাপের কথা জেনে বাকিরাও এই ধরনের পাপের প্রতি উৎসাহিত হবে। তারা ভাববে-অমুকে করে, আমি করলে অসুবিধা কী?
📄 ছুঁড়ে ফেলার সংস্কৃতি তৈরি
কারও কোনো গোপন পাপের কথা প্রকাশিত হলে দেখা যায় তাকে সামাজিক নানান কাজ থেকে ছুড়ে ফেলা হয়। তার যত ভালো কাজ আছে, সবগুলো খারিজ করে দেওয়া হয়। অথচ মানুষমাত্রই ভালো-মন্দের মিশেল। এমন কেউ নেই-একেবারে ভালো, খাঁটি। আবার এমন কেউও নেই যে একেবারে বদ, মন্দ।
এই প্রসঙ্গে নবিজির উৎসাহ জাগানিয়া একটি হাদিস রয়েছে। তিনি বলেন, কিয়ামতের দিন মুমিন ব্যক্তিকে তার রবের নিকটবর্তী করা হবে। তারপর আল্লাহ তাকে পর্দা দিয়ে ঢেকে দেবেন এবং তার পাপের ব্যাপারে তার কাছে জিজ্ঞাসাবাদ করবেন। জানতে চাইবেন, তুমি তোমার পাপ সম্পর্কে জানো? সে বলবে, হে আমার রব! আমি জানি। আল্লাহ বলবেন, তোমার এই পাপ দুনিয়াতে আমি লুকিয়ে রেখেছিলাম। আজ তোমার এই পাপগুলো আমি মাফ করে দিলাম।
টিকাঃ
৯৮ সহিহ মুসলিম: ৬৯০৮