📘 মুমিনের আখলাক > 📄 স্বামী-স্ত্রীর মধ্যকার আমানত

📄 স্বামী-স্ত্রীর মধ্যকার আমানত


স্বামী-স্ত্রীর মধ্যকার আমানতের খেয়ানত হলো সবচেয়ে নিকৃষ্টতম আমানতের খেয়ানত। নবিজি বলেন, কিয়ামতের দিন সে ব্যক্তি হবে আল্লাহর কাছে নিকৃষ্টতম পর্যায়ের, যে তার স্ত্রীর সাথে মিলিত হয় এবং স্ত্রীও তার সাথে মিলিত হয়। অতঃপর সে তার স্ত্রীর গোপনীয়তা ফাঁস করে দেয়!
স্বামী-স্ত্রীর মধ্যকার একান্ত গোপনীয় বিষয়গুলো হলো আমানত। সেই আমানত বন্ধু-বান্ধবী বা অন্য কারও সাথে শেয়ার করা যাবে না। যদি তারা নিজেদের একান্ত গোপনীয় ব্যাপারগুলো অন্যের সাথে শেয়ার করে, সেটা হবে সর্বনিকৃষ্ট পর্যায়ের আমানতের খেয়ানত।
তবে হ্যাঁ, প্রয়োজনে কিছু কথা বলা যেতে পারে। যেমন: ডাক্তারের কাছে যাওয়া বা পরামর্শ নেওয়া। তা ছাড়া স্বামী-স্ত্রীর সম্পর্কে টানাপোড়েন হলে তা মিটমাটের জন্য তৃতীয় পক্ষের পরামর্শ নেওয়া যেতেই পারে। এইসব ভিন্ন ব্যাপার। কিন্তু সাধারণ নিয়ম হলো, গোপনীয়তা প্রকাশ করা যাবে না।
আমানত আর ঈমান অনেকটা পাশাপাশি। ঈমান ও আমানত একই ক্রিয়ামূল থেকে এসেছে। আমানত এমন একটা ব্যাপার, যা আপনি কাউকে কিছু বলে স্বস্তি লাভ করেন। উমর ইবনুল খাত্তাব (রা.) বলেন, আমি কারও নামাজ আর রোজা দেখে তাকে যাচাই-বাছাই করি না। কাউকে যাচাই করি তার আমানতদারিতা দেখে; নামাজ-রোজা তো সবাই করে।
আমানতদারিতার গুণ অর্জন করতে বছরের পর বছর লেগে যায়। কিন্তু এই গুণ ভাঙতে ছোট্ট একটি ভুলই যথেষ্ট। এজন্য আমাদের অনেক বেশি সতর্কতা অবলম্বন করা প্রয়োজন।

টিকাঃ
৮৩ সহিহ মুসলিম: ৩৪৩৪

লিঙ্ক শেয়ার করুন
close

লিঙ্ক কপি করুন

0:00
0:00