📄 দ্বীনের আমানত
দ্বীনের আমানত হলো আল্লাহর ইবাদত করা, নামাজ পড়া, জাকাত আদায় করা, রোজা রাখা ইত্যাদি। এই ধরনের আমানতের কথা উল্লেখ করে আল্লাহ তায়ালা পবিত্র কুরআনে বলেন- 'নিশ্চয়ই আমি আসমান, জমিন ও পর্বতমালার প্রতি এ আমানত পেশ করেছি, অতঃপর তারা তা বহন করতে অস্বীকার করেছে এবং এতে ভীত হয়েছে। আর মানুষ তা বহন করেছে। '
টিকাঃ
৭৫ মুসনাদে আহমাদ: ১১৯৩৫
৭৬ সূরা আলে ইমরান: ৭৫
৭৭ সহিহ বুখারি: ৩৪
৭৮ সূরা আহজাব: ৭২
📄 দায়িত্বের আমানত
যখন আপনাকে কোনো দায়িত্ব দেওয়া হয়, অবশ্যই সেটি একটি আমানত। এর দায়িত্ব ঠিকমতো পালনের মাধ্যমে আপনি আমানত রক্ষা করতে পারেন। যত বড়ো দায়িত্ব, আমানতও তত বেশি। ফলে একজন ন্যায়পরায়ণ শাসকের প্রশংসা করা হয়। কারণ, তিনি তার আমানতগুলো যথাযথভাবে রক্ষা করেন।
আপনি যদি চাকরি করেন, সেখানে আপনার বিভিন্ন দায়িত্ব থাকবে। এইসব দায়িত্ব আপনাকে যথাযথভাবে পালন করতে হবে। চাকরিটা কোনো কারণে আপনার কাছে অপছন্দনীয় হলে সেটা ছেড়ে দিতে পারেন। তাই বলে ইচ্ছে করে আপনি ফাঁকিবাজি করতে পারেন না, আমানতের খেয়ানত করতে পারেন না।
📄 আর্থিক আমানত
কেউ যদি আপনার কাছে টাকা জমা রাখে, সেটা আপনার কাছে আমানত। ব্যাংকব্যবস্থার পূর্বে মানুষ মানুষের কাছে টাকা জমা রাখত। কোথাও সফর করার পূর্বে সমস্ত টাকা বা সম্পদ তারা যাকে বিশ্বাস করত, তার কাছে আমানত রাখত।
আপনি কারও কাছ থেকে ঋণ গ্রহণ করলে সময়মতো সেই ঋণ ফিরিয়ে দেওয়া আপনার দায়িত্ব। যদি ঋণ গ্রহণের কথা অস্বীকার করেন, ঋণ ফিরিয়ে না দেন, তাহলে আপনি আমানতের খেয়ানত করলেন।
📄 জিহ্বার আমানত
আপনি যখন কাউকে কোনো কথা দেবেন, সেই কথা রক্ষা করা আপনার দায়িত্ব; এটাও একপ্রকার আমানত।