📘 মুমিন কিভাবে দিন রাত অতিবাহিত করবে > 📄 এশার ছালাত

📄 এশার ছালাত


মুছল্লীরা দ্রুত চলে আসলে তাড়াতাড়ি এবং বিলম্বে আসলে এশার জামা'আত বিলম্বে করা যায়'। ২৯০ রাসূলুল্লাহ (ছাঃ) এশার ছালাত অর্ধ রাত পর্যন্ত বিলম্ব করে আদায় করতেন। ২৯১ তবে যরূরী কারণ বশতঃ ফজরের পূর্ব পর্যন্ত এশার ছালাত আদায় করা জায়েয। ২৯২ এশার ছালাত জামা'আতের সাথে আদায় করলে অর্ধরাত্রি ছালাত আদায়ের ছওয়াব পাওয়া যায়। ২৯৩
এশার ছালাত দেরী করে আদায় করা রাসূলুল্লাহ (ছাঃ) পসন্দ করতেন। কষ্টকর না হ'লে এশার ছালাত রাতের এক-তৃতীয়াংশ অতিক্রান্ত হওয়ার পর আদায় করা উত্তম। ২৯৪ আর মুনাফিকদের জন্য এশা ও ফজরের ছালাত আদায় করা অত্যন্ত কঠিন। ২৯৫

এশার ফরয ছালাত: এশার ছালাত আদায়ের ব্যাপারে মহান আল্লাহ সূরা ত্ব-হার ১৩০ আয়াতে নির্দেশ প্রদান করেছেন। যা ইতিপূর্বে উল্লেখিত হয়েছে। এশার ছালাত চার রাক'আত ফরয। ২৯৬

এশার সুন্নাত ছালাত: এশার ফরয ছালাতের পরে দু'রাক'আত সুন্নাত ছালাত আদায় করতে হয়। রাসূল (ছাঃ) বলেন, مَنْ صَلَّى فِي يَوْمٍ وَلَيْلَةٍ ثِنْتَيْ عَشْرَةَ رَكْعَةً بُنِيَ لَهُ بَيْتُ فِي الْجَنَّةِ أَرْبَعًا قَبْلَ الظُّهْرِ وَرَكْعَتَيْنِ بَعْدَهَا وَرَكْعَتَيْنِ بَعْدَ الْمَغْرِبِ وَرَكْعَتَيْنِ بَعْدَ الْعِشَاءِ وَرَكْعَتَيْنِ قَبْلَ صَلَاةِ الْفَجْرِ -
'যে ব্যক্তি দিনে-রাতে বার রাক'আত সুন্নাত ছালাত আদায় করবে, তার জন্য আল্লাহ জান্নাতে একটি ঘর নির্মাণ করবেন। যোহরের পূর্বে চার রাক'আত, পরে দু'রাক'আত, মাগরিবের পরে দু'রাক'আত, এশার পরে দু'রাক'আত এবং ফজরের পূর্বে দু'রাক'আত'। ২৯৭

**টিকাঃ**
২৯০. বুখারী হা/৫৬০।
২৯১. বুখারী হা/৫৬১।
২৯২. মুসলিম হা/১৫৬।
২৯৩. মুসলিম, মিশকাত হা/৬৩০।
২৯৪. বুখারী, মিশকাত হা/৫৯০-৯১।
২৯৫. বুখারী, মুসলিম, মিশকাত হা/৬২৯।
২৯৬. আহমাদ ৬/২৭২, হা/২৬৮৬৯; সনদ হাসান।
২৯৭. তিরমিযী হা/৪১৫; ইবনু মাজাহ হা/১১৪১; মিশকাত হা/১১৫৯, সনদ ছহীহ।

📘 মুমিন কিভাবে দিন রাত অতিবাহিত করবে > 📄 মুসাফিরের জন্য মাগরিব ও এশার ছালাত জমা করা

📄 মুসাফিরের জন্য মাগরিব ও এশার ছালাত জমা করা


সফরে ছালাত কুছর ও জমা করা সুন্নাত। মু'আয (রাঃ) হ'তে বর্ণিত, তিনি বলেন, حَرَجْنَا مَعَ رَسُولِ اللهِ صلى الله عليه وسلم فِي غَزْوَةِ تَبُوكَ فَكَانَ يُصَلِّى الظُّهْرَ وَالْعَصْرَ جَمِيعًا وَالْمَغْرِبَ وَالْعِشَاءَ جَمِيعًا.
'আমরা রাসূলুল্লাহ (ছাঃ)-এর সাথে তাবুক যুদ্ধে বের হ'লাম। তিনি যোহর ও আছর ছালাত জমা (একত্রে) করে পড়তেন এবং মাগরিব ও এশা জমা করে আদায় করতেন। ২৯৮ মুকীম ব্যক্তিও বৃষ্টি, ভীতি ও বিশেষ কোন কারণে ছালাত জমা করতে পারেন। ২৯৯ ইবনু ওমর (রাঃ) বৃষ্টির সময় ছালাত জমা করে আদায় করতেন। ৩০০ উল্লেখ্য, মাগরিব ও এশার ছালাতের মাঝে কোন সুন্নাত ছালাত আদায় করতে হবে না। ৩০১

**টিকাঃ**
২৯৮. মুসলিম হা/৭০৬।
২৯৯. মুসলিম হা/৭০৫, 'মুকীম অবস্থায় ছালাত জমা করা' অনুচ্ছেদ।
৩০০. মুওয়াত্ত্বা মালেক হা/৪৮১, ২/১৯৭।
৩০১. মুত্তাফাক্ব 'আলাইহ, মিশকাত হা/১৩৩৮।

📘 মুমিন কিভাবে দিন রাত অতিবাহিত করবে > 📄 মহিলারা রাতের আধারেও মসজিদে যেতে পারে

📄 মহিলারা রাতের আধারেও মসজিদে যেতে পারে


মহিলাদের জন্য বাড়ীতে ছালাত আদায় করা উত্তম। তবে তারা মসজিদে গিয়েও ছালাত আদায় করতে পারে। এক্ষেত্রে তাদের বাধা দেওয়া যাবে না। এমনকি রাস্তা নিরাপদ থাকলে তারা রাতেও মসজিদে গিয়ে ছালাত আদায় করতে পারে। ইবনু ওমর (রাঃ) রাসূলুল্লাহ (ছাঃ) হ'তে বর্ণনা করেন - إِذَا اسْتَأْذَنَكُمْ نِسَاؤُكُمْ بِاللَّيْلِ إِلَى الْمَسْجِدِ فَأْذَنُوا لَهُنَّ যদি রাতে মসজিদে গিয়ে ছালাত আদায়ের অনুমতি চায়, তাহ'লে তোমরা তাদেরকে অনুমতি দিবে'। ৩০২

**টিকাঃ**
৩০২. বুখারী হা/৮৬৫।

📘 মুমিন কিভাবে দিন রাত অতিবাহিত করবে > 📄 শয়নের আদব বা শিষ্টাচার

📄 শয়নের আদব বা শিষ্টাচার


আল্লাহ তা'আলা মানুষের বিশ্রামের জন্য রাতকে সৃষ্টি করেছেন এবং নিদ্রাকে করেছেন ক্লান্তি দূরকারী। তিনি বলেন, وَجَعَلْنَا نَوْمَكُمْ سُبَاتًا وَجَعَلْنَا اللَّيْلَ لِبَاسًا - ‘আর আমরা তোমাদের জন্য নিদ্রাকে করেছি ক্লান্তি দূরকারী। আর রাত্রিকে করেছি আবরণ' (নাবা ৭৮/৯-১০)। অন্যত্র তিনি বলেন, وَهُوَ الَّذِي جَعَلَ لَكُمُ اللَّيْلَ لِبَاسًا وَالنَّوْمَ سُبَاتًا وَجَعَلَ النَّهَارَ نُشُورًا - ‘তিনিই সেই সত্তা, যিনি তোমাদের জন্য রাত্রিকে করেছেন আবরণ, নিদ্রাকে করেছেন ক্লান্তি দূরকারী এবং দিবসকে করেছেন উত্থান সময়' (ফুরক্বান ২৫/৪৭)। সুতরাং দিনের কর্মক্লান্তি দূর করতে মানুষকে রাত্রে শয্যা গ্রহণ করতে হয়, ঘুমিয়ে বিশ্রাম নিতে হয়। মুমিন বান্দা সুন্নাতী তরীকায় শয্যা গ্রহণ করবে এবং আল্লাহর যিকর করতে করতে ঘুমিয়ে যাবে। তাহ'লে এর মাধ্যমে সে ছওয়াব হাছিল করতে পারবে। নিম্নে শয্যা গ্রহণ ও ঘুমানোর কতিপয় আদব উল্লেখ করা হ'ল।-

১. ডান কাতে শয়ন: সাধারণভাবে এশার ছালাতের পূর্বে ঘুমানো ও এশার পরে (অপ্রয়োজনীয়) কথাবার্তা বলা উচিত নয়। ৩০৩ আর শয়নকালে ডান কাতে শয়ন করা সুন্নাত। ৩০৪

২. দো'আ পাঠ: শয়নকালে দো'আ পাঠ করা যরূরী। রাসূলুল্লাহ (ছাঃ) বলেন, وَمَنِ اضْطَجَعَ مَضْجَعًا لا يَذْكُرُ اللهَ فِيْهِ كَانَتْ عَلَيْهِ مِنَ اللَّهِ تِرَةً . ‘যে ব্যক্তি কোথাও শয়ন করার পর আল্লাহর নাম নিলো না, তার জন্য আল্লাহ্ পক্ষ থেকে বঞ্চনা নেমে আসবে'। ৩০৫ তাই শয্যা গ্রহণকালে মুমিন বলবে, بِاسْمِكَ اللَّهُمَّ أَمُوْتُ وَأَحْيَا 'বিসমিকাল্লা-হুম্মা আমৃতু ওয়া আহ্ইয়া' (হে আল্লাহ! তোমার নামে আমি মরি ও বাঁচি)। অর্থাৎ তোমার নামে আমি শয়ন করছি এবং তোমারই দয়ায় আমি পুনরায় জাগ্রত হব। আর ঘুম থেকে উঠার সময় বলবে, الْحَمْدُ لِلَّهِ الَّذِي أَحْيَانَا بَعْدَ مَا أَمَاتَنَا وَإِلَيْهِ النُّشُورُ .
'আলহামদুলিল্লা-হিল্লাযী আহইয়া-না বা'দা মা আমা-তানা ওয়া ইলাইহিন নুশূর' (সমস্ত প্রশংসা সেই আল্লাহ্ জন্য, যিনি আমাদেরকে মৃত্যু দানের পর জীবিত করলেন এবং কিয়ামতের দিন তাঁর দিকেই হবে আমাদের পুনরুত্থান)। ৩০৬

৩. সূরা ইখলাছ ও নাস-ফালাক্ব তেলাওয়াত : শয়নকালে সূরা ইখলাছ, নাস ও ফালাক্ব তেলাওয়াত করা সুন্নাত। রাসূল (ছাঃ) নিজে এই আমল করতেন এবং এ ব্যাপারে ছাহাবায়ে কেরামকে নির্দেশ দিতেন। আয়েশা (রাঃ) বলেন,
أَنَّ النَّبِيَّ صلى الله عليه وسلم كَانَ إِذَا أَوَى إِلَى فِرَاشِهِ كُلَّ لَيْلَةٍ جَمَعَ كَفَّيْهِ ثُمَّ نَفَثَ فِيهِمَا فَقَرَأَ فِيهِمَا (قُلْ هُوَ اللهُ أَحَدٌ) وَ(قُلْ أَعُوْذُ بِرَبِّ الْفَلَقِ) وَ(قُل أَعُوْذُ بِرَبِّ النَّاسِ) ثُمَّ يَمْسَحُ بِهِمَا مَا اسْتَطَاعَ مِنْ جَسَدِهِ يَبْدَأُ بِهِمَا عَلَى رَأْسِهِ وَوَجْهِهِ وَمَا أَقْبَلَ مِنْ جَسَدِهِ يَفْعَلُ ذَلِكَ ثَلَاثَ مَرَّاتٍ.
'আল্লাহ্র রাসূল (ছাঃ) প্রতি রাতে যখন বিছানায় যেতেন, তখন দু'হাত একত্রিত করে তাতে সূরা ইখলাছ, ফালাকু ও নাস পড়ে ফুঁক দিতেন। অতঃপর মাথা ও চেহারা থেকে শুরু করে যতদূর সম্ভব দেহে তিনবার দু'হাত বুলাতেন'। ৩০৭
অন্য হাদীছে এসেছে, ওকুবা বিন আমের (রাঃ) বলেন, أَمَرَنِي رَسُوْلُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم أَنْ أَقْرَأَ بِالْمُعَوَّذَتَيْنِ فِي دُبُرِ كُلِّ صَلَاةِ، (ছাঃ) আমাকে প্রতি ছালাতের শেষে সূরা ফালাক্ব ও নাস পাঠের নির্দেশ দিয়েছেন'। ৩০৮

৪. আয়াতুল কুরসী তেলাওয়াত : কুরআনের সর্বাধিক মর্যাদা সম্পন্ন আয়াত হচ্ছে আয়াতুল কুরসী। শয্যা গ্রহণের সময় এটা তেলাওয়াত করলে সকাল পর্যন্ত শয়তান কোন ক্ষতি করতে পারে না। রাসূল (ছাঃ) বলেন,
إِذَا أَوَيْتَ إِلَى فِرَاشِكَ فَاقْرَأْ آيَةَ الْكُرْسِيِّ مِنْ أَوَّلِهَا اللَّهُ لَا إِلَهَ إِلَّا هُوَ الْحَيُّ الْقَيُّومُ حَتَّى تَخْتِمَ الْآيَةَ فَإِنَّهُ لَنْ يَزَالَ عَلَيْكَ مِنَ اللَّهِ حَافِظُ، وَلَا يَقْرُبُكَ شَيْطَانٌ حَتَّى تُصْبِحَ،
'তুমি যখন শয্যা গ্রহণ করবে, তখন 'আয়াতুল কুরসী' পড়বে (আল্লাহু লা ইলাহা ইল্লাহুয়া ওয়াল হাইয়্যুল কাইয়্যুম) আয়াতের শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত। তাহ'লে আল্লাহ্ পক্ষ থেকে সর্বদা তোমার জন্য একজন রক্ষক থাকবে এবং সকাল পর্যন্ত শয়তান তোমার নিকটে আসতে পারবে না'। ৩০৯

৫. সূরা বাক্বারার শেষ দু'আয়াত তেলাওয়াত করা : রাতে সূরা বাকুরার শেষ দু'আয়াত তেলাওয়াত করে শয়ন করা উত্তম। রাসূল (ছাঃ) বলেছেন, الآيتان مِنْ آخِرِ سُورَةِ الْبَقَرَةِ، مَنْ قَرَأَهُمَا لَيْلَةً كَفَتَاهُ - দুই আয়াত যে রাতে পড়বে তার জন্য তা যথেষ্ট হবে'। ৩১০

৬. সূরা মুলক তেলাওয়াত: শয়নকালে সূরা মুলক তেলাওয়াত করা সুন্নাত। জাবির (রাঃ) বলেন, كَانَ لَا يَنَامُ حَتَّى يَقْرَأ الم تَنْزِيلُ وَتَبَارَكَ الَّذِي بيده -الْمُلْكُ 'রাসূল (ছাঃ) সূরা সাজদা ও সূরা মুলক না পড়ে ঘুমাতেন না'। ৩১১

৭. তাসবীহ পাঠ করা: শয়নকালে তাসবীহ পাঠ করা অশেষ ছওয়াব লাভের মাধ্যম। আলী (রাঃ) হ'তে বর্ণিত, ফাতিমা (রাঃ) আটা পেষার কষ্টের কথা জানান। তখন তাঁর নিকটে সংবাদ পৌঁছে যে, আল্লাহ্র রাসূল (ছাঃ)-এর নিকটে কয়েকজন বন্দী আনা হয়েছে। ফাতিমা (রাঃ) রাসূলুল্লাহ (ছাঃ)-এর নিকটে একজন খাদেম চাওয়ার জন্য আসলেন। তিনি রাসূল (ছাঃ)-কে পেলেন না। তখন তিনি আয়েশা (রাঃ)-এর নিকটে তা উল্লেখ করলেন। অতঃপর নবী করীম (ছাঃ) আসলে আয়েশা (রাঃ) তাঁর নিকটে বিষয়টি বললেন। (রাবী বলেন,) আল্লাহ্র রাসূল (ছাঃ) আমাদের নিকটে আসলেন। তখন আমরা শুয়ে পড়েছিলাম। আমরা উঠতে চাইলাম। তিনি বললেন, তোমরা নিজ নিজ জায়গায় থাক। আমি তাঁর পায়ের শীতলতা আমার বুকে অনুভব করলাম। তখন তিনি বললেন,
أَلا أَدُلُّكُمَا عَلَى خَيْرٍ مِمَّا سَأَلْتُمَاهُ ، إِذَا أَخَذْتُمَا مَضَاجِعَكُمَا فَكَبَّرَا اللَّهَ أَرْبَعًا وَثَلاثِينَ، وَاحْمَدَا ثَلاثًا وَثَلاثِينَ، وَسَبِّحَا ثَلاثًا وَثَلاثِينَ، فَإِنَّ ذَلِكَ خَيْرٌ لَكُمَا مِمَّا سَأَلْتُمَاهُ.
'তোমরা যা চেয়েছ, আমি কি তোমাদের জন্য তার চেয়ে উত্তম জিনিসের সন্ধান দেব না? যখন তোমরা বিছানায় যাবে, তখন চৌত্রিশ বার 'আল্লাহু আকবার', তেত্রিশবার 'আল-হামদুলিল্লাহ' ও তেত্রিশবার 'সুবহানাল্লাহ' বলবে। এটাই তোমাদের জন্য তার চেয়ে উত্তম, যা তোমরা চেয়েছ'। ৩১২

**টিকাঃ**
৩০৩. আবুদাউদ হা/৪৮৪৯; ছহীহুল জামে' হা/৬৯১৫, সনদ ছহীহ।
৩০৪. বুখারী হা/২৪৭, ৬৩১১, ৬৩১৩; মুসলিম হা/২৭১০।
৩০৫. আবুদাউদ হা/৪৮৪৯; মিশকাত হা/২২৭২, সনদ ছহীহ।
৩০৬. বুখারী হা/৬৩১৫, ৬৩২৪; মিশকাত হা/২৩৮২, ২৩৮৪, 'দো'আ সমূহ' অধ্যায়।
৩০৭. বুখারী হা/৫০১৭, মুসলিম, মিশকাত হা/২১৩২।
৩০৮. তিরমিযী হা/২৯০৩; আহমাদ হা/১৭৪৫৩; আবুদাউদ হা/১৫২৩; মিশকাত হা/৯৬৯।
৩০৯. বুখারী হা/৩২৭৫; মুসলিম হা/২৭২১; মিশকাত হা/২১১৩।
৩১০. বুখারী হা/৪০০৮, ৫০৪০; মুসলিম হা/৮০৭; মিশকাত হা/২১২৫।
৩১১. শারহুস সুন্নাহ, মিশকাত হা/২১৫৫, হাদীছ ছহীহ।
৩১২. বুখারী হা/৩১১৩; মুসলিম হা/২৭২৭।

লিঙ্ক শেয়ার করুন
close

লিঙ্ক কপি করুন

0:00
0:00