📄 তওবা ও ইস্তেগফার করা
মানুষ জেনে, না জেনে, বুঝে না বুঝে অনেক সময় পাপ কাজ করে ফেলে। তাই এই পাপ থেকে পরিত্রাণ লাভের উপায় হচ্ছে তওবা করা এবং আল্লাহ্ কাছে ক্ষমা প্রার্থনা করা। আল্লাহ বলেন, - وَاسْتَغْفِرُوا اللَّهَ إِنَّ اللَّهَ غَفُوْرٌ رَحِيمٌ 'এবং আল্লাহ্র নিকট ক্ষমা প্রার্থনা কর। নিশ্চয়ই আল্লাহ ক্ষমাশীল ও দয়াবান' (বাক্বারাহ ২/১৯৯; মুয্যাম্মিল ৭৩/২০)। তিনি আরো বলেন, وَأَن اسْتَغْفِرُوا رَبَّكُمْ ثُمَّ تُؤْبُوْا إِلَيْهِ 'এবং এ মর্মে যে, তোমরা তোমাদের প্রতিপালকের নিকট ক্ষমা প্রার্থনা কর ও তাঁর দিকে ফিরে যাও' (হুদ ১১/২)।
রাসূলুল্লাহ (ছাঃ) বলেন, وَاللَّهِ إِنِّي لَاسْتَغْفِرُ اللَّهَ وَأَتُوْبُ إِلَيْهِ فِي الْيَوْمِ أَكْثَرَ مِنْ -سَبْعِينَ مَرَّةً 'আল্লাহ্র কসম! আমি প্রতিদিন ৭০ বারেরও অধিক তওবা করি এবং আল্লাহ্র নিকট গুনাহের জন্য ক্ষমা চাই'। ১৪৫ অন্য হাদীছে ১০০ বারের কথা এসেছে। ১৪৬ এখানে ৭০ বা ১০০ বার দ্বারা সংখ্যা উদ্দেশ্য নয়; বরং উদ্দেশ্য হ'ল বেশী বেশী তওবা করা।
পাপ করার পর আল্লাহর কাছে ক্ষমা চাইলে তিনি ক্ষমা করে দেন। আল্লাহ أَلَمْ يَعْلَمُوا أَنَّ اللَّهَ هُوَ يَقْبَلُ التَّوْبَةَ عَنْ عِبَادِهِ وَيَأْخُذُ الصَّدَقَاتِ وَأَنَّ اللَّهَ هُوَ التَّوَّابُ الرَّحِيمُ 'এরা কি জানে না যে, আল্লাহ তাঁর বান্দাদের তওবা কবুল করেন এবং ছাদাক্বা গ্রহণ করে থাকেন। আর আল্লাহই একমাত্র সেই মহান সত্তা যিনি তওবা কবুলকারী, পরম দয়াবান' (তওবা ৯/১০৪)। অন্যত্র তিনি বলেন, وَهُوَ الَّذِي يَقْبَلُ التَّوْبَةَ عَنْ عِبَادِهِ وَيَعْفُوْ عَنِ السَّيِّئَاتِ وَيَعْلَمُ مَا تَفْعَلُوْنَ 'তিনিই সেই মহান সত্তা, যিনি তাঁর বান্দাদের তওবা কবুল করেন এবং অপরাধ ক্ষমা করে দেন। তোমরা যা কিছুই করো সবই তিনি অবহিত' (শূরা ৪২/২৫)।
পাপ করার পর তওবা না করলে তাকে যালেম বলে আল্লাহ অভিহিত করেছেন। তিনি বলেন, وَمَنْ لَّمْ يَتُبْ فَأُوْلَئِكَ هُمُ الظَّالِمُوْنَ 'যারা তওবা করবে না তারা যালিমদের অন্তর্ভুক্ত' (হুজুরাত ৪৯/১১)। পক্ষান্তরে আল্লাহ বান্দার তওবায় অত্যন্ত খুশী হন। রাসূল (ছাঃ) বলেন,
لِلَّهُ أَشَدُّ فَرَحًا بِتَوْبَةِ عَبْدِهِ الْمُؤْمِنِ مِنْ رَجُلٍ فِي أَرْضِ دَوِيَّةٍ مَهْلَكَةٍ مَعَهُ رَاحِلَتُهُ عَلَيْهَا طَعَامُهُ وَشَرَابُهُ فَنَامَ فَاسْتَيْقَظَ وَقَدْ ذَهَبَتْ فَطَلَبَهَا حَتَّى أَدْرَكَهُ الْعَطَشِ ثُمَّ قَالَ أَرْجِعُ إِلَى مَكَانِي الَّذِي كُنْتُ فِيْهِ فَأَنَامُ حَتَّى أَمُوْتَ. فَوَضَعَ رَأْسَهُ عَلَى سَاعِدِهِ لِيَمُوْتَ فَاسْتَيْقَظَ وَعِنْدَهُ رَاحِلَتُهُ وَعَلَيْهَا زَادُهُ وَطَعَامُهُ وَشَرَابُهُ فَاللَّهُ أَشَدُّ فَرَحًا بِتَوْبَةِ الْعَبْدِ الْمُؤْمِنِ مِنْ هَذَا بِرَاحِلَتِهِ وَزَادِهِ
'আল্লাহ তা'আলা তাঁর মুমিন বান্দার তওবার কারণে ঐ ব্যক্তির চেয়েও অধিক আনন্দিত হন, যে লোক ছায়া-পানিহীন আশঙ্কাপূর্ণ বিজন মাঠে ঘুমিয়ে পড়ে এবং তার সাথে থাকে খাদ্য-পানীয় সহ একটি সওয়ারী। এরপর ঘুম হ'তে জেগে দেখে যে, সওয়ারী কোথায় অদৃশ্য হয়ে গেছে। তারপর সে সেটি খুঁজতে খুঁজতে তৃষ্ণার্ত হয়ে পড়ে এবং বলে, আমি আমার পূর্বের জায়গায় গিয়ে চিরনিদ্রায় আচ্ছন্ন হয়ে মারা যাব। (এ কথা বলে) সে মৃত্যুর জন্য বাহুতে মাথা রাখল। কিছুক্ষণ পর জাগ্রত হয়ে সে দেখল, পানাহার সামগ্রী বহনকারী সওয়ারীটি তার কাছে। (সওয়ারী এবং পানাহার সামগ্রী পেয়ে) লোকটি যে পরিমাণ আনন্দিত হয়, মুমিন বান্দার তওবার কারণে আল্লাহ তার চেয়েও বেশী আনন্দিত হন'। ১৪৭ সুতরাং প্রত্যেক মুমিনের উচিত প্রতিদিন বেশী বেশী তওবা ও ইস্তেগফার করা, যাতে আল্লাহ খুশী হয়ে তাদের পাপসমূহ ক্ষমা করে দেন।
**টিকাঃ**
১৪৫. বুখারী, রিয়াযুছ ছালেহীন হা/১৩; মিশকাত হা/২৩২৩।
১৪৬. মুসলিম; রিয়াযুছ ছালেহীন হা/১৪।
১৪৭. মুসলিম হা/২৭৪৪; মিশকাত হা/২৩৫৮; ছহীহুল জামে' হা/৫০৩৩।
📄 ইলম অর্জন করা
নেক আমল করার জন্য ইলমের কোন বিকল্প নেই। কোন কাজ সম্পর্কে সঠিক জ্ঞান না থাকলে যেমন তা সুচারুরূপে করা যায় না তেমনি ইবাদত সম্পর্কে সম্যক জ্ঞান না থাকলে সে ইবাদত যথার্থরূপে আদায় করা যায় না। সেজন্য আল্লাহ্র নির্দেশ - فَاعْلَمْ أَنَّهُ لَا إِلَهَ إِلَّا الله অতএব জেনে রাখ, নিঃসন্দেহে আল্লাহ ব্যতীত কোন সত্য ইলাহ নেই' (মুহাম্মাদ ৪৭/১৯)। রাসূল (ছাঃ) বলেন, طَلَبُ الْعِلْمِ فَرِيضَةٌ عَلَى كُلِّ مُسْلِمٍ 'প্রত্যেক মুসলিমের উপরে জ্ঞান অন্বেষণ করা ফরয'। ১৪৮
قُلْ هَلْ يَسْتَوِي الَّذِينَ يَعْلَمُوْنَ وَالَّذِيْنَ لَا يَعْلَمُوْنَ 'বল, যারা জানে এবং যারা জানে না তারা কি সমান?' (যুমার ৩৯/৯)।
قُلْ هَلْ يَسْتَوِي الْأَعْمَى وَالْبَصِيرُ أَمْ هَلْ تَسْتَوِي الظُّلُمَاتُ وَالنُّوْرُ 'বল, অন্ধ ও চক্ষুষ্মান কি সমান হ'তে পারে? আলো ও অন্ধকার কি এক হ'তে পারে?' (রা'দ ১৩/১৬)।
ইলম না থাকলে জাহান্নামে পতিত হওয়ার সম্ভাবনা থাকে। যেমন আল্লাহ পবিত্র কুরআনে জাহান্নামীদের উক্তি উল্লেখ করেছেন এভাবে- وَقَالُوْا لَوْ كُنَّا نَسْمَعُ أَوْ نَعْقِلُ مَا كُنَّا فِي أَصْحَابِ السَّعِيرِ 'তারা আরও বলবে, যদি আমরা সেদিন (নবীদের কথা) শুনতাম এবং তা অনুধাবন করতাম, তাহ'লে আজ জাহান্নামীদের অন্তর্ভুক্ত হ'তাম না' (মুলক ৬৭/১০)। সুতরাং আমল সম্পর্কে জানা ও তা না করার পরিণতি অবহিত হওয়ার জন্য ইলম অর্জন করা যরূরী। জ্ঞানার্জনের গুরুত্বের উপরে ভিত্তি করে ইমাম বুখারী (রহঃ) অনুচ্ছেদ রচনা করেছেন- بَاب الْعِلْمُ قَبْلَ الْقَوْلِ وَالْعَمَلِ 'কথা ও কর্মের পূর্বে জ্ঞানার্জন করা' অনুচ্ছেদ। ১৪৯
জ্ঞানার্জনের ফযীলত অত্যধিক। জ্ঞানের কারণেই আল্লাহ মানুষের মর্যাদা বৃদ্ধি করেন। আল্লাহ বলেন, يَرْفَعِ اللَّهُ الَّذِيْنَ آمَنُوْا مِنْكُمْ وَالَّذِيْنَ أُوتُوا الْعِلْمَ دَرَجَاتٍ وَاللَّهُ بِمَا تَعْمَلُونَ خَبِيرٌ - 'তোমাদের মধ্যে যারা ঈমান এনেছে এবং আল্লাহ যাদেরকে জ্ঞান দান করেছেন তাদেরকে উচ্চ মর্যাদায় উন্নীত করবেন। তোমরা যা কর আল্লাহ সে সম্পর্কে পূর্ণ অবহিত' (মুজাদালাহ ৫৮/১১)।
ইলম অর্জনের মর্যাদা সম্পর্কে রাসূল (ছাঃ) বলেন, مَنْ سَلَكَ طَرِيقًا يَلْتَمِسُ فِيهِ عِلْمًا سَهَّلَ اللَّهُ لَهُ طَرِيقًا إِلَى الْجَنَّةِ 'যে ব্যক্তি ইলম হাছিল করার উদ্দেশ্যে পথ চলবে আল্লাহ তার জন্য জান্নাতের পথ সুগম করে দিবেন'। ১৫০ অন্যত্র তিনি বলেন, مَنْ سَلَكَ طَرِيقًا يَطْلُبُ فِيهِ عِلْمًا سَلَكَ اللهُ بِهِ طَرِيقًا مِنْ طُرُقِ الْجَنَّةِ وَإِنَّ الْمَلَائِكَةَ لَتَضَعُ أَجْنِحَتَهَا رِضًا لِطَالِبِ الْعِلْمِ وَإِنَّ الْعَالِمَ لَيَسْتَغْفِرُ لَهُ مَنْ فِي السَّمَوَاتِ وَمَنْ فِي الْأَرْضِ وَالْحِيْتَانُ فِي جَوْفِ الْمَاءِ 'যে ব্যক্তি ইলম অর্জন করার উদ্দেশ্যে কোন পথ অবলম্বন করে আল্লাহ তা'আলা তা দ্বারা তাকে জান্নাতের কোন একটি পথে পৌঁছে দেন এবং ফেরেশতাগণ ইলম অন্বেষণকারীর উপর খুশি হয়ে নিজেদের ডানা বিছিয়ে দেন। এছাড়া আলেমদের জন্য আসমান ও যমীনের সকল অধিবাসী আল্লাহ্র নিকট দো'আ ও প্রার্থনা করে। এমনকি পানির মধ্যে বসবাসকারী মাছও (তাদের জন্য দো'আ করে)'। ১৫১
অন্যত্র রাসূল (ছাঃ) বলেন, يَقُوْلُ إِنَّ اللَّهَ عَزَّ وَجَلَّ أَوْحَى إِلَيَّ أَنَّهُ مَنْ سَلَكَ مَسْلَكًا فِي طَلَبِ الْعِلْمِ سَهَّلْتُ لَهُ طَرِيقَ الْجَنَّةِ وَمَنْ سَلَبْتُ كَرِيمَتَيْهِ أَثَبْتُهُ عَلَيْهِمَا الْجَنَّةَ وَقَصْدٌ فِي عِلْمٍ خَيْرٌ مِنْ فَضْلٍ فِي عِبَادَةٍ. আমার নিকট অহী প্রেরণ করেছেন এই মর্মে, যে ব্যক্তি ইলম হাছিলের লক্ষ্যে কোন পথ গ্রহণ করবে, তার জন্য আমি জান্নাতের পথ সহজ করে দেব এবং যার দু'টি সম্মানিত বস্তু (দু'চক্ষু) আমি ছিনিয়ে নিয়েছি (অন্ধ করেছি) তার বদলে তাকে আমি জান্নাত দান করব। আর ইবাদত অধিক করার তুলনায় অধিক ইলম অর্জন করা উত্তম'। ১৫২
অতএব প্রতিদিন অন্ততঃ ২-৫টি হাদীছ ও কুরআনের আয়াত অর্থসহ অধ্যয়ন করা এবং অন্যান্য ইসলামী বই অন্ততঃ ১০ পৃষ্ঠা পাঠ করার মাধ্যমে ইসলামী জ্ঞান বৃদ্ধির জন্য চেষ্টা করা প্রত্যেকের জন্য যরূরী।
**টিকাঃ**
১৪৮. ইবনু মাজাহ হা/২২৪; মিশকাত হা/২১৮, সনদ হাসান।
১৪৯. বুখারী তরজমাতুল বাব নং-১০।
১৫০. তিরমিযী হা/২৬৪৬; ইবনু মাজাহ হা/২২৩; ছহীহুল জামে' হা/৬২৯৮।
১৫১. আবুদাউদ হা/৩৬৪১; মিশকাত হা/২১২; ছহীহুল জামে' হা/৬২৯৭।
১৫২. বায়হাক্বী, শু'আবুল ঈমান; মিশকাত হা/২৫৫; ছহীহুল জামে' হা/১৭২৭।
📄 দাওয়াতী কাজ করা
ব্যক্তি, পরিবার ও সমাজ সংশোধনের অনন্য মাধ্যম হচ্ছে দাওয়াত। মানুষকে হকের পথে দাওয়াত দেওয়া ইসলামের নির্দেশ। আল্লাহ وَلْتَكُنْ مِنْكُمْ أُمَّةٌ يَدْعُوْنَ إِلَى الْخَيْرِ وَيَأْمُرُوْنَ بِالْمَعْرُوفِ وَيَنْهَوْنَ عَنِ الْمُنْكَرِ وَأُولَئِكَ هُمُ الْمُفْلِحُوْنَ 'আর তোমাদের মধ্যে একটা দল থাকা চাই, যারা মানুষকে কল্যাণের দিকে আহ্বান করবে ও অন্যায় থেকে নিষেধ করবে। বস্তুতঃ তারাই হ'ল সফলকাম' (আলে ইমরান ৩/১০৪)। অন্যত্র আল্লাহ বলেন, قُلْ هَذِهِ سَبِيْلِي أَدْعُو إِلَى اللهِ عَلَى بَصِيرَةٍ أَنَا وَمَنِ اتَّبَعَنِي وَسُبْحَانَ اللَّهِ وَمَا أَنَا مِنَ الْمُشْرِكِينَ ‘বল, এটাই আমার পথ। আমি ও আমার অনুসারীগণ ডাকি আল্লাহ্ দিকে জাগ্রত জ্ঞান সহকারে। আল্লাহ পবিত্র। আর আমি অংশীবাদীদের অন্তর্ভুক্ত নই' (ইউসুফ ১২/১০৮)।
রাসূল (ছাঃ) বলেন, بَلِّغُوْا عَنِّى وَلَوْ آيَةً 'একটি আয়াত জানা থাকলেও তা আমার পক্ষ থেকে তোমরা পৌঁছে দাও'। ১৫৩ তিনি আরো বলেন, مَنْ دَعَا إِلَى هُدًى كَانَ لَهُ مِنَ الْأَجْرُ مِثْلَ أُجُوْرِ مَنْ تَبِعَهُ لَا يَنْقُصُ ذَلِكَ مِنْ أُجُوْرِهِمْ شَيْئًا وَمَنْ دَعَا إِلَى ضَلَالَةٍ كَانَ عَلَيْهِ مِنَ الْإِثْمِ مِثْلَ آثَامٍ مَنْ تَبِعَهُ لَا يَنْقُصُ ذَلِكَ مِنْ آثَامِهِمْ شَيْئًا 'যে ব্যক্তি মানুষকে হেদায়াত বা কল্যাণের দিকে আহ্বান করে, সে ব্যক্তি হেদায়াতের অনুসারী ব্যক্তির সমান নেকী পাবে। তবে হেদায়াতপ্রাপ্ত লোকদের নেকীতে কোন কম করা হবে না। আর যে ব্যক্তি লোকদেরকে গোনাহ বা গুমরাহীর দিকে আহ্বান করবে সেই ব্যক্তিকেও গুমরাহীর অনুগামীদের সমান গুনাহ দেওয়া হবে। এতে এ লোকদের গোনাহে কোন কম করা হবে না'। ১৫৪
অন্যত্র তিনি বলেন, مَنْ دَلَّ عَلَى خَيْرٍ فَلَهُ مِثْلُ أَجْرِ فَاعِلِه 'কল্যাণের পথ প্রদর্শনকারী ব্যক্তি কল্যাণকারীর ন্যায় নেকীর অধিকারী হবে'। ১৫৫ অন্যত্র রাসূলুল্লাহ (ছাঃ) আলী (রাঃ)-কে লক্ষ্য করে বলেন, فَوَاللَّهُ لَأَنْ يَهْدِيَ اللَّهُ بِكَ رَجُلاً وَأَحَدًا خَيْرٌ لَّكَ مِنْ حُمُرُ النَّعَمِ 'আল্লাহর কসম! তোমার মাধ্যমে মহান আল্লাহ কোন একজন লোককে হেদায়াত দিলে সেটা তোমার জন্য (মূল্যবান) লাল উটের চেয়েও উত্তম হবে'। ১৫৬
তাই প্রত্যেক মুসলমানের জন্য করনীয় হ'ল যে যেখানে থাকে সেখানে দাওয়াতী কাজ করা। এতে নিজে উপকৃত হবে এবং ব্যক্তি, পরিবার ও সমাজ সংশোধিত হবে।
**টিকাঃ**
১৫৩. বুখারী হা/৩৪৬১; মিশকাত হা/১৮৭, 'ইলম' অধ্যায়।
১৫৪. মুসলিম হা/২৬৭৪; মিশকাত হা/১৫৮।
১৫৫. মুসলিম হা/১৮৯৩; মিশকাত হা/২০৯।
১৫৬. বুখারী হা/৩০০৯, ৩৭০১, ৪২১০; মুসলিম হা/২৪০৬; রিয়াযুছ ছালেহীন হা/১৭৫।