📘 মুখতাসার যাদুল মায়াদ 📄 বিবাহের ক্ষেত্রে অভিভাবকের অনুমতি

📄 বিবাহের ক্ষেত্রে অভিভাবকের অনুমতি


নাবী হতে সহীহ সূত্রে বর্ণিত হয়েছে যে, তিনি ঐ অকুমারী মহিলার বিবাহ বাতিল করেছেন, যার মর্জী ব্যতীত তার পিতা তাকে বিবাহ দিয়েছিল। এক কুমারী মহিলার পিতা তার অনুমতি ছাড়াই বিবাহ দিয়েছিল, রসূল মহিলাকে বিবাহ বন্ধন ঠিক রাখা বা না রাখার অধিকার প্রদান করলেন। নাবী বলেছেন- কুমারী মহিলার অনুমতি ব্যতীত তাকে বিবাহ দেওয়া যাবেনা। চুপ থাকাই তার অনুমতি। ইয়াতীম বালিকার মর্জীর বাইরে তাকে বিবাহ দেওয়া যাবেনা।

নাবী হতে সহীহ সূত্রে বর্ণিত হয়েছে যে, তিনি ঐ অকুমারী মহিলার বিবাহ বাতিল করেছেন, যার মর্জী ব্যতীত তার পিতা তাকে বিবাহ দিয়েছিল। এক কুমারী মহিলার পিতা তার অনুমতি ছাড়াই বিবাহ দিয়েছিল, রসূল মহিলাকে বিবাহ বন্ধন ঠিক রাখা বা না রাখার অধিকার প্রদান করলেন। নাবী বলেছেন- কুমারী মহিলার অনুমতি ব্যতীত তাকে বিবাহ দেওয়া যাবেনা। চুপ থাকাই তার অনুমতি। ইয়াতীম বালিকার মর্জীর বাইরে তাকে বিবাহ দেওয়া যাবেনা।

📘 মুখতাসার যাদুল মায়াদ 📄 বিবাহে অলী (অভিভাবকের) প্রয়োজনীয়তা

📄 বিবাহে অলী (অভিভাবকের) প্রয়োজনীয়তা


নাবী হতে বর্ণিত হয়েছে, অভিভাবক ব্যতীত বিবাহ শুদ্ধ হয়না। আয়িশা হতে বর্ণিত হয়েছে, যেই মহিলা অভিভাবকের অনুমতি ছাড়া নিজেই বিবাহ করল, তার বিবাহ বাতিল। নাবী বলেন- "কোন মহিলা (অভিভাবক সেজে) অন্য কোন মহিলাকে বিবাহ দিবেনা। আর কোন মহিলা নিজের বিবাহ নিজেই সম্পাদন করবেনা।"

টিকাঃ
৩৫৯. তিরমিযী, অধ্যায়ঃ অভিভাবক ব্যতীত বিবাহ শুদ্ধ নয়।
৩৬০. ইবনে মাজাহ, অধ্যায়ঃ অভিভাবক ব্যতীত বিবাহ শুদ্ধ নয়। ইমাম আলবানী হাদীসটিকে সহীহ বলেছেন।

নাবী হতে বর্ণিত হয়েছে, অভিভাবক ব্যতীত বিবাহ শুদ্ধ হয়না। আয়িশা হতে বর্ণিত হয়েছে, যেই মহিলা অভিভাবকের অনুমতি ছাড়া নিজেই বিবাহ করল, তার বিবাহ বাতিল। নাবী বলেন- "কোন মহিলা (অভিভাবক সেজে) অন্য কোন মহিলাকে বিবাহ দিবেনা। আর কোন মহিলা নিজের বিবাহ নিজেই সম্পাদন করবেনা।"

টিকাঃ
৩৫৯. তিরমিযী, অধ্যায়ঃ অভিভাবক ব্যতীত বিবাহ শুদ্ধ নয়।
৩৬০. ইবনে মাজাহ, অধ্যায়ঃ অভিভাবক ব্যতীত বিবাহ শুদ্ধ নয়। ইমাম আলবানী হাদীসটিকে সহীহ বলেছেন।

📘 মুখতাসার যাদুল মায়াদ 📄 বিবাহের মোহরানা নির্ধারণ

📄 বিবাহের মোহরানা নির্ধারণ


সহীহ সূত্রে বর্ণিত হয়েছে, এক লোক মোহরানা নির্ধারণ না করেই বিবাহ করল। তার সাথে বাসর করার পূর্বেই লোকটি মারা গেল। এই ক্ষেত্রে নাবী ফয়সালা করলেন যে, এই মহিলার জন্য তার আত্মীয়দের মধ্য হতে তার সমমানের মহিলার মোহরানাই নির্ধারণ করা হবে। নাবী এক ব্যক্তিকে বিয়ে করিয়ে দিয়েছিলেন কিন্তু কোন মোহরানা নির্ধারণ করা হয়নি। সেই লোকটির যখন মৃত্যু হল, তখন নাবী খায়বারের সম্পদ হতে সেই মহিলাকে একটি অংশ প্রদান করলেন।

টিকাঃ
৩৬১. আবু দাউদ, অধ্যায়ঃ যে ব্যক্তি মোহরানা নির্ধারণ না করেই বিবাহ করল। এই হাদীসের সনদটি হাসান।

সহীহ সূত্রে বর্ণিত হয়েছে, এক লোক মোহরানা নির্ধারণ না করেই বিবাহ করল। তার সাথে বাসর করার পূর্বেই লোকটি মারা গেল। এই ক্ষেত্রে নাবী ফয়সালা করলেন যে, এই মহিলার জন্য তার আত্মীয়দের মধ্য হতে তার সমমানের মহিলার মোহরানাই নির্ধারণ করা হবে। নাবী এক ব্যক্তিকে বিয়ে করিয়ে দিয়েছিলেন কিন্তু কোন মোহরানা নির্ধারণ করা হয়নি। সেই লোকটির যখন মৃত্যু হল, তখন নাবী খায়বারের সম্পদ হতে সেই মহিলাকে একটি অংশ প্রদান করলেন।

টিকাঃ
৩৬১. আবু দাউদ, অধ্যায়ঃ যে ব্যক্তি মোহরানা নির্ধারণ না করেই বিবাহ করল। এই হাদীসের সনদটি হাসান।

📘 মুখতাসার যাদুল মায়াদ 📄 মোহরানা নির্ধারণ না করেও বিবাহ সম্পাদন করা জায়েয আছে

📄 মোহরানা নির্ধারণ না করেও বিবাহ সম্পাদন করা জায়েয আছে


* মোহরানা নির্ধারণ না করেও বিবাহ সম্পাদন করা জায়েয আছে।
> মোহরানা নির্ধারণ না করে বিবাহ করলে স্ত্রীর সাথে নির্জনে মিলিত হওয়া এবং সহবাস করা জায়েয।
> মোহরানা নির্ধারণ না করে বিবাহ সম্পাদন করা হলে এবং এই অবস্থায় স্বামীর মৃত্যু হলে মহরে মিছল নির্ধারিত হবে।
> স্ত্রী বেঁচে থাকা অবস্থায় স্বামীর মৃত্যু হলে স্ত্রীর উপর ইদ্দত পালন করা জরুরী।
> একই ব্যক্তি বর ও কনের অভিভাবক হয়ে বিয়ের কাজ সম্পাদন করতে পারে।
> যে অমুসলিম চারের অধিক স্ত্রীসহ ইসলাম গ্রহণ করবে, তাকে চারটি রেখে বাকীগুলোকে তালাক দেয়ার হুকুম করা হবে।
> যে ক্রীতদাস স্বীয় মনিবের অনুমতি ছাড়াই বিবাহ করল, সে ব্যভিচারী হিসাবে গণ্য হবে।

* মোহরানা নির্ধারণ না করেও বিবাহ সম্পাদন করা জায়েয আছে।
> মোহরানা নির্ধারণ না করে বিবাহ করলে স্ত্রীর সাথে নির্জনে মিলিত হওয়া এবং সহবাস করা জায়েয।
> মোহরানা নির্ধারণ না করে বিবাহ সম্পাদন করা হলে এবং এই অবস্থায় স্বামীর মৃত্যু হলে মহরে মিছল নির্ধারিত হবে।
> স্ত্রী বেঁচে থাকা অবস্থায় স্বামীর মৃত্যু হলে স্ত্রীর উপর ইদ্দত পালন করা জরুরী।
> একই ব্যক্তি বর ও কনের অভিভাবক হয়ে বিয়ের কাজ সম্পাদন করতে পারে।
> যে অমুসলিম চারের অধিক স্ত্রীসহ ইসলাম গ্রহণ করবে, তাকে চারটি রেখে বাকীগুলোকে তালাক দেয়ার হুকুম করা হবে।
> যে ক্রীতদাস স্বীয় মনিবের অনুমতি ছাড়াই বিবাহ করল, সে ব্যভিচারী হিসাবে গণ্য হবে।

ফন্ট সাইজ
15px
17px