📄 অমুসলিমদের থেকে জিযিয়া (কর) গ্রহণের ক্ষেত্রে নবী (সাঃ) এর তরীকা
নাবী নাজরান ও আয়লার অধিবাসীদের থেকে জিযিয়া আদায় করেছেন। দাওমাতুল জান্দালের নাগরিকদের থেকেও তিনি জিযিয়া গ্রহণ করেছেন। তিনি ইয়ামানের ইহুদীদের থেকেও জিযিয়া গ্রহণ করেছিলেন। অগ্নি পূজকদের থেকেও তিনি কর আদায় করেছেন। তবে আরবের মুশরিকদের থেকে কর আদায় করার কথা সহীহ সূত্রে প্রমাণিত হয়নি।
অগ্নিপূজক ও মূর্তিপূজকদের কুফুরীর মধ্যে পার্থক্য পরিলক্ষিত হয়। মক্কার মুশরিকরা মূর্তিপূজার সাথে সাথে তাওহীদে রুবুবীয়ার প্রতি বিশ্বাস স্থাপন করত। তাদের মধ্যে দ্বীনে ইবরাহীমের বেশ কিছু বিষয় বিদ্যমান ছিল। রসূল হাজারের অধিবাসী এবং অন্যান্য এলাকার বাদশাহদের নিকট পত্র লিখে তাদেরকে ইসলাম কবুল করার অথবা জিযিয়া প্রদান করার আহবান জানিয়েছেন।
নাবী নাজরান ও আয়লার অধিবাসীদের থেকে জিযিয়া আদায় করেছেন। দাওমাতুল জান্দালের নাগরিকদের থেকেও তিনি জিযিয়া গ্রহণ করেছেন। তিনি ইয়ামানের ইহুদীদের থেকেও জিযিয়া গ্রহণ করেছিলেন। অগ্নি পূজকদের থেকেও তিনি কর আদায় করেছেন। তবে আরবের মুশরিকদের থেকে কর আদায় করার কথা সহীহ সূত্রে প্রমাণিত হয়নি।
অগ্নিপূজক ও মূর্তিপূজকদের কুফুরীর মধ্যে পার্থক্য পরিলক্ষিত হয়। মক্কার মুশরিকরা মূর্তিপূজার সাথে সাথে তাওহীদে রুবুবীয়ার প্রতি বিশ্বাস স্থাপন করত। তাদের মধ্যে দ্বীনে ইবরাহীমের বেশ কিছু বিষয় বিদ্যমান ছিল। রসূল হাজারের অধিবাসী এবং অন্যান্য এলাকার বাদশাহদের নিকট পত্র লিখে তাদেরকে ইসলাম কবুল করার অথবা জিযিয়া প্রদান করার আহবান জানিয়েছেন।
📄 জিযিয়া (করের) পরিমাণ ও সংখ্যা
নাবী মুআয বিন জাবাল কে ইয়ামানে পাঠানোর সময় আদেশ করলেন যে, প্রত্যেক প্রাপ্ত বয়স্ক লোক থেকে এক দীনার অথবা তার সমমূল্যের ইয়ামানী চাদর গ্রহণ করবেন। অতঃপর উমার উহার পরিমাণ বাড়িয়ে স্বর্ণের মালিকদের চার দীনার এবং রৌপ্যের অধিকারীদের উপর চল্লিশ দিরহাম বাৎসরিক কর ধার্য্য করেন।
সহীহ সূত্রে বর্ণিত হয়েছে যে, নাবী চুক্তির অবসানের ঘোষণা না দিয়েই কুরাইশদের সাথে যুদ্ধ করেছেন। কারণ তারা নিজেরাই অঙ্গীকার ভঙ্গ করে রসূল এর বন্ধু গোত্রের উপর হামলা করেছিল।
নাবী মুআয বিন জাবাল কে ইয়ামানে পাঠানোর সময় আদেশ করলেন যে, প্রত্যেক প্রাপ্ত বয়স্ক লোক থেকে এক দীনার অথবা তার সমমূল্যের ইয়ামানী চাদর গ্রহণ করবেন। অতঃপর উমার উহার পরিমাণ বাড়িয়ে স্বর্ণের মালিকদের চার দীনার এবং রৌপ্যের অধিকারীদের উপর চল্লিশ দিরহাম বাৎসরিক কর ধার্য্য করেন।
সহীহ সূত্রে বর্ণিত হয়েছে যে, নাবী চুক্তির অবসানের ঘোষণা না দিয়েই কুরাইশদের সাথে যুদ্ধ করেছেন। কারণ তারা নিজেরাই অঙ্গীকার ভঙ্গ করে রসূল এর বন্ধু গোত্রের উপর হামলা করেছিল।
📄 বিয়েসাদী এবং এর আনুষাঙ্গিক বিষয়ে নবী (সাঃ) এর আদর্শ
নাবী বৈবাহিক জীবন যাপনের প্রতি উৎসাহ দিয়েছেন। তিনি বলেন- "বিবাহসাদী আমার সুন্নাত। যে ব্যক্তি আমার সুন্নাত অনুযায়ী আমল করবেনা, সে আমার উম্মাতের অন্তর্ভুক্ত নয়।" যে ব্যক্তি বিবাহ করার সামর্থ্য রাখে সে যেন বিবাহ করে, আর যে না রাখে সে যেন সিয়াম রাখে। নাবী বলেন- "দুনিয়ার সব কিছুই ভোগের বস্তু। এর মধ্যে সবচেয়ে অধিক উপভোগের বিষয় হচ্ছে, সৎ নারী।" নাবী বেশী বেশী সন্তান প্রসবকারীনী মহিলাকে বিবাহ করার উৎসাহ দিতেন।
টিকাঃ
৩৫৫. ইমাম আলবানী এই হাদীছকে সহীহ বলেছেন।
৩৫৬. সুনানে নাসাঈ, অধ্যায়ঃ কোন্ মহিলা উত্তম।
৩৫৭. আবু দাউদ, ইমাম আলবানী এই হাদীছকে সহীহ বলেছেন।
নাবী বৈবাহিক জীবন যাপনের প্রতি উৎসাহ দিয়েছেন। তিনি বলেন- "বিবাহসাদী আমার সুন্নাত। যে ব্যক্তি আমার সুন্নাত অনুযায়ী আমল করবেনা, সে আমার উম্মাতের অন্তর্ভুক্ত নয়।" যে ব্যক্তি বিবাহ করার সামর্থ্য রাখে সে যেন বিবাহ করে, আর যে না রাখে সে যেন সিয়াম রাখে। নাবী বলেন- "দুনিয়ার সব কিছুই ভোগের বস্তু। এর মধ্যে সবচেয়ে অধিক উপভোগের বিষয় হচ্ছে, সৎ নারী।" নাবী বেশী বেশী সন্তান প্রসবকারীনী মহিলাকে বিবাহ করার উৎসাহ দিতেন।
টিকাঃ
৩৫৫. ইমাম আলবানী এই হাদীছকে সহীহ বলেছেন।
৩৫৬. সুনানে নাসাঈ, অধ্যায়ঃ কোন্ মহিলা উত্তম।
৩৫৭. আবু দাউদ, ইমাম আলবানী এই হাদীছকে সহীহ বলেছেন।
📄 বিবাহের ক্ষেত্রে অভিভাবকের অনুমতি
নাবী হতে সহীহ সূত্রে বর্ণিত হয়েছে যে, তিনি ঐ অকুমারী মহিলার বিবাহ বাতিল করেছেন, যার মর্জী ব্যতীত তার পিতা তাকে বিবাহ দিয়েছিল। এক কুমারী মহিলার পিতা তার অনুমতি ছাড়াই বিবাহ দিয়েছিল, রসূল মহিলাকে বিবাহ বন্ধন ঠিক রাখা বা না রাখার অধিকার প্রদান করলেন। নাবী বলেছেন- কুমারী মহিলার অনুমতি ব্যতীত তাকে বিবাহ দেওয়া যাবেনা। চুপ থাকাই তার অনুমতি। ইয়াতীম বালিকার মর্জীর বাইরে তাকে বিবাহ দেওয়া যাবেনা।
নাবী হতে সহীহ সূত্রে বর্ণিত হয়েছে যে, তিনি ঐ অকুমারী মহিলার বিবাহ বাতিল করেছেন, যার মর্জী ব্যতীত তার পিতা তাকে বিবাহ দিয়েছিল। এক কুমারী মহিলার পিতা তার অনুমতি ছাড়াই বিবাহ দিয়েছিল, রসূল মহিলাকে বিবাহ বন্ধন ঠিক রাখা বা না রাখার অধিকার প্রদান করলেন। নাবী বলেছেন- কুমারী মহিলার অনুমতি ব্যতীত তাকে বিবাহ দেওয়া যাবেনা। চুপ থাকাই তার অনুমতি। ইয়াতীম বালিকার মর্জীর বাইরে তাকে বিবাহ দেওয়া যাবেনা।