📘 মুখতাসার যাদুল মায়াদ 📄 মুসলিমদের মধ্যে ধন-সম্পদ বণ্টন করার ব্যাপারে নবী (সাঃ) এর আদর্শ

📄 মুসলিমদের মধ্যে ধন-সম্পদ বণ্টন করার ব্যাপারে নবী (সাঃ) এর আদর্শ


নাবী এর কাছে তিন প্রকারের মাল ছিল। ১. সাদকাহ ও যাকাতের মাল। ২. গণীমতের মাল। ৩. ফাঈ (বিনা যুদ্ধে দুশমনদের থেকে প্রাপ্ত সম্পদ)। তিনি সলাত ও যাকাত বন্টনের খাতসমূহের (আট শ্রেণীর) বাইরে তিনি কখনও অন্য কাউকে খুমুস থেকে দান করতেন না। নাবী ফাঈ থেকে নিজের ও পরিবার-পরিজনের ভরণ পোষণের জন্য এক বছরের খরচ বের করে নিতেন। আর বাকী সম্পদ দ্বারা আল্লাহর রাস্তায় জিহাদের জন্য ব্যয় করতেন।

টিকাঃ
৩৪৯. সূরা হাশর-৫৯: ৭

নাবী এর কাছে তিন প্রকারের মাল ছিল। ১. সাদকাহ ও যাকাতের মাল। ২. গণীমতের মাল। ৩. ফাঈ (বিনা যুদ্ধে দুশমনদের থেকে প্রাপ্ত সম্পদ)। তিনি সলাত ও যাকাত বন্টনের খাতসমূহের (আট শ্রেণীর) বাইরে তিনি কখনও অন্য কাউকে খুমুস থেকে দান করতেন না। নাবী ফাঈ থেকে নিজের ও পরিবার-পরিজনের ভরণ পোষণের জন্য এক বছরের খরচ বের করে নিতেন। আর বাকী সম্পদ দ্বারা আল্লাহর রাস্তায় জিহাদের জন্য ব্যয় করতেন।

টিকাঃ
৩৪৯. সূরা হাশর-৫৯: ৭

📘 মুখতাসার যাদুল মায়াদ 📄 অমুসলিমদের দূত ও প্রতিনিধিদের সাথে নবী (সাঃ) এর আচরণ

📄 অমুসলিমদের দূত ও প্রতিনিধিদের সাথে নবী (সাঃ) এর আচরণ


মুসায়লামা কাজ্জাবের পক্ষ হতে দু'জন দূত রসূল এর নিকট আগমণ করলে তিনি বলেছিলেন- দূত হত্যা করা যদি নীতি বহির্ভূত না হত, তাহলে আমি তোমাদের উভয়কে হত্যা করতাম। নাবী হতে সহীহ সূত্রে বর্ণিত হয়েছে যে, তিনি দূত ও প্রতিনিধিদেরকে আটকিয়ে রাখতেন না। হুদায়বিয়ার সন্ধির শর্ত মোতাবেক তিনি আবু জান্দালকে কুরাইশদের নিকট ফেরত পাঠিয়েছিলেন। কিন্তু কোন মহিলাকে তিনি কাফেরদের নিকট ফেরত পাঠান নি।

টিকাঃ
৩৫০. সূরা মুমতাহানা-৬০:১০

মুসায়লামা কাজ্জাবের পক্ষ হতে দু'জন দূত রসূল এর নিকট আগমণ করলে তিনি বলেছিলেন- দূত হত্যা করা যদি নীতি বহির্ভূত না হত, তাহলে আমি তোমাদের উভয়কে হত্যা করতাম। নাবী হতে সহীহ সূত্রে বর্ণিত হয়েছে যে, তিনি দূত ও প্রতিনিধিদেরকে আটকিয়ে রাখতেন না। হুদায়বিয়ার সন্ধির শর্ত মোতাবেক তিনি আবু জান্দালকে কুরাইশদের নিকট ফেরত পাঠিয়েছিলেন। কিন্তু কোন মহিলাকে তিনি কাফেরদের নিকট ফেরত পাঠান নি।

টিকাঃ
৩৫০. সূরা মুমতাহানা-৬০:১০

📘 মুখতাসার যাদুল মায়াদ 📄 অমুসলিমদেরকে নিরাপত্তা ও আশ্রয়দানের ক্ষেত্রে নবী (সাঃ) এর পবিত্র সুন্নাত

📄 অমুসলিমদেরকে নিরাপত্তা ও আশ্রয়দানের ক্ষেত্রে নবী (সাঃ) এর পবিত্র সুন্নাত


নাবী বলেন- যার মধ্যে এবং অন্য কোন গোত্রের মধ্যে কোন চুক্তি রয়েছে, সে যেন চুক্তির মেয়াদ পূর্ণ না হওয়ার পূর্বে সেই চুক্তিকে পরিবর্তন না করে। নাবী হতে সহীহ সূত্রে বর্ণিত হয়েছে যে, তিনি বলেন- "সকল মুসলিমের রক্তের মূল্য সমান। মুসলমানদের সবচেয়ে কম মর্যাদাবান লোকও যদি কোন ব্যক্তিকে (অমুসলিমকে) নিরাপত্তা প্রদান করে, তাহলে সকল মুসলিমের উপর সেই নিরাপত্তাপ্রাপ্ত লোকের রক্ত হারাম"।

টিকাঃ
৩৫১. সূরা আনফাল-৮:৫৮
৩৫২. ইমাম আলবানী হাদীসটিকে সহীহ বলেছেন, সিলসিলাহ সহীহা, হা/২৩৫৭
৩৫৩. আবু দাউদ, আলএ. হা/২৭৫১
৩৫৪. সহীহ ইবনে মাজাহ, তাও. হা/২৬৭৫

নাবী বলেন- যার মধ্যে এবং অন্য কোন গোত্রের মধ্যে কোন চুক্তি রয়েছে, সে যেন চুক্তির মেয়াদ পূর্ণ না হওয়ার পূর্বে সেই চুক্তিকে পরিবর্তন না করে। নাবী হতে সহীহ সূত্রে বর্ণিত হয়েছে যে, তিনি বলেন- "সকল মুসলিমের রক্তের মূল্য সমান। মুসলমানদের সবচেয়ে কম মর্যাদাবান লোকও যদি কোন ব্যক্তিকে (অমুসলিমকে) নিরাপত্তা প্রদান করে, তাহলে সকল মুসলিমের উপর সেই নিরাপত্তাপ্রাপ্ত লোকের রক্ত হারাম"।

টিকাঃ
৩৫১. সূরা আনফাল-৮:৫৮
৩৫২. ইমাম আলবানী হাদীসটিকে সহীহ বলেছেন, সিলসিলাহ সহীহা, হা/২৩৫৭
৩৫৩. আবু দাউদ, আলএ. হা/২৭৫১
৩৫৪. সহীহ ইবনে মাজাহ, তাও. হা/২৬৭৫

📘 মুখতাসার যাদুল মায়াদ 📄 অমুসলিমদের থেকে জিযিয়া (কর) গ্রহণের ক্ষেত্রে নবী (সাঃ) এর তরীকা

📄 অমুসলিমদের থেকে জিযিয়া (কর) গ্রহণের ক্ষেত্রে নবী (সাঃ) এর তরীকা


নাবী নাজরান ও আয়লার অধিবাসীদের থেকে জিযিয়া আদায় করেছেন। দাওমাতুল জান্দালের নাগরিকদের থেকেও তিনি জিযিয়া গ্রহণ করেছেন। তিনি ইয়ামানের ইহুদীদের থেকেও জিযিয়া গ্রহণ করেছিলেন। অগ্নি পূজকদের থেকেও তিনি কর আদায় করেছেন। তবে আরবের মুশরিকদের থেকে কর আদায় করার কথা সহীহ সূত্রে প্রমাণিত হয়নি।
অগ্নিপূজক ও মূর্তিপূজকদের কুফুরীর মধ্যে পার্থক্য পরিলক্ষিত হয়। মক্কার মুশরিকরা মূর্তিপূজার সাথে সাথে তাওহীদে রুবুবীয়ার প্রতি বিশ্বাস স্থাপন করত। তাদের মধ্যে দ্বীনে ইবরাহীমের বেশ কিছু বিষয় বিদ্যমান ছিল। রসূল হাজারের অধিবাসী এবং অন্যান্য এলাকার বাদশাহদের নিকট পত্র লিখে তাদেরকে ইসলাম কবুল করার অথবা জিযিয়া প্রদান করার আহবান জানিয়েছেন।

নাবী নাজরান ও আয়লার অধিবাসীদের থেকে জিযিয়া আদায় করেছেন। দাওমাতুল জান্দালের নাগরিকদের থেকেও তিনি জিযিয়া গ্রহণ করেছেন। তিনি ইয়ামানের ইহুদীদের থেকেও জিযিয়া গ্রহণ করেছিলেন। অগ্নি পূজকদের থেকেও তিনি কর আদায় করেছেন। তবে আরবের মুশরিকদের থেকে কর আদায় করার কথা সহীহ সূত্রে প্রমাণিত হয়নি।
অগ্নিপূজক ও মূর্তিপূজকদের কুফুরীর মধ্যে পার্থক্য পরিলক্ষিত হয়। মক্কার মুশরিকরা মূর্তিপূজার সাথে সাথে তাওহীদে রুবুবীয়ার প্রতি বিশ্বাস স্থাপন করত। তাদের মধ্যে দ্বীনে ইবরাহীমের বেশ কিছু বিষয় বিদ্যমান ছিল। রসূল হাজারের অধিবাসী এবং অন্যান্য এলাকার বাদশাহদের নিকট পত্র লিখে তাদেরকে ইসলাম কবুল করার অথবা জিযিয়া প্রদান করার আহবান জানিয়েছেন।

ফন্ট সাইজ
15px
17px