📄 হাদীয়া (উপহার) গ্রহণ করার ব্যাপারে নবী (সাঃ) এর হিদায়াত
সাহাবায়ে কেরামগণ নাবী কে হাদীয়া দিলে তিনি তা গ্রহণ করতেন। রাজা-বাদশাদের পক্ষ হতে আগত হাদীয়া কখনও তিনি সাহাবীদের মধ্যে ভাগ করে দিতেন। একবার আবু সুফিয়ান নাবীকে হাদীয়া দিলে তিনি তা কবুল করেছেন। ঐদিকে মিশরের শাসক মুকাওকিসের হাদীয়াও তিনি কবুল করেছিলেন। তবে তিনি তাঁর সাথে যুদ্ধরত কোন কাফের-মুশরিকের হাদীয়া কখনই কবুল করেন নি।
সাহাবায়ে কেরামগণ নাবী কে হাদীয়া দিলে তিনি তা গ্রহণ করতেন। রাজা-বাদশাদের পক্ষ হতে আগত হাদীয়া কখনও তিনি সাহাবীদের মধ্যে ভাগ করে দিতেন। একবার আবু সুফিয়ান নাবীকে হাদীয়া দিলে তিনি তা কবুল করেছেন। ঐদিকে মিশরের শাসক মুকাওকিসের হাদীয়াও তিনি কবুল করেছিলেন। তবে তিনি তাঁর সাথে যুদ্ধরত কোন কাফের-মুশরিকের হাদীয়া কখনই কবুল করেন নি।
📄 মুসলিমদের মধ্যে ধন-সম্পদ বণ্টন করার ব্যাপারে নবী (সাঃ) এর আদর্শ
নাবী এর কাছে তিন প্রকারের মাল ছিল। ১. সাদকাহ ও যাকাতের মাল। ২. গণীমতের মাল। ৩. ফাঈ (বিনা যুদ্ধে দুশমনদের থেকে প্রাপ্ত সম্পদ)। তিনি সলাত ও যাকাত বন্টনের খাতসমূহের (আট শ্রেণীর) বাইরে তিনি কখনও অন্য কাউকে খুমুস থেকে দান করতেন না। নাবী ফাঈ থেকে নিজের ও পরিবার-পরিজনের ভরণ পোষণের জন্য এক বছরের খরচ বের করে নিতেন। আর বাকী সম্পদ দ্বারা আল্লাহর রাস্তায় জিহাদের জন্য ব্যয় করতেন।
টিকাঃ
৩৪৯. সূরা হাশর-৫৯: ৭
নাবী এর কাছে তিন প্রকারের মাল ছিল। ১. সাদকাহ ও যাকাতের মাল। ২. গণীমতের মাল। ৩. ফাঈ (বিনা যুদ্ধে দুশমনদের থেকে প্রাপ্ত সম্পদ)। তিনি সলাত ও যাকাত বন্টনের খাতসমূহের (আট শ্রেণীর) বাইরে তিনি কখনও অন্য কাউকে খুমুস থেকে দান করতেন না। নাবী ফাঈ থেকে নিজের ও পরিবার-পরিজনের ভরণ পোষণের জন্য এক বছরের খরচ বের করে নিতেন। আর বাকী সম্পদ দ্বারা আল্লাহর রাস্তায় জিহাদের জন্য ব্যয় করতেন।
টিকাঃ
৩৪৯. সূরা হাশর-৫৯: ৭
📄 অমুসলিমদের দূত ও প্রতিনিধিদের সাথে নবী (সাঃ) এর আচরণ
মুসায়লামা কাজ্জাবের পক্ষ হতে দু'জন দূত রসূল এর নিকট আগমণ করলে তিনি বলেছিলেন- দূত হত্যা করা যদি নীতি বহির্ভূত না হত, তাহলে আমি তোমাদের উভয়কে হত্যা করতাম। নাবী হতে সহীহ সূত্রে বর্ণিত হয়েছে যে, তিনি দূত ও প্রতিনিধিদেরকে আটকিয়ে রাখতেন না। হুদায়বিয়ার সন্ধির শর্ত মোতাবেক তিনি আবু জান্দালকে কুরাইশদের নিকট ফেরত পাঠিয়েছিলেন। কিন্তু কোন মহিলাকে তিনি কাফেরদের নিকট ফেরত পাঠান নি।
টিকাঃ
৩৫০. সূরা মুমতাহানা-৬০:১০
মুসায়লামা কাজ্জাবের পক্ষ হতে দু'জন দূত রসূল এর নিকট আগমণ করলে তিনি বলেছিলেন- দূত হত্যা করা যদি নীতি বহির্ভূত না হত, তাহলে আমি তোমাদের উভয়কে হত্যা করতাম। নাবী হতে সহীহ সূত্রে বর্ণিত হয়েছে যে, তিনি দূত ও প্রতিনিধিদেরকে আটকিয়ে রাখতেন না। হুদায়বিয়ার সন্ধির শর্ত মোতাবেক তিনি আবু জান্দালকে কুরাইশদের নিকট ফেরত পাঠিয়েছিলেন। কিন্তু কোন মহিলাকে তিনি কাফেরদের নিকট ফেরত পাঠান নি।
টিকাঃ
৩৫০. সূরা মুমতাহানা-৬০:১০
📄 অমুসলিমদেরকে নিরাপত্তা ও আশ্রয়দানের ক্ষেত্রে নবী (সাঃ) এর পবিত্র সুন্নাত
নাবী বলেন- যার মধ্যে এবং অন্য কোন গোত্রের মধ্যে কোন চুক্তি রয়েছে, সে যেন চুক্তির মেয়াদ পূর্ণ না হওয়ার পূর্বে সেই চুক্তিকে পরিবর্তন না করে। নাবী হতে সহীহ সূত্রে বর্ণিত হয়েছে যে, তিনি বলেন- "সকল মুসলিমের রক্তের মূল্য সমান। মুসলমানদের সবচেয়ে কম মর্যাদাবান লোকও যদি কোন ব্যক্তিকে (অমুসলিমকে) নিরাপত্তা প্রদান করে, তাহলে সকল মুসলিমের উপর সেই নিরাপত্তাপ্রাপ্ত লোকের রক্ত হারাম"।
টিকাঃ
৩৫১. সূরা আনফাল-৮:৫৮
৩৫২. ইমাম আলবানী হাদীসটিকে সহীহ বলেছেন, সিলসিলাহ সহীহা, হা/২৩৫৭
৩৫৩. আবু দাউদ, আলএ. হা/২৭৫১
৩৫৪. সহীহ ইবনে মাজাহ, তাও. হা/২৬৭৫
নাবী বলেন- যার মধ্যে এবং অন্য কোন গোত্রের মধ্যে কোন চুক্তি রয়েছে, সে যেন চুক্তির মেয়াদ পূর্ণ না হওয়ার পূর্বে সেই চুক্তিকে পরিবর্তন না করে। নাবী হতে সহীহ সূত্রে বর্ণিত হয়েছে যে, তিনি বলেন- "সকল মুসলিমের রক্তের মূল্য সমান। মুসলমানদের সবচেয়ে কম মর্যাদাবান লোকও যদি কোন ব্যক্তিকে (অমুসলিমকে) নিরাপত্তা প্রদান করে, তাহলে সকল মুসলিমের উপর সেই নিরাপত্তাপ্রাপ্ত লোকের রক্ত হারাম"।
টিকাঃ
৩৫১. সূরা আনফাল-৮:৫৮
৩৫২. ইমাম আলবানী হাদীসটিকে সহীহ বলেছেন, সিলসিলাহ সহীহা, হা/২৩৫৭
৩৫৩. আবু দাউদ, আলএ. হা/২৭৫১
৩৫৪. সহীহ ইবনে মাজাহ, তাও. হা/২৬৭৫