📘 মুখতাসার যাদুল মায়াদ 📄 গণীমতের মাল বণ্টনে নবী (সাঃ) এর তরীকা

📄 গণীমতের মাল বণ্টনে নবী (সাঃ) এর তরীকা


নাবী মালে গণীমত থেকে অশ্বারোহী যোদ্ধাকে তিন অংশ এবং পদাতিক সৈন্যকে এক অংশ প্রদান করার হুকুম দিয়েছেন। যে মুজাহিদ কোন শত্রুকে হত্যা করবে, সেই নিহত শত্রুর সাথে প্রাপ্ত সকল বস্তু হত্যাকারীকে দেওয়ার ফায়সালা করেছেন।
তালহা এবং সাঈদ বিন যায়েদ বদরের যুদ্ধে অংশ গ্রহণ না করা সত্ত্বেও তিনি তাদেরকে গণীমতের মাল থেকে ভাগ দিয়েছেন। রসূল এর কন্যা রুকাইয়া অসুস্থ থাকার কারণে উছমান বদরের যুদ্ধে অংশ গ্রহণ করতে পারেন নি, নাবী উছমান কে বদরের যুদ্ধের মালে গণীমত থেকে অংশ দিয়েছেন।

নাবী মালে গণীমত থেকে অশ্বারোহী যোদ্ধাকে তিন অংশ এবং পদাতিক সৈন্যকে এক অংশ প্রদান করার হুকুম দিয়েছেন। যে মুজাহিদ কোন শত্রুকে হত্যা করবে, সেই নিহত শত্রুর সাথে প্রাপ্ত সকল বস্তু হত্যাকারীকে দেওয়ার ফায়সালা করেছেন।
তালহা এবং সাঈদ বিন যায়েদ বদরের যুদ্ধে অংশ গ্রহণ না করা সত্ত্বেও তিনি তাদেরকে গণীমতের মাল থেকে ভাগ দিয়েছেন। রসূল এর কন্যা রুকাইয়া অসুস্থ থাকার কারণে উছমান বদরের যুদ্ধে অংশ গ্রহণ করতে পারেন নি, নাবী উছমান কে বদরের যুদ্ধের মালে গণীমত থেকে অংশ দিয়েছেন।

📘 মুখতাসার যাদুল মায়াদ 📄 হাদীয়া (উপহার) গ্রহণ করার ব্যাপারে নবী (সাঃ) এর হিদায়াত

📄 হাদীয়া (উপহার) গ্রহণ করার ব্যাপারে নবী (সাঃ) এর হিদায়াত


সাহাবায়ে কেরামগণ নাবী কে হাদীয়া দিলে তিনি তা গ্রহণ করতেন। রাজা-বাদশাদের পক্ষ হতে আগত হাদীয়া কখনও তিনি সাহাবীদের মধ্যে ভাগ করে দিতেন। একবার আবু সুফিয়ান নাবীকে হাদীয়া দিলে তিনি তা কবুল করেছেন। ঐদিকে মিশরের শাসক মুকাওকিসের হাদীয়াও তিনি কবুল করেছিলেন। তবে তিনি তাঁর সাথে যুদ্ধরত কোন কাফের-মুশরিকের হাদীয়া কখনই কবুল করেন নি।

সাহাবায়ে কেরামগণ নাবী কে হাদীয়া দিলে তিনি তা গ্রহণ করতেন। রাজা-বাদশাদের পক্ষ হতে আগত হাদীয়া কখনও তিনি সাহাবীদের মধ্যে ভাগ করে দিতেন। একবার আবু সুফিয়ান নাবীকে হাদীয়া দিলে তিনি তা কবুল করেছেন। ঐদিকে মিশরের শাসক মুকাওকিসের হাদীয়াও তিনি কবুল করেছিলেন। তবে তিনি তাঁর সাথে যুদ্ধরত কোন কাফের-মুশরিকের হাদীয়া কখনই কবুল করেন নি।

📘 মুখতাসার যাদুল মায়াদ 📄 মুসলিমদের মধ্যে ধন-সম্পদ বণ্টন করার ব্যাপারে নবী (সাঃ) এর আদর্শ

📄 মুসলিমদের মধ্যে ধন-সম্পদ বণ্টন করার ব্যাপারে নবী (সাঃ) এর আদর্শ


নাবী এর কাছে তিন প্রকারের মাল ছিল। ১. সাদকাহ ও যাকাতের মাল। ২. গণীমতের মাল। ৩. ফাঈ (বিনা যুদ্ধে দুশমনদের থেকে প্রাপ্ত সম্পদ)। তিনি সলাত ও যাকাত বন্টনের খাতসমূহের (আট শ্রেণীর) বাইরে তিনি কখনও অন্য কাউকে খুমুস থেকে দান করতেন না। নাবী ফাঈ থেকে নিজের ও পরিবার-পরিজনের ভরণ পোষণের জন্য এক বছরের খরচ বের করে নিতেন। আর বাকী সম্পদ দ্বারা আল্লাহর রাস্তায় জিহাদের জন্য ব্যয় করতেন।

টিকাঃ
৩৪৯. সূরা হাশর-৫৯: ৭

নাবী এর কাছে তিন প্রকারের মাল ছিল। ১. সাদকাহ ও যাকাতের মাল। ২. গণীমতের মাল। ৩. ফাঈ (বিনা যুদ্ধে দুশমনদের থেকে প্রাপ্ত সম্পদ)। তিনি সলাত ও যাকাত বন্টনের খাতসমূহের (আট শ্রেণীর) বাইরে তিনি কখনও অন্য কাউকে খুমুস থেকে দান করতেন না। নাবী ফাঈ থেকে নিজের ও পরিবার-পরিজনের ভরণ পোষণের জন্য এক বছরের খরচ বের করে নিতেন। আর বাকী সম্পদ দ্বারা আল্লাহর রাস্তায় জিহাদের জন্য ব্যয় করতেন।

টিকাঃ
৩৪৯. সূরা হাশর-৫৯: ৭

📘 মুখতাসার যাদুল মায়াদ 📄 অমুসলিমদের দূত ও প্রতিনিধিদের সাথে নবী (সাঃ) এর আচরণ

📄 অমুসলিমদের দূত ও প্রতিনিধিদের সাথে নবী (সাঃ) এর আচরণ


মুসায়লামা কাজ্জাবের পক্ষ হতে দু'জন দূত রসূল এর নিকট আগমণ করলে তিনি বলেছিলেন- দূত হত্যা করা যদি নীতি বহির্ভূত না হত, তাহলে আমি তোমাদের উভয়কে হত্যা করতাম। নাবী হতে সহীহ সূত্রে বর্ণিত হয়েছে যে, তিনি দূত ও প্রতিনিধিদেরকে আটকিয়ে রাখতেন না। হুদায়বিয়ার সন্ধির শর্ত মোতাবেক তিনি আবু জান্দালকে কুরাইশদের নিকট ফেরত পাঠিয়েছিলেন। কিন্তু কোন মহিলাকে তিনি কাফেরদের নিকট ফেরত পাঠান নি।

টিকাঃ
৩৫০. সূরা মুমতাহানা-৬০:১০

মুসায়লামা কাজ্জাবের পক্ষ হতে দু'জন দূত রসূল এর নিকট আগমণ করলে তিনি বলেছিলেন- দূত হত্যা করা যদি নীতি বহির্ভূত না হত, তাহলে আমি তোমাদের উভয়কে হত্যা করতাম। নাবী হতে সহীহ সূত্রে বর্ণিত হয়েছে যে, তিনি দূত ও প্রতিনিধিদেরকে আটকিয়ে রাখতেন না। হুদায়বিয়ার সন্ধির শর্ত মোতাবেক তিনি আবু জান্দালকে কুরাইশদের নিকট ফেরত পাঠিয়েছিলেন। কিন্তু কোন মহিলাকে তিনি কাফেরদের নিকট ফেরত পাঠান নি।

টিকাঃ
৩৫০. সূরা মুমতাহানা-৬০:১০

ফন্ট সাইজ
15px
17px