📘 মুখতাসার যাদুল মায়াদ 📄 সুগন্ধি ব্যবহারের ক্ষেত্রে নবী (সাঃ) এর পবিত্র আদর্শ

📄 সুগন্ধি ব্যবহারের ক্ষেত্রে নবী (সাঃ) এর পবিত্র আদর্শ


নাবী সুগন্ধি পছন্দ করতেন এবং কেউ তাঁকে সুগন্ধি উপহার দিলে তিনি তা ফেরত দিতেন না। তিনি বলেছেন- "যার কাছে রায়হান (সুগন্ধি) পেশ করা হবে, সে যেন তা প্রত্যাখ্যান না করে, এর ঘ্রাণ খুব ভাল, তা বহন করা খুবই সহজ"।
আল্লাহ্ তা'আলা বলেন- "দুঃশ্চিত্র (অপবিত্র) নারীরা দুশ্চিত্র (অপবিত্র) পুরুষদের জন্যে এবং দুশ্চিত্র (অপবিত্র) পুরুষরা দুশ্চিত্র (অপবিত্র) নারীদের জন্যে। সচ্চরিত্র (পবিত্র) নারীগণ সচ্চরিত্র (পবিত্র) পুরুষদের জন্যে এবং সচ্চরিত্র পুরুষগণ সচ্চরিত্রা নারীদের জন্যে।" সুগন্ধির মধ্যে এমন কিছু বৈশিষ্ট রয়েছে, যা ফিরিস্তাগণ পছন্দ করেন। পবিত্র আত্মা পবিত্র ও সুঘ্রাণকে পছন্দ করে।

টিকাঃ
৩৪৪. সহীহ মুসলিম, অধ্যায়ঃ সুগন্ধি ব্যবহার প্রসঙ্গে।
৩৪৫. সূরা নূর-২৪:২৬

নাবী সুগন্ধি পছন্দ করতেন এবং কেউ তাঁকে সুগন্ধি উপহার দিলে তিনি তা ফেরত দিতেন না। তিনি বলেছেন- "যার কাছে রায়হান (সুগন্ধি) পেশ করা হবে, সে যেন তা প্রত্যাখ্যান না করে, এর ঘ্রাণ খুব ভাল, তা বহন করা খুবই সহজ"।
আল্লাহ্ তা'আলা বলেন- "দুঃশ্চিত্র (অপবিত্র) নারীরা দুশ্চিত্র (অপবিত্র) পুরুষদের জন্যে এবং দুশ্চিত্র (অপবিত্র) পুরুষরা দুশ্চিত্র (অপবিত্র) নারীদের জন্যে। সচ্চরিত্র (পবিত্র) নারীগণ সচ্চরিত্র (পবিত্র) পুরুষদের জন্যে এবং সচ্চরিত্র পুরুষগণ সচ্চরিত্রা নারীদের জন্যে।" সুগন্ধির মধ্যে এমন কিছু বৈশিষ্ট রয়েছে, যা ফিরিস্তাগণ পছন্দ করেন। পবিত্র আত্মা পবিত্র ও সুঘ্রাণকে পছন্দ করে।

টিকাঃ
৩৪৪. সহীহ মুসলিম, অধ্যায়ঃ সুগন্ধি ব্যবহার প্রসঙ্গে।
৩৪৫. সূরা নূর-২৪:২৬

📘 মুখতাসার যাদুল মায়াদ 📄 নবী (সাঃ) এর পবিত্র ফায়সালাসমূহ

📄 নবী (সাঃ) এর পবিত্র ফায়সালাসমূহ


নাবী হতে প্রমাণিত আছে যে, তিনি অভিযুক্তকে বন্ধী করে রেখেছেন। এক ব্যক্তি ইচ্ছাকৃত তার ক্রীতদাসকে হত্যা করে ফেলল। নাবী তখন খুনীকে একশ দুরা লাগিয়েছেন এবং এক বছর দেশান্তর করেছেন। কিন্তু গোলাম হত্যার বিনিময়ে তাকে কিসাস স্বরূপ হত্যা করেন নি। নাবী উরায়না গোত্রের লোকদের হাত-পা কেটে ফেলা এবং তাদের চোখ উপড়ে ফেলার ফয়সালা করেছিলেন কারণ তারা রাখালের সাথে সেরূপ আচরণই করেছিল।
এক ইহুদী একটি বালিকার মাথাকে দু'টি পাথরের মাঝখানে রেখে চাপ দিয়ে হত্যা করেছিল। নাবী তার ব্যাপারে এই হুকুম দিয়েছিলেন যে, একই পদ্ধতিতে সেই ইহুদীর মাথা দু'টি পাথরের মাঝখানে রেখে চাপা দিয়ে ভেঙ্গে ফেলা হবে। এ থেকে জানা গেল যে, কোন পুরুষ যদি কোন মহিলাকে হত্যা করে, তাহলে সেই হত্যাকারী পুরুষকেও হত্যা করা হবে।

টিকাঃ
৩৪৬. সহীহ মুসলিম, অধ্যায়ঃ কাসামাহ।

নাবী হতে প্রমাণিত আছে যে, তিনি অভিযুক্তকে বন্ধী করে রেখেছেন। এক ব্যক্তি ইচ্ছাকৃত তার ক্রীতদাসকে হত্যা করে ফেলল। নাবী তখন খুনীকে একশ দুরা লাগিয়েছেন এবং এক বছর দেশান্তর করেছেন। কিন্তু গোলাম হত্যার বিনিময়ে তাকে কিসাস স্বরূপ হত্যা করেন নি। নাবী উরায়না গোত্রের লোকদের হাত-পা কেটে ফেলা এবং তাদের চোখ উপড়ে ফেলার ফয়সালা করেছিলেন কারণ তারা রাখালের সাথে সেরূপ আচরণই করেছিল।
এক ইহুদী একটি বালিকার মাথাকে দু'টি পাথরের মাঝখানে রেখে চাপ দিয়ে হত্যা করেছিল। নাবী তার ব্যাপারে এই হুকুম দিয়েছিলেন যে, একই পদ্ধতিতে সেই ইহুদীর মাথা দু'টি পাথরের মাঝখানে রেখে চাপা দিয়ে ভেঙ্গে ফেলা হবে। এ থেকে জানা গেল যে, কোন পুরুষ যদি কোন মহিলাকে হত্যা করে, তাহলে সেই হত্যাকারী পুরুষকেও হত্যা করা হবে।

টিকাঃ
৩৪৬. সহীহ মুসলিম, অধ্যায়ঃ কাসামাহ।

📘 মুখতাসার যাদুল মায়াদ 📄 গণীমতের মাল বণ্টনে নবী (সাঃ) এর তরীকা

📄 গণীমতের মাল বণ্টনে নবী (সাঃ) এর তরীকা


নাবী মালে গণীমত থেকে অশ্বারোহী যোদ্ধাকে তিন অংশ এবং পদাতিক সৈন্যকে এক অংশ প্রদান করার হুকুম দিয়েছেন। যে মুজাহিদ কোন শত্রুকে হত্যা করবে, সেই নিহত শত্রুর সাথে প্রাপ্ত সকল বস্তু হত্যাকারীকে দেওয়ার ফায়সালা করেছেন।
তালহা এবং সাঈদ বিন যায়েদ বদরের যুদ্ধে অংশ গ্রহণ না করা সত্ত্বেও তিনি তাদেরকে গণীমতের মাল থেকে ভাগ দিয়েছেন। রসূল এর কন্যা রুকাইয়া অসুস্থ থাকার কারণে উছমান বদরের যুদ্ধে অংশ গ্রহণ করতে পারেন নি, নাবী উছমান কে বদরের যুদ্ধের মালে গণীমত থেকে অংশ দিয়েছেন।

নাবী মালে গণীমত থেকে অশ্বারোহী যোদ্ধাকে তিন অংশ এবং পদাতিক সৈন্যকে এক অংশ প্রদান করার হুকুম দিয়েছেন। যে মুজাহিদ কোন শত্রুকে হত্যা করবে, সেই নিহত শত্রুর সাথে প্রাপ্ত সকল বস্তু হত্যাকারীকে দেওয়ার ফায়সালা করেছেন।
তালহা এবং সাঈদ বিন যায়েদ বদরের যুদ্ধে অংশ গ্রহণ না করা সত্ত্বেও তিনি তাদেরকে গণীমতের মাল থেকে ভাগ দিয়েছেন। রসূল এর কন্যা রুকাইয়া অসুস্থ থাকার কারণে উছমান বদরের যুদ্ধে অংশ গ্রহণ করতে পারেন নি, নাবী উছমান কে বদরের যুদ্ধের মালে গণীমত থেকে অংশ দিয়েছেন।

📘 মুখতাসার যাদুল মায়াদ 📄 হাদীয়া (উপহার) গ্রহণ করার ব্যাপারে নবী (সাঃ) এর হিদায়াত

📄 হাদীয়া (উপহার) গ্রহণ করার ব্যাপারে নবী (সাঃ) এর হিদায়াত


সাহাবায়ে কেরামগণ নাবী কে হাদীয়া দিলে তিনি তা গ্রহণ করতেন। রাজা-বাদশাদের পক্ষ হতে আগত হাদীয়া কখনও তিনি সাহাবীদের মধ্যে ভাগ করে দিতেন। একবার আবু সুফিয়ান নাবীকে হাদীয়া দিলে তিনি তা কবুল করেছেন। ঐদিকে মিশরের শাসক মুকাওকিসের হাদীয়াও তিনি কবুল করেছিলেন। তবে তিনি তাঁর সাথে যুদ্ধরত কোন কাফের-মুশরিকের হাদীয়া কখনই কবুল করেন নি।

সাহাবায়ে কেরামগণ নাবী কে হাদীয়া দিলে তিনি তা গ্রহণ করতেন। রাজা-বাদশাদের পক্ষ হতে আগত হাদীয়া কখনও তিনি সাহাবীদের মধ্যে ভাগ করে দিতেন। একবার আবু সুফিয়ান নাবীকে হাদীয়া দিলে তিনি তা কবুল করেছেন। ঐদিকে মিশরের শাসক মুকাওকিসের হাদীয়াও তিনি কবুল করেছিলেন। তবে তিনি তাঁর সাথে যুদ্ধরত কোন কাফের-মুশরিকের হাদীয়া কখনই কবুল করেন নি।

ফন্ট সাইজ
15px
17px