📄 পানাহার গ্রহণে নবী (সাঃ) এর আদর্শ
সর্বদা একই খাদ্য গ্রহণ স্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকর। তাই নাবী যে দেশে অবস্থান করতেন, সেখানকার অধিবাসীদের সকল খাদ্যই গ্রহণ করতেন। তিনি কোন খাবারের দোষ-ত্রুটি বর্ণনা করতেন না। পছন্দ হলে খেতেন, না হলে বর্জন করতেন। নাবী গোশত পছন্দ করতেন, বিশেষ করে রানের গোশত। মিষ্টি ও মধুও পছন্দ করতেন। নাবী যখন কোন দেশে গমণ করতেন, তখন সেই দেশের ফল খেতেন।
নাবী বলেছেন- আমি টেক লাগিয়ে (হেলান দিয়ে) খাইনা। তিনি তিন আঙ্গুল দিয়ে খাবার গ্রহণ করতেন। নাবী মধুর সাথে ঠান্ডা পানি মিশিয়ে পান করতেন। পান করার সময় নাবী তিনবার শ্বাস গ্রহণ করতেন।
টিকাঃ
৩৪২. বুখারী, অধ্যায়ঃ কিতাবুল আত-ইমাহ।
সর্বদা একই খাদ্য গ্রহণ স্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকর। তাই নাবী যে দেশে অবস্থান করতেন, সেখানকার অধিবাসীদের সকল খাদ্যই গ্রহণ করতেন। তিনি কোন খাবারের দোষ-ত্রুটি বর্ণনা করতেন না। পছন্দ হলে খেতেন, না হলে বর্জন করতেন। নাবী গোশত পছন্দ করতেন, বিশেষ করে রানের গোশত। মিষ্টি ও মধুও পছন্দ করতেন। নাবী যখন কোন দেশে গমণ করতেন, তখন সেই দেশের ফল খেতেন।
নাবী বলেছেন- আমি টেক লাগিয়ে (হেলান দিয়ে) খাইনা। তিনি তিন আঙ্গুল দিয়ে খাবার গ্রহণ করতেন। নাবী মধুর সাথে ঠান্ডা পানি মিশিয়ে পান করতেন। পান করার সময় নাবী তিনবার শ্বাস গ্রহণ করতেন।
টিকাঃ
৩৪২. বুখারী, অধ্যায়ঃ কিতাবুল আত-ইমাহ।
📄 দাঁড়িয়ে পান করা
সহীহ সূত্রে বর্ণিত হয়েছে যে, তিনি দাঁড়িয়ে পান করতে নিষেধ করেছেন। তবে সহীহ সূত্রে এও বর্ণিত হয়েছে যে, তিনি দাঁড়িয়ে পান করেছেন। এ জন্যই কোন কোন আলেম বলেন- দাঁড়িয়ে পান করার নিষিদ্ধতা রহিত হয়ে গেছে। আরও বলা হয়েছে যে, তিনি প্রয়োজন বশতঃ দাঁড়িয়ে পান করেছিলেন।
নাবী পাত্র ঢেকে রাখার আদেশ দিয়েছেন। সহীহ মুসলিমে বর্ণিত হয়েছে, তিনি বলেন- "তোমরা পাত্র ঢেকে রাখো এবং পান পাত্রের মুখ বন্ধ করে রাখো। কেননা বছরে এমন একটি রাত রয়েছে, যাতে বিভিন্ন প্রকার রোগ ও মহামারি অবতরণ করে"। নাবী পাত্রের মুখ বন্ধ করার সময় বিসমিল্লাহ্ বলার আদেশ দিয়েছেন। তিনি কলসীতে-ড্রামে সরাসরি মুখ লাগিয়ে পান করতে নিষেধ করেছেন।
টিকাঃ
৩৪৩. সহীহ মুসলিম, অধ্যায়ঃ কিতাবুল আশরিবাহ, মিশকাত হাএ. হা/৪২৯৮
সহীহ সূত্রে বর্ণিত হয়েছে যে, তিনি দাঁড়িয়ে পান করতে নিষেধ করেছেন। তবে সহীহ সূত্রে এও বর্ণিত হয়েছে যে, তিনি দাঁড়িয়ে পান করেছেন। এ জন্যই কোন কোন আলেম বলেন- দাঁড়িয়ে পান করার নিষিদ্ধতা রহিত হয়ে গেছে। আরও বলা হয়েছে যে, তিনি প্রয়োজন বশতঃ দাঁড়িয়ে পান করেছিলেন।
নাবী পাত্র ঢেকে রাখার আদেশ দিয়েছেন। সহীহ মুসলিমে বর্ণিত হয়েছে, তিনি বলেন- "তোমরা পাত্র ঢেকে রাখো এবং পান পাত্রের মুখ বন্ধ করে রাখো। কেননা বছরে এমন একটি রাত রয়েছে, যাতে বিভিন্ন প্রকার রোগ ও মহামারি অবতরণ করে"। নাবী পাত্রের মুখ বন্ধ করার সময় বিসমিল্লাহ্ বলার আদেশ দিয়েছেন। তিনি কলসীতে-ড্রামে সরাসরি মুখ লাগিয়ে পান করতে নিষেধ করেছেন।
টিকাঃ
৩৪৩. সহীহ মুসলিম, অধ্যায়ঃ কিতাবুল আশরিবাহ, মিশকাত হাএ. হা/৪২৯৮
📄 সুগন্ধি ব্যবহারের ক্ষেত্রে নবী (সাঃ) এর পবিত্র আদর্শ
নাবী সুগন্ধি পছন্দ করতেন এবং কেউ তাঁকে সুগন্ধি উপহার দিলে তিনি তা ফেরত দিতেন না। তিনি বলেছেন- "যার কাছে রায়হান (সুগন্ধি) পেশ করা হবে, সে যেন তা প্রত্যাখ্যান না করে, এর ঘ্রাণ খুব ভাল, তা বহন করা খুবই সহজ"।
আল্লাহ্ তা'আলা বলেন- "দুঃশ্চিত্র (অপবিত্র) নারীরা দুশ্চিত্র (অপবিত্র) পুরুষদের জন্যে এবং দুশ্চিত্র (অপবিত্র) পুরুষরা দুশ্চিত্র (অপবিত্র) নারীদের জন্যে। সচ্চরিত্র (পবিত্র) নারীগণ সচ্চরিত্র (পবিত্র) পুরুষদের জন্যে এবং সচ্চরিত্র পুরুষগণ সচ্চরিত্রা নারীদের জন্যে।" সুগন্ধির মধ্যে এমন কিছু বৈশিষ্ট রয়েছে, যা ফিরিস্তাগণ পছন্দ করেন। পবিত্র আত্মা পবিত্র ও সুঘ্রাণকে পছন্দ করে।
টিকাঃ
৩৪৪. সহীহ মুসলিম, অধ্যায়ঃ সুগন্ধি ব্যবহার প্রসঙ্গে।
৩৪৫. সূরা নূর-২৪:২৬
নাবী সুগন্ধি পছন্দ করতেন এবং কেউ তাঁকে সুগন্ধি উপহার দিলে তিনি তা ফেরত দিতেন না। তিনি বলেছেন- "যার কাছে রায়হান (সুগন্ধি) পেশ করা হবে, সে যেন তা প্রত্যাখ্যান না করে, এর ঘ্রাণ খুব ভাল, তা বহন করা খুবই সহজ"।
আল্লাহ্ তা'আলা বলেন- "দুঃশ্চিত্র (অপবিত্র) নারীরা দুশ্চিত্র (অপবিত্র) পুরুষদের জন্যে এবং দুশ্চিত্র (অপবিত্র) পুরুষরা দুশ্চিত্র (অপবিত্র) নারীদের জন্যে। সচ্চরিত্র (পবিত্র) নারীগণ সচ্চরিত্র (পবিত্র) পুরুষদের জন্যে এবং সচ্চরিত্র পুরুষগণ সচ্চরিত্রা নারীদের জন্যে।" সুগন্ধির মধ্যে এমন কিছু বৈশিষ্ট রয়েছে, যা ফিরিস্তাগণ পছন্দ করেন। পবিত্র আত্মা পবিত্র ও সুঘ্রাণকে পছন্দ করে।
টিকাঃ
৩৪৪. সহীহ মুসলিম, অধ্যায়ঃ সুগন্ধি ব্যবহার প্রসঙ্গে।
৩৪৫. সূরা নূর-২৪:২৬
📄 নবী (সাঃ) এর পবিত্র ফায়সালাসমূহ
নাবী হতে প্রমাণিত আছে যে, তিনি অভিযুক্তকে বন্ধী করে রেখেছেন। এক ব্যক্তি ইচ্ছাকৃত তার ক্রীতদাসকে হত্যা করে ফেলল। নাবী তখন খুনীকে একশ দুরা লাগিয়েছেন এবং এক বছর দেশান্তর করেছেন। কিন্তু গোলাম হত্যার বিনিময়ে তাকে কিসাস স্বরূপ হত্যা করেন নি। নাবী উরায়না গোত্রের লোকদের হাত-পা কেটে ফেলা এবং তাদের চোখ উপড়ে ফেলার ফয়সালা করেছিলেন কারণ তারা রাখালের সাথে সেরূপ আচরণই করেছিল।
এক ইহুদী একটি বালিকার মাথাকে দু'টি পাথরের মাঝখানে রেখে চাপ দিয়ে হত্যা করেছিল। নাবী তার ব্যাপারে এই হুকুম দিয়েছিলেন যে, একই পদ্ধতিতে সেই ইহুদীর মাথা দু'টি পাথরের মাঝখানে রেখে চাপা দিয়ে ভেঙ্গে ফেলা হবে। এ থেকে জানা গেল যে, কোন পুরুষ যদি কোন মহিলাকে হত্যা করে, তাহলে সেই হত্যাকারী পুরুষকেও হত্যা করা হবে।
টিকাঃ
৩৪৬. সহীহ মুসলিম, অধ্যায়ঃ কাসামাহ।
নাবী হতে প্রমাণিত আছে যে, তিনি অভিযুক্তকে বন্ধী করে রেখেছেন। এক ব্যক্তি ইচ্ছাকৃত তার ক্রীতদাসকে হত্যা করে ফেলল। নাবী তখন খুনীকে একশ দুরা লাগিয়েছেন এবং এক বছর দেশান্তর করেছেন। কিন্তু গোলাম হত্যার বিনিময়ে তাকে কিসাস স্বরূপ হত্যা করেন নি। নাবী উরায়না গোত্রের লোকদের হাত-পা কেটে ফেলা এবং তাদের চোখ উপড়ে ফেলার ফয়সালা করেছিলেন কারণ তারা রাখালের সাথে সেরূপ আচরণই করেছিল।
এক ইহুদী একটি বালিকার মাথাকে দু'টি পাথরের মাঝখানে রেখে চাপ দিয়ে হত্যা করেছিল। নাবী তার ব্যাপারে এই হুকুম দিয়েছিলেন যে, একই পদ্ধতিতে সেই ইহুদীর মাথা দু'টি পাথরের মাঝখানে রেখে চাপা দিয়ে ভেঙ্গে ফেলা হবে। এ থেকে জানা গেল যে, কোন পুরুষ যদি কোন মহিলাকে হত্যা করে, তাহলে সেই হত্যাকারী পুরুষকেও হত্যা করা হবে।
টিকাঃ
৩৪৬. সহীহ মুসলিম, অধ্যায়ঃ কাসামাহ।