📘 মুখতাসার যাদুল মায়াদ 📄 দুঃশ্চিন্তা, বিষণ্নতা ও বিপদাপদের সময় নবী (সাঃ) এর হিদায়াত

📄 দুঃশ্চিন্তা, বিষণ্নতা ও বিপদাপদের সময় নবী (সাঃ) এর হিদায়াত


নাবী বিপদ-মসীবতের সময় এই দু'আ পাঠ করতেনঃ «লা ইলা-হা ইল্লাল্লাহুল আযীমূল হালীম লা ইলা-হা ইল্লাল্লাহু রব্বুল আরশিল আযীম লা ইলা-হা ইল্লাল্লাহু রব্বুস সামা-ওয়া-তি ওয়া রব্বুল আরদি ওয়া রব্বুল আরশিল কারীম»।
বিপদগ্রস্ত লোকের দু'আ হচ্ছেঃ «আল্লাহুম্মা রহমাতাকা আরজু ফালা তাকিলনী ইলা নাফসী তারফাতা আইনিন ওয়া আসলিলী শা'নী কুল্লাাহু লা ইলা-হা ইল্লা আনতা»।
নাবী বলেছেন- মাছের পেটে থাকা অবস্থায় ইউনূস যে দু'আটি করেছিলেন (লা ইলা-হা ইল্লা আনতা সুবহা-নাকা ইন্নী কুনতু মিনায যলিমীন), কোন মুসলিম যদি সেই দু'আ পাঠ করে, তার দু'আ কবুল করা হবে।
দুঃশ্চিন্তা ও পেরেশানীতে নাবী এই দু’আ শিখিয়েছেন: «আল্লাহুম্মা ইন্নী আ’বদুকা ইবনু আ’বদিকা... আন তাজআ’লাল ক্বুরআ-না রবীআ’ ক্বলবী ওয়া নূরা সদরী...»।

টিকাঃ
৩২৩. বুখারী, অধ্যায়ঃ কিতাবুত দাওয়াত, তাও. হা/৬৩৪৬
৩২৪. সহীহ তিরমিযী, মাথ, হা/৩৫২৪, মিশকাত, হাএ. হা/২৪৫৪
৩২৬. মুসনাদে আহমাদ, ইমাম আলবানী হাদীসটিকে সহীহ বলেছেন।
৩২৭. তিরমিযী, অধ্যায়ঃ কিতাবুত দাওয়াত।
৩২৯. সুনানে আবু দাউদ, আলএ. হা/১৫৫৫

নাবী বিপদ-মসীবতের সময় এই দু'আ পাঠ করতেনঃ «লা ইলা-হা ইল্লাল্লাহুল আযীমূল হালীম লা ইলা-হা ইল্লাল্লাহু রব্বুল আরশিল আযীম লা ইলা-হা ইল্লাল্লাহু রব্বুস সামা-ওয়া-তি ওয়া রব্বুল আরদি ওয়া রব্বুল আরশিল কারীম»।
বিপদগ্রস্ত লোকের দু'আ হচ্ছেঃ «আল্লাহুম্মা রহমাতাকা আরজু ফালা তাকিলনী ইলা নাফসী তারফাতা আইনিন ওয়া আসলিলী শা'নী কুল্লাাহু লা ইলা-হা ইল্লা আনতা»।
নাবী বলেছেন- মাছের পেটে থাকা অবস্থায় ইউনূস যে দু'আটি করেছিলেন (লা ইলা-হা ইল্লা আনতা সুবহা-নাকা ইন্নী কুনতু মিনায যলিমীন), কোন মুসলিম যদি সেই দু'আ পাঠ করে, তার দু'আ কবুল করা হবে।
দুঃশ্চিন্তা ও পেরেশানীতে নাবী এই দু’আ শিখিয়েছেন: «আল্লাহুম্মা ইন্নী আ’বদুকা ইবনু আ’বদিকা... আন তাজআ’লাল ক্বুরআ-না রবীআ’ ক্বলবী ওয়া নূরা সদরী...»।

টিকাঃ
৩২৩. বুখারী, অধ্যায়ঃ কিতাবুত দাওয়াত, তাও. হা/৬৩৪৬
৩২৪. সহীহ তিরমিযী, মাথ, হা/৩৫২৪, মিশকাত, হাএ. হা/২৪৫৪
৩২৬. মুসনাদে আহমাদ, ইমাম আলবানী হাদীসটিকে সহীহ বলেছেন।
৩২৭. তিরমিযী, অধ্যায়ঃ কিতাবুত দাওয়াত।
৩২৯. সুনানে আবু দাউদ, আলএ. হা/১৫৫৫

📘 মুখতাসার যাদুল মায়াদ 📄 ভয়-ভীতির সময় নবী (সাঃ) এর আদর্শ

📄 ভয়-ভীতির সময় নবী (সাঃ) এর আদর্শ


ভয়-ভীতির কারণে রাতে ঘুমাতে না পারলে নাবী এই দু'আ পাঠ করতে বলেছেনঃ «আল্লাহুম্মা রব্বাস সামা-ওয়া-তিস্ সাবই... কুন লী জা-রাম মিন শাররি খালক্বিকা কুল্লিহিম...»।
ঘাবড়ানোর (ভয়-ভীতির) সময় নাবী সাহাবীদেরকে এই দু’আ শিক্ষা দিতেনঃ «আ’উযু বিকালিমা-তিল্লাহিত তা-ম্মা-তি মিন গাদাবিহী ওয়া শাররি ই’বাদিহী ওয়া মিন হামাযা-তিশ শায়াত্বীনি ওয়া আ’উযু বিকা রব্বি আইঁ ইয়াহদুরুুন»।
নাবী বলেন- তোমরা যখন আগুন লাগতে দেখ, তখন তাকবীর (আল্লাহু আকবার) পাঠ কর। কেননা তাকবীর আগুন নিভিয়ে দেয়। আগুনের স্বভাব হচ্ছে সে অহংকার ও বিপর্যয়কে পছন্দ করে। আল্লাহু আকবার পাঠ করলে তাকবীরের প্রভাবে আগুন নিভে যায় এবং শয়তানকে বিতাড়িত করে।

টিকাঃ
৩৩৩. তিরমিযী, অধ্যায়ঃ কিতাবুত দাওয়াত, সহীহ আত তিরমিযী, মাপ্র. হা/৩৫২৩
৩৩৪. আবু দাউদ, অধ্যায়ঃ কিতাবুত তিব্ব। ইমাম আলবানী বলেনঃ হাদীসটি হাসান।
৩৩৫. ইমাম আলবানী হাদীসটিকে যঈফ বলেছেন।

ভয়-ভীতির কারণে রাতে ঘুমাতে না পারলে নাবী এই দু'আ পাঠ করতে বলেছেনঃ «আল্লাহুম্মা রব্বাস সামা-ওয়া-তিস্ সাবই... কুন লী জা-রাম মিন শাররি খালক্বিকা কুল্লিহিম...»।
ঘাবড়ানোর (ভয়-ভীতির) সময় নাবী সাহাবীদেরকে এই দু’আ শিক্ষা দিতেনঃ «আ’উযু বিকালিমা-তিল্লাহিত তা-ম্মা-তি মিন গাদাবিহী ওয়া শাররি ই’বাদিহী ওয়া মিন হামাযা-তিশ শায়াত্বীনি ওয়া আ’উযু বিকা রব্বি আইঁ ইয়াহদুরুুন»।
নাবী বলেন- তোমরা যখন আগুন লাগতে দেখ, তখন তাকবীর (আল্লাহু আকবার) পাঠ কর। কেননা তাকবীর আগুন নিভিয়ে দেয়। আগুনের স্বভাব হচ্ছে সে অহংকার ও বিপর্যয়কে পছন্দ করে। আল্লাহু আকবার পাঠ করলে তাকবীরের প্রভাবে আগুন নিভে যায় এবং শয়তানকে বিতাড়িত করে।

টিকাঃ
৩৩৩. তিরমিযী, অধ্যায়ঃ কিতাবুত দাওয়াত, সহীহ আত তিরমিযী, মাপ্র. হা/৩৫২৩
৩৩৪. আবু দাউদ, অধ্যায়ঃ কিতাবুত তিব্ব। ইমাম আলবানী বলেনঃ হাদীসটি হাসান।
৩৩৫. ইমাম আলবানী হাদীসটিকে যঈফ বলেছেন।

📘 মুখতাসার যাদুল মায়াদ 📄 স্বাস্থ্যরক্ষায় নবী (সাঃ) এর হিদায়াত

📄 স্বাস্থ্যরক্ষায় নবী (সাঃ) এর হিদায়াত


আল্লাহ্ তা'আলা বলেন- "হে বানী আদম! তোমরা প্রত্যেক সলাতের সময় সাজসজ্জা অবলম্বন কর, খাও, পান কর এবং অপব্যয় করোনা। তিনি অপব্যয়ীদেরকে পছন্দ করেন না"। খাদ্যের পরিমাণ ও তা গ্রহণের পদ্ধতি তাই হওয়া উচিৎ, যা দ্বারা শরীর উপকৃত হবে। নাবী বলেন- "এমন দু'টি নিয়ামত রয়েছে, যাতে অধিকাংশ লোক প্রতারিত হয়ে থাকে। একটি হচ্ছে সুস্বাস্থ্য আর অপরটি হচ্ছে অবসরতা"।
নাবী বলেন- যে ব্যক্তি সুস্থ ও স্বীয় বাসস্থানে নিরাপদ অবস্থায় সকালে ঘুম থেকে উঠল এবং তার কাছে এক দিনের পানাহারও বিদ্যমান রয়েছে, তাকে দুনিয়ার সমস্ত সম্পদই দেয়া হয়েছে। নাবী বলেন- "তোমরা আল্লাহর কাছে ঈমান ও সুস্বাস্থ্য প্রার্থনা কর। সুতরাং ঈমানের পর সু-স্বাস্থ্যের চেয়ে অধিক উত্তম আর কোন নিয়ামাত নেই"।

টিকাঃ
৩৩৭. বুখারী, অধ্যায়ঃ কিতাবুর রিকাক, তাও. হা/৬৪১২
৩৩৮. সহীহ রূত্রে বর্ণিত, সিলসিলাহ সহীহা, হা/২৩১৮।
৩৩৯. সূরা তাকাছুর-১০২:৮
৩৪০. মুসনাদে আহমাদ এবং ইবনে মাজাহ। ইমাম আলবানী হাদীসটিকে সহীহ বলেছেন।

আল্লাহ্ তা'আলা বলেন- "হে বানী আদম! তোমরা প্রত্যেক সলাতের সময় সাজসজ্জা অবলম্বন কর, খাও, পান কর এবং অপব্যয় করোনা। তিনি অপব্যয়ীদেরকে পছন্দ করেন না"। খাদ্যের পরিমাণ ও তা গ্রহণের পদ্ধতি তাই হওয়া উচিৎ, যা দ্বারা শরীর উপকৃত হবে। নাবী বলেন- "এমন দু'টি নিয়ামত রয়েছে, যাতে অধিকাংশ লোক প্রতারিত হয়ে থাকে। একটি হচ্ছে সুস্বাস্থ্য আর অপরটি হচ্ছে অবসরতা"।
নাবী বলেন- যে ব্যক্তি সুস্থ ও স্বীয় বাসস্থানে নিরাপদ অবস্থায় সকালে ঘুম থেকে উঠল এবং তার কাছে এক দিনের পানাহারও বিদ্যমান রয়েছে, তাকে দুনিয়ার সমস্ত সম্পদই দেয়া হয়েছে। নাবী বলেন- "তোমরা আল্লাহর কাছে ঈমান ও সুস্বাস্থ্য প্রার্থনা কর। সুতরাং ঈমানের পর সু-স্বাস্থ্যের চেয়ে অধিক উত্তম আর কোন নিয়ামাত নেই"।

টিকাঃ
৩৩৭. বুখারী, অধ্যায়ঃ কিতাবুর রিকাক, তাও. হা/৬৪১২
৩৩৮. সহীহ রূত্রে বর্ণিত, সিলসিলাহ সহীহা, হা/২৩১৮।
৩৩৯. সূরা তাকাছুর-১০২:৮
৩৪০. মুসনাদে আহমাদ এবং ইবনে মাজাহ। ইমাম আলবানী হাদীসটিকে সহীহ বলেছেন।

📘 মুখতাসার যাদুল মায়াদ 📄 পানাহার গ্রহণে নবী (সাঃ) এর আদর্শ

📄 পানাহার গ্রহণে নবী (সাঃ) এর আদর্শ


সর্বদা একই খাদ্য গ্রহণ স্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকর। তাই নাবী যে দেশে অবস্থান করতেন, সেখানকার অধিবাসীদের সকল খাদ্যই গ্রহণ করতেন। তিনি কোন খাবারের দোষ-ত্রুটি বর্ণনা করতেন না। পছন্দ হলে খেতেন, না হলে বর্জন করতেন। নাবী গোশত পছন্দ করতেন, বিশেষ করে রানের গোশত। মিষ্টি ও মধুও পছন্দ করতেন। নাবী যখন কোন দেশে গমণ করতেন, তখন সেই দেশের ফল খেতেন।
নাবী বলেছেন- আমি টেক লাগিয়ে (হেলান দিয়ে) খাইনা। তিনি তিন আঙ্গুল দিয়ে খাবার গ্রহণ করতেন। নাবী মধুর সাথে ঠান্ডা পানি মিশিয়ে পান করতেন। পান করার সময় নাবী তিনবার শ্বাস গ্রহণ করতেন।

টিকাঃ
৩৪২. বুখারী, অধ্যায়ঃ কিতাবুল আত-ইমাহ।

সর্বদা একই খাদ্য গ্রহণ স্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকর। তাই নাবী যে দেশে অবস্থান করতেন, সেখানকার অধিবাসীদের সকল খাদ্যই গ্রহণ করতেন। তিনি কোন খাবারের দোষ-ত্রুটি বর্ণনা করতেন না। পছন্দ হলে খেতেন, না হলে বর্জন করতেন। নাবী গোশত পছন্দ করতেন, বিশেষ করে রানের গোশত। মিষ্টি ও মধুও পছন্দ করতেন। নাবী যখন কোন দেশে গমণ করতেন, তখন সেই দেশের ফল খেতেন।
নাবী বলেছেন- আমি টেক লাগিয়ে (হেলান দিয়ে) খাইনা। তিনি তিন আঙ্গুল দিয়ে খাবার গ্রহণ করতেন। নাবী মধুর সাথে ঠান্ডা পানি মিশিয়ে পান করতেন। পান করার সময় নাবী তিনবার শ্বাস গ্রহণ করতেন।

টিকাঃ
৩৪২. বুখারী, অধ্যায়ঃ কিতাবুল আত-ইমাহ।

ফন্ট সাইজ
15px
17px