📄 ফোঁড়া ও ক্ষতের চিকিৎসা
সহীহ বুখারী ও সহীহ মুসলিমে বর্ণিত হয়েছে, নাবী বলেছেন- যখন কোন মানুষ অসুস্থ হবে অথবা ফোঁড়া বা জখম কিংবা অন্য কোন রোগে আক্রান্ত হবে তখন সে যেন মাটিতে শাহাদাত আঙ্গুল রেখে এই দু’আ পাঠ করে-
«বসমিল্লাহি তুরবাতু আরদিনা বি-রীক্বাতি বা'দিনা ইউশফা সাক্বীমুনা বি-ইযনি রব্বিনা»
"আল্লাহর নামে আমাদের এই মাটিতে আমাদের কারও লালা মিলিত হচ্ছে। আমাদের প্রভুর ইচ্ছায় আমাদের রোগী ভাল হবে"।
টিকাঃ
৩১৬. বুখারী, কিতাবুত্ তিব্ব, তাও. হা/৫৭৪৫, মুসলিম।
সহীহ বুখারী ও সহীহ মুসলিমে বর্ণিত হয়েছে, নাবী বলেছেন- যখন কোন মানুষ অসুস্থ হবে অথবা ফোঁড়া বা জখম কিংবা অন্য কোন রোগে আক্রান্ত হবে তখন সে যেন মাটিতে শাহাদাত আঙ্গুল রেখে এই দু’আ পাঠ করে-
«বসমিল্লাহি তুরবাতু আরদিনা বি-রীক্বাতি বা'দিনা ইউশফা সাক্বীমুনা বি-ইযনি রব্বিনা»
"আল্লাহর নামে আমাদের এই মাটিতে আমাদের কারও লালা মিলিত হচ্ছে। আমাদের প্রভুর ইচ্ছায় আমাদের রোগী ভাল হবে"।
টিকাঃ
৩১৬. বুখারী, কিতাবুত্ তিব্ব, তাও. হা/৫৭৪৫, মুসলিম।
📄 মসীবতগ্রস্থের চিকিৎসায় নবী (সাঃ) এর আদর্শ
আল্লাহ তা'আলা বলেন- "সুসংবাদ দাও সবরকারীদের। যখন তাঁরা বিপদে পতিত হয়, তখন বলে, নিশ্চয়ই আমরা সবাই আল্লাহ্র জন্য এবং আমরা সবাই তারই সান্নিধ্যে ফিরে যাবো।”
নাবী বলেছেন- যে ব্যক্তি মসীবতে আক্রান্ত হয়ে এই দু’আ পাঠ করবে: «ইন্না লিল্লা-হি ওয়া ইন্না ইলাইহি রজিউ’ন আল্লাহুম্মা আজিরনী ফী মুসীবাতী ওয়া আখলিফ লী খাইরাম মিনহা» তাকে আল্লাহ্ তা'আলা সেই মসীবতে সাহায্য করবেন ও ছাওয়াব দিবেন এবং তাকে উত্তম বদলা দান করবেন।
মসীবতে পতিত হওয়ার সময় দু’টি মূলনীতি মনে রাখা জরুরি: ১. বান্দা এবং তার জানমাল সব আল্লাহর মালিকানাধীন। ২. বান্দার গন্তব্যস্থল হচ্ছে আল্লাহর দিকে। মসীবতে ধৈর্যধারণকারী এবং ইন্না লিল্লাহ্ পাঠকারীগণকে যে নেয়ামত ও ছাওয়াব দেওয়ার ওয়াদা করা হয়েছে, তা মসীবতের চেয়ে বহুগুণ বড়। সুতরাং মসীবতে সন্তুষ্ট থাকা ও সবর করাই হল সর্বোত্তম চিকিৎসা।
টিকাঃ
৩১৭. সূরা বাকারা-২: ১৫৫-১৫৬
৩১৮. মুসলিম, হাএ.হা/২০১১, মিশকাত, হাএ. হা/৪৫২৮
৩১৯. সূরা হাদীদ-৫৭:২২-২৩
৩২০. সূরা বাকারা-২:১৫৬-১৫৭
৩২১. সহীহ আত-তারগীব ওয়াত তারহীব লিল আলবানী, মাশা. ৩/৩৪০৭
আল্লাহ তা'আলা বলেন- "সুসংবাদ দাও সবরকারীদের। যখন তাঁরা বিপদে পতিত হয়, তখন বলে, নিশ্চয়ই আমরা সবাই আল্লাহ্র জন্য এবং আমরা সবাই তারই সান্নিধ্যে ফিরে যাবো।”
নাবী বলেছেন- যে ব্যক্তি মসীবতে আক্রান্ত হয়ে এই দু’আ পাঠ করবে: «ইন্না লিল্লা-হি ওয়া ইন্না ইলাইহি রজিউ’ন আল্লাহুম্মা আজিরনী ফী মুসীবাতী ওয়া আখলিফ লী খাইরাম মিনহা» তাকে আল্লাহ্ তা'আলা সেই মসীবতে সাহায্য করবেন ও ছাওয়াব দিবেন এবং তাকে উত্তম বদলা দান করবেন।
মসীবতে পতিত হওয়ার সময় দু’টি মূলনীতি মনে রাখা জরুরি: ১. বান্দা এবং তার জানমাল সব আল্লাহর মালিকানাধীন। ২. বান্দার গন্তব্যস্থল হচ্ছে আল্লাহর দিকে। মসীবতে ধৈর্যধারণকারী এবং ইন্না লিল্লাহ্ পাঠকারীগণকে যে নেয়ামত ও ছাওয়াব দেওয়ার ওয়াদা করা হয়েছে, তা মসীবতের চেয়ে বহুগুণ বড়। সুতরাং মসীবতে সন্তুষ্ট থাকা ও সবর করাই হল সর্বোত্তম চিকিৎসা।
টিকাঃ
৩১৭. সূরা বাকারা-২: ১৫৫-১৫৬
৩১৮. মুসলিম, হাএ.হা/২০১১, মিশকাত, হাএ. হা/৪৫২৮
৩১৯. সূরা হাদীদ-৫৭:২২-২৩
৩২০. সূরা বাকারা-২:১৫৬-১৫৭
৩২১. সহীহ আত-তারগীব ওয়াত তারহীব লিল আলবানী, মাশা. ৩/৩৪০৭
📄 দুঃশ্চিন্তা, বিষণ্নতা ও বিপদাপদের সময় নবী (সাঃ) এর হিদায়াত
নাবী বিপদ-মসীবতের সময় এই দু'আ পাঠ করতেনঃ «লা ইলা-হা ইল্লাল্লাহুল আযীমূল হালীম লা ইলা-হা ইল্লাল্লাহু রব্বুল আরশিল আযীম লা ইলা-হা ইল্লাল্লাহু রব্বুস সামা-ওয়া-তি ওয়া রব্বুল আরদি ওয়া রব্বুল আরশিল কারীম»।
বিপদগ্রস্ত লোকের দু'আ হচ্ছেঃ «আল্লাহুম্মা রহমাতাকা আরজু ফালা তাকিলনী ইলা নাফসী তারফাতা আইনিন ওয়া আসলিলী শা'নী কুল্লাাহু লা ইলা-হা ইল্লা আনতা»।
নাবী বলেছেন- মাছের পেটে থাকা অবস্থায় ইউনূস যে দু'আটি করেছিলেন (লা ইলা-হা ইল্লা আনতা সুবহা-নাকা ইন্নী কুনতু মিনায যলিমীন), কোন মুসলিম যদি সেই দু'আ পাঠ করে, তার দু'আ কবুল করা হবে।
দুঃশ্চিন্তা ও পেরেশানীতে নাবী এই দু’আ শিখিয়েছেন: «আল্লাহুম্মা ইন্নী আ’বদুকা ইবনু আ’বদিকা... আন তাজআ’লাল ক্বুরআ-না রবীআ’ ক্বলবী ওয়া নূরা সদরী...»।
টিকাঃ
৩২৩. বুখারী, অধ্যায়ঃ কিতাবুত দাওয়াত, তাও. হা/৬৩৪৬
৩২৪. সহীহ তিরমিযী, মাথ, হা/৩৫২৪, মিশকাত, হাএ. হা/২৪৫৪
৩২৬. মুসনাদে আহমাদ, ইমাম আলবানী হাদীসটিকে সহীহ বলেছেন।
৩২৭. তিরমিযী, অধ্যায়ঃ কিতাবুত দাওয়াত।
৩২৯. সুনানে আবু দাউদ, আলএ. হা/১৫৫৫
নাবী বিপদ-মসীবতের সময় এই দু'আ পাঠ করতেনঃ «লা ইলা-হা ইল্লাল্লাহুল আযীমূল হালীম লা ইলা-হা ইল্লাল্লাহু রব্বুল আরশিল আযীম লা ইলা-হা ইল্লাল্লাহু রব্বুস সামা-ওয়া-তি ওয়া রব্বুল আরদি ওয়া রব্বুল আরশিল কারীম»।
বিপদগ্রস্ত লোকের দু'আ হচ্ছেঃ «আল্লাহুম্মা রহমাতাকা আরজু ফালা তাকিলনী ইলা নাফসী তারফাতা আইনিন ওয়া আসলিলী শা'নী কুল্লাাহু লা ইলা-হা ইল্লা আনতা»।
নাবী বলেছেন- মাছের পেটে থাকা অবস্থায় ইউনূস যে দু'আটি করেছিলেন (লা ইলা-হা ইল্লা আনতা সুবহা-নাকা ইন্নী কুনতু মিনায যলিমীন), কোন মুসলিম যদি সেই দু'আ পাঠ করে, তার দু'আ কবুল করা হবে।
দুঃশ্চিন্তা ও পেরেশানীতে নাবী এই দু’আ শিখিয়েছেন: «আল্লাহুম্মা ইন্নী আ’বদুকা ইবনু আ’বদিকা... আন তাজআ’লাল ক্বুরআ-না রবীআ’ ক্বলবী ওয়া নূরা সদরী...»।
টিকাঃ
৩২৩. বুখারী, অধ্যায়ঃ কিতাবুত দাওয়াত, তাও. হা/৬৩৪৬
৩২৪. সহীহ তিরমিযী, মাথ, হা/৩৫২৪, মিশকাত, হাএ. হা/২৪৫৪
৩২৬. মুসনাদে আহমাদ, ইমাম আলবানী হাদীসটিকে সহীহ বলেছেন।
৩২৭. তিরমিযী, অধ্যায়ঃ কিতাবুত দাওয়াত।
৩২৯. সুনানে আবু দাউদ, আলএ. হা/১৫৫৫
📄 ভয়-ভীতির সময় নবী (সাঃ) এর আদর্শ
ভয়-ভীতির কারণে রাতে ঘুমাতে না পারলে নাবী এই দু'আ পাঠ করতে বলেছেনঃ «আল্লাহুম্মা রব্বাস সামা-ওয়া-তিস্ সাবই... কুন লী জা-রাম মিন শাররি খালক্বিকা কুল্লিহিম...»।
ঘাবড়ানোর (ভয়-ভীতির) সময় নাবী সাহাবীদেরকে এই দু’আ শিক্ষা দিতেনঃ «আ’উযু বিকালিমা-তিল্লাহিত তা-ম্মা-তি মিন গাদাবিহী ওয়া শাররি ই’বাদিহী ওয়া মিন হামাযা-তিশ শায়াত্বীনি ওয়া আ’উযু বিকা রব্বি আইঁ ইয়াহদুরুুন»।
নাবী বলেন- তোমরা যখন আগুন লাগতে দেখ, তখন তাকবীর (আল্লাহু আকবার) পাঠ কর। কেননা তাকবীর আগুন নিভিয়ে দেয়। আগুনের স্বভাব হচ্ছে সে অহংকার ও বিপর্যয়কে পছন্দ করে। আল্লাহু আকবার পাঠ করলে তাকবীরের প্রভাবে আগুন নিভে যায় এবং শয়তানকে বিতাড়িত করে।
টিকাঃ
৩৩৩. তিরমিযী, অধ্যায়ঃ কিতাবুত দাওয়াত, সহীহ আত তিরমিযী, মাপ্র. হা/৩৫২৩
৩৩৪. আবু দাউদ, অধ্যায়ঃ কিতাবুত তিব্ব। ইমাম আলবানী বলেনঃ হাদীসটি হাসান।
৩৩৫. ইমাম আলবানী হাদীসটিকে যঈফ বলেছেন।
ভয়-ভীতির কারণে রাতে ঘুমাতে না পারলে নাবী এই দু'আ পাঠ করতে বলেছেনঃ «আল্লাহুম্মা রব্বাস সামা-ওয়া-তিস্ সাবই... কুন লী জা-রাম মিন শাররি খালক্বিকা কুল্লিহিম...»।
ঘাবড়ানোর (ভয়-ভীতির) সময় নাবী সাহাবীদেরকে এই দু’আ শিক্ষা দিতেনঃ «আ’উযু বিকালিমা-তিল্লাহিত তা-ম্মা-তি মিন গাদাবিহী ওয়া শাররি ই’বাদিহী ওয়া মিন হামাযা-তিশ শায়াত্বীনি ওয়া আ’উযু বিকা রব্বি আইঁ ইয়াহদুরুুন»।
নাবী বলেন- তোমরা যখন আগুন লাগতে দেখ, তখন তাকবীর (আল্লাহু আকবার) পাঠ কর। কেননা তাকবীর আগুন নিভিয়ে দেয়। আগুনের স্বভাব হচ্ছে সে অহংকার ও বিপর্যয়কে পছন্দ করে। আল্লাহু আকবার পাঠ করলে তাকবীরের প্রভাবে আগুন নিভে যায় এবং শয়তানকে বিতাড়িত করে।
টিকাঃ
৩৩৩. তিরমিযী, অধ্যায়ঃ কিতাবুত দাওয়াত, সহীহ আত তিরমিযী, মাপ্র. হা/৩৫২৩
৩৩৪. আবু দাউদ, অধ্যায়ঃ কিতাবুত তিব্ব। ইমাম আলবানী বলেনঃ হাদীসটি হাসান।
৩৩৫. ইমাম আলবানী হাদীসটিকে যঈফ বলেছেন।