📘 মুখতাসার যাদুল মায়াদ 📄 বদনযর থেকে বাঁচার উপায়

📄 বদনযর থেকে বাঁচার উপায়


বদনযর লাগার আগেই সতর্কতামূলক ব্যবস্থা নেওয়াতে কোন দোষ নেই। নাবী হাসান-হুসাইন কে এই বাক্যের মাধ্যমে ঝাড়-ফুক করতেনঃ «আ'উযু বিকালিমা-তিল্লাহিত তা-ম্মাতি মিন কুল্লি শায়ত্বানিন ওয়াহাম্মাতিন ওয়া মিন কুল্লি আইনিন লা-ম্মাহ»।

অন্যান্য উপায় হলঃ ‘মা-শা-আল্লাহ লা কুওয়াতা ইল্লা বিল্লাহ’ পাঠ করা। ঝাড়-ফুঁকের সেই দু’আ পাঠ করা, যা দিয়ে জিবরীল (আ) নাবী কে ঝাড়-ফুক করেছিলেনঃ «বিসমিল্লাহি আরক্বীকা মিন কুল্লি শায়ইন ইউ'যীকা...»। বদনযরে আক্রান্ত রোগীর জন্য কুরআনের আয়াত লিখে পানিতে ভিজিয়ে সেই পানি রোগীকে পান করানো সালফে সালেহীনদের আমল দ্বারা প্রমাণিত।

টিকাঃ
৩১১. বুখারী, তাও. হা/৩৩৭১, মিশকাত, হাএ. হা/১৫৩৫, সহীহ, আলবানী।
৩১২. বুখারী, অধ্যায়ঃ কিতাবুত্ তিব্ব, তাও. হা/৫৭৩৯, মিশকাত, হাএ. হা/৪৫২৮
৩১৩. বুখারী, অধ্যায়ঃ কিতাবুত্ তিব্ব, তাও. হা/৫৭৩৪, মুসলিম, অধ্যায়ঃ কিতাবুস্ সালাম।
৩১৪. মুসলিম, অধ্যায়ঃ কিতাবুস্ সালাম মাশা, হা/২১৮৬/৪০

বদনযর লাগার আগেই সতর্কতামূলক ব্যবস্থা নেওয়াতে কোন দোষ নেই। নাবী হাসান-হুসাইন কে এই বাক্যের মাধ্যমে ঝাড়-ফুক করতেনঃ «আ'উযু বিকালিমা-তিল্লাহিত তা-ম্মাতি মিন কুল্লি শায়ত্বানিন ওয়াহাম্মাতিন ওয়া মিন কুল্লি আইনিন লা-ম্মাহ»।

অন্যান্য উপায় হলঃ ‘মা-শা-আল্লাহ লা কুওয়াতা ইল্লা বিল্লাহ’ পাঠ করা। ঝাড়-ফুঁকের সেই দু’আ পাঠ করা, যা দিয়ে জিবরীল (আ) নাবী কে ঝাড়-ফুক করেছিলেনঃ «বিসমিল্লাহি আরক্বীকা মিন কুল্লি শায়ইন ইউ'যীকা...»। বদনযরে আক্রান্ত রোগীর জন্য কুরআনের আয়াত লিখে পানিতে ভিজিয়ে সেই পানি রোগীকে পান করানো সালফে সালেহীনদের আমল দ্বারা প্রমাণিত।

টিকাঃ
৩১১. বুখারী, তাও. হা/৩৩৭১, মিশকাত, হাএ. হা/১৫৩৫, সহীহ, আলবানী।
৩১২. বুখারী, অধ্যায়ঃ কিতাবুত্ তিব্ব, তাও. হা/৫৭৩৯, মিশকাত, হাএ. হা/৪৫২৮
৩১৩. বুখারী, অধ্যায়ঃ কিতাবুত্ তিব্ব, তাও. হা/৫৭৩৪, মুসলিম, অধ্যায়ঃ কিতাবুস্ সালাম।
৩১৪. মুসলিম, অধ্যায়ঃ কিতাবুস্ সালাম মাশা, হা/২১৮৬/৪০

📘 মুখতাসার যাদুল মায়াদ 📄 ফোঁড়া ও ক্ষতের চিকিৎসা

📄 ফোঁড়া ও ক্ষতের চিকিৎসা


সহীহ বুখারী ও সহীহ মুসলিমে বর্ণিত হয়েছে, নাবী বলেছেন- যখন কোন মানুষ অসুস্থ হবে অথবা ফোঁড়া বা জখম কিংবা অন্য কোন রোগে আক্রান্ত হবে তখন সে যেন মাটিতে শাহাদাত আঙ্গুল রেখে এই দু’আ পাঠ করে-
«বসমিল্লাহি তুরবাতু আরদিনা বি-রীক্বাতি বা'দিনা ইউশফা সাক্বীমুনা বি-ইযনি রব্বিনা»
"আল্লাহর নামে আমাদের এই মাটিতে আমাদের কারও লালা মিলিত হচ্ছে। আমাদের প্রভুর ইচ্ছায় আমাদের রোগী ভাল হবে"।

টিকাঃ
৩১৬. বুখারী, কিতাবুত্ তিব্ব, তাও. হা/৫৭৪৫, মুসলিম।

সহীহ বুখারী ও সহীহ মুসলিমে বর্ণিত হয়েছে, নাবী বলেছেন- যখন কোন মানুষ অসুস্থ হবে অথবা ফোঁড়া বা জখম কিংবা অন্য কোন রোগে আক্রান্ত হবে তখন সে যেন মাটিতে শাহাদাত আঙ্গুল রেখে এই দু’আ পাঠ করে-
«বসমিল্লাহি তুরবাতু আরদিনা বি-রীক্বাতি বা'দিনা ইউশফা সাক্বীমুনা বি-ইযনি রব্বিনা»
"আল্লাহর নামে আমাদের এই মাটিতে আমাদের কারও লালা মিলিত হচ্ছে। আমাদের প্রভুর ইচ্ছায় আমাদের রোগী ভাল হবে"।

টিকাঃ
৩১৬. বুখারী, কিতাবুত্ তিব্ব, তাও. হা/৫৭৪৫, মুসলিম।

📘 মুখতাসার যাদুল মায়াদ 📄 মসীবতগ্রস্থের চিকিৎসায় নবী (সাঃ) এর আদর্শ

📄 মসীবতগ্রস্থের চিকিৎসায় নবী (সাঃ) এর আদর্শ


আল্লাহ তা'আলা বলেন- "সুসংবাদ দাও সবরকারীদের। যখন তাঁরা বিপদে পতিত হয়, তখন বলে, নিশ্চয়ই আমরা সবাই আল্লাহ্র জন্য এবং আমরা সবাই তারই সান্নিধ্যে ফিরে যাবো।”
নাবী বলেছেন- যে ব্যক্তি মসীবতে আক্রান্ত হয়ে এই দু’আ পাঠ করবে: «ইন্না লিল্লা-হি ওয়া ইন্না ইলাইহি রজিউ’ন আল্লাহুম্মা আজিরনী ফী মুসীবাতী ওয়া আখলিফ লী খাইরাম মিনহা» তাকে আল্লাহ্ তা'আলা সেই মসীবতে সাহায্য করবেন ও ছাওয়াব দিবেন এবং তাকে উত্তম বদলা দান করবেন।

মসীবতে পতিত হওয়ার সময় দু’টি মূলনীতি মনে রাখা জরুরি: ১. বান্দা এবং তার জানমাল সব আল্লাহর মালিকানাধীন। ২. বান্দার গন্তব্যস্থল হচ্ছে আল্লাহর দিকে। মসীবতে ধৈর্যধারণকারী এবং ইন্না লিল্লাহ্ পাঠকারীগণকে যে নেয়ামত ও ছাওয়াব দেওয়ার ওয়াদা করা হয়েছে, তা মসীবতের চেয়ে বহুগুণ বড়। সুতরাং মসীবতে সন্তুষ্ট থাকা ও সবর করাই হল সর্বোত্তম চিকিৎসা।

টিকাঃ
৩১৭. সূরা বাকারা-২: ১৫৫-১৫৬
৩১৮. মুসলিম, হাএ.হা/২০১১, মিশকাত, হাএ. হা/৪৫২৮
৩১৯. সূরা হাদীদ-৫৭:২২-২৩
৩২০. সূরা বাকারা-২:১৫৬-১৫৭
৩২১. সহীহ আত-তারগীব ওয়াত তারহীব লিল আলবানী, মাশা. ৩/৩৪০৭

আল্লাহ তা'আলা বলেন- "সুসংবাদ দাও সবরকারীদের। যখন তাঁরা বিপদে পতিত হয়, তখন বলে, নিশ্চয়ই আমরা সবাই আল্লাহ্র জন্য এবং আমরা সবাই তারই সান্নিধ্যে ফিরে যাবো।”
নাবী বলেছেন- যে ব্যক্তি মসীবতে আক্রান্ত হয়ে এই দু’আ পাঠ করবে: «ইন্না লিল্লা-হি ওয়া ইন্না ইলাইহি রজিউ’ন আল্লাহুম্মা আজিরনী ফী মুসীবাতী ওয়া আখলিফ লী খাইরাম মিনহা» তাকে আল্লাহ্ তা'আলা সেই মসীবতে সাহায্য করবেন ও ছাওয়াব দিবেন এবং তাকে উত্তম বদলা দান করবেন।

মসীবতে পতিত হওয়ার সময় দু’টি মূলনীতি মনে রাখা জরুরি: ১. বান্দা এবং তার জানমাল সব আল্লাহর মালিকানাধীন। ২. বান্দার গন্তব্যস্থল হচ্ছে আল্লাহর দিকে। মসীবতে ধৈর্যধারণকারী এবং ইন্না লিল্লাহ্ পাঠকারীগণকে যে নেয়ামত ও ছাওয়াব দেওয়ার ওয়াদা করা হয়েছে, তা মসীবতের চেয়ে বহুগুণ বড়। সুতরাং মসীবতে সন্তুষ্ট থাকা ও সবর করাই হল সর্বোত্তম চিকিৎসা।

টিকাঃ
৩১৭. সূরা বাকারা-২: ১৫৫-১৫৬
৩১৮. মুসলিম, হাএ.হা/২০১১, মিশকাত, হাএ. হা/৪৫২৮
৩১৯. সূরা হাদীদ-৫৭:২২-২৩
৩২০. সূরা বাকারা-২:১৫৬-১৫৭
৩২১. সহীহ আত-তারগীব ওয়াত তারহীব লিল আলবানী, মাশা. ৩/৩৪০৭

📘 মুখতাসার যাদুল মায়াদ 📄 দুঃশ্চিন্তা, বিষণ্নতা ও বিপদাপদের সময় নবী (সাঃ) এর হিদায়াত

📄 দুঃশ্চিন্তা, বিষণ্নতা ও বিপদাপদের সময় নবী (সাঃ) এর হিদায়াত


নাবী বিপদ-মসীবতের সময় এই দু'আ পাঠ করতেনঃ «লা ইলা-হা ইল্লাল্লাহুল আযীমূল হালীম লা ইলা-হা ইল্লাল্লাহু রব্বুল আরশিল আযীম লা ইলা-হা ইল্লাল্লাহু রব্বুস সামা-ওয়া-তি ওয়া রব্বুল আরদি ওয়া রব্বুল আরশিল কারীম»।
বিপদগ্রস্ত লোকের দু'আ হচ্ছেঃ «আল্লাহুম্মা রহমাতাকা আরজু ফালা তাকিলনী ইলা নাফসী তারফাতা আইনিন ওয়া আসলিলী শা'নী কুল্লাাহু লা ইলা-হা ইল্লা আনতা»।
নাবী বলেছেন- মাছের পেটে থাকা অবস্থায় ইউনূস যে দু'আটি করেছিলেন (লা ইলা-হা ইল্লা আনতা সুবহা-নাকা ইন্নী কুনতু মিনায যলিমীন), কোন মুসলিম যদি সেই দু'আ পাঠ করে, তার দু'আ কবুল করা হবে।
দুঃশ্চিন্তা ও পেরেশানীতে নাবী এই দু’আ শিখিয়েছেন: «আল্লাহুম্মা ইন্নী আ’বদুকা ইবনু আ’বদিকা... আন তাজআ’লাল ক্বুরআ-না রবীআ’ ক্বলবী ওয়া নূরা সদরী...»।

টিকাঃ
৩২৩. বুখারী, অধ্যায়ঃ কিতাবুত দাওয়াত, তাও. হা/৬৩৪৬
৩২৪. সহীহ তিরমিযী, মাথ, হা/৩৫২৪, মিশকাত, হাএ. হা/২৪৫৪
৩২৬. মুসনাদে আহমাদ, ইমাম আলবানী হাদীসটিকে সহীহ বলেছেন।
৩২৭. তিরমিযী, অধ্যায়ঃ কিতাবুত দাওয়াত।
৩২৯. সুনানে আবু দাউদ, আলএ. হা/১৫৫৫

নাবী বিপদ-মসীবতের সময় এই দু'আ পাঠ করতেনঃ «লা ইলা-হা ইল্লাল্লাহুল আযীমূল হালীম লা ইলা-হা ইল্লাল্লাহু রব্বুল আরশিল আযীম লা ইলা-হা ইল্লাল্লাহু রব্বুস সামা-ওয়া-তি ওয়া রব্বুল আরদি ওয়া রব্বুল আরশিল কারীম»।
বিপদগ্রস্ত লোকের দু'আ হচ্ছেঃ «আল্লাহুম্মা রহমাতাকা আরজু ফালা তাকিলনী ইলা নাফসী তারফাতা আইনিন ওয়া আসলিলী শা'নী কুল্লাাহু লা ইলা-হা ইল্লা আনতা»।
নাবী বলেছেন- মাছের পেটে থাকা অবস্থায় ইউনূস যে দু'আটি করেছিলেন (লা ইলা-হা ইল্লা আনতা সুবহা-নাকা ইন্নী কুনতু মিনায যলিমীন), কোন মুসলিম যদি সেই দু'আ পাঠ করে, তার দু'আ কবুল করা হবে।
দুঃশ্চিন্তা ও পেরেশানীতে নাবী এই দু’আ শিখিয়েছেন: «আল্লাহুম্মা ইন্নী আ’বদুকা ইবনু আ’বদিকা... আন তাজআ’লাল ক্বুরআ-না রবীআ’ ক্বলবী ওয়া নূরা সদরী...»।

টিকাঃ
৩২৩. বুখারী, অধ্যায়ঃ কিতাবুত দাওয়াত, তাও. হা/৬৩৪৬
৩২৪. সহীহ তিরমিযী, মাথ, হা/৩৫২৪, মিশকাত, হাএ. হা/২৪৫৪
৩২৬. মুসনাদে আহমাদ, ইমাম আলবানী হাদীসটিকে সহীহ বলেছেন।
৩২৭. তিরমিযী, অধ্যায়ঃ কিতাবুত দাওয়াত।
৩২৯. সুনানে আবু দাউদ, আলএ. হা/১৫৫৫

ফন্ট সাইজ
15px
17px