📘 মুখতাসার যাদুল মায়াদ 📄 তিব্বে নববী বা শারীরিক চিকিৎসায় নবী (সাঃ) এর হিদায়াত

📄 তিব্বে নববী বা শারীরিক চিকিৎসায় নবী (সাঃ) এর হিদায়াত


তিব্বে নববী হচ্ছে নাবী এর মুজেযার অংশ। নাবী বদ নযর, বিষাক্ত সাপ-বিচ্ছুর কামড় এবং ফোঁড়ার চিকিৎসায় ঝাড়-ফুঁক করার অনুমতি দিয়েছেন। নাবী বলেছেন- বদ নযর (বদ নযরের প্রভাব) সত্য। বদনযর প্রয়োগকারীকে আদেশ করা হবে, সে যেন একটি পাত্রে তার অঙ্গ-প্রত্যঙ্গ ধৌত করে এবং সেই পানি বদনযরে আক্রান্ত রোগীর শরীরে ঢেলে দেয়া হবে।
বদনযর দুই প্রকার: মানুষের বদনযর এবং জিনদের বদনযর। নাবী জিন এবং মানুষের বদনযর হতে আশ্রয় প্রার্থনা করতেন। হিংসুকের বদনযর দ্বারা মাহসুদের (যাকে হিংসা করা হয়েছে) ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার বিষয়টি সুস্পষ্ট। হিংসুক (হাসেদ) যেহেতু আম অর্থাৎ বদনযর প্রয়োগকারীর চেয়ে অধিকতর ব্যাপক হয়, তাই বদনযর প্রয়োগকারীর পরিবর্তে হিংসুক থেকে আশ্রয় প্রার্থনা করার আদেশ দেওয়া হয়েছে।

তিব্বে নববী হচ্ছে নাবী এর মুজেযার অংশ। নাবী বদ নযর, বিষাক্ত সাপ-বিচ্ছুর কামড় এবং ফোঁড়ার চিকিৎসায় ঝাড়-ফুঁক করার অনুমতি দিয়েছেন। নাবী বলেছেন- বদ নযর (বদ নযরের প্রভাব) সত্য। বদনযর প্রয়োগকারীকে আদেশ করা হবে, সে যেন একটি পাত্রে তার অঙ্গ-প্রত্যঙ্গ ধৌত করে এবং সেই পানি বদনযরে আক্রান্ত রোগীর শরীরে ঢেলে দেয়া হবে।
বদনযর দুই প্রকার: মানুষের বদনযর এবং জিনদের বদনযর। নাবী জিন এবং মানুষের বদনযর হতে আশ্রয় প্রার্থনা করতেন। হিংসুকের বদনযর দ্বারা মাহসুদের (যাকে হিংসা করা হয়েছে) ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার বিষয়টি সুস্পষ্ট। হিংসুক (হাসেদ) যেহেতু আম অর্থাৎ বদনযর প্রয়োগকারীর চেয়ে অধিকতর ব্যাপক হয়, তাই বদনযর প্রয়োগকারীর পরিবর্তে হিংসুক থেকে আশ্রয় প্রার্থনা করার আদেশ দেওয়া হয়েছে।

📘 মুখতাসার যাদুল মায়াদ 📄 বদনযরে আক্রান্ত হলে তার চিকিৎসা

📄 বদনযরে আক্রান্ত হলে তার চিকিৎসা


নাবী বলেছেন- বদনযর, বিষাক্ত কীট-পতঙ্গ এবং বিচ্ছুর কামড়ের বিষ নামানোর ঝাড়-ফুঁক ব্যতীত কোন ঝাড়-ফুঁক নেই। বদনযরের কুপ্রভাব থেকে আত্ম রক্ষার জন্য বেশী বেশী সূরা ফালাক, সূরা নাস, সূরা ফাতেহা এবং আয়াতুল কুরসী পড়া উচিত। নাবী যে সমস্ত দু'আ পড়েছেন, তার কয়েকটি হলঃ
«বসমিল্লাহিল্লাযী লা ইয়াদুররু মা'আসমিহী শাইয়ুন ফিল আরদি ওয়ালা ফিসসামা-ই ওয়া হুয়াস সামী'উল আলীম»
«আ'উযু বিকালিমা-তিল্লাহিত তা-ম্মা-তি মিন শাররি মা খালাক্ব»

টিকাঃ
৩০২. আবু দাউদ, অধ্যায়ঃ কিতাবুত্ তিব্ব, আলএ. হা/৩৮৮৮, সহীহ, আলবানী।
৩০৩. আবু দাউদ, আলএ. হা/৫০৮৮, সহীহ তিরমিযী, মাথ, হা/৩৩৮৮, মিশকাত, মাশা. হা/২৩৯১, সহীহ, আলবানী।
৩০৪. মুসলিম, হাএ. হা/৬৭৭২, সহীহ তিরমিযী, মাথ. হা/৩৪৩৭, মিশকাত, মাশা, হা/২৪২৩, সহীহ, আলবানী।

নাবী বলেছেন- বদনযর, বিষাক্ত কীট-পতঙ্গ এবং বিচ্ছুর কামড়ের বিষ নামানোর ঝাড়-ফুঁক ব্যতীত কোন ঝাড়-ফুঁক নেই। বদনযরের কুপ্রভাব থেকে আত্ম রক্ষার জন্য বেশী বেশী সূরা ফালাক, সূরা নাস, সূরা ফাতেহা এবং আয়াতুল কুরসী পড়া উচিত। নাবী যে সমস্ত দু'আ পড়েছেন, তার কয়েকটি হলঃ
«বসমিল্লাহিল্লাযী লা ইয়াদুররু মা'আসমিহী শাইয়ুন ফিল আরদি ওয়ালা ফিসসামা-ই ওয়া হুয়াস সামী'উল আলীম»
«আ'উযু বিকালিমা-তিল্লাহিত তা-ম্মা-তি মিন শাররি মা খালাক্ব»

টিকাঃ
৩০২. আবু দাউদ, অধ্যায়ঃ কিতাবুত্ তিব্ব, আলএ. হা/৩৮৮৮, সহীহ, আলবানী।
৩০৩. আবু দাউদ, আলএ. হা/৫০৮৮, সহীহ তিরমিযী, মাথ, হা/৩৩৮৮, মিশকাত, মাশা. হা/২৩৯১, সহীহ, আলবানী।
৩০৪. মুসলিম, হাএ. হা/৬৭৭২, সহীহ তিরমিযী, মাথ. হা/৩৪৩৭, মিশকাত, মাশা, হা/২৪২৩, সহীহ, আলবানী।

📘 মুখতাসার যাদুল মায়াদ 📄 কেউ যদি মনে করে যে, তার পক্ষ হতে মানুষের উপর বদনযর লেগে যাচ্ছে তাহলে করণীয় কী?

📄 কেউ যদি মনে করে যে, তার পক্ষ হতে মানুষের উপর বদনযর লেগে যাচ্ছে তাহলে করণীয় কী?


কেউ যদি আশঙ্কা করে যে, তার চোখে দোষ আছে এবং মানুষের উপর তার বদনযর লেগে যায়, তাহলে তার উচিত হল সে নিজেই নিজের চোখের অকল্যাণ দূর করার চেষ্টা করবে। সুতরাং কারও ভাল দেখে সে যেন এই দু’আ পাঠ করে, আল্লাহুম্মা বারিক আলাইহি 'হে আল্লাহ! তুমি তার উপর বরকত নাযিল কর'।

কেউ যদি আশঙ্কা করে যে, তার চোখে দোষ আছে এবং মানুষের উপর তার বদনযর লেগে যায়, তাহলে তার উচিত হল সে নিজেই নিজের চোখের অকল্যাণ দূর করার চেষ্টা করবে। সুতরাং কারও ভাল দেখে সে যেন এই দু’আ পাঠ করে, আল্লাহুম্মা বারিক আলাইহি 'হে আল্লাহ! তুমি তার উপর বরকত নাযিল কর'।

📘 মুখতাসার যাদুল মায়াদ 📄 বদনযর থেকে বাঁচার উপায়

📄 বদনযর থেকে বাঁচার উপায়


বদনযর লাগার আগেই সতর্কতামূলক ব্যবস্থা নেওয়াতে কোন দোষ নেই। নাবী হাসান-হুসাইন কে এই বাক্যের মাধ্যমে ঝাড়-ফুক করতেনঃ «আ'উযু বিকালিমা-তিল্লাহিত তা-ম্মাতি মিন কুল্লি শায়ত্বানিন ওয়াহাম্মাতিন ওয়া মিন কুল্লি আইনিন লা-ম্মাহ»।

অন্যান্য উপায় হলঃ ‘মা-শা-আল্লাহ লা কুওয়াতা ইল্লা বিল্লাহ’ পাঠ করা। ঝাড়-ফুঁকের সেই দু’আ পাঠ করা, যা দিয়ে জিবরীল (আ) নাবী কে ঝাড়-ফুক করেছিলেনঃ «বিসমিল্লাহি আরক্বীকা মিন কুল্লি শায়ইন ইউ'যীকা...»। বদনযরে আক্রান্ত রোগীর জন্য কুরআনের আয়াত লিখে পানিতে ভিজিয়ে সেই পানি রোগীকে পান করানো সালফে সালেহীনদের আমল দ্বারা প্রমাণিত।

টিকাঃ
৩১১. বুখারী, তাও. হা/৩৩৭১, মিশকাত, হাএ. হা/১৫৩৫, সহীহ, আলবানী।
৩১২. বুখারী, অধ্যায়ঃ কিতাবুত্ তিব্ব, তাও. হা/৫৭৩৯, মিশকাত, হাএ. হা/৪৫২৮
৩১৩. বুখারী, অধ্যায়ঃ কিতাবুত্ তিব্ব, তাও. হা/৫৭৩৪, মুসলিম, অধ্যায়ঃ কিতাবুস্ সালাম।
৩১৪. মুসলিম, অধ্যায়ঃ কিতাবুস্ সালাম মাশা, হা/২১৮৬/৪০

বদনযর লাগার আগেই সতর্কতামূলক ব্যবস্থা নেওয়াতে কোন দোষ নেই। নাবী হাসান-হুসাইন কে এই বাক্যের মাধ্যমে ঝাড়-ফুক করতেনঃ «আ'উযু বিকালিমা-তিল্লাহিত তা-ম্মাতি মিন কুল্লি শায়ত্বানিন ওয়াহাম্মাতিন ওয়া মিন কুল্লি আইনিন লা-ম্মাহ»।

অন্যান্য উপায় হলঃ ‘মা-শা-আল্লাহ লা কুওয়াতা ইল্লা বিল্লাহ’ পাঠ করা। ঝাড়-ফুঁকের সেই দু’আ পাঠ করা, যা দিয়ে জিবরীল (আ) নাবী কে ঝাড়-ফুক করেছিলেনঃ «বিসমিল্লাহি আরক্বীকা মিন কুল্লি শায়ইন ইউ'যীকা...»। বদনযরে আক্রান্ত রোগীর জন্য কুরআনের আয়াত লিখে পানিতে ভিজিয়ে সেই পানি রোগীকে পান করানো সালফে সালেহীনদের আমল দ্বারা প্রমাণিত।

টিকাঃ
৩১১. বুখারী, তাও. হা/৩৩৭১, মিশকাত, হাএ. হা/১৫৩৫, সহীহ, আলবানী।
৩১২. বুখারী, অধ্যায়ঃ কিতাবুত্ তিব্ব, তাও. হা/৫৭৩৯, মিশকাত, হাএ. হা/৪৫২৮
৩১৩. বুখারী, অধ্যায়ঃ কিতাবুত্ তিব্ব, তাও. হা/৫৭৩৪, মুসলিম, অধ্যায়ঃ কিতাবুস্ সালাম।
৩১৪. মুসলিম, অধ্যায়ঃ কিতাবুস্ সালাম মাশা, হা/২১৮৬/৪০

ফন্ট সাইজ
15px
17px