📄 তাবুক থেকে ফেরত এসে আবু বকর (রাঃ) কে হজ্জের আমীর বানিয়ে মক্কায় প্রেরণ
রসূল তাবুক হতে ফেরত এসে নবম হিজরী সালে আবু বকর এর নেতৃত্বে মুসলিমদেরকে মক্কায় পাঠালেন যাতে তিনি হজ্জের কার্যাবলী পরিচালনা করতে পারেন। আবু বকর তিনশত লোক নিয়ে বের হয়ে পড়লেন। রওয়ানা দেওয়ার পর রসূল -এর উপর সূরা তাওবা নাযিল হয়। এতে মদীনার মুসলিম এবং মক্কার কুরাইশদের মধ্যকার চুক্তির অবসানের ঘোষণা দেওয়া হয়। তাই আলী নাবী এর উটনীর উপর আরোহন করে বের হয়ে রাস্তায় আবু বকর এর কাফেলার সাথে মিলিত হলেন। আবু বকর হজ্জ করাচ্ছিলেন। আলী তথায় রসূল এর পক্ষ হতে চারটি গুরুত্বপূর্ণ ঘোষণা প্রদান করেন। (১) কোন মুশরিক কাবায় প্রবেশ করতে পারবেনা। (২) উলঙ্গ হয়ে কেউ কাবার তাওয়াফ করতে পারবেনা। (৩) যাদের চুক্তি আছে তাদের মেয়াদ পর্যন্ত বহাল থাকবে, অন্যদের জন্য চার মাস অবকাশ। (৪) মুমিন ব্যক্তি ব্যতীত কেউ জান্নাতে প্রবেশ করতে পারবে না।
রসূল তাবুক হতে ফেরত এসে নবম হিজরী সালে আবু বকর এর নেতৃত্বে মুসলিমদেরকে মক্কায় পাঠালেন যাতে তিনি হজ্জের কার্যাবলী পরিচালনা করতে পারেন। আবু বকর তিনশত লোক নিয়ে বের হয়ে পড়লেন। রওয়ানা দেওয়ার পর রসূল -এর উপর সূরা তাওবা নাযিল হয়। এতে মদীনার মুসলিম এবং মক্কার কুরাইশদের মধ্যকার চুক্তির অবসানের ঘোষণা দেওয়া হয়। তাই আলী নাবী এর উটনীর উপর আরোহন করে বের হয়ে রাস্তায় আবু বকর এর কাফেলার সাথে মিলিত হলেন। আবু বকর হজ্জ করাচ্ছিলেন। আলী তথায় রসূল এর পক্ষ হতে চারটি গুরুত্বপূর্ণ ঘোষণা প্রদান করেন। (১) কোন মুশরিক কাবায় প্রবেশ করতে পারবেনা। (২) উলঙ্গ হয়ে কেউ কাবার তাওয়াফ করতে পারবেনা। (৩) যাদের চুক্তি আছে তাদের মেয়াদ পর্যন্ত বহাল থাকবে, অন্যদের জন্য চার মাস অবকাশ। (৪) মুমিন ব্যক্তি ব্যতীত কেউ জান্নাতে প্রবেশ করতে পারবে না।
📄 তিব্বে নববী বা শারীরিক চিকিৎসায় নবী (সাঃ) এর হিদায়াত
তিব্বে নববী হচ্ছে নাবী এর মুজেযার অংশ। নাবী বদ নযর, বিষাক্ত সাপ-বিচ্ছুর কামড় এবং ফোঁড়ার চিকিৎসায় ঝাড়-ফুঁক করার অনুমতি দিয়েছেন। নাবী বলেছেন- বদ নযর (বদ নযরের প্রভাব) সত্য। বদনযর প্রয়োগকারীকে আদেশ করা হবে, সে যেন একটি পাত্রে তার অঙ্গ-প্রত্যঙ্গ ধৌত করে এবং সেই পানি বদনযরে আক্রান্ত রোগীর শরীরে ঢেলে দেয়া হবে।
বদনযর দুই প্রকার: মানুষের বদনযর এবং জিনদের বদনযর। নাবী জিন এবং মানুষের বদনযর হতে আশ্রয় প্রার্থনা করতেন। হিংসুকের বদনযর দ্বারা মাহসুদের (যাকে হিংসা করা হয়েছে) ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার বিষয়টি সুস্পষ্ট। হিংসুক (হাসেদ) যেহেতু আম অর্থাৎ বদনযর প্রয়োগকারীর চেয়ে অধিকতর ব্যাপক হয়, তাই বদনযর প্রয়োগকারীর পরিবর্তে হিংসুক থেকে আশ্রয় প্রার্থনা করার আদেশ দেওয়া হয়েছে।
তিব্বে নববী হচ্ছে নাবী এর মুজেযার অংশ। নাবী বদ নযর, বিষাক্ত সাপ-বিচ্ছুর কামড় এবং ফোঁড়ার চিকিৎসায় ঝাড়-ফুঁক করার অনুমতি দিয়েছেন। নাবী বলেছেন- বদ নযর (বদ নযরের প্রভাব) সত্য। বদনযর প্রয়োগকারীকে আদেশ করা হবে, সে যেন একটি পাত্রে তার অঙ্গ-প্রত্যঙ্গ ধৌত করে এবং সেই পানি বদনযরে আক্রান্ত রোগীর শরীরে ঢেলে দেয়া হবে।
বদনযর দুই প্রকার: মানুষের বদনযর এবং জিনদের বদনযর। নাবী জিন এবং মানুষের বদনযর হতে আশ্রয় প্রার্থনা করতেন। হিংসুকের বদনযর দ্বারা মাহসুদের (যাকে হিংসা করা হয়েছে) ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার বিষয়টি সুস্পষ্ট। হিংসুক (হাসেদ) যেহেতু আম অর্থাৎ বদনযর প্রয়োগকারীর চেয়ে অধিকতর ব্যাপক হয়, তাই বদনযর প্রয়োগকারীর পরিবর্তে হিংসুক থেকে আশ্রয় প্রার্থনা করার আদেশ দেওয়া হয়েছে।
📄 বদনযরে আক্রান্ত হলে তার চিকিৎসা
নাবী বলেছেন- বদনযর, বিষাক্ত কীট-পতঙ্গ এবং বিচ্ছুর কামড়ের বিষ নামানোর ঝাড়-ফুঁক ব্যতীত কোন ঝাড়-ফুঁক নেই। বদনযরের কুপ্রভাব থেকে আত্ম রক্ষার জন্য বেশী বেশী সূরা ফালাক, সূরা নাস, সূরা ফাতেহা এবং আয়াতুল কুরসী পড়া উচিত। নাবী যে সমস্ত দু'আ পড়েছেন, তার কয়েকটি হলঃ
«বসমিল্লাহিল্লাযী লা ইয়াদুররু মা'আসমিহী শাইয়ুন ফিল আরদি ওয়ালা ফিসসামা-ই ওয়া হুয়াস সামী'উল আলীম»
«আ'উযু বিকালিমা-তিল্লাহিত তা-ম্মা-তি মিন শাররি মা খালাক্ব»
টিকাঃ
৩০২. আবু দাউদ, অধ্যায়ঃ কিতাবুত্ তিব্ব, আলএ. হা/৩৮৮৮, সহীহ, আলবানী।
৩০৩. আবু দাউদ, আলএ. হা/৫০৮৮, সহীহ তিরমিযী, মাথ, হা/৩৩৮৮, মিশকাত, মাশা. হা/২৩৯১, সহীহ, আলবানী।
৩০৪. মুসলিম, হাএ. হা/৬৭৭২, সহীহ তিরমিযী, মাথ. হা/৩৪৩৭, মিশকাত, মাশা, হা/২৪২৩, সহীহ, আলবানী।
নাবী বলেছেন- বদনযর, বিষাক্ত কীট-পতঙ্গ এবং বিচ্ছুর কামড়ের বিষ নামানোর ঝাড়-ফুঁক ব্যতীত কোন ঝাড়-ফুঁক নেই। বদনযরের কুপ্রভাব থেকে আত্ম রক্ষার জন্য বেশী বেশী সূরা ফালাক, সূরা নাস, সূরা ফাতেহা এবং আয়াতুল কুরসী পড়া উচিত। নাবী যে সমস্ত দু'আ পড়েছেন, তার কয়েকটি হলঃ
«বসমিল্লাহিল্লাযী লা ইয়াদুররু মা'আসমিহী শাইয়ুন ফিল আরদি ওয়ালা ফিসসামা-ই ওয়া হুয়াস সামী'উল আলীম»
«আ'উযু বিকালিমা-তিল্লাহিত তা-ম্মা-তি মিন শাররি মা খালাক্ব»
টিকাঃ
৩০২. আবু দাউদ, অধ্যায়ঃ কিতাবুত্ তিব্ব, আলএ. হা/৩৮৮৮, সহীহ, আলবানী।
৩০৩. আবু দাউদ, আলএ. হা/৫০৮৮, সহীহ তিরমিযী, মাথ, হা/৩৩৮৮, মিশকাত, মাশা. হা/২৩৯১, সহীহ, আলবানী।
৩০৪. মুসলিম, হাএ. হা/৬৭৭২, সহীহ তিরমিযী, মাথ. হা/৩৪৩৭, মিশকাত, মাশা, হা/২৪২৩, সহীহ, আলবানী।
📄 কেউ যদি মনে করে যে, তার পক্ষ হতে মানুষের উপর বদনযর লেগে যাচ্ছে তাহলে করণীয় কী?
কেউ যদি আশঙ্কা করে যে, তার চোখে দোষ আছে এবং মানুষের উপর তার বদনযর লেগে যায়, তাহলে তার উচিত হল সে নিজেই নিজের চোখের অকল্যাণ দূর করার চেষ্টা করবে। সুতরাং কারও ভাল দেখে সে যেন এই দু’আ পাঠ করে, আল্লাহুম্মা বারিক আলাইহি 'হে আল্লাহ! তুমি তার উপর বরকত নাযিল কর'।
কেউ যদি আশঙ্কা করে যে, তার চোখে দোষ আছে এবং মানুষের উপর তার বদনযর লেগে যায়, তাহলে তার উচিত হল সে নিজেই নিজের চোখের অকল্যাণ দূর করার চেষ্টা করবে। সুতরাং কারও ভাল দেখে সে যেন এই দু’আ পাঠ করে, আল্লাহুম্মা বারিক আলাইহি 'হে আল্লাহ! তুমি তার উপর বরকত নাযিল কর'।