📄 হারাম অঞ্চলে পড়ে থাকা জিনিস কুড়ানো জায়েয নয়
নাবী আরও বলেন- হারাম অঞ্চলে পড়ে থাকা জিনিষও কুড়ানো যাবেনা। তবে ঘোষণা করে তার প্রকৃত মালিককে খুঁজে বের করার জন্য কুড়ানো জায়েয আছে। এই হাদীছের মাধ্যমে জানা গেল যে, কোন অবস্থাতেই হারাম অঞ্চলের জিনিষের মালিক হওয়া যাবে না এবং শুধু মালিকের কাছে পৌঁছেয়ে দেয়ার জন্যই তা উঠানো জায়েয আছে। সুতরাং কেউ যদি উঠায়, তাহলে প্রকৃত মালিক আসার আগ পর্যন্ত প্রচার করতে হবে।
মক্কা বিজয়ের ঘটনায় এও উল্লেখ আছে যে, কাবা ঘর থেকে মূর্তি ও দেব-দেবীর ছবিগুলো বের করার পূর্বে নাবী তাতে প্রবেশ করেন নি। এতে প্রমাণ পাওয়া যায় যে, মন্দির এবং যেখানে মূর্তি স্থাপন করা হয়েছে সেখানে সলাত আদায় করা জায়েয নেই। মূর্তির স্থানে সলাত আদায় করা পেশাব-পায়খানার স্থানে সলাত পড়ার চেয়েও অধিক দোষণীয়।
নাবী আরও বলেন- হারাম অঞ্চলে পড়ে থাকা জিনিষও কুড়ানো যাবেনা। তবে ঘোষণা করে তার প্রকৃত মালিককে খুঁজে বের করার জন্য কুড়ানো জায়েয আছে। এই হাদীছের মাধ্যমে জানা গেল যে, কোন অবস্থাতেই হারাম অঞ্চলের জিনিষের মালিক হওয়া যাবে না এবং শুধু মালিকের কাছে পৌঁছেয়ে দেয়ার জন্যই তা উঠানো জায়েয আছে। সুতরাং কেউ যদি উঠায়, তাহলে প্রকৃত মালিক আসার আগ পর্যন্ত প্রচার করতে হবে।
মক্কা বিজয়ের ঘটনায় এও উল্লেখ আছে যে, কাবা ঘর থেকে মূর্তি ও দেব-দেবীর ছবিগুলো বের করার পূর্বে নাবী তাতে প্রবেশ করেন নি। এতে প্রমাণ পাওয়া যায় যে, মন্দির এবং যেখানে মূর্তি স্থাপন করা হয়েছে সেখানে সলাত আদায় করা জায়েয নেই। মূর্তির স্থানে সলাত আদায় করা পেশাব-পায়খানার স্থানে সলাত পড়ার চেয়েও অধিক দোষণীয়।
📄 হুনাইনের যুদ্ধ
হাওয়াযেন গোত্র যখন মুসলমানদের মক্কা বিজয়ের সংবাদ পেল তখন মালেক বিন আওয়ফ হাওয়াযেন গোত্রকে ইসলামের বিরুদ্ধে একত্রিত করল। এই বার আল্লাহ্ তা'আলা তাঁর নাবী এবং তাঁর বান্দাদেরকে এমন এক বিরাট শক্তির মাধ্যমে বিজয় দান করলেন, যা মুসলিমদের নিকট ইতিপূর্বে ছিলনা। সাহায্য কেবল আল্লাহর পক্ষ হতেই আগমণ করে থাকে।
আল্লাহ্ তা'আলার হিকমতের দাবী এই ছিল যে, মুসলমানদের সংখ্যা প্রচুর হওয়া সত্ত্বেও তিনি যুদ্ধের প্রথম দিকে তাদেরকে পরাজয়ের স্বাদ ভোগ করালেন। যাতে করে তারা দম্ভ না করে। অতঃপর আল্লাহ্ তা'আলা স্বীয় রসূল এবং মুমিনদের উপর প্রশান্তি নাযিল করেন। বদরের যুদ্ধের মাধ্যমে আরবদের সাথে মুসলমানদের যুদ্ধ শুরু হয়েছে এবং হুনাইনের যুদ্ধের মাধ্যমে শেষ হয়েছে। এই উভয় যুদ্ধেই ফিরিস্তাগণ মুসলমানদের পক্ষে স্বশরীরে যুদ্ধ করেছেন।
হাওয়াযেন গোত্র যখন মুসলমানদের মক্কা বিজয়ের সংবাদ পেল তখন মালেক বিন আওয়ফ হাওয়াযেন গোত্রকে ইসলামের বিরুদ্ধে একত্রিত করল। এই বার আল্লাহ্ তা'আলা তাঁর নাবী এবং তাঁর বান্দাদেরকে এমন এক বিরাট শক্তির মাধ্যমে বিজয় দান করলেন, যা মুসলিমদের নিকট ইতিপূর্বে ছিলনা। সাহায্য কেবল আল্লাহর পক্ষ হতেই আগমণ করে থাকে।
আল্লাহ্ তা'আলার হিকমতের দাবী এই ছিল যে, মুসলমানদের সংখ্যা প্রচুর হওয়া সত্ত্বেও তিনি যুদ্ধের প্রথম দিকে তাদেরকে পরাজয়ের স্বাদ ভোগ করালেন। যাতে করে তারা দম্ভ না করে। অতঃপর আল্লাহ্ তা'আলা স্বীয় রসূল এবং মুমিনদের উপর প্রশান্তি নাযিল করেন। বদরের যুদ্ধের মাধ্যমে আরবদের সাথে মুসলমানদের যুদ্ধ শুরু হয়েছে এবং হুনাইনের যুদ্ধের মাধ্যমে শেষ হয়েছে। এই উভয় যুদ্ধেই ফিরিস্তাগণ মুসলমানদের পক্ষে স্বশরীরে যুদ্ধ করেছেন।
📄 হুনাইন যুদ্ধ থেকে নিম্নলিখিত শিক্ষাগুলো গ্রহণ করা যায়
> হুনাইন যুদ্ধের মাধ্যমে জানা যায় যে, শত্রুদের নিকট থেকে যোদ্ধাস্ত্র ধার নেওয়া যায়।
> অস্ত্র নিয়ে যুদ্ধে যাওয়া আল্লাহর উপর ভরসার পরিপন্থী নয়।
> নাবী সাফওয়ানের নিকট থেকে যুদ্ধের হাতিয়ার ধার নেওয়ার শর্ত করেছিলেন যে, তিনি এর দায়-দায়িত্ব বহন করবেন।
> শত্রুদের ঘোড়া এবং অন্যান্য বাহনকেও আহত করা জায়েয।
> এখান থেকে আরও জানা যায় যে, নাবী ঐ ব্যক্তিকে ক্ষমা করে দিয়েছেন, যে রসূল কে হত্যা করতে চেয়েছিল।
> যুদ্ধের মাধ্যমে প্রাপ্ত মালে গণীমত বণ্টন করায় তাড়াহুড়া করা যাবেনা। বরং অপেক্ষা করতে হবে এবং দেখতে হবে যে, তারা এর মধ্যেই ইসলাম কবুল করে কি না?
> মুসলিমদের ইমাম যদি জনগণের কাছে মাল দাবী করেন, তাহলে তা জায়েয আছে।
> হুনাইন যুদ্ধের মাধ্যমে এও জানা গেল যে, দাস বিক্রি করা, এমন কি পশুর বিনিময়ে পশু বাকীতে এবং কম-বেশী দেয়ার শর্তে বিক্রি করা জায়েয আছে।
> হুনাইন যুদ্ধে নাবী বলেছেন- কেউ যদি কোন কাফেরকে হত্যা করতে পারে, তাহলে সেই কাফেরের কাছ থেকে প্রাপ্ত মাল তারই হবে।
> হুনাইন যুদ্ধ হতে এও জানা গেল যে, মামলা-মুকাদ্দমা ও বিচার-ফয়সালায় অধিকার প্রতিষ্ঠার জন্য একজনের সাক্ষ্যই যথেষ্ট।
> এ থেকে আরও জানা গেল যে, নিহত কাফেরের কাছ থেকে গৃহিত সম্পদে খুমুস লাগানো হবেনা।
> এই যুদ্ধে নাবী এর অনেকগুলো মু'জেযা প্রকাশিত হয়েছিল।
> হুনাইন যুদ্ধের মাধ্যমে জানা যায় যে, শত্রুদের নিকট থেকে যোদ্ধাস্ত্র ধার নেওয়া যায়।
> অস্ত্র নিয়ে যুদ্ধে যাওয়া আল্লাহর উপর ভরসার পরিপন্থী নয়।
> নাবী সাফওয়ানের নিকট থেকে যুদ্ধের হাতিয়ার ধার নেওয়ার শর্ত করেছিলেন যে, তিনি এর দায়-দায়িত্ব বহন করবেন।
> শত্রুদের ঘোড়া এবং অন্যান্য বাহনকেও আহত করা জায়েয।
> এখান থেকে আরও জানা যায় যে, নাবী ঐ ব্যক্তিকে ক্ষমা করে দিয়েছেন, যে রসূল কে হত্যা করতে চেয়েছিল।
> যুদ্ধের মাধ্যমে প্রাপ্ত মালে গণীমত বণ্টন করায় তাড়াহুড়া করা যাবেনা। বরং অপেক্ষা করতে হবে এবং দেখতে হবে যে, তারা এর মধ্যেই ইসলাম কবুল করে কি না?
> মুসলিমদের ইমাম যদি জনগণের কাছে মাল দাবী করেন, তাহলে তা জায়েয আছে।
> হুনাইন যুদ্ধের মাধ্যমে এও জানা গেল যে, দাস বিক্রি করা, এমন কি পশুর বিনিময়ে পশু বাকীতে এবং কম-বেশী দেয়ার শর্তে বিক্রি করা জায়েয আছে।
> হুনাইন যুদ্ধে নাবী বলেছেন- কেউ যদি কোন কাফেরকে হত্যা করতে পারে, তাহলে সেই কাফেরের কাছ থেকে প্রাপ্ত মাল তারই হবে।
> হুনাইন যুদ্ধ হতে এও জানা গেল যে, মামলা-মুকাদ্দমা ও বিচার-ফয়সালায় অধিকার প্রতিষ্ঠার জন্য একজনের সাক্ষ্যই যথেষ্ট।
> এ থেকে আরও জানা গেল যে, নিহত কাফেরের কাছ থেকে গৃহিত সম্পদে খুমুস লাগানো হবেনা।
> এই যুদ্ধে নাবী এর অনেকগুলো মু'জেযা প্রকাশিত হয়েছিল।
📄 তায়েফের যুদ্ধ
হুনাইনের যুদ্ধে তায়েফের ছাকীফ গোত্র পরাজিত হয়ে তাদের সুরক্ষিত দুর্গে আশ্রয় নিল। রসূল ও তাদের উদ্দেশ্যে বের হলেন। নাবী তাদেরকে ১৮ দিন মতান্তরে ২৩ দিন অবরোধ করে রাখলেন। এ সময় মুসলিমগণ তাদের বিরুদ্ধে মিনজানিক দিয়ে আক্রমণ করেন। ঐ দিকে নাবী মুসলমানদেরকে সেখানকার আঙ্গুরের বাগানগুলো কেটে ফেলার নির্দেশ দিলেন। তায়েফবাসীরা রসূল এর কাছে আল্লাহ্ ও আত্মীয়তার দোহাই দিলে তিনি তা ছেড়ে দেন।
রসূল এর পক্ষ হতে একজন ঘোষণাকারী এই বলে ঘোষণা করল যে, ছাকীফ গোত্রের কোন দাস যদি দুর্গ থেকে বের হয়ে আমাদের কাছে চলে আসে, তাহলে সে স্বাধীন। এই ঘোষণা শুনে দশাধিক ক্রীতদাস তাদের থেকে চলে আসল। এরপর রসূল মুসলিম বাহিনীকে ফেরত চলার আদেশ দিলেন। সফর শুরু হলে তিনি বললেন- তোমরা এই দু'আ পাঠ কর- আয়িবুনা তায়িবুনা আবিদুনা লিরব্বিনা হামিদুন 'আমরা প্রত্যাবর্তনকারী, তাওবাকারী, আমাদের প্রভুর ইবাদতকারী এবং তাঁর প্রশংসাকারী'।
হুনাইনের যুদ্ধে তায়েফের ছাকীফ গোত্র পরাজিত হয়ে তাদের সুরক্ষিত দুর্গে আশ্রয় নিল। রসূল ও তাদের উদ্দেশ্যে বের হলেন। নাবী তাদেরকে ১৮ দিন মতান্তরে ২৩ দিন অবরোধ করে রাখলেন। এ সময় মুসলিমগণ তাদের বিরুদ্ধে মিনজানিক দিয়ে আক্রমণ করেন। ঐ দিকে নাবী মুসলমানদেরকে সেখানকার আঙ্গুরের বাগানগুলো কেটে ফেলার নির্দেশ দিলেন। তায়েফবাসীরা রসূল এর কাছে আল্লাহ্ ও আত্মীয়তার দোহাই দিলে তিনি তা ছেড়ে দেন।
রসূল এর পক্ষ হতে একজন ঘোষণাকারী এই বলে ঘোষণা করল যে, ছাকীফ গোত্রের কোন দাস যদি দুর্গ থেকে বের হয়ে আমাদের কাছে চলে আসে, তাহলে সে স্বাধীন। এই ঘোষণা শুনে দশাধিক ক্রীতদাস তাদের থেকে চলে আসল। এরপর রসূল মুসলিম বাহিনীকে ফেরত চলার আদেশ দিলেন। সফর শুরু হলে তিনি বললেন- তোমরা এই দু'আ পাঠ কর- আয়িবুনা তায়িবুনা আবিদুনা লিরব্বিনা হামিদুন 'আমরা প্রত্যাবর্তনকারী, তাওবাকারী, আমাদের প্রভুর ইবাদতকারী এবং তাঁর প্রশংসাকারী'।