📘 মুখতাসার যাদুল মায়াদ 📄 খায়বারের যুদ্ধ থেকে যে সমস্ত মাসআলা জানা যায়

📄 খায়বারের যুদ্ধ থেকে যে সমস্ত মাসআলা জানা যায়


> প্রয়োজন বশতঃ হারাম মাসেও কাফেরদের বিরুদ্ধে যুদ্ধ করা জায়েয আছে। কেননা রসূল মুহাররাম মাসে খায়বারের উদ্দেশ্যে বের হয়েছিলেন।
> গণীমতের মাল বন্টনের সময় অশ্বারোহী যোদ্ধাকে দিতে হবে তিন অংশ এবং পদাতিক সৈন্যকে দিতে হবে এক অংশ।
> যুদ্ধ ক্ষেত্রে কোন সৈনিক যদি খাদ্যদ্রব্য পায়, তাহলে সে ঐ খাদ্যদ্রব্য থেকে খেতে পারবে। তা মুজাহিদদের মধ্যে বণ্টন করার প্রয়োজন নেই। কেননা আব্দুল্লাহ্ ইবনে মুগাফ্ফাল রসূল এর উপস্থিতিতে এক থলে চর্বি একাই নিয়েছিলেন।
> যুদ্ধ শেষ হয়ে গেলে কেউ যদি উপস্থিত হয়, তাহলে যুদ্ধে অংশগ্রহণকারী সৈনিকদের অনুমতি ব্যতীত তাকে গণীমতের অংশ দেয়া যাবেনা।
> খায়বারের যুদ্ধে গৃহপালিত গাধার গোশত হারাম ঘোষণা করা হয়।
> ইমামের জন্য যুদ্ধ বিরতির চুক্তি করা জায়েয আছে। তিনি ইচ্ছা করলে যে কোন সময় সেই চুক্তির পরিসমাপ্তির ঘোষণা দিতে পারেন।
> চুক্তি করার সময় শর্ত করা জায়েয আছে।
> অপরাধীকে শাস্তি দেয়ার পরও আটকিয়ে রাখা জায়েয আছে। এটি ন্যায়পরায়ণ শরীয়তের অন্তর্ভূক্ত, কোন ক্রমেই তা জুলুমের অন্তর্ভুক্ত নয়।
> সুষ্পষ্ট প্রমাণ না পাওয়া গেলেও আলামত দ্বারা বিচার করা জায়েয আছে।
> যিম্মীরা যদি চুক্তির কোন শর্ত ভঙ্গ করে, তাহলে তাদের নিরাপত্তার কোন গ্যারান্টি থাকেনা। তখন তাদের জান-মাল হালাল হয়ে যাবে।
> গণীমতের মাল ভাগ হওয়ার পূর্বে কেউ যদি তা থেকে কিছু নিয়ে নেয়, তাহলে সে ঐ বস্তুর মালিক হয়ে যায়না।
> নেকফাল (শুভ লক্ষণ) গ্রহণ করা মুস্তাহাব। খায়বারবাসীদেরকে কোদাল নিয়ে বের হতে দেখে নাবী বলেছিলেন- খায়বার ধ্বংস হবে।
> মুসলিমদের সাথে চুক্তি করার পর অমুসলিমরা যদি সেই চুক্তি ভঙ্গ করে এবং ভঙ্গকারী সম্প্রদায় যদি প্রভাবশালী হয়, তাহলে তাদের মহিলাদের ক্ষেত্রেও চুক্তি ভঙ্গ হয়েছে বলে ধরে নিতে হবে।
> নিজের দাসীকে মুক্ত করে বিবাহ করা এবং মুক্ত করাকেই বিবাহের মোহরানা নির্ধারণ করা জায়েয আছে।
> নিজের হক আদায় করতে গিয়ে নিজের ব্যাপারে বা অন্যের ব্যাপারে মিথ্যা বলা জায়েয আছে। তবে শর্ত হল, যাতে এ রূপ মিথ্যা বলায় অন্যের কোন ক্ষতি না হয় এবং সেই সাথে তার উদ্দেশ্যও হাসিল হয়।
> অমুসলিমদের হাদীয়া (উপহার) গ্রহণ করা জায়েয আছে।
> সফর অবস্থায় বিয়ে করা ও নব বধুর সাথে বাসর করাও জায়েয।
> কেউ যদি কোন মুসলিমকে বিষ প্রয়োগ করে হত্যা করে, তাহলে হত্যাকারীকেও কিসাস স্বরূপ হত্যা করতে হবে।
> আহলে কিতাব তথা ইহুদী ও খৃষ্টানদের যবেহ কৃত পশুর গোশত এবং তাদের খাদ্য মুসলিমদের জন্য হালাল।

> প্রয়োজন বশতঃ হারাম মাসেও কাফেরদের বিরুদ্ধে যুদ্ধ করা জায়েয আছে। কেননা রসূল মুহাররাম মাসে খায়বারের উদ্দেশ্যে বের হয়েছিলেন।
> গণীমতের মাল বন্টনের সময় অশ্বারোহী যোদ্ধাকে দিতে হবে তিন অংশ এবং পদাতিক সৈন্যকে দিতে হবে এক অংশ।
> যুদ্ধ ক্ষেত্রে কোন সৈনিক যদি খাদ্যদ্রব্য পায়, তাহলে সে ঐ খাদ্যদ্রব্য থেকে খেতে পারবে। তা মুজাহিদদের মধ্যে বণ্টন করার প্রয়োজন নেই। কেননা আব্দুল্লাহ্ ইবনে মুগাফ্ফাল রসূল এর উপস্থিতিতে এক থলে চর্বি একাই নিয়েছিলেন।
> যুদ্ধ শেষ হয়ে গেলে কেউ যদি উপস্থিত হয়, তাহলে যুদ্ধে অংশগ্রহণকারী সৈনিকদের অনুমতি ব্যতীত তাকে গণীমতের অংশ দেয়া যাবেনা।
> খায়বারের যুদ্ধে গৃহপালিত গাধার গোশত হারাম ঘোষণা করা হয়।
> ইমামের জন্য যুদ্ধ বিরতির চুক্তি করা জায়েয আছে। তিনি ইচ্ছা করলে যে কোন সময় সেই চুক্তির পরিসমাপ্তির ঘোষণা দিতে পারেন।
> চুক্তি করার সময় শর্ত করা জায়েয আছে।
> অপরাধীকে শাস্তি দেয়ার পরও আটকিয়ে রাখা জায়েয আছে। এটি ন্যায়পরায়ণ শরীয়তের অন্তর্ভূক্ত, কোন ক্রমেই তা জুলুমের অন্তর্ভুক্ত নয়।
> সুষ্পষ্ট প্রমাণ না পাওয়া গেলেও আলামত দ্বারা বিচার করা জায়েয আছে।
> যিম্মীরা যদি চুক্তির কোন শর্ত ভঙ্গ করে, তাহলে তাদের নিরাপত্তার কোন গ্যারান্টি থাকেনা। তখন তাদের জান-মাল হালাল হয়ে যাবে।
> গণীমতের মাল ভাগ হওয়ার পূর্বে কেউ যদি তা থেকে কিছু নিয়ে নেয়, তাহলে সে ঐ বস্তুর মালিক হয়ে যায়না।
> নেকফাল (শুভ লক্ষণ) গ্রহণ করা মুস্তাহাব। খায়বারবাসীদেরকে কোদাল নিয়ে বের হতে দেখে নাবী বলেছিলেন- খায়বার ধ্বংস হবে।
> মুসলিমদের সাথে চুক্তি করার পর অমুসলিমরা যদি সেই চুক্তি ভঙ্গ করে এবং ভঙ্গকারী সম্প্রদায় যদি প্রভাবশালী হয়, তাহলে তাদের মহিলাদের ক্ষেত্রেও চুক্তি ভঙ্গ হয়েছে বলে ধরে নিতে হবে।
> নিজের দাসীকে মুক্ত করে বিবাহ করা এবং মুক্ত করাকেই বিবাহের মোহরানা নির্ধারণ করা জায়েয আছে।
> নিজের হক আদায় করতে গিয়ে নিজের ব্যাপারে বা অন্যের ব্যাপারে মিথ্যা বলা জায়েয আছে। তবে শর্ত হল, যাতে এ রূপ মিথ্যা বলায় অন্যের কোন ক্ষতি না হয় এবং সেই সাথে তার উদ্দেশ্যও হাসিল হয়।
> অমুসলিমদের হাদীয়া (উপহার) গ্রহণ করা জায়েয আছে।
> সফর অবস্থায় বিয়ে করা ও নব বধুর সাথে বাসর করাও জায়েয।
> কেউ যদি কোন মুসলিমকে বিষ প্রয়োগ করে হত্যা করে, তাহলে হত্যাকারীকেও কিসাস স্বরূপ হত্যা করতে হবে।
> আহলে কিতাব তথা ইহুদী ও খৃষ্টানদের যবেহ কৃত পশুর গোশত এবং তাদের খাদ্য মুসলিমদের জন্য হালাল।

📘 মুখতাসার যাদুল মায়াদ 📄 মহান বিজয়ের (মক্কা বিজয়ের) ঘটনা

📄 মহান বিজয়ের (মক্কা বিজয়ের) ঘটনা


অষ্টম হিজরীর রমযান মাসের দশ দিন অতিবাহিত হওয়ার পর নাবী ১০ হাজার মুজাহিদের একটি বাহিনী নিয়ে মক্কার উদ্দেশ্যে বের হলেন। মক্কা আক্রমণ ও জয় করার কারণ হচ্ছে, কুরাইশরা হুদায়বিয়ার সন্ধি চুক্তি ভঙ্গ করেছিল। ইসলামী বাহিনী যখন 'মারুয যাহরান' নামক স্থানে পৌঁছল তখন রাতের বেলা নাবী সাহাবীদেরকে আগুন জ্বালানোর আদেশ দিলেন। অতঃপর নাবী মুজাহিদ বাহিনীকে সাথে নিয়ে বিনা বাধায় মক্কায় প্রবেশ করলেন। প্রথমে তিনি কাবা ঘরের দিকে গেলেন। কাবায় গিয়ে তিনি আল্লাহর ঘরের তাওয়াফ করলেন। কাবার অভ্যন্তরে ৩৬০টি মূর্তি ছিল। ধনুকের মাধ্যমে এক এক করে তিনি মূর্তিগুলোকে ভেঙ্গে ফেললেন। এ সময় তিনি কুরআনের এই আয়াতটি পাঠ করছিলেন-
وَقُلْ جَاءَ الْحَقُّ وَزَهُقَ الْبَاطِلُ إِنَّ الْبَاطِلَ كَانَ زَهُوقًا
"বলঃ সত্য এসেছে এবং মিথ্যা বিলুপ্ত হয়েছে। নিশ্চয়ই মিথ্যা বিলুপ্ত হওয়ারই ছিল"। অতঃপর নাবী কাবার ভিতরে প্রবেশ করলেন এবং সলাত পড়লেন। তিনি কুরাইশদেরকে সম্বোধন করে বললেন- হে কুরাইশ সম্প্রদায়? তোমাদের সাথে আজ আমি কেমন আচরণ করব বলে মনে কর? সকলেই উচ্চকণ্ঠে ঘোষণা করতে লাগল- আমরা আপনার কাছ থেকে খুব ভাল আচরণ কামনা করছি। তিনি বললেন- আজ তোমাদের উপর কোন অভিযোগ নেই। তোমরা মুক্ত-স্বাধীন।

অষ্টম হিজরীর রমযান মাসের দশ দিন অতিবাহিত হওয়ার পর নাবী ১০ হাজার মুজাহিদের একটি বাহিনী নিয়ে মক্কার উদ্দেশ্যে বের হলেন। মক্কা আক্রমণ ও জয় করার কারণ হচ্ছে, কুরাইশরা হুদায়বিয়ার সন্ধি চুক্তি ভঙ্গ করেছিল। ইসলামী বাহিনী যখন 'মারুয যাহরান' নামক স্থানে পৌঁছল তখন রাতের বেলা নাবী সাহাবীদেরকে আগুন জ্বালানোর আদেশ দিলেন। অতঃপর নাবী মুজাহিদ বাহিনীকে সাথে নিয়ে বিনা বাধায় মক্কায় প্রবেশ করলেন। প্রথমে তিনি কাবা ঘরের দিকে গেলেন। কাবায় গিয়ে তিনি আল্লাহর ঘরের তাওয়াফ করলেন। কাবার অভ্যন্তরে ৩৬০টি মূর্তি ছিল। ধনুকের মাধ্যমে এক এক করে তিনি মূর্তিগুলোকে ভেঙ্গে ফেললেন। এ সময় তিনি কুরআনের এই আয়াতটি পাঠ করছিলেন-
وَقُلْ جَاءَ الْحَقُّ وَزَهُقَ الْبَاطِلُ إِنَّ الْبَاطِلَ كَانَ زَهُوقًا
"বলঃ সত্য এসেছে এবং মিথ্যা বিলুপ্ত হয়েছে। নিশ্চয়ই মিথ্যা বিলুপ্ত হওয়ারই ছিল"। অতঃপর নাবী কাবার ভিতরে প্রবেশ করলেন এবং সলাত পড়লেন। তিনি কুরাইশদেরকে সম্বোধন করে বললেন- হে কুরাইশ সম্প্রদায়? তোমাদের সাথে আজ আমি কেমন আচরণ করব বলে মনে কর? সকলেই উচ্চকণ্ঠে ঘোষণা করতে লাগল- আমরা আপনার কাছ থেকে খুব ভাল আচরণ কামনা করছি। তিনি বললেন- আজ তোমাদের উপর কোন অভিযোগ নেই। তোমরা মুক্ত-স্বাধীন।

📘 মুখতাসার যাদুল মায়াদ 📄 মক্কা বিজয়ের ঘটনা থেকে যে সমস্ত মাসআলা জানা যায়

📄 মক্কা বিজয়ের ঘটনা থেকে যে সমস্ত মাসআলা জানা যায়


> চুক্তিবদ্ধ কাফেররা যদি চুক্তি ভঙ্গ করে তাহলে তাদের উপর হঠাৎ আক্রমণ করা জায়েয আছে। হামলার খবর তাদেরকে জানানো জরুরী নয়।
> চুক্তিবদ্ধদের কোন লোক চুক্তি ভঙ্গ করলে এবং বাকীরা চুক্তি ভঙ্গ না করলেও যদি তারা এতে সম্মতি দেয় তাহলে সকলেই চুক্তি ভঙ্গ করেছে বলে গণ্য হবে।
> প্রয়োজনে শত্রুদের সাথে দীর্ঘ মেয়াদী শান্তিচুক্তি করা যেতে পারে।
> শত্রুদের সামনে মুসলমানদের সংখ্যা, শক্তি ও শান-শওকত প্রকাশ করা মুস্তাহাব।
> কাফেরদের দূতকে হত্যা করা যাবে না।
> গোয়েন্দা মুসলিম হলেও তাঁকে হত্যা করা জায়েয আছে।
> বিশেষ প্রয়োজনে মহিলাকে উলঙ্গ করার ধমক দেওয়া জায়েয আছে।
> কেউ যদি কোন মুসলমানকে আল্লাহর সন্তুষ্টির জন্য এবং দ্বীনের জন্য রসূান্বিত হয়ে কাফের বা মুনাফেক বলে দেয়, তাহলে সে গুনাহগার হবেনা।
> মক্কা বিজয়ের ঘটনা থেকে আরও জানা গেল যে, ইহরাম ছাড়াই যুদ্ধের উদ্দেশ্যে মক্কায় প্রবেশ করা জায়েয।
> মক্কা বিজয়ের দিন রসূল বলেছেন- আল্লাহ্ তা'আলা মক্কাকে সম্মান দিয়ে সৃষ্টি করেছেন। নাবী বলেন- উহাতে রক্তপাত করা যাবেনা। হারামের কাঁটাযুক্ত গাছও কর্তন করা যাবেনা।
> হারাম অঞ্চলের শিকারকে তাড়ানো যাবেনা।
> মক্কা বিজয়ের ঘটনাতে আরও প্রমাণ পাওয়া যায় যে, কোন একজন মহিলা যদি একজন বা দুইজন পুরুষকে নিরাপত্তা দেয়, তাহলে প্রদত্ত নিরাপত্তার প্রতি সম্মান করতে হবে।
> মুরতাদের কাছে তাওবা পেশ না করেই তাকে হত্যা করা জায়েয আছে।

টিকাঃ
২৭৩. সূরা হুদ-১১:১১৪
২৭৪. সূরা বাকারা-২: ২৬৪

> চুক্তিবদ্ধ কাফেররা যদি চুক্তি ভঙ্গ করে তাহলে তাদের উপর হঠাৎ আক্রমণ করা জায়েয আছে। হামলার খবর তাদেরকে জানানো জরুরী নয়।
> চুক্তিবদ্ধদের কোন লোক চুক্তি ভঙ্গ করলে এবং বাকীরা চুক্তি ভঙ্গ না করলেও যদি তারা এতে সম্মতি দেয় তাহলে সকলেই চুক্তি ভঙ্গ করেছে বলে গণ্য হবে।
> প্রয়োজনে শত্রুদের সাথে দীর্ঘ মেয়াদী শান্তিচুক্তি করা যেতে পারে।
> শত্রুদের সামনে মুসলমানদের সংখ্যা, শক্তি ও শান-শওকত প্রকাশ করা মুস্তাহাব।
> কাফেরদের দূতকে হত্যা করা যাবে না।
> গোয়েন্দা মুসলিম হলেও তাঁকে হত্যা করা জায়েয আছে।
> বিশেষ প্রয়োজনে মহিলাকে উলঙ্গ করার ধমক দেওয়া জায়েয আছে।
> কেউ যদি কোন মুসলমানকে আল্লাহর সন্তুষ্টির জন্য এবং দ্বীনের জন্য রসূান্বিত হয়ে কাফের বা মুনাফেক বলে দেয়, তাহলে সে গুনাহগার হবেনা।
> মক্কা বিজয়ের ঘটনা থেকে আরও জানা গেল যে, ইহরাম ছাড়াই যুদ্ধের উদ্দেশ্যে মক্কায় প্রবেশ করা জায়েয।
> মক্কা বিজয়ের দিন রসূল বলেছেন- আল্লাহ্ তা'আলা মক্কাকে সম্মান দিয়ে সৃষ্টি করেছেন। নাবী বলেন- উহাতে রক্তপাত করা যাবেনা। হারামের কাঁটাযুক্ত গাছও কর্তন করা যাবেনা।
> হারাম অঞ্চলের শিকারকে তাড়ানো যাবেনা।
> মক্কা বিজয়ের ঘটনাতে আরও প্রমাণ পাওয়া যায় যে, কোন একজন মহিলা যদি একজন বা দুইজন পুরুষকে নিরাপত্তা দেয়, তাহলে প্রদত্ত নিরাপত্তার প্রতি সম্মান করতে হবে।
> মুরতাদের কাছে তাওবা পেশ না করেই তাকে হত্যা করা জায়েয আছে।

টিকাঃ
২৭৩. সূরা হুদ-১১:১১৪
২৭৪. সূরা বাকারা-২: ২৬৪

📘 মুখতাসার যাদুল মায়াদ 📄 হারাম অঞ্চলে পড়ে থাকা জিনিস কুড়ানো জায়েয নয়

📄 হারাম অঞ্চলে পড়ে থাকা জিনিস কুড়ানো জায়েয নয়


নাবী আরও বলেন- হারাম অঞ্চলে পড়ে থাকা জিনিষও কুড়ানো যাবেনা। তবে ঘোষণা করে তার প্রকৃত মালিককে খুঁজে বের করার জন্য কুড়ানো জায়েয আছে। এই হাদীছের মাধ্যমে জানা গেল যে, কোন অবস্থাতেই হারাম অঞ্চলের জিনিষের মালিক হওয়া যাবে না এবং শুধু মালিকের কাছে পৌঁছেয়ে দেয়ার জন্যই তা উঠানো জায়েয আছে। সুতরাং কেউ যদি উঠায়, তাহলে প্রকৃত মালিক আসার আগ পর্যন্ত প্রচার করতে হবে।

মক্কা বিজয়ের ঘটনায় এও উল্লেখ আছে যে, কাবা ঘর থেকে মূর্তি ও দেব-দেবীর ছবিগুলো বের করার পূর্বে নাবী তাতে প্রবেশ করেন নি। এতে প্রমাণ পাওয়া যায় যে, মন্দির এবং যেখানে মূর্তি স্থাপন করা হয়েছে সেখানে সলাত আদায় করা জায়েয নেই। মূর্তির স্থানে সলাত আদায় করা পেশাব-পায়খানার স্থানে সলাত পড়ার চেয়েও অধিক দোষণীয়।

নাবী আরও বলেন- হারাম অঞ্চলে পড়ে থাকা জিনিষও কুড়ানো যাবেনা। তবে ঘোষণা করে তার প্রকৃত মালিককে খুঁজে বের করার জন্য কুড়ানো জায়েয আছে। এই হাদীছের মাধ্যমে জানা গেল যে, কোন অবস্থাতেই হারাম অঞ্চলের জিনিষের মালিক হওয়া যাবে না এবং শুধু মালিকের কাছে পৌঁছেয়ে দেয়ার জন্যই তা উঠানো জায়েয আছে। সুতরাং কেউ যদি উঠায়, তাহলে প্রকৃত মালিক আসার আগ পর্যন্ত প্রচার করতে হবে।

মক্কা বিজয়ের ঘটনায় এও উল্লেখ আছে যে, কাবা ঘর থেকে মূর্তি ও দেব-দেবীর ছবিগুলো বের করার পূর্বে নাবী তাতে প্রবেশ করেন নি। এতে প্রমাণ পাওয়া যায় যে, মন্দির এবং যেখানে মূর্তি স্থাপন করা হয়েছে সেখানে সলাত আদায় করা জায়েয নেই। মূর্তির স্থানে সলাত আদায় করা পেশাব-পায়খানার স্থানে সলাত পড়ার চেয়েও অধিক দোষণীয়।

ফন্ট সাইজ
15px
17px