📄 উহুদ যুদ্ধে যে সমস্ত হুকুম-আহকাম ও শিক্ষণীয় বিষয় রয়েছে
> যুদ্ধ শুরু করার পর তা চালিয়ে যাওয়া আবশ্যক। সুতরাং যে ব্যক্তি যুদ্ধের পোশাক পরিধান করবে এবং মাঠে নেমে যাবে তার জন্য যুদ্ধ থেকে সরে আসা বৈধ নয়।
> মুসলিম দেশে শত্রু আগমণ করে হামলা করলে মুসলমানদের জন্য নগর ফটকের বাইরে গিয়ে শত্রুকে প্রতিহত করা আবশ্যক নয়।
> যে সমস্ত শিশু যুদ্ধের ক্ষমতা রাখেনা তাদেরকে যুদ্ধের অনুমতি দেয়া হবেনা।
> জিহাদের ক্ষেত্রে মহিলাদের দ্বারাও সাহায্য নেওয়া যেতে পারে
> যুদ্ধের ময়দানে শত্রুদলের মধ্যে ঢুকে পড়া জায়েয আছে। যেমনটি করেছিলেন আনাস বিন নযর।
> ইমাম যদি আহত হয়ে যান আর তিনি যদি বসে সলাতের ইমামতি করেন, তাহলে পিছনের লোকেরাও বসে সলাত পড়বে।
> আল্লাহর কাছে শাহাদাতের তামান্না (আশা) করা এবং দু'আ করা দোষের কিছু নয়। যেমন আব্দুল্লাহ্ বিন জাহাশ শাহাদাত কামনা করেছিলেন।
> কোন মুসলিম যদি আত্মহত্যা করে তাহলে সে জাহান্নামী হবে। কাযমান যখন উহুদ যুদ্ধে আহত হলেন তখন সে জখমের জ্বালা সহ্য করতে না পেরে আত্মহত্যা করল। নাবী তা জানতে পেরে বললেন- সে জাহান্নামী।
> যুদ্ধক্ষেত্রে যারা শহীদ হবে তাদেরকে গোসল দেয়া হবেনা এবং তাদের জানাযা পড়া হবেনা। যে পোষাকে তারা নিহত হবেন সেই পোষাকেই তাদেরকে দাফন করা হবে। তবে শত্রুরা যদি তার পোশাক ছিনিয়ে নেয় তাহলে অন্য পোষাকে কাফন পরাতে হবে। আর কেউ যদি স্ত্রী সহবাস জনিত কারণে নাপাক থাকে তাহলে গোসল দেয়া হবে। যেমন হানযালা কে ফিরিস্তারা গোসল দিয়েছিলেন।
> যুদ্ধের শহীদদেরকে যুদ্ধের ময়দানেই দাফন করতে হবে। কেননা উহুদের যে সমস্ত শহীদকে মদীনায় বহন করে নেওয়া হয়েছিল নাবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তাদেরকে উহুদের মাঠে ফেরত নিয়ে তথায় দাফন করতে আদেশ দিয়েছেন।
> এক কবরে দুইজন বা তিনজন মৃতকে দাফন করা জায়েয আছে।
> বিকলাঙ্গ বা অন্য কোন উযর (ওযূহাত) থাকার কারণে যাদের জন্য জিহাদে বের না হওয়ার অনুমতি আছে, ইচ্ছা করলে তারাও জিহাদে বের হতে পারে। যেমন নাবী একজন লেংড়া সাহাবীকে যুদ্ধের অনুমতি দিয়েছিলেন।
> কোন মুসলিম যদি যুদ্ধের ময়দানে ভুলক্রমে অন্য কোন মুসলিমকে হত্যা করে ফেলে, তাহলে বাইতুল মাল থেকে দিয়ত পরিশোধ করতে হবে। কেননা রসূল হুযায়ফা বিন ইয়ামানের পিতার দিয়ত দিতে চেয়েছিলেন। কিন্তু হুযায়ফা তা গ্রহণ করতে অস্বীকার করেছেন।
টিকাঃ
২৫৮. সুনানে নাসাঈ, অধ্যায়ঃ সলাতে পিঠ সোজা করা। ইমাম আলবানী হাদীসটিকে সহীহ বলেছেন, সহীহ ওয়া যঈফু সুনানে নাসাঈ, হা. ১০২৭।
> যুদ্ধ শুরু করার পর তা চালিয়ে যাওয়া আবশ্যক। সুতরাং যে ব্যক্তি যুদ্ধের পোশাক পরিধান করবে এবং মাঠে নেমে যাবে তার জন্য যুদ্ধ থেকে সরে আসা বৈধ নয়।
> মুসলিম দেশে শত্রু আগমণ করে হামলা করলে মুসলমানদের জন্য নগর ফটকের বাইরে গিয়ে শত্রুকে প্রতিহত করা আবশ্যক নয়।
> যে সমস্ত শিশু যুদ্ধের ক্ষমতা রাখেনা তাদেরকে যুদ্ধের অনুমতি দেয়া হবেনা।
> জিহাদের ক্ষেত্রে মহিলাদের দ্বারাও সাহায্য নেওয়া যেতে পারে
> যুদ্ধের ময়দানে শত্রুদলের মধ্যে ঢুকে পড়া জায়েয আছে। যেমনটি করেছিলেন আনাস বিন নযর।
> ইমাম যদি আহত হয়ে যান আর তিনি যদি বসে সলাতের ইমামতি করেন, তাহলে পিছনের লোকেরাও বসে সলাত পড়বে।
> আল্লাহর কাছে শাহাদাতের তামান্না (আশা) করা এবং দু'আ করা দোষের কিছু নয়। যেমন আব্দুল্লাহ্ বিন জাহাশ শাহাদাত কামনা করেছিলেন।
> কোন মুসলিম যদি আত্মহত্যা করে তাহলে সে জাহান্নামী হবে। কাযমান যখন উহুদ যুদ্ধে আহত হলেন তখন সে জখমের জ্বালা সহ্য করতে না পেরে আত্মহত্যা করল। নাবী তা জানতে পেরে বললেন- সে জাহান্নামী।
> যুদ্ধক্ষেত্রে যারা শহীদ হবে তাদেরকে গোসল দেয়া হবেনা এবং তাদের জানাযা পড়া হবেনা। যে পোষাকে তারা নিহত হবেন সেই পোষাকেই তাদেরকে দাফন করা হবে। তবে শত্রুরা যদি তার পোশাক ছিনিয়ে নেয় তাহলে অন্য পোষাকে কাফন পরাতে হবে। আর কেউ যদি স্ত্রী সহবাস জনিত কারণে নাপাক থাকে তাহলে গোসল দেয়া হবে। যেমন হানযালা কে ফিরিস্তারা গোসল দিয়েছিলেন।
> যুদ্ধের শহীদদেরকে যুদ্ধের ময়দানেই দাফন করতে হবে। কেননা উহুদের যে সমস্ত শহীদকে মদীনায় বহন করে নেওয়া হয়েছিল নাবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তাদেরকে উহুদের মাঠে ফেরত নিয়ে তথায় দাফন করতে আদেশ দিয়েছেন।
> এক কবরে দুইজন বা তিনজন মৃতকে দাফন করা জায়েয আছে।
> বিকলাঙ্গ বা অন্য কোন উযর (ওযূহাত) থাকার কারণে যাদের জন্য জিহাদে বের না হওয়ার অনুমতি আছে, ইচ্ছা করলে তারাও জিহাদে বের হতে পারে। যেমন নাবী একজন লেংড়া সাহাবীকে যুদ্ধের অনুমতি দিয়েছিলেন।
> কোন মুসলিম যদি যুদ্ধের ময়দানে ভুলক্রমে অন্য কোন মুসলিমকে হত্যা করে ফেলে, তাহলে বাইতুল মাল থেকে দিয়ত পরিশোধ করতে হবে। কেননা রসূল হুযায়ফা বিন ইয়ামানের পিতার দিয়ত দিতে চেয়েছিলেন। কিন্তু হুযায়ফা তা গ্রহণ করতে অস্বীকার করেছেন।
টিকাঃ
২৫৮. সুনানে নাসাঈ, অধ্যায়ঃ সলাতে পিঠ সোজা করা। ইমাম আলবানী হাদীসটিকে সহীহ বলেছেন, সহীহ ওয়া যঈফু সুনানে নাসাঈ, হা. ১০২৭।
> যুদ্ধ শুরু করার পর তা চালিয়ে যাওয়া আবশ্যক। সুতরাং যে ব্যক্তি যুদ্ধের পোশাক পরিধান করবে এবং মাঠে নেমে যাবে তার জন্য যুদ্ধ থেকে সরে আসা বৈধ নয়।
> মুসলিম দেশে শত্রু আগমণ করে হামলা করলে মুসলমানদের জন্য নগর ফটকের বাইরে গিয়ে শত্রুকে প্রতিহত করা আবশ্যক নয়।
> যে সমস্ত শিশু যুদ্ধের ক্ষমতা রাখেনা তাদেরকে যুদ্ধের অনুমতি দেয়া হবেনা।
> জিহাদের ক্ষেত্রে মহিলাদের দ্বারাও সাহায্য নেওয়া যেতে পারে।
> যুদ্ধের ময়দানে শত্রুদলের মধ্যে ঢুকে পড়া জায়েয আছে। যেমনটি করেছিলেন আনাস বিন নযর।
> ইমাম যদি আহত হয়ে যান আর তিনি যদি বসে সলাতের ইমামতি করেন, তাহলে পিছনের লোকেরাও বসে সলাত পড়বে।
> আল্লাহর কাছে শাহাদাতের তামান্না (আশা) করা এবং দু'আ করা দোষের কিছু নয়। যেমন আব্দুল্লাহ্ বিন জাহাশ শাহাদাত কামনা করেছিলেন।
> কোন মুসলিম যদি আত্মহত্যা করে তাহলে সে জাহান্নামী হবে। কাযমান যখন উহুদ যুদ্ধে আহত হলেন তখন সে জখমের জ্বালা সহ্য করতে না পেরে আত্ম হত্যা করল। নাবী তা জানতে পেরে বললেন- সে জাহান্নামী।
> যুদ্ধক্ষেত্রে যারা শহীদ হবে তাদেরকে গোসল দেয়া হবেনা এবং তাদের জানাযা পড়া হবেনা। যে পোশাকে তারা নিহত হবেন সেই পোশাকেই তাদেরকে দাফন করা হবে। তবে শত্রুরা যদি তার পোশাক ছিনিয়ে নেয় তাহলে অন্য পোশাকে কাফন পরাতে হবে। আর কেউ যদি স্ত্রী সহবাস জনিত কারণে নাপাক থাকে তাহলে গোসল দেয়া হবে। যেমন হানযালা কে ফিরিস্তারা গোসল দিয়েছিলেন। শহীদদের পরিহিত পোশাকেই দাফন করা মুস্তাহাব না ওয়াজিব? এ ব্যাপারে আলেমগণ মতভেদ করেছেন। তবে সঠিক কথা হচ্ছে তা ওয়াজিব।
> যুদ্ধের শহীদদেরকে যুদ্ধের ময়দানেই দাফন করতে হবে। কেননা উহুদের যে সমস্ত শহীদকে মদীনায় বহন করে নেওয়া হয়েছিল নাবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তাদেরকে উহুদের মাঠে ফেরত নিয়ে তথায় দাফন করতে আদেশ দিয়েছেন।
> এক কবরে দুইজন বা তিনজন মৃতকে দাফন করা জায়েয আছে।
> বিকলাঙ্গ বা অন্য কোন উযর (ওযূহাত) থাকার কারণে যাদের জন্য জিহাদে বের না হওয়ার অনুমতি আছে, ইচ্ছা করলে তারাও জিহাদে বের হতে পারে। যেমন নাবী একজন লেংড়া সাহাবীকে যুদ্ধের অনুমতি দিয়েছিলেন।
> কোন মুসলিম যদি যুদ্ধের ময়দানে ভুলক্রমে অন্য কোন মুসলিমকে হত্যা করে ফেলে, তাহলে বাইতুল মাল থেকে দিয়ত পরিশোধ করতে হবে। কেননা রসূল হুযায়ফা বিন ইয়ামানের পিতার দিয়ত দিতে চেয়েছিলেন। কিন্তু হুযায়ফা তা গ্রহণ করতে অস্বীকার করেছেন।
টিকাঃ
২৫৮. ওয়ান ইলাল ইমমা ইযা জুরাহা সলা বিহিম কায়িদান ওয়া সল্লু ওয়া রা-আহু কুউদান। তাহলে অন্যকে তার স্থলাভিষিক্ত করা মুস্তাহাব। কারণ বসে আদায় কারীর নামাযের চেয়ে দাঁড়িয়ে আদায়কারীর সলাত অধিক পরিপূর্ণ।
> যুদ্ধ শুরু করার পর তা চালিয়ে যাওয়া আবশ্যক। সুতরাং যে ব্যক্তি যুদ্ধের পোশাক পরিধান করবে এবং মাঠে নেমে যাবে তার জন্য যুদ্ধ থেকে সরে আসা বৈধ নয়।
> মুসলিম দেশে শত্রু আগমণ করে হামলা করলে মুসলমানদের জন্য নগর ফটকের বাইরে গিয়ে শত্রুকে প্রতিহত করা আবশ্যক নয়।
> যে সমস্ত শিশু যুদ্ধের ক্ষমতা রাখেনা তাদেরকে যুদ্ধের অনুমতি দেয়া হবেনা।
> জিহাদের ক্ষেত্রে মহিলাদের দ্বারাও সাহায্য নেওয়া যেতে পারে
> যুদ্ধের ময়দানে শত্রুদলের মধ্যে ঢুকে পড়া জায়েয আছে। যেমনটি করেছিলেন আনাস বিন নযর।
> ইমাম যদি আহত হয়ে যান আর তিনি যদি বসে সলাতের ইমামতি করেন, তাহলে পিছনের লোকেরাও বসে সলাত পড়বে।
> আল্লাহর কাছে শাহাদাতের তামান্না (আশা) করা এবং দু'আ করা দোষের কিছু নয়। যেমন আব্দুল্লাহ্ বিন জাহাশ শাহাদাত কামনা করেছিলেন।
> কোন মুসলিম যদি আত্মহত্যা করে তাহলে সে জাহান্নামী হবে। কাযমান যখন উহুদ যুদ্ধে আহত হলেন তখন সে জখমের জ্বালা সহ্য করতে না পেরে আত্ম হত্যা করল। নাবী তা জানতে পেরে বললেন- সে জাহান্নামী।
> যুদ্ধক্ষেত্রে যারা শহীদ হবে তাদেরকে গোসল দেয়া হবেনা এবং তাদের জানাযা পড়া হবেনা। যে পোষাকে তারা নিহত হবেন সেই পোষাকেই তাদেরকে দাফন করা হবে। তবে শত্রুরা যদি তার পোশাক ছিনিয়ে নেয় তাহলে অন্য পোষাকে কাফন পরাতে হবে। আর কেউ যদি স্ত্রী সহবাস জনিত কারণে নাপাক থাকে তাহলে গোসল দেয়া হবে। যেমন হানযালা কে ফিরিস্তারা গোসল দিয়েছিলেন।
> যুদ্ধের শহীদদেরকে যুদ্ধের ময়দানেই দাফন করতে হবে। কেননা উহুদের যে সমস্ত শহীদকে মদীনায় বহন করে নেওয়া হয়েছিল নাবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তাদেরকে উহুদের মাঠে ফেরত নিয়ে তথায় দাফন করতে আদেশ দিয়েছেন।
> এক কবরে দুইজন বা তিনজন মৃতকে দাফন করা জায়েয আছে।
> বিকলাঙ্গ বা অন্য কোন উযর (ওযূহাত) থাকার কারণে যাদের জন্য জিহাদে বের না হওয়ার অনুমতি আছে, ইচ্ছা করলে তারাও জিহাদে বের হতে পারে। যেমন নাবী একজন লেংড়া সাহাবীকে যুদ্ধের অনুমতি দিয়েছিলেন।
> কোন মুসলিম যদি যুদ্ধের ময়দানে ভুলক্রমে অন্য কোন মুসলিমকে হত্যা করে ফেলে, তাহলে বাইতুল মাল থেকে দিয়ত পরিশোধ করতে হবে। কেননা রসূল হুযায়ফা বিন ইয়ামানের পিতার দিয়ত দিতে চেয়েছিলেন। কিন্তু হুযায়ফা তা গ্রহণ করতে অস্বীকার করেছেন।
টিকাঃ
২৫৮. ওয়ান ইলাল ইমমা ইযা জুরাহা সলা বিহিম কায়িদান ওয়া সল্লু ওয়া রা-আহু কুউদান। তাহলে অন্যকে তার স্থলাভিষিক্ত করা মুস্তাহাব। কারণ বসে আদায় কারীর নামাযের চেয়ে দাঁড়িয়ে আদায়কারীর সলাত অধিক পরিপূর্ণ।
> যুদ্ধ শুরু করার পর তা চালিয়ে যাওয়া আবশ্যক। সুতরাং যে ব্যক্তি যুদ্ধের পোশাক পরিধান করবে এবং মাঠে নেমে যাবে তার জন্য যুদ্ধ থেকে সরে আসা বৈধ নয়।
> মুসলিম দেশে শত্রু আগমণ করে হামলা করলে মুসলমানদের জন্য নগর ফটকের বাইরে গিয়ে শত্রুকে প্রতিহত করা আবশ্যক নয়।
> যে সমস্ত শিশু যুদ্ধের ক্ষমতা রাখেনা তাদেরকে যুদ্ধের অনুমতি দেয়া হবেনা।
> জিহাদের ক্ষেত্রে মহিলাদের দ্বারাও সাহায্য নেওয়া যেতে পারে
> যুদ্ধের ময়দানে শত্রুদলের মধ্যে ঢুকে পড়া জায়েয আছে। যেমনটি করেছিলেন আনাস বিন নযর।
> ইমাম যদি আহত হয়ে যান আর তিনি যদি বসে সলাতের ইমামতি করেন, তাহলে পিছনের লোকেরাও বসে সলাত পড়বে।
> আল্লাহর কাছে শাহাদাতের তামান্না (আশা) করা এবং দু'আ করা দোষের কিছু নয়। যেমন আব্দুল্লাহ্ বিন জাহাশ শাহাদাত কামনা করেছিলেন।
> কোন মুসলিম যদি আত্মহত্যা করে তাহলে সে জাহান্নামী হবে। কাযমান যখন উহুদ যুদ্ধে আহত হলেন তখন সে জখমের জ্বালা সহ্য করতে না পেরে আত্ম হত্যা করল। নাবী তা জানতে পেরে বললেন- সে জাহান্নামী।
> যুদ্ধক্ষেত্রে যারা শহীদ হবে তাদেরকে গোসল দেয়া হবেনা এবং তাদের জানাযা পড়া হবেনা। যে পোষাকে তারা নিহত হবেন সেই পোষাকেই তাদেরকে দাফন করা হবে। তবে শত্রুরা যদি তার পোশাক ছিনিয়ে নেয় তাহলে অন্য পোষাকে কাফন পরাতে হবে। আর কেউ যদি স্ত্রী সহবাস জনিত কারণে নাপাক থাকে তাহলে গোসল দেয়া হবে। যেমন হানযালা কে ফিরিস্তারা গোসল দিয়েছিলেন।
> যুদ্ধের শহীদদেরকে যুদ্ধের ময়দানেই দাফন করতে হবে। কেননা উহুদের যে সমস্ত শহীদকে মদীনায় বহন করে নেওয়া হয়েছিল নাবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তাদেরকে উহুদের মাঠে ফেরত নিয়ে তথায় দাফন করতে আদেশ দিয়েছেন।
> এক কবরে দুইজন বা তিনজন মৃতকে দাফন করা জায়েয আছে।
> বিকলাঙ্গ বা অন্য কোন উযর (ওযূহাত) থাকার কারণে যাদের জন্য জিহাদে বের না হওয়ার অনুমতি আছে, ইচ্ছা করলে তারাও জিহাদে বের হতে পারে। যেমন নাবী একজন লেংড়া সাহাবীকে যুদ্ধের অনুমতি দিয়েছিলেন।
> কোন মুসলিম যদি যুদ্ধের ময়দানে ভুলক্রমে অন্য কোন মুসলিমকে হত্যা করে ফেলে, তাহলে বাইতুল মাল থেকে দিয়ত পরিশোধ করতে হবে। কেননা রসূল হুযায়ফা বিন ইয়ামানের পিতার দিয়ত দিতে চেয়েছিলেন। কিন্তু হুযায়ফা তা গ্রহণ করতে অস্বীকার করেছেন।
টিকাঃ
২৫৮. সুনানে নাসাঈ, অধ্যায়ঃ সলাতে পিঠ সোজা করা। ইমাম আলবানী হাদীসটিকে সহীহ বলেছেন, সহীহ ওয়া যঈফু সুনানে নাসাঈ, হা. ১০২৭।
📄 উহুদ যুদ্ধের শিক্ষা
উহুদ যুদ্ধে যে সমস্ত শিক্ষণীয় বিষয় রয়েছে, সে সম্পর্কে আল্লাহ্ তা'আলা সূরা আল-ইমরানের ১২১ নং আয়াত থেকে শুরু করে ১৬০ নং আয়াতের মধ্যে বর্ণনা করেছেন। এর মধ্যে সবচেয়ে বড় শিক্ষা হচ্ছে মুসলমানদেরকে রসূলের কথা অমান্য করা, মতভেদ করা এবং ছত্রভঙ্গ হওয়ার মন্দ পরিণাম সম্পর্কে জানিয়ে দেয়া। যাতে তারা ভবিষ্যতে সতর্ক হয়ে যায় এবং যে সমস্ত বিষয় তাদের পরাজয়ের কারণ হতে পারে তা থেকে বিরত থাকে।
নাবী-রসূল ও তাদের অনুসারীদের ক্ষেত্রে আল্লাহ্ তা'আলা বিশেষ একটি হিকমত ও রীতি হচ্ছে তারা কখনও জয়লাভ করবে আবার কখনও পরাজিত হবে। তবে সর্বশেষে তাদেরই বিজয় হবে। সবসময় তাদেরকে বিজয় দান করলে সত্যিকার মুমিন ও অন্যদের মাঝে পার্থক্য করা সম্ভব হবেনা। আর সবসময় পরাজিত করলে নাবী-রসূল প্রেরণের উদ্দেশ্য সফল হবেনা।
উহুদ যুদ্ধে মুমিনদের পরাজয়ের আরেকটি হিকমত হচ্ছে, তাদেরকে গুনাহ্ থেকে পবিত্র করা এবং মুনাফেকদের থেকে আলাদা করা। উহুদ যুদ্ধের পর থেকে মুমিনগণ মুনাফেকদের থেকে আলাদা হয়ে গিয়েছিলেন। এতে আরও হিকমত রয়েছে যে, প্রথমে কাফেরদেরকে সীমালংঘনের সুযোগ দেয়া এবং সেই কারণে তাদেরকে ধ্বংস করা।
উহুদ যুদ্ধে পরাজয়ের আরেকটি কারণ ছিল এই যে, নাবী জীবিত থাকতেই এমন একটি ভূমিকা পেশ করা যাতে সুস্পষ্ট ইঙ্গিত থাকবে যে, মুহাম্মাদ অচিরেই মৃত্যু বরণ করবেন। নিয়ামতের প্রকৃত শোকর আদায়কারী তারাই হতে পারবে, যারা তাদের মাঝে রসূল জীবিত থাকার নিয়ামতের কদর বুঝতে সক্ষম হবে তাঁর সাথে দৃঢ় থাকবে এবং পশ্চাৎমুখী হবেনা।
টিকাঃ
২৫৯. সূরা আল-ইমরান-০৩:১৭৯
২৬১. সূরা আল-ইমরান-০৩: ১৫৩
উহুদ যুদ্ধে যে সমস্ত শিক্ষণীয় বিষয় রয়েছে, সে সম্পর্কে আল্লাহ্ তা'আলা সূরা আল-ইমরানের ১২১ নং আয়াত থেকে শুরু করে ১৬০ নং আয়াতের মধ্যে বর্ণনা করেছেন। এর মধ্যে সবচেয়ে বড় শিক্ষা হচ্ছে মুসলমানদেরকে রসূলের কথা অমান্য করা, মতভেদ করা এবং ছত্রভঙ্গ হওয়ার মন্দ পরিণাম সম্পর্কে জানিয়ে দেয়া। যাতে তারা ভবিষ্যতে সতর্ক হয়ে যায় এবং যে সমস্ত বিষয় তাদের পরাজয়ের কারণ হতে পারে তা থেকে বিরত থাকে।
নাবী-রসূল ও তাদের অনুসারীদের ক্ষেত্রে আল্লাহ্ তা'আলা বিশেষ একটি হিকমত ও রীতি হচ্ছে তারা কখনও জয়লাভ করবে আবার কখনও পরাজিত হবে। তবে সর্বশেষে তাদেরই বিজয় হবে। সবসময় তাদেরকে বিজয় দান করলে সত্যিকার মুমিন ও অন্যদের মাঝে পার্থক্য করা সম্ভব হবেনা। আর সবসময় পরাজিত করলে নাবী-রসূল প্রেরণের উদ্দেশ্য সফল হবেনা।
উহুদ যুদ্ধে মুমিনদের পরাজয়ের আরেকটি হিকমত হচ্ছে, তাদেরকে গুনাহ্ থেকে পবিত্র করা এবং মুনাফেকদের থেকে আলাদা করা। উহুদ যুদ্ধের পর থেকে মুমিনগণ মুনাফেকদের থেকে আলাদা হয়ে গিয়েছিলেন। এতে আরও হিকমত রয়েছে যে, প্রথমে কাফেরদেরকে সীমালংঘনের সুযোগ দেয়া এবং সেই কারণে তাদেরকে ধ্বংস করা।
উহুদ যুদ্ধে পরাজয়ের আরেকটি কারণ ছিল এই যে, নাবী জীবিত থাকতেই এমন একটি ভূমিকা পেশ করা যাতে সুস্পষ্ট ইঙ্গিত থাকবে যে, মুহাম্মাদ অচিরেই মৃত্যু বরণ করবেন। নিয়ামতের প্রকৃত শোকর আদায়কারী তারাই হতে পারবে, যারা তাদের মাঝে রসূল জীবিত থাকার নিয়ামতের কদর বুঝতে সক্ষম হবে তাঁর সাথে দৃঢ় থাকবে এবং পশ্চাৎমুখী হবেনা।
টিকাঃ
২৫৯. সূরা আল-ইমরান-০৩:১৭৯
২৬১. সূরা আল-ইমরান-০৩: ১৫৩
উহুদ যুদ্ধে যে সমস্ত শিক্ষণীয় বিষয় রয়েছে, সে সম্পর্কে আল্লাহ্ তা'আলা সূরা আল-ইমরানের ১২১ নং আয়াত থেকে শুরু করে ১৬০ নং আয়াতের মধ্যে বর্ণনা করেছেন। এর মধ্যে সবচেয়ে বড় শিক্ষা হচ্ছে মুসলমানদেরকে রসূলের কথা অমান্য করা, মতভেদ করা এবং ছত্রভঙ্গ হওয়ার মন্দ পরিণাম সম্পর্কে জানিয়ে দেয়া। যাতে তারা ভবিষ্যতে সতর্ক হয়ে যায় এবং যে সমস্ত বিষয় তাদের পরাজয়ের কারণ হতে পারে তা থেকে বিরত থাকে।
নাবী-রসূল ও তাদের অনুসারীদের ক্ষেত্রে আল্লাহ্ তা'আলা বিশেষ একটি হিকমত ও রীতি হচ্ছে তারা কখনও জয়লাভ করবে আবার কখনও পরাজিত হবে। তবে সর্বশেষে তাদেরই বিজয় হবে। সবসময় তাদেরকে বিজয় দান করলে সত্যিকার মুমিন ও অন্যদের মাঝে পার্থক্য করা সম্ভব হবেনা।
উহুদ যুদ্ধে মুমিনদের পরাজয়ের আরেকটি হিকমত হচ্ছে, তাদেরকে গুনাহ্ থেকে পবিত্র করা এবং মুনাফেকদের থেকে আলাদা করা। মুমিনদের অন্তরকে পরিশুদ্ধ ও পরিচ্ছন্ন করাও উদ্দেশ্য ছিল।
পরিশেষে উহুদ যুদ্ধে ৭০ জন সাহাবী শাহাদাত বরণ করার কারণে মুসলমানদের অন্তরে যেই আঘাত লেগেছিল তা দূর করার জন্য আল্লাহ্ তা'আলা তাদেরকে অত্যন্ত উত্তম ভাষায় শান্তনা দিয়েছেন।
উহুদ যুদ্ধে যে সমস্ত শিক্ষণীয় বিষয় রয়েছে, সে সম্পর্কে আল্লাহ্ তা'আলা সূরা আল-ইমরানের ১২১ নং আয়াত থেকে শুরু করে ১৬০ নং আয়াতের মধ্যে বর্ণনা করেছেন। এর মধ্যে সবচেয়ে বড় শিক্ষা হচ্ছে মুসলমানদেরকে রসূলের কথা অমান্য করা, মতভেদ করা এবং ছত্রভঙ্গ হওয়ার মন্দ পরিণাম সম্পর্কে জানিয়ে দেয়া। যাতে তারা ভবিষ্যতে সতর্ক হয়ে যায় এবং যে সমস্ত বিষয় তাদের পরাজয়ের কারণ হতে পারে তা থেকে বিরত থাকে।
নাবী-রসূল ও তাদের অনুসারীদের ক্ষেত্রে আল্লাহ্ তা'আলার বিশেষ একটি হিকমত ও রীতি হচ্ছে তারা কখনও জয়লাভ করবে আবার কখনও পরাজিত হবে। তবে সর্বশেষে তাদেরই বিজয় হবে। সবসময় তাদেরকে বিজয় দান করলে সত্যিকার মুমিন ও অন্যদের মাঝে পার্থক্য করা সম্ভব হবেনা।
উহুদ যুদ্ধে মুমিনদের পরাজয়ের আরেকটি হিকমত হচ্ছে, তাদেরকে গুনাহ্ থেকে পবিত্র করা এবং মুনাফেকদের থেকে আলাদা করা। মুমিনদের অন্তরকে পরিশুদ্ধ ও পরিচ্ছন্ন করাও উদ্দেশ্য ছিল।
পরিশেষে উহুদ যুদ্ধে ৭০ জন সাহাবী শাহাদাত বরণ করার কারণে মুসলমানদের অন্তরে যেই আঘাত লেগেছিল তা দূর করার জন্য আল্লাহ্ তা'আলা তাদেরকে অত্যন্ত উত্তম ভাষায় শান্তনা দিয়েছেন।
টিকাঃ
২৬৩. সূরা আল-ইমরান-৩:১৬৯-১৭২
উহুদ যুদ্ধে যে সমস্ত শিক্ষণীয় বিষয় রয়েছে, সে সম্পর্কে আল্লাহ্ তা'আলা সূরা আল-ইমরানের ১২১ নং আয়াত থেকে শুরু করে ১৬০ নং আয়াতের মধ্যে বর্ণনা করেছেন। এর মধ্যে সবচেয়ে বড় শিক্ষা হচ্ছে মুসলমানদেরকে রসূলের কথা অমান্য করা, মতভেদ করা এবং ছত্রভঙ্গ হওয়ার মন্দ পরিণাম সম্পর্কে জানিয়ে দেয়া। যাতে তারা ভবিষ্যতে সতর্ক হয়ে যায় এবং যে সমস্ত বিষয় তাদের পরাজয়ের কারণ হতে পারে তা থেকে বিরত থাকে।
নাবী-রসূল ও তাদের অনুসারীদের ক্ষেত্রে আল্লাহ্ তা'আলার বিশেষ একটি হিকমত ও রীতি হচ্ছে তারা কখনও জয়লাভ করবে আবার কখনও পরাজিত হবে। তবে সর্বশেষে তাদেরই বিজয় হবে। সবসময় তাদেরকে বিজয় দান করলে সত্যিকার মুমিন ও অন্যদের মাঝে পার্থক্য করা সম্ভব হবেনা।
উহুদ যুদ্ধে মুমিনদের পরাজয়ের আরেকটি হিকমত হচ্ছে, তাদেরকে গুনাহ্ থেকে পবিত্র করা এবং মুনাফেকদের থেকে আলাদা করা। মুমিনদের অন্তরকে পরিশুদ্ধ ও পরিচ্ছন্ন করাও উদ্দেশ্য ছিল।
পরিশেষে উহুদ যুদ্ধে ৭০ জন সাহাবী শাহাদাত বরণ করার কারণে মুসলমানদের অন্তরে যেই আঘাত লেগেছিল তা দূর করার জন্য আল্লাহ্ তা'আলা তাদেরকে অত্যন্ত উত্তম ভাষায় শান্তনা দিয়েছেন।
টিকাঃ
২৬৩. সূরা আল-ইমরান-৩:১৬৯-১৭২
📄 গাযওয়ায়ে হামরাউল আসাদ
উহুদ যুদ্ধ শেষে যখন মক্কার মুশরিকরা ফেরত গেল, তখন মুসলমানদের মুখে মুখে এ কথা বলাবলি হতে লাগল যে, মুশরেকরা পুনরায় মদীনা আক্রমণের প্রস্তুতি নিচ্ছে। এই খবরটি তাদের কাছে খুব বিরাট কষ্টকর মনে হল। কেননা নাবী আলী বিন আবু তালেবকে বলে রেখেছিলেন যে, তুমি খেয়াল রাখ, তাদের গতিবিধি লক্ষ্য কর এবং দেখ তারা কি করতে চায়। তারা ঘোড়া থেকে নেমে উটের উপর আরোহন করে তাহলে বুঝতে হবে যে, তারা মক্কায় চলে যাচ্ছে। আর যদি ঘোড়ায় আরোহন করে উটকে চালিয়ে নিয়ে যায়, তাহলে বুঝতে হবে যে, তারা পুনরায় মদীনা আক্রমন করবে। আলী বলেন- আমি তাদের সন্ধানে বের হলাম এবং তাদের গতিবিধি লক্ষ্য করতে লাগলাম। দেখলাম, তারা ঘোড়া ছেড়ে দিয়ে উটের উপর আরোহন করে মক্কার উদ্দেশ্যে রওয়ানা দিয়েছে।
মক্কার মুশরিকরা যখন ফেরত যাওয়ার ইচ্ছা পোষণ করল, তখন আবু সুফিয়ান মুসলমানদেরকে লক্ষ্য করে বলতে লাগল- আগামী বছর আমাদের ও তোমাদের মাঝে বদর প্রান্তরে মুলাকাত হবে। রসূল তখন মুসলিমদেরকে লক্ষ্য করে বললেন- তোমরা বল হ্যাঁ, ঠিক আছে, আমরাও তোমাদের সাথে যুদ্ধ করার জন্য সম্পূর্ণ প্রস্তুত আছি। অতঃপর তারা চলতে লাগল।
কিছু দূর গিয়ে তারা পরস্পর বলাবলি করতে লাগল এবং তাদের একজন অন্যজনকে এই বলে দোষারোপ করতে লাগল- আমরা মুসলমানদেরকে দুর্বল করে দিয়েছি ঠিকই, কিন্তু তাদেরকে এমন অবস্থায় রেখে আসলাম যে, তারা দ্বিতীয়বার শক্তি জোগাড় করতে সক্ষম হবে। চল আবার ফেরত গিয়ে তাদের মূলোৎপাটন করে আসি। এই খবর রসূল এর কাছে এসে পৌঁছলে তিনি মানুষের মাঝে ঘোষণা করে দিলেন যে, তোমরা পুনরায় জিহাদের জন্য প্রস্তুত হও। তিনি আরও বললেন- তবে আমাদের সাথে শুধু তারাই বের হবে, যারা উহুদ যুদ্ধে শরীক ছিল।
হামরাউল আসাদ নামক স্থান পর্যন্ত পৌঁছে আবু সুফিয়ান মদীনাগামী এক মুশরিককে দিয়ে রসূলকে হুমকি পাঠালেন। মুসলমানদের কাছে খবরটি পৌঁছার পর তারা বলল- حَسْبُنَا اللَّهُ وَنِعْمَ الْوَكِيلُ "আমাদের জন্য আল্লাহই যথেষ্ট; তিনি কতই না চমৎকার কর্মসম্পাদনকারী। অতঃপর ফিরে এল মুসলমানরা আল্লাহ্র অনুগ্রহ নিয়ে, তাদের কিছুই অনিষ্ট হল না। তারা আল্লাহ্র ইচ্ছার অনুগত হল। বস্তুতঃ আল্লাহ্র অনুগ্রহ অতি বিরাট"।
টিকাঃ
২৬৪. সূরা আল-ইমরান-৩: ১৭৩-১৭৪
📄 বিরে মাউনা
চতুর্থ হিজরীর সফর মাসেই বি'রে মাউনার ঘটনা সংঘটিত হয়। নজদ অঞ্চল থেকে আবু বারা নামক একজন মুশরিক নাবী এর নিকট আগমণ করলে তিনি তাঁকে ইসলামের দাওয়াত দেন। আবু বারা নিরাপত্তা দেয়ার অঙ্গীকার করলে রসূল তাঁর সাথে ৪০ জন (মতান্তরে ৭০ জন) সাহাবীকে পাঠিয়ে দিলেন। তারা ছিলেন মুসলমানদের খুব সম্মানী ও কুরআন পাঠদানে পারদর্শী। 'বিরে মাউনা' নামক স্থানে পৌঁছে হারাম বিন মিলহানকে তাঁরা আমের বিন তুফাইলের কাছে রসূল -এর চিঠিসহ প্রেরণ করলেন। এই পাপিষ্ঠ হারাম বিন মিলহানকে বর্শা দিয়ে আঘাত করে হত্যা করল। অতঃপর সে বনী সুলাইমের লোকদেরকে সাথে নিয়ে সাহাবীদেরকে ঘেরাও করে সকলকেই হত্যা করে ফেলল।