📄 উহুদের যুদ্ধ
বদরের যুদ্ধে আল্লাহ্ তা'আলা যখন আবু জাহেলসহ কুরাইশদের নেতৃস্থানীয় লোকদেরকে হত্যা করলেন তখন আবু সুফিয়ান বিন হারব তাদের নেতৃত্বের দায়িত্ব গ্রহণ করল। দায়িত্ব পেয়ে রসূল ও মুসলমানদের বিরুদ্ধে আরব গোত্রসমূহকে একত্রিত করতে লাগল। প্রচুর অস্ত্র ও জনবলসহ সে মদীনা আক্রমণের উদ্দেশ্যে বের হয়ে উহুদ পাহাড়ের নিকট তাবু স্থাপন করল।
এর পরিপ্রেক্ষিতে হিজরী তৃতীয় সালের শাওয়াল মাসে মদীনার মুসলমান ও মক্কার কুরাইশদের মধ্যে উহুদ যুদ্ধ সংঘটিত হয়। মুসলমানদের যুবকরাও এবার নিজেদেরকে যুদ্ধের জন্য পেশ করে। যারা বয়সে ছোট ছিল তাদেরকে জিহাদে বের হওয়ার অনুমতি দেয়া হয়নি। নাবী সাহাবীদের সাথে পরামর্শ করলেন। তিনি জানতে চাইলেন, তিনি মদীনা থেকে বের হয়ে উহুদ প্রান্তরে গিয়ে শত্রুদের মুকাবেলা করবেন? না মদীনায় থেকেই যুদ্ধ করবেন? রসূল -এর রায় ছিল যে, মুসলমানেরা মদীনা থেকে বের হবেনা; বরং মদীনার ভিতরেই থাকবে। মুনাফেক সরদার আব্দুল্লাহ্ ইবনে উবাই এই মতকেই সমর্থন করল। কিন্তু যে সমস্ত সাহাবী বদরের যুদ্ধে অংশ গ্রহণ করতে পারেনি, তারা মদীনার বাইরে গিয়ে যুদ্ধ করার পরামর্শ দিলেন।
তাই নাবী সাতশ সাহাবীকে সাথে নিয়ে তিনি উহুদ প্রান্তরে গিয়ে পাহাড়কে পিছনে রেখে অবস্থান করলেন। শনিবারের দিন তিনি যুদ্ধের জন্য প্রস্তুতি গ্রহণ করলেন। এ সময় তিনি ৫০ জন তীরন্দাজ বাহীনির উপর আব্দুল্লাহ্ ইবনে যুবাইরকে আমীর নিযুক্ত করে তাদেরকে আমীরের আনুগত্য করার আদেশ দিলেন। দিবসের প্রথম ভাগে যখন যুদ্ধ শুরু হল তখন মুসলিমদের বিজয়ের লক্ষণ পরিলক্ষিত হল। আল্লাহর দুশমনেরা পরাজিত হল। ঐ দিকে রসূল কর্তৃক নিয়োজিত ৫০ জনের তীরন্দাজ বাহিনী যখন কাফেরদের পরাজয় দেখল তখন তারা রসূল এর আদেশ অমান্য করে স্থান ত্যাগ করতে লাগল এবং গণীমতের মাল সংগ্রহ করতে লাগল। ঐ দিকে মুশরিকদের অশ্বারোহীরা পিছন দিক খালি পেয়ে পুনরায় মুসলমানদের উপর আক্রমণ করল। এক পর্যায়ে তারা মুসলমানদেরকে ঘিরে ফেলল। এখানে ৭০ জন সাহাবী শাহাদাত বরণ করলেন। মুশরিকরা রসূল পর্যন্ত পৌঁছে গেল। মুশরিকরা তাঁর চেহারা মুবারকে আঘাত করল, সামনের দাঁতগুলো ভেঙ্গে ফেলল। পরিশেষে কুরাইশদের আঘাতে তিনি একটি গর্তের মধ্যে পড়ে গেলেন।
📄 উহুদ যুদ্ধে যারা শহীদ হয়েছেন
উহুদ যুদ্ধের দিন যারা শহীদ হন তাদের মধ্যে হামজাহ, মুসআব বিন উমাইর এবং হানযালা অন্যতম। রসূল দেখলেন যে, ফিরিস্তাগণ হানযালাকে গোসল দিচ্ছে। হানযালার ঘটনা থেকে আলেমগণ দলীল গ্রহণ করেছেন যে, অপবিত্র অবস্থায় যদি কেউ শহীদ হয়, তবে তাকে গোসল দিতে হবে।
এই যুদ্ধে আরও যারা শহীদ হয়েছেন, তাদের মধ্যে আমর বিন ছাবেতও অন্যতম। তিনি উসাইরাম নামে পরিচিত ছিলেন। তিনি বীরত্বের সাথে যুদ্ধ করে মারাত্মকভাবে আহত হয়ে পড়ে গেলেন। তিনি মরার আগে ইসলাম কবুল করেছিলেন। রসূল তাঁর ব্যাপারেই বলেছেন- সে অল্প আমল করেছে এবং বিরাট পুরস্কার অর্জন করেছে।
উহুদ যুদ্ধে আরও যারা শহীদ হয়েছেন তাদের মধ্যে রয়েছেন জাবের এর পিতা আব্দুল্লাহ্ বিন আমর বিন হারাম। আমর ইবনুল জামুহ ছিলেন একজন লেংড়া সাহাবী। তিনিও রসূল এর সাথে উহুদের দিন জিহাদে বের হয়ে শহীদ হলেন।
📄 উহুদ যুদ্ধে যে সমস্ত হুকুম-আহকাম ও শিক্ষণীয় বিষয় রয়েছে
> যুদ্ধ শুরু করার পর তা চালিয়ে যাওয়া আবশ্যক। সুতরাং যে ব্যক্তি যুদ্ধের পোশাক পরিধান করবে এবং মাঠে নেমে যাবে তার জন্য যুদ্ধ থেকে সরে আসা বৈধ নয়।
> মুসলিম দেশে শত্রু আগমণ করে হামলা করলে মুসলমানদের জন্য নগর ফটকের বাইরে গিয়ে শত্রুকে প্রতিহত করা আবশ্যক নয়।
> যে সমস্ত শিশু যুদ্ধের ক্ষমতা রাখেনা তাদেরকে যুদ্ধের অনুমতি দেয়া হবেনা।
> জিহাদের ক্ষেত্রে মহিলাদের দ্বারাও সাহায্য নেওয়া যেতে পারে
> যুদ্ধের ময়দানে শত্রুদলের মধ্যে ঢুকে পড়া জায়েয আছে। যেমনটি করেছিলেন আনাস বিন নযর।
> ইমাম যদি আহত হয়ে যান আর তিনি যদি বসে সলাতের ইমামতি করেন, তাহলে পিছনের লোকেরাও বসে সলাত পড়বে।
> আল্লাহর কাছে শাহাদাতের তামান্না (আশা) করা এবং দু'আ করা দোষের কিছু নয়। যেমন আব্দুল্লাহ্ বিন জাহাশ শাহাদাত কামনা করেছিলেন।
> কোন মুসলিম যদি আত্মহত্যা করে তাহলে সে জাহান্নামী হবে। কাযমান যখন উহুদ যুদ্ধে আহত হলেন তখন সে জখমের জ্বালা সহ্য করতে না পেরে আত্মহত্যা করল। নাবী তা জানতে পেরে বললেন- সে জাহান্নামী।
> যুদ্ধক্ষেত্রে যারা শহীদ হবে তাদেরকে গোসল দেয়া হবেনা এবং তাদের জানাযা পড়া হবেনা। যে পোষাকে তারা নিহত হবেন সেই পোষাকেই তাদেরকে দাফন করা হবে। তবে শত্রুরা যদি তার পোশাক ছিনিয়ে নেয় তাহলে অন্য পোষাকে কাফন পরাতে হবে। আর কেউ যদি স্ত্রী সহবাস জনিত কারণে নাপাক থাকে তাহলে গোসল দেয়া হবে। যেমন হানযালা কে ফিরিস্তারা গোসল দিয়েছিলেন।
> যুদ্ধের শহীদদেরকে যুদ্ধের ময়দানেই দাফন করতে হবে। কেননা উহুদের যে সমস্ত শহীদকে মদীনায় বহন করে নেওয়া হয়েছিল নাবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তাদেরকে উহুদের মাঠে ফেরত নিয়ে তথায় দাফন করতে আদেশ দিয়েছেন।
> এক কবরে দুইজন বা তিনজন মৃতকে দাফন করা জায়েয আছে।
> বিকলাঙ্গ বা অন্য কোন উযর (ওযূহাত) থাকার কারণে যাদের জন্য জিহাদে বের না হওয়ার অনুমতি আছে, ইচ্ছা করলে তারাও জিহাদে বের হতে পারে। যেমন নাবী একজন লেংড়া সাহাবীকে যুদ্ধের অনুমতি দিয়েছিলেন।
> কোন মুসলিম যদি যুদ্ধের ময়দানে ভুলক্রমে অন্য কোন মুসলিমকে হত্যা করে ফেলে, তাহলে বাইতুল মাল থেকে দিয়ত পরিশোধ করতে হবে। কেননা রসূল হুযায়ফা বিন ইয়ামানের পিতার দিয়ত দিতে চেয়েছিলেন। কিন্তু হুযায়ফা তা গ্রহণ করতে অস্বীকার করেছেন।
টিকাঃ
২৫৮. সুনানে নাসাঈ, অধ্যায়ঃ সলাতে পিঠ সোজা করা। ইমাম আলবানী হাদীসটিকে সহীহ বলেছেন, সহীহ ওয়া যঈফু সুনানে নাসাঈ, হা. ১০২৭।
> যুদ্ধ শুরু করার পর তা চালিয়ে যাওয়া আবশ্যক। সুতরাং যে ব্যক্তি যুদ্ধের পোশাক পরিধান করবে এবং মাঠে নেমে যাবে তার জন্য যুদ্ধ থেকে সরে আসা বৈধ নয়।
> মুসলিম দেশে শত্রু আগমণ করে হামলা করলে মুসলমানদের জন্য নগর ফটকের বাইরে গিয়ে শত্রুকে প্রতিহত করা আবশ্যক নয়।
> যে সমস্ত শিশু যুদ্ধের ক্ষমতা রাখেনা তাদেরকে যুদ্ধের অনুমতি দেয়া হবেনা।
> জিহাদের ক্ষেত্রে মহিলাদের দ্বারাও সাহায্য নেওয়া যেতে পারে
> যুদ্ধের ময়দানে শত্রুদলের মধ্যে ঢুকে পড়া জায়েয আছে। যেমনটি করেছিলেন আনাস বিন নযর।
> ইমাম যদি আহত হয়ে যান আর তিনি যদি বসে সলাতের ইমামতি করেন, তাহলে পিছনের লোকেরাও বসে সলাত পড়বে।
> আল্লাহর কাছে শাহাদাতের তামান্না (আশা) করা এবং দু'আ করা দোষের কিছু নয়। যেমন আব্দুল্লাহ্ বিন জাহাশ শাহাদাত কামনা করেছিলেন।
> কোন মুসলিম যদি আত্মহত্যা করে তাহলে সে জাহান্নামী হবে। কাযমান যখন উহুদ যুদ্ধে আহত হলেন তখন সে জখমের জ্বালা সহ্য করতে না পেরে আত্মহত্যা করল। নাবী তা জানতে পেরে বললেন- সে জাহান্নামী।
> যুদ্ধক্ষেত্রে যারা শহীদ হবে তাদেরকে গোসল দেয়া হবেনা এবং তাদের জানাযা পড়া হবেনা। যে পোষাকে তারা নিহত হবেন সেই পোষাকেই তাদেরকে দাফন করা হবে। তবে শত্রুরা যদি তার পোশাক ছিনিয়ে নেয় তাহলে অন্য পোষাকে কাফন পরাতে হবে। আর কেউ যদি স্ত্রী সহবাস জনিত কারণে নাপাক থাকে তাহলে গোসল দেয়া হবে। যেমন হানযালা কে ফিরিস্তারা গোসল দিয়েছিলেন।
> যুদ্ধের শহীদদেরকে যুদ্ধের ময়দানেই দাফন করতে হবে। কেননা উহুদের যে সমস্ত শহীদকে মদীনায় বহন করে নেওয়া হয়েছিল নাবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তাদেরকে উহুদের মাঠে ফেরত নিয়ে তথায় দাফন করতে আদেশ দিয়েছেন।
> এক কবরে দুইজন বা তিনজন মৃতকে দাফন করা জায়েয আছে।
> বিকলাঙ্গ বা অন্য কোন উযর (ওযূহাত) থাকার কারণে যাদের জন্য জিহাদে বের না হওয়ার অনুমতি আছে, ইচ্ছা করলে তারাও জিহাদে বের হতে পারে। যেমন নাবী একজন লেংড়া সাহাবীকে যুদ্ধের অনুমতি দিয়েছিলেন।
> কোন মুসলিম যদি যুদ্ধের ময়দানে ভুলক্রমে অন্য কোন মুসলিমকে হত্যা করে ফেলে, তাহলে বাইতুল মাল থেকে দিয়ত পরিশোধ করতে হবে। কেননা রসূল হুযায়ফা বিন ইয়ামানের পিতার দিয়ত দিতে চেয়েছিলেন। কিন্তু হুযায়ফা তা গ্রহণ করতে অস্বীকার করেছেন।
টিকাঃ
২৫৮. সুনানে নাসাঈ, অধ্যায়ঃ সলাতে পিঠ সোজা করা। ইমাম আলবানী হাদীসটিকে সহীহ বলেছেন, সহীহ ওয়া যঈফু সুনানে নাসাঈ, হা. ১০২৭।
> যুদ্ধ শুরু করার পর তা চালিয়ে যাওয়া আবশ্যক। সুতরাং যে ব্যক্তি যুদ্ধের পোশাক পরিধান করবে এবং মাঠে নেমে যাবে তার জন্য যুদ্ধ থেকে সরে আসা বৈধ নয়।
> মুসলিম দেশে শত্রু আগমণ করে হামলা করলে মুসলমানদের জন্য নগর ফটকের বাইরে গিয়ে শত্রুকে প্রতিহত করা আবশ্যক নয়।
> যে সমস্ত শিশু যুদ্ধের ক্ষমতা রাখেনা তাদেরকে যুদ্ধের অনুমতি দেয়া হবেনা।
> জিহাদের ক্ষেত্রে মহিলাদের দ্বারাও সাহায্য নেওয়া যেতে পারে।
> যুদ্ধের ময়দানে শত্রুদলের মধ্যে ঢুকে পড়া জায়েয আছে। যেমনটি করেছিলেন আনাস বিন নযর।
> ইমাম যদি আহত হয়ে যান আর তিনি যদি বসে সলাতের ইমামতি করেন, তাহলে পিছনের লোকেরাও বসে সলাত পড়বে।
> আল্লাহর কাছে শাহাদাতের তামান্না (আশা) করা এবং দু'আ করা দোষের কিছু নয়। যেমন আব্দুল্লাহ্ বিন জাহাশ শাহাদাত কামনা করেছিলেন।
> কোন মুসলিম যদি আত্মহত্যা করে তাহলে সে জাহান্নামী হবে। কাযমান যখন উহুদ যুদ্ধে আহত হলেন তখন সে জখমের জ্বালা সহ্য করতে না পেরে আত্ম হত্যা করল। নাবী তা জানতে পেরে বললেন- সে জাহান্নামী।
> যুদ্ধক্ষেত্রে যারা শহীদ হবে তাদেরকে গোসল দেয়া হবেনা এবং তাদের জানাযা পড়া হবেনা। যে পোশাকে তারা নিহত হবেন সেই পোশাকেই তাদেরকে দাফন করা হবে। তবে শত্রুরা যদি তার পোশাক ছিনিয়ে নেয় তাহলে অন্য পোশাকে কাফন পরাতে হবে। আর কেউ যদি স্ত্রী সহবাস জনিত কারণে নাপাক থাকে তাহলে গোসল দেয়া হবে। যেমন হানযালা কে ফিরিস্তারা গোসল দিয়েছিলেন। শহীদদের পরিহিত পোশাকেই দাফন করা মুস্তাহাব না ওয়াজিব? এ ব্যাপারে আলেমগণ মতভেদ করেছেন। তবে সঠিক কথা হচ্ছে তা ওয়াজিব।
> যুদ্ধের শহীদদেরকে যুদ্ধের ময়দানেই দাফন করতে হবে। কেননা উহুদের যে সমস্ত শহীদকে মদীনায় বহন করে নেওয়া হয়েছিল নাবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তাদেরকে উহুদের মাঠে ফেরত নিয়ে তথায় দাফন করতে আদেশ দিয়েছেন।
> এক কবরে দুইজন বা তিনজন মৃতকে দাফন করা জায়েয আছে।
> বিকলাঙ্গ বা অন্য কোন উযর (ওযূহাত) থাকার কারণে যাদের জন্য জিহাদে বের না হওয়ার অনুমতি আছে, ইচ্ছা করলে তারাও জিহাদে বের হতে পারে। যেমন নাবী একজন লেংড়া সাহাবীকে যুদ্ধের অনুমতি দিয়েছিলেন।
> কোন মুসলিম যদি যুদ্ধের ময়দানে ভুলক্রমে অন্য কোন মুসলিমকে হত্যা করে ফেলে, তাহলে বাইতুল মাল থেকে দিয়ত পরিশোধ করতে হবে। কেননা রসূল হুযায়ফা বিন ইয়ামানের পিতার দিয়ত দিতে চেয়েছিলেন। কিন্তু হুযায়ফা তা গ্রহণ করতে অস্বীকার করেছেন।
টিকাঃ
২৫৮. ওয়ান ইলাল ইমমা ইযা জুরাহা সলা বিহিম কায়িদান ওয়া সল্লু ওয়া রা-আহু কুউদান। তাহলে অন্যকে তার স্থলাভিষিক্ত করা মুস্তাহাব। কারণ বসে আদায় কারীর নামাযের চেয়ে দাঁড়িয়ে আদায়কারীর সলাত অধিক পরিপূর্ণ।
> যুদ্ধ শুরু করার পর তা চালিয়ে যাওয়া আবশ্যক। সুতরাং যে ব্যক্তি যুদ্ধের পোশাক পরিধান করবে এবং মাঠে নেমে যাবে তার জন্য যুদ্ধ থেকে সরে আসা বৈধ নয়।
> মুসলিম দেশে শত্রু আগমণ করে হামলা করলে মুসলমানদের জন্য নগর ফটকের বাইরে গিয়ে শত্রুকে প্রতিহত করা আবশ্যক নয়।
> যে সমস্ত শিশু যুদ্ধের ক্ষমতা রাখেনা তাদেরকে যুদ্ধের অনুমতি দেয়া হবেনা।
> জিহাদের ক্ষেত্রে মহিলাদের দ্বারাও সাহায্য নেওয়া যেতে পারে
> যুদ্ধের ময়দানে শত্রুদলের মধ্যে ঢুকে পড়া জায়েয আছে। যেমনটি করেছিলেন আনাস বিন নযর।
> ইমাম যদি আহত হয়ে যান আর তিনি যদি বসে সলাতের ইমামতি করেন, তাহলে পিছনের লোকেরাও বসে সলাত পড়বে।
> আল্লাহর কাছে শাহাদাতের তামান্না (আশা) করা এবং দু'আ করা দোষের কিছু নয়। যেমন আব্দুল্লাহ্ বিন জাহাশ শাহাদাত কামনা করেছিলেন।
> কোন মুসলিম যদি আত্মহত্যা করে তাহলে সে জাহান্নামী হবে। কাযমান যখন উহুদ যুদ্ধে আহত হলেন তখন সে জখমের জ্বালা সহ্য করতে না পেরে আত্ম হত্যা করল। নাবী তা জানতে পেরে বললেন- সে জাহান্নামী।
> যুদ্ধক্ষেত্রে যারা শহীদ হবে তাদেরকে গোসল দেয়া হবেনা এবং তাদের জানাযা পড়া হবেনা। যে পোষাকে তারা নিহত হবেন সেই পোষাকেই তাদেরকে দাফন করা হবে। তবে শত্রুরা যদি তার পোশাক ছিনিয়ে নেয় তাহলে অন্য পোষাকে কাফন পরাতে হবে। আর কেউ যদি স্ত্রী সহবাস জনিত কারণে নাপাক থাকে তাহলে গোসল দেয়া হবে। যেমন হানযালা কে ফিরিস্তারা গোসল দিয়েছিলেন।
> যুদ্ধের শহীদদেরকে যুদ্ধের ময়দানেই দাফন করতে হবে। কেননা উহুদের যে সমস্ত শহীদকে মদীনায় বহন করে নেওয়া হয়েছিল নাবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তাদেরকে উহুদের মাঠে ফেরত নিয়ে তথায় দাফন করতে আদেশ দিয়েছেন।
> এক কবরে দুইজন বা তিনজন মৃতকে দাফন করা জায়েয আছে।
> বিকলাঙ্গ বা অন্য কোন উযর (ওযূহাত) থাকার কারণে যাদের জন্য জিহাদে বের না হওয়ার অনুমতি আছে, ইচ্ছা করলে তারাও জিহাদে বের হতে পারে। যেমন নাবী একজন লেংড়া সাহাবীকে যুদ্ধের অনুমতি দিয়েছিলেন।
> কোন মুসলিম যদি যুদ্ধের ময়দানে ভুলক্রমে অন্য কোন মুসলিমকে হত্যা করে ফেলে, তাহলে বাইতুল মাল থেকে দিয়ত পরিশোধ করতে হবে। কেননা রসূল হুযায়ফা বিন ইয়ামানের পিতার দিয়ত দিতে চেয়েছিলেন। কিন্তু হুযায়ফা তা গ্রহণ করতে অস্বীকার করেছেন।
টিকাঃ
২৫৮. ওয়ান ইলাল ইমমা ইযা জুরাহা সলা বিহিম কায়িদান ওয়া সল্লু ওয়া রা-আহু কুউদান। তাহলে অন্যকে তার স্থলাভিষিক্ত করা মুস্তাহাব। কারণ বসে আদায় কারীর নামাযের চেয়ে দাঁড়িয়ে আদায়কারীর সলাত অধিক পরিপূর্ণ।
> যুদ্ধ শুরু করার পর তা চালিয়ে যাওয়া আবশ্যক। সুতরাং যে ব্যক্তি যুদ্ধের পোশাক পরিধান করবে এবং মাঠে নেমে যাবে তার জন্য যুদ্ধ থেকে সরে আসা বৈধ নয়।
> মুসলিম দেশে শত্রু আগমণ করে হামলা করলে মুসলমানদের জন্য নগর ফটকের বাইরে গিয়ে শত্রুকে প্রতিহত করা আবশ্যক নয়।
> যে সমস্ত শিশু যুদ্ধের ক্ষমতা রাখেনা তাদেরকে যুদ্ধের অনুমতি দেয়া হবেনা।
> জিহাদের ক্ষেত্রে মহিলাদের দ্বারাও সাহায্য নেওয়া যেতে পারে
> যুদ্ধের ময়দানে শত্রুদলের মধ্যে ঢুকে পড়া জায়েয আছে। যেমনটি করেছিলেন আনাস বিন নযর।
> ইমাম যদি আহত হয়ে যান আর তিনি যদি বসে সলাতের ইমামতি করেন, তাহলে পিছনের লোকেরাও বসে সলাত পড়বে।
> আল্লাহর কাছে শাহাদাতের তামান্না (আশা) করা এবং দু'আ করা দোষের কিছু নয়। যেমন আব্দুল্লাহ্ বিন জাহাশ শাহাদাত কামনা করেছিলেন।
> কোন মুসলিম যদি আত্মহত্যা করে তাহলে সে জাহান্নামী হবে। কাযমান যখন উহুদ যুদ্ধে আহত হলেন তখন সে জখমের জ্বালা সহ্য করতে না পেরে আত্ম হত্যা করল। নাবী তা জানতে পেরে বললেন- সে জাহান্নামী।
> যুদ্ধক্ষেত্রে যারা শহীদ হবে তাদেরকে গোসল দেয়া হবেনা এবং তাদের জানাযা পড়া হবেনা। যে পোষাকে তারা নিহত হবেন সেই পোষাকেই তাদেরকে দাফন করা হবে। তবে শত্রুরা যদি তার পোশাক ছিনিয়ে নেয় তাহলে অন্য পোষাকে কাফন পরাতে হবে। আর কেউ যদি স্ত্রী সহবাস জনিত কারণে নাপাক থাকে তাহলে গোসল দেয়া হবে। যেমন হানযালা কে ফিরিস্তারা গোসল দিয়েছিলেন।
> যুদ্ধের শহীদদেরকে যুদ্ধের ময়দানেই দাফন করতে হবে। কেননা উহুদের যে সমস্ত শহীদকে মদীনায় বহন করে নেওয়া হয়েছিল নাবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তাদেরকে উহুদের মাঠে ফেরত নিয়ে তথায় দাফন করতে আদেশ দিয়েছেন।
> এক কবরে দুইজন বা তিনজন মৃতকে দাফন করা জায়েয আছে।
> বিকলাঙ্গ বা অন্য কোন উযর (ওযূহাত) থাকার কারণে যাদের জন্য জিহাদে বের না হওয়ার অনুমতি আছে, ইচ্ছা করলে তারাও জিহাদে বের হতে পারে। যেমন নাবী একজন লেংড়া সাহাবীকে যুদ্ধের অনুমতি দিয়েছিলেন।
> কোন মুসলিম যদি যুদ্ধের ময়দানে ভুলক্রমে অন্য কোন মুসলিমকে হত্যা করে ফেলে, তাহলে বাইতুল মাল থেকে দিয়ত পরিশোধ করতে হবে। কেননা রসূল হুযায়ফা বিন ইয়ামানের পিতার দিয়ত দিতে চেয়েছিলেন। কিন্তু হুযায়ফা তা গ্রহণ করতে অস্বীকার করেছেন।
টিকাঃ
২৫৮. সুনানে নাসাঈ, অধ্যায়ঃ সলাতে পিঠ সোজা করা। ইমাম আলবানী হাদীসটিকে সহীহ বলেছেন, সহীহ ওয়া যঈফু সুনানে নাসাঈ, হা. ১০২৭।
📄 উহুদ যুদ্ধের শিক্ষা
উহুদ যুদ্ধে যে সমস্ত শিক্ষণীয় বিষয় রয়েছে, সে সম্পর্কে আল্লাহ্ তা'আলা সূরা আল-ইমরানের ১২১ নং আয়াত থেকে শুরু করে ১৬০ নং আয়াতের মধ্যে বর্ণনা করেছেন। এর মধ্যে সবচেয়ে বড় শিক্ষা হচ্ছে মুসলমানদেরকে রসূলের কথা অমান্য করা, মতভেদ করা এবং ছত্রভঙ্গ হওয়ার মন্দ পরিণাম সম্পর্কে জানিয়ে দেয়া। যাতে তারা ভবিষ্যতে সতর্ক হয়ে যায় এবং যে সমস্ত বিষয় তাদের পরাজয়ের কারণ হতে পারে তা থেকে বিরত থাকে।
নাবী-রসূল ও তাদের অনুসারীদের ক্ষেত্রে আল্লাহ্ তা'আলা বিশেষ একটি হিকমত ও রীতি হচ্ছে তারা কখনও জয়লাভ করবে আবার কখনও পরাজিত হবে। তবে সর্বশেষে তাদেরই বিজয় হবে। সবসময় তাদেরকে বিজয় দান করলে সত্যিকার মুমিন ও অন্যদের মাঝে পার্থক্য করা সম্ভব হবেনা। আর সবসময় পরাজিত করলে নাবী-রসূল প্রেরণের উদ্দেশ্য সফল হবেনা।
উহুদ যুদ্ধে মুমিনদের পরাজয়ের আরেকটি হিকমত হচ্ছে, তাদেরকে গুনাহ্ থেকে পবিত্র করা এবং মুনাফেকদের থেকে আলাদা করা। উহুদ যুদ্ধের পর থেকে মুমিনগণ মুনাফেকদের থেকে আলাদা হয়ে গিয়েছিলেন। এতে আরও হিকমত রয়েছে যে, প্রথমে কাফেরদেরকে সীমালংঘনের সুযোগ দেয়া এবং সেই কারণে তাদেরকে ধ্বংস করা।
উহুদ যুদ্ধে পরাজয়ের আরেকটি কারণ ছিল এই যে, নাবী জীবিত থাকতেই এমন একটি ভূমিকা পেশ করা যাতে সুস্পষ্ট ইঙ্গিত থাকবে যে, মুহাম্মাদ অচিরেই মৃত্যু বরণ করবেন। নিয়ামতের প্রকৃত শোকর আদায়কারী তারাই হতে পারবে, যারা তাদের মাঝে রসূল জীবিত থাকার নিয়ামতের কদর বুঝতে সক্ষম হবে তাঁর সাথে দৃঢ় থাকবে এবং পশ্চাৎমুখী হবেনা।
টিকাঃ
২৫৯. সূরা আল-ইমরান-০৩:১৭৯
২৬১. সূরা আল-ইমরান-০৩: ১৫৩
উহুদ যুদ্ধে যে সমস্ত শিক্ষণীয় বিষয় রয়েছে, সে সম্পর্কে আল্লাহ্ তা'আলা সূরা আল-ইমরানের ১২১ নং আয়াত থেকে শুরু করে ১৬০ নং আয়াতের মধ্যে বর্ণনা করেছেন। এর মধ্যে সবচেয়ে বড় শিক্ষা হচ্ছে মুসলমানদেরকে রসূলের কথা অমান্য করা, মতভেদ করা এবং ছত্রভঙ্গ হওয়ার মন্দ পরিণাম সম্পর্কে জানিয়ে দেয়া। যাতে তারা ভবিষ্যতে সতর্ক হয়ে যায় এবং যে সমস্ত বিষয় তাদের পরাজয়ের কারণ হতে পারে তা থেকে বিরত থাকে।
নাবী-রসূল ও তাদের অনুসারীদের ক্ষেত্রে আল্লাহ্ তা'আলা বিশেষ একটি হিকমত ও রীতি হচ্ছে তারা কখনও জয়লাভ করবে আবার কখনও পরাজিত হবে। তবে সর্বশেষে তাদেরই বিজয় হবে। সবসময় তাদেরকে বিজয় দান করলে সত্যিকার মুমিন ও অন্যদের মাঝে পার্থক্য করা সম্ভব হবেনা। আর সবসময় পরাজিত করলে নাবী-রসূল প্রেরণের উদ্দেশ্য সফল হবেনা।
উহুদ যুদ্ধে মুমিনদের পরাজয়ের আরেকটি হিকমত হচ্ছে, তাদেরকে গুনাহ্ থেকে পবিত্র করা এবং মুনাফেকদের থেকে আলাদা করা। উহুদ যুদ্ধের পর থেকে মুমিনগণ মুনাফেকদের থেকে আলাদা হয়ে গিয়েছিলেন। এতে আরও হিকমত রয়েছে যে, প্রথমে কাফেরদেরকে সীমালংঘনের সুযোগ দেয়া এবং সেই কারণে তাদেরকে ধ্বংস করা।
উহুদ যুদ্ধে পরাজয়ের আরেকটি কারণ ছিল এই যে, নাবী জীবিত থাকতেই এমন একটি ভূমিকা পেশ করা যাতে সুস্পষ্ট ইঙ্গিত থাকবে যে, মুহাম্মাদ অচিরেই মৃত্যু বরণ করবেন। নিয়ামতের প্রকৃত শোকর আদায়কারী তারাই হতে পারবে, যারা তাদের মাঝে রসূল জীবিত থাকার নিয়ামতের কদর বুঝতে সক্ষম হবে তাঁর সাথে দৃঢ় থাকবে এবং পশ্চাৎমুখী হবেনা।
টিকাঃ
২৫৯. সূরা আল-ইমরান-০৩:১৭৯
২৬১. সূরা আল-ইমরান-০৩: ১৫৩
উহুদ যুদ্ধে যে সমস্ত শিক্ষণীয় বিষয় রয়েছে, সে সম্পর্কে আল্লাহ্ তা'আলা সূরা আল-ইমরানের ১২১ নং আয়াত থেকে শুরু করে ১৬০ নং আয়াতের মধ্যে বর্ণনা করেছেন। এর মধ্যে সবচেয়ে বড় শিক্ষা হচ্ছে মুসলমানদেরকে রসূলের কথা অমান্য করা, মতভেদ করা এবং ছত্রভঙ্গ হওয়ার মন্দ পরিণাম সম্পর্কে জানিয়ে দেয়া। যাতে তারা ভবিষ্যতে সতর্ক হয়ে যায় এবং যে সমস্ত বিষয় তাদের পরাজয়ের কারণ হতে পারে তা থেকে বিরত থাকে।
নাবী-রসূল ও তাদের অনুসারীদের ক্ষেত্রে আল্লাহ্ তা'আলা বিশেষ একটি হিকমত ও রীতি হচ্ছে তারা কখনও জয়লাভ করবে আবার কখনও পরাজিত হবে। তবে সর্বশেষে তাদেরই বিজয় হবে। সবসময় তাদেরকে বিজয় দান করলে সত্যিকার মুমিন ও অন্যদের মাঝে পার্থক্য করা সম্ভব হবেনা।
উহুদ যুদ্ধে মুমিনদের পরাজয়ের আরেকটি হিকমত হচ্ছে, তাদেরকে গুনাহ্ থেকে পবিত্র করা এবং মুনাফেকদের থেকে আলাদা করা। মুমিনদের অন্তরকে পরিশুদ্ধ ও পরিচ্ছন্ন করাও উদ্দেশ্য ছিল।
পরিশেষে উহুদ যুদ্ধে ৭০ জন সাহাবী শাহাদাত বরণ করার কারণে মুসলমানদের অন্তরে যেই আঘাত লেগেছিল তা দূর করার জন্য আল্লাহ্ তা'আলা তাদেরকে অত্যন্ত উত্তম ভাষায় শান্তনা দিয়েছেন।
উহুদ যুদ্ধে যে সমস্ত শিক্ষণীয় বিষয় রয়েছে, সে সম্পর্কে আল্লাহ্ তা'আলা সূরা আল-ইমরানের ১২১ নং আয়াত থেকে শুরু করে ১৬০ নং আয়াতের মধ্যে বর্ণনা করেছেন। এর মধ্যে সবচেয়ে বড় শিক্ষা হচ্ছে মুসলমানদেরকে রসূলের কথা অমান্য করা, মতভেদ করা এবং ছত্রভঙ্গ হওয়ার মন্দ পরিণাম সম্পর্কে জানিয়ে দেয়া। যাতে তারা ভবিষ্যতে সতর্ক হয়ে যায় এবং যে সমস্ত বিষয় তাদের পরাজয়ের কারণ হতে পারে তা থেকে বিরত থাকে।
নাবী-রসূল ও তাদের অনুসারীদের ক্ষেত্রে আল্লাহ্ তা'আলার বিশেষ একটি হিকমত ও রীতি হচ্ছে তারা কখনও জয়লাভ করবে আবার কখনও পরাজিত হবে। তবে সর্বশেষে তাদেরই বিজয় হবে। সবসময় তাদেরকে বিজয় দান করলে সত্যিকার মুমিন ও অন্যদের মাঝে পার্থক্য করা সম্ভব হবেনা।
উহুদ যুদ্ধে মুমিনদের পরাজয়ের আরেকটি হিকমত হচ্ছে, তাদেরকে গুনাহ্ থেকে পবিত্র করা এবং মুনাফেকদের থেকে আলাদা করা। মুমিনদের অন্তরকে পরিশুদ্ধ ও পরিচ্ছন্ন করাও উদ্দেশ্য ছিল।
পরিশেষে উহুদ যুদ্ধে ৭০ জন সাহাবী শাহাদাত বরণ করার কারণে মুসলমানদের অন্তরে যেই আঘাত লেগেছিল তা দূর করার জন্য আল্লাহ্ তা'আলা তাদেরকে অত্যন্ত উত্তম ভাষায় শান্তনা দিয়েছেন।
টিকাঃ
২৬৩. সূরা আল-ইমরান-৩:১৬৯-১৭২
উহুদ যুদ্ধে যে সমস্ত শিক্ষণীয় বিষয় রয়েছে, সে সম্পর্কে আল্লাহ্ তা'আলা সূরা আল-ইমরানের ১২১ নং আয়াত থেকে শুরু করে ১৬০ নং আয়াতের মধ্যে বর্ণনা করেছেন। এর মধ্যে সবচেয়ে বড় শিক্ষা হচ্ছে মুসলমানদেরকে রসূলের কথা অমান্য করা, মতভেদ করা এবং ছত্রভঙ্গ হওয়ার মন্দ পরিণাম সম্পর্কে জানিয়ে দেয়া। যাতে তারা ভবিষ্যতে সতর্ক হয়ে যায় এবং যে সমস্ত বিষয় তাদের পরাজয়ের কারণ হতে পারে তা থেকে বিরত থাকে।
নাবী-রসূল ও তাদের অনুসারীদের ক্ষেত্রে আল্লাহ্ তা'আলার বিশেষ একটি হিকমত ও রীতি হচ্ছে তারা কখনও জয়লাভ করবে আবার কখনও পরাজিত হবে। তবে সর্বশেষে তাদেরই বিজয় হবে। সবসময় তাদেরকে বিজয় দান করলে সত্যিকার মুমিন ও অন্যদের মাঝে পার্থক্য করা সম্ভব হবেনা।
উহুদ যুদ্ধে মুমিনদের পরাজয়ের আরেকটি হিকমত হচ্ছে, তাদেরকে গুনাহ্ থেকে পবিত্র করা এবং মুনাফেকদের থেকে আলাদা করা। মুমিনদের অন্তরকে পরিশুদ্ধ ও পরিচ্ছন্ন করাও উদ্দেশ্য ছিল।
পরিশেষে উহুদ যুদ্ধে ৭০ জন সাহাবী শাহাদাত বরণ করার কারণে মুসলমানদের অন্তরে যেই আঘাত লেগেছিল তা দূর করার জন্য আল্লাহ্ তা'আলা তাদেরকে অত্যন্ত উত্তম ভাষায় শান্তনা দিয়েছেন।
টিকাঃ
২৬৩. সূরা আল-ইমরান-৩:১৬৯-১৭২