📘 মুখতাসার যাদুল মায়াদ 📄 নবী (সাঃ) এর নিরাপত্তা চুক্তি, সন্ধি, অমুসলিমদের দূত, জিযইয়া গ্রহণ, আহলে কিতাব এবং মুনাফিকদের সাথে তাঁর আচরণ ও ওয়াদা-অঙ্গীকার পূরণ সম্পর্কে

📄 নবী (সাঃ) এর নিরাপত্তা চুক্তি, সন্ধি, অমুসলিমদের দূত, জিযইয়া গ্রহণ, আহলে কিতাব এবং মুনাফিকদের সাথে তাঁর আচরণ ও ওয়াদা-অঙ্গীকার পূরণ সম্পর্কে


রসূল হতে সহীহ সূত্রে বর্ণিত হয়েছে যে, তিনি বলেছেন- সকল মুসলিমের অঙ্গিকার ও নিরাপত্তা একই রকম। তাদের সবচেয়ে কম মর্যাদাসম্পন্ন ব্যক্তির অঙ্গিকার এবং নিরাপত্তা প্রদানও পূর্ণ করতে হবে। সুতরাং যে ব্যক্তি কোন মুসলিমের নিরাপত্তা সম্পর্কিত চুক্তি ভঙ্গ করবে, তার উপর আল্লাহ্, ফিরিস্তা এবং সমস্ত মানুষের লা'নত। নাবী যখন হিজরত করে মদীনায় আসলেন, তখন মদীনার কাফেররা তিনভাগে বিভক্ত হয়ে গেল।
> একটি দল নাবী এর সাথে এই মর্মে চুক্তিবদ্ধ হল যে, তারা তাঁর বিরুদ্ধে যুদ্ধ করবেনা।
> একদল তার বিরুদ্ধে যুদ্ধ করল এবং তাঁর প্রতি শত্রুতা পোষণ করল।
> আরেক প্রকার কাফের তাঁর সাথে কোন প্রকার চুক্তি করলনা এবং তাঁর বিরুদ্ধে যুদ্ধও করলনা। তারা তাঁর এবং তাঁর শত্রুদের শেষ পরিণামের অপেক্ষায় থাকল।
রসূল এ সমস্ত কাফেরদের সাথে হুকমে ইলাহী অনুযায়ী কাজকারবার করেছেন। তাঁর পবিত্র সুন্নাত এই ছিল যে, তিনি যখন কোন গোত্রের সাথে চুক্তি করতেন, তখন তাদের কতক লোক যদি সেই চুক্তি ভঙ্গ করত আর কতক লোক সেই চুক্তি বহাল রাখত এবং তাতে সন্তুষ্ট থাকত, তাহলে সকলের বিরুদ্ধেই যুদ্ধ করতেন।
নাবী এর কাছে তাঁর শত্রুদের দূতগণ আগমণ করত। তাঁর প্রতি তাদের শত্রুতা থাকা সত্ত্বেও তিনি দূতদেরকে কোন প্রকার কষ্ট দিতেন না। তাঁর পবিত্র সুন্নাত এই ছিল যে, অমুসলিমদের কোন দূত যদি তাঁর কাছে এসে ইসলাম কবুল করত, তাহলে তিনি তাকে রেখে দিতেন না; বরং প্রেরকের নিকট ফেরত পাঠাতেন।
তিনি কুরাইশদের সাথে দশ বছর মেয়াদী (যুদ্ধ বিরত থাকার) চুক্তি করলেন। তাতে এই শর্ত রাখা হয়েছিল যে, মক্কাবাসীদের কেউ যদি মুসলমান হয়ে তাঁর নিকট আগমণ করে তাহলে তাকে মক্কায় ফেরত পাঠাতে হবে। পরবর্তীতে আল্লাহ্ তা'আলা মহিলাদের বিষয়টি রহিত করে দিলেন এবং তাদেরকে পরীক্ষা করার আদেশ দিলেন। তাদেরকে মুমিন মহিলা হিসাবে জানা গেলে তাকে আর কাফেরদের নিকট ফেরত দেয়া হতনা।

রসূল হতে সহীহ সূত্রে বর্ণিত হয়েছে যে, তিনি বলেছেন- সকল মুসলিমের অঙ্গিকার ও নিরাপত্তা একই রকম। তাদের সবচেয়ে কম মর্যাদাসম্পন্ন ব্যক্তির অঙ্গিকার এবং নিরাপত্তা প্রদানও পূর্ণ করতে হবে। সুতরাং যে ব্যক্তি কোন মুসলিমের নিরাপত্তা সম্পর্কিত চুক্তি ভঙ্গ করবে, তার উপর আল্লাহ্, ফিরিস্তা এবং সমস্ত মানুষের লা'নত। নাবী যখন হিজরত করে মদীনায় আসলেন, তখন মদীনার কাফেররা তিনভাগে বিভক্ত হয়ে গেল।
> একটি দল নাবী এর সাথে এই মর্মে চুক্তিবদ্ধ হল যে, তারা তাঁর বিরুদ্ধে যুদ্ধ করবেনা।
> একদল তার বিরুদ্ধে যুদ্ধ করল এবং তাঁর প্রতি শত্রুতা পোষণ করল।
> আরেক প্রকার কাফের তাঁর সাথে কোন প্রকার চুক্তি করলনা এবং তাঁর বিরুদ্ধে যুদ্ধও করলনা। তারা তাঁর এবং তাঁর শত্রুদের শেষ পরিণামের অপেক্ষায় থাকল।
রসূল এ সমস্ত কাফেরদের সাথে হুকমে ইলাহী অনুযায়ী কাজকারবার করেছেন। তাঁর পবিত্র সুন্নাত এই ছিল যে, তিনি যখন কোন গোত্রের সাথে চুক্তি করতেন, তখন তাদের কতক লোক যদি সেই চুক্তি ভঙ্গ করত আর কতক লোক সেই চুক্তি বহাল রাখত এবং তাতে সন্তুষ্ট থাকত, তাহলে সকলের বিরুদ্ধেই যুদ্ধ করতেন।
নাবী এর কাছে তাঁর শত্রুদের দূতগণ আগমণ করত। তাঁর প্রতি তাদের শত্রুতা থাকা সত্ত্বেও তিনি দূতদেরকে কোন প্রকার কষ্ট দিতেন না। তাঁর পবিত্র সুন্নাত এই ছিল যে, অমুসলিমদের কোন দূত যদি তাঁর কাছে এসে ইসলাম কবুল করত, তাহলে তিনি তাকে রেখে দিতেন না; বরং প্রেরকের নিকট ফেরত পাঠাতেন।
তিনি কুরাইশদের সাথে দশ বছর মেয়াদী (যুদ্ধ বিরত থাকার) চুক্তি করলেন। তাতে এই শর্ত রাখা হয়েছিল যে, মক্কাবাসীদের কেউ যদি মুসলমান হয়ে তাঁর নিকট আগমণ করে তাহলে তাকে মক্কায় ফেরত পাঠাতে হবে। পরবর্তীতে আল্লাহ্ তা'আলা মহিলাদের বিষয়টি রহিত করে দিলেন এবং তাদেরকে পরীক্ষা করার আদেশ দিলেন। তাদেরকে মুমিন মহিলা হিসাবে জানা গেলে তাকে আর কাফেরদের নিকট ফেরত দেয়া হতনা।

রসূল হতে সহীহ সূত্রে বর্ণিত হয়েছে যে, তিনি বলেছেন- সকল মুসলিমের অঙ্গিকার ও নিরাপত্তা একই রকম। তাদের সবচেয়ে কম মর্যাদাসম্পন্ন ব্যক্তির অঙ্গিকার এবং নিরাপত্তা প্রদানও পূর্ণ করতে হবে। সুতরাং যে ব্যক্তি কোন মুসলিমের নিরাপত্তা সম্পর্কিত চুক্তি ভঙ্গ করবে, তার উপর আল্লাহ্, ফিরিস্তা এবং সমস্ত মানুষের লা'নত।
নাবী যখন হিজরত করে মদীনায় আসলেন, তখন মদীনার কাফেররা তিনভাগে বিভক্ত হয়ে গেল। একটি দল নাবী এর সাথে এই মর্মে চুক্তিবদ্ধ হল যে, তারা তাঁর বিরুদ্ধে যুদ্ধ করবেনা, তাঁর বিরুদ্ধে কোন প্রকার হামলা করবেনা এবং তাঁর শত্রুকে তার বিরুদ্ধে সাহায্যও করবেনা। একদল তার বিরুদ্ধে যুদ্ধ করল এবং তাঁর প্রতি শত্রুতা পোষণ করল। আরেক প্রকার কাফের তাঁর সাথে কোন প্রকার চুক্তি করলনা এবং তাঁর বিরুদ্ধে যুদ্ধও করলনা।
নাবী এর কাছে তাঁর শত্রুদের দূতগণ আগমণ করত। তাঁর প্রতি তাদের শত্রুতা থাকা সত্ত্বেও তিনি দূতদেরকে কোন প্রকার কষ্ট দিতেন না। তাঁর পবিত্র সুন্নাত এটিও ছিল যে, তাঁর অনুমতি ছাড়াই কোন একজন সাহাবীর সাথে তাঁর শত্রুরা যদি এমন কোন চুক্তি করত, যাতে মুসলমানদের ক্ষতির কোন আশঙ্কা নেই, তাহলে তিনি সেই চুক্তি ও অঙ্গিকার বহাল রাখতেন।
তিনি কুরাইশদের সাথে দশ বছর মেয়াদী (যুদ্ধ বিরত থাকার) চুক্তি করলেন। তাতে এই শর্ত রাখা হয়েছিল যে, মক্কাবাসীদের কেউ যদি মুসলমান হয়ে তাঁর নিকট আগমণ করে তাহলে তাকে মক্কায় ফেরত পাঠাতে হবে। পরবর্তীতে আল্লাহ্ তা'আলা মহিলাদের বিষয়টি রহিত করে দিলেন এবং তাদেরকে পরীক্ষা করার আদেশ দিলেন।

রসূল হতে সহীহ সূত্রে বর্ণিত হয়েছে যে, তিনি বলেছেন- সকল মুসলিমের অঙ্গিকার ও নিরাপত্তা একই রকম। তাদের সবচেয়ে কম মর্যাদাসম্পন্ন ব্যক্তির অঙ্গিকার এবং নিরাপত্তা প্রদানও পূর্ণ করতে হবে। সুতরাং যে ব্যক্তি কোন মুসলিমের নিরাপত্তা সম্পর্কিত চুক্তি ভঙ্গ করবে, তার উপর আল্লাহ্, ফিরিস্তা এবং সমস্ত মানুষের লা'নত।
নাবী যখন হিজরত করে মদীনায় আসলেন, তখন মদীনার কাফেররা তিনভাগে বিভক্ত হয়ে গেল। একটি দল নাবী এর সাথে এই মর্মে চুক্তিবদ্ধ হল যে, তারা তাঁর বিরুদ্ধে যুদ্ধ করবেনা, তাঁর বিরুদ্ধে কোন প্রকার হামলা করবেনা এবং তাঁর শত্রুকে তার বিরুদ্ধে সাহায্যও করবেনা। একদল তার বিরুদ্ধে যুদ্ধ করল এবং তাঁর প্রতি শত্রুতা পোষণ করল। আরেক প্রকার কাফের তাঁর সাথে কোন প্রকার চুক্তি করলনা এবং তাঁর বিরুদ্ধে যুদ্ধও করলনা।
নাবী এর কাছে তাঁর শত্রুদের দূতগণ আগমণ করত। তাঁর প্রতি তাদের শত্রুতা থাকা সত্ত্বেও তিনি দূতদেরকে কোন প্রকার কষ্ট দিতেন না। তাঁর পবিত্র সুন্নাত এটিও ছিল যে, তাঁর অনুমতি ছাড়াই কোন একজন সাহাবীর সাথে তাঁর শত্রুরা যদি এমন কোন চুক্তি করত, যাতে মুসলমানদের ক্ষতির কোন আশঙ্কা নেই, তাহলে তিনি সেই চুক্তি ও অঙ্গিকার বহাল রাখতেন।
তিনি কুরাইশদের সাথে দশ বছর মেয়াদী (যুদ্ধ বিরত থাকার) চুক্তি করলেন। তাতে এই শর্ত রাখা হয়েছিল যে, মক্কাবাসীদের কেউ যদি মুসলমান হয়ে তাঁর নিকট আগমণ করে তাহলে তাকে মক্কায় ফেরত পাঠাতে হবে। পরবর্তীতে আল্লাহ্ তা'আলা মহিলাদের বিষয়টি রহিত করে দিলেন এবং তাদেরকে পরীক্ষা করার আদেশ দিলেন।

রসূল হতে সহীহ সূত্রে বর্ণিত হয়েছে যে, তিনি বলেছেন- সকল মুসলিমের অঙ্গিকার ও নিরাপত্তা একই রকম। তাদের সবচেয়ে কম মর্যাদাসম্পন্ন ব্যক্তির অঙ্গিকার এবং নিরাপত্তা প্রদানও পূর্ণ করতে হবে। সুতরাং যে ব্যক্তি কোন মুসলিমের নিরাপত্তা সম্পর্কিত চুক্তি ভঙ্গ করবে, তার উপর আল্লাহ্, ফিরিস্তা এবং সমস্ত মানুষের লা'নত।
নাবী যখন হিজরত করে মদীনায় আসলেন, তখন মদীনার কাফেররা তিনভাগে বিভক্ত হয়ে গেল। একটি দল নাবী এর সাথে এই মর্মে চুক্তিবদ্ধ হল যে, তারা তাঁর বিরুদ্ধে যুদ্ধ করবেনা, তাঁর বিরুদ্ধে কোন প্রকার হামলা করবেনা এবং তাঁর শত্রুকে তার বিরুদ্ধে সাহায্যও করবেনা। একদল তার বিরুদ্ধে যুদ্ধ করল এবং তাঁর প্রতি শত্রুতা পোষণ করল। আরেক প্রকার কাফের তাঁর সাথে কোন প্রকার চুক্তি করলনা এবং তাঁর বিরুদ্ধে যুদ্ধও করলনা।
নাবী এর কাছে তাঁর শত্রুদের দূতগণ আগমণ করত। তাঁর প্রতি তাদের শত্রুতা থাকা সত্ত্বেও তিনি দূতদেরকে কোন প্রকার কষ্ট দিতেন না। তাঁর পবিত্র সুন্নাত এটিও ছিল যে, তাঁর অনুমতি ছাড়াই কোন একজন সাহাবীর সাথে তাঁর শত্রুরা যদি এমন কোন চুক্তি করত, যাতে মুসলমানদের ক্ষতির কোন আশঙ্কা নেই, তাহলে তিনি সেই চুক্তি ও অঙ্গিকার বহাল রাখতেন।
তিনি কুরাইশদের সাথে দশ বছর মেয়াদী (যুদ্ধ বিরত থাকার) চুক্তি করলেন। তাতে এই শর্ত রাখা হয়েছিল যে, মক্কাবাসীদের কেউ যদি মুসলমান হয়ে তাঁর নিকট আগমণ করে তাহলে তাকে মক্কায় ফেরত পাঠাতে হবে। পরবর্তীতে আল্লাহ্ তা'আলা মহিলাদের বিষয়টি রহিত করে দিলেন এবং তাদেরকে পরীক্ষা করার আদেশ দিলেন।

📘 মুখতাসার যাদুল মায়াদ 📄 অমুসলিমদের সাথে চুক্তি করা এবং কর আদায় সম্পর্কে রসূল (সাঃ) এর হিদায়াত

📄 অমুসলিমদের সাথে চুক্তি করা এবং কর আদায় সম্পর্কে রসূল (সাঃ) এর হিদায়াত


অমুসলিমদের সাথে চুক্তি করা এবং কর গ্রহণ সম্পর্কে রসূল এর হিদায়াত হচ্ছে, অষ্টম হিজরীতে সূরা তাওবা নাযিল হওয়ার পূর্বে তিনি কোন অমুসলিমের নিকট হতে জিযিয়া তথা কর গ্রহণ করেন নি। অতঃপর যখন জিযিয়া (কর-টেক্স) সম্পর্কিত আয়াত নাযিল হল তখন তিনি অগ্নিপূজক ও আহলে কিতাবদের থেকে তা আদায় করলেন। তবে খায়বারের ইহুদীদের থেকে তা আদায় করেন নি।
মূর্তিপূজকদের কাছ থেকে তিনি জিযিয়া গ্রহণ করেন নি। নাবী অগ্নিপূজকদের থেকে জিযিয়া আদায় করেছেন। রসূল ﷺ হাজারের অধিবাসী এবং অন্যান্য এলাকার বাদশাহদের নিকট পত্র লিখে তাদেরকে ইসলাম কবুল করার অথবা জিযিয়া প্রদান করার আহবান জানিয়েছেন।
নাবী নাজরানের খৃষ্টানদের সাথে এই শর্তে চুক্তি করলেন যে, তারা প্রত্যেক বছর মুসলমানদেরকে দুই হাজার জোড়া কাপড় দিবে এবং অন্যান্য যুদ্ধাস্ত্র মুসলমানদেরকে এই শর্তে দিবে যে, তারা এগুলো দিয়ে জিহাদ করবে। এর বিনিময়ে তাদের কোন ইবাদতখানা ভাঙ্গা হবেনা এবং তাদেরকে তাদের দ্বীন ছাড়তে বাধ্য করা যাবেনা।

অমুসলিমদের সাথে চুক্তি করা এবং কর গ্রহণ সম্পর্কে রসূল এর হিদায়াত হচ্ছে, অষ্টম হিজরীতে সূরা তাওবা নাযিল হওয়ার পূর্বে তিনি কোন অমুসলিমের নিকট হতে জিযিয়া তথা কর গ্রহণ করেন নি। অতঃপর যখন জিযিয়া (কর-টেক্স) সম্পর্কিত আয়াত নাযিল হল তখন তিনি অগ্নিপূজক ও আহলে কিতাবদের থেকে তা আদায় করলেন। তবে খায়বারের ইহুদীদের থেকে তা আদায় করেন নি।
মূর্তিপূজকদের কাছ থেকে তিনি জিযিয়া গ্রহণ করেন নি। নাবী অগ্নিপূজকদের থেকে জিযিয়া আদায় করেছেন। রসূল ﷺ হাজারের অধিবাসী এবং অন্যান্য এলাকার বাদশাহদের নিকট পত্র লিখে তাদেরকে ইসলাম কবুল করার অথবা জিযিয়া প্রদান করার আহবান জানিয়েছেন।
নাবী নাজরানের খৃষ্টানদের সাথে এই শর্তে চুক্তি করলেন যে, তারা প্রত্যেক বছর মুসলমানদেরকে দুই হাজার জোড়া কাপড় দিবে এবং অন্যান্য যুদ্ধাস্ত্র মুসলমানদেরকে এই শর্তে দিবে যে, তারা এগুলো দিয়ে জিহাদ করবে। এর বিনিময়ে তাদের কোন ইবাদতখানা ভাঙ্গা হবেনা এবং তাদেরকে তাদের দ্বীন ছাড়তে বাধ্য করা যাবেনা।

অষ্টম হিজরীতে সূরা তাওবা নাযিল হওয়ার পূর্বে তিনি কোন অমুসলিমের নিকট হতে জিযিয়া তথা কর গ্রহণ করেন নি। অতঃপর যখন জিযিয়া (কর-টেক্স) সম্পর্কিত আয়াত নাযিল হল তখন তিনি অগ্নিপূজক ও আহলে কিতাবদের থেকে তা আদায় করলেন। মূর্তিপূজকদের কাছ থেকে তিনি জিযিয়া গ্রহণ করেন নি।
নাবী অগ্নিপূজকদের থেকে জিযিয়া আদায় করেছেন। বাহরাইনের আরবরা ছিল অগ্নিপূজক। তানুখ, বহরা এবং বনী তাগলিবের খৃষ্টানদের থেকেও তিনি জিযিয়া গ্রহণ করেছেন। ইয়ামানের কিছু কিছু আরব গোত্র ইহুদীদের পাশে বসবাস করার কারণে আহলে কিতাবদের দ্বীনের অনুসরণ করত। নাবী তাদের উপর জিযিয়ার বিধান জারি করেছেন।
সহীহ সূত্রে বর্ণিত হয়েছে যে, মুসা (আঃ) এর শরীয়ত মানসুখ হয়ে যাওয়ার পর আনসারদের কিছু কিছু সন্তান ইহুদী হয়ে গিয়েছিল। নাবী বলেন- প্রত্যেক প্রাপ্ত বয়স্ক পুরুষ থেকে এক দীনার করে আদায় কর।

অষ্টম হিজরীতে সূরা তাওবা নাযিল হওয়ার পূর্বে তিনি কোন অমুসলিমের নিকট হতে জিযিয়া তথা কর গ্রহণ করেন নি। অতঃপর যখন জিযিয়া (কর-টেক্স) সম্পর্কিত আয়াত নাযিল হল তখন তিনি অগ্নিপূজক ও আহলে কিতাবদের থেকে তা আদায় করলেন। মূর্তিপূজকদের কাছ থেকে তিনি জিযিয়া গ্রহণ করেন নি।
নাবী অগ্নিপূজকদের থেকে জিযিয়া আদায় করেছেন। বাহরাইনের আরবরা ছিল অগ্নিপূজক। তানুখ, বহরা এবং বনী তাগলিবের খৃষ্টানদের থেকেও তিনি জিযিয়া গ্রহণ করেছেন। ইয়ামানের কিছু কিছু আরব গোত্র ইহুদীদের পাশে বসবাস করার কারণে আহলে কিতাবদের দ্বীনের অনুসরণ করত। নাবী তাদের উপর জিযিয়ার বিধান জারি করেছেন।
সহীহ সূত্রে বর্ণিত হয়েছে যে, মুসা (আঃ) এর শরীয়ত মানসুখ হয়ে যাওয়ার পর আনসারদের কিছু কিছু সন্তান ইহুদী হয়ে গিয়েছিল। নাবী বলেন- প্রত্যেক প্রাপ্ত বয়স্ক পুরুষ থেকে এক দীনার করে আদায় কর।

টিকাঃ
২৪৬. সহীহ মুসলিম, হা/ ১৭৩১।
২৪৭. বুখারী, অধ্যায়ঃ কিতাবুল জিহাদ।
২৪৮. মুসনাদে আহমাদ।

অষ্টম হিজরীতে সূরা তাওবা নাযিল হওয়ার পূর্বে তিনি কোন অমুসলিমের নিকট হতে জিযিয়া তথা কর গ্রহণ করেন নি। অতঃপর যখন জিযিয়া (কর-টেক্স) সম্পর্কিত আয়াত নাযিল হল তখন তিনি অগ্নিপূজক ও আহলে কিতাবদের থেকে তা আদায় করলেন। মূর্তিপূজকদের কাছ থেকে তিনি জিযিয়া গ্রহণ করেন নি।
নাবী অগ্নিপূজকদের থেকে জিযিয়া আদায় করেছেন। বাহরাইনের আরবরা ছিল অগ্নিপূজক। তানুখ, বহরা এবং বনী তাগলিবের খৃষ্টানদের থেকেও তিনি জিযিয়া গ্রহণ করেছেন। ইয়ামানের কিছু কিছু আরব গোত্র ইহুদীদের পাশে বসবাস করার কারণে আহলে কিতাবদের দ্বীনের অনুসরণ করত। নাবী তাদের উপর জিযিয়ার বিধান জারি করেছেন।
সহীহ সূত্রে বর্ণিত হয়েছে যে, মুসা (আঃ) এর শরীয়ত মানসুখ হয়ে যাওয়ার পর আনসারদের কিছু কিছু সন্তান ইহুদী হয়ে গিয়েছিল। নাবী বলেন- প্রত্যেক প্রাপ্ত বয়স্ক পুরুষ থেকে এক দীনার করে আদায় কর।

টিকাঃ
২৪৬. সহীহ মুসলিম, হা/ ১৭৩১।
২৪৭. বুখারী, অধ্যায়ঃ কিতাবুল জিহাদ।
২৪৮. মুসনাদে আহমাদ।

📘 মুখতাসার যাদুল মায়াদ 📄 নবুওয়াত প্রাপ্তির পর হতে মৃত্যু পর্যন্ত কাফের এবং মুনাফেকদের সাথে নবী (সাঃ) এর মুআমালাত (আচার-ব্যবহার)

📄 নবুওয়াত প্রাপ্তির পর হতে মৃত্যু পর্যন্ত কাফের এবং মুনাফেকদের সাথে নবী (সাঃ) এর মুআমালাত (আচার-ব্যবহার)


আল্লাহ্ তা'আলা তাঁর নাবীর প্রতি সর্বপ্রথম যেই অহী প্রেরণ করেন তা হচ্ছে সূরা আলাক। এরপর সূরা মুদ্দাস্সির এর মাধ্যমে তাঁর উপর রেসালাতের দায়িত্ব অর্পণ করা হয়। মক্কাতে তিনি ১৩ বছর অবস্থান করে দাওয়াত ও তাবলীগের কাজ করেছেন। হিজরতের পর জিহাদের আদেশ নাযিল হওয়ার পর কাফেররা তিন ভাগে বিভক্ত হয়ে গেল। (১) এক দল কাফের তাঁর সাথে সন্ধি ও চুক্তিতে আবদ্ধ হল। (২) এক দল কাফেরের সাথে যুদ্ধ চলতে থাকল এবং (৩) অন্য এক দল জিযিয়া প্রদান করতে রাজী হয়ে গেল। যারা তাঁর সাথে চুক্তি করার পর তা ভঙ্গ করবে, আল্লাহ্ তা'আলা তাদের বিরুদ্ধে যুদ্ধ করার আদেশ দিয়েছেন। পরবর্তীতে সকল মুশরিকদের বিরুদ্ধেই জিহাদ করা ফরয করে দেয়া হয়।
মুনাফেকদের সাথে নাবী এর আচরণ এ রকম ছিল যে, আল্লাহ্ তা'আলা তাদের প্রকাশ্য দিকটি দেখেই সিদ্ধান্ত নেওয়ার আদেশ দিয়েছেন এবং অন্তরের গোপন বিষয়টি আল্লাহর নিকট সোপর্দ করে দিতে বলেছেন। আল্লাহ্ তা'আলা তাঁর রসূলকে সংবাদ দিয়েছেন যে, তিনি মুনাফেকদের জন্য ক্ষমা প্রার্থনা করলেও আল্লাহ্ তা'আলা তাদেরকে ক্ষমা করবেন না।

📘 মুখতাসার যাদুল মায়াদ 📄 সাহাবী এবং বন্ধুদের সাথে নবী (সাঃ) এর আচরণ

📄 সাহাবী এবং বন্ধুদের সাথে নবী (সাঃ) এর আচরণ


আল্লাহ্ তা'আলা তাঁর নাবীকে আদেশ দিয়েছেন, তিনি যেন তাঁর সাথীদের সাথেই থাকেন এবং তাদের পক্ষ হতে কোন দুঃখ-কষ্ট আসলে তিনি যেন তা বরদাশত করেন। বিশেষ করে ঐ সমস্ত লোকদের সাথে তিনি যেন ধৈর্য ধারণ করেন, যারা সকাল-বিকাল আল্লাহকে স্মরণ করে এবং আল্লাহর সন্তুষ্টি কামনা করে। আরও আদেশ দেয়া হয়েছে যে, তিনি তাদের থেকে দৃষ্টি না উঠান, তাদেরকে ক্ষমা করে দেন, তাদের সাথে পরামর্শ করেন এবং তাদের জন্য দু'আ করতে থাকেন। আর যারা তাঁর কথা অমান্য করে এবং জিহাদে যাওয়া থেকে পিছিয়ে থাকে তাদের তাওবা কবুল না হওয়া পর্যন্ত আল্লাহ্ তা'আলা তাদেরকে পরিত্যাগ করার আদেশ দিয়েছেন। তিনি তাঁকে আরও আদেশ দিয়েছেন যে, তিনি যেন মুসলমানদের সম্ভ্রান্ত ও নিম্ন শ্রেণীর সকল লোকের উপরই শরীয়তের দন্ডবিধি কায়েম করেন।

মানব শয়তানদের মধ্যে তাঁর যে সমস্ত দুশমন রয়েছে, তাদেরকে উত্তম পন্থায় প্রতিহত করতে বলা হয়েছে। সুতরাং তারা খারাপ আচরণ করলে তার মুকাবেলায় তাদের সাথে উত্তম আচরণ করতে হবে, মূর্খতার মুকাবেলায় ধৈর্য ধারণ করতে হবে, জুলুমের মুকাবেলায় ক্ষমা করা এবং যে আত্মীয়তার সম্পর্ক ছিন্ন করে, তার সাথে তা বজায় রাখতে হবে। তিনি বলেছেন- যদি এরূপ করা হয়, তাহলে দেখা যাবে শত্রুও অন্তরঙ্গ বন্ধুতে পরিণত হয়েছে।

জিন শয়তান থেকে বাঁচার জন্য তিনি ইস্তিআযা পাঠ করার আদেশ দিয়েছেন তথা আউযুবিল্লাহি মিনাশ্ শাইতানির রাজীম পাঠ করতে বলেছেন। এই দুইটি বিষয় অর্থাৎ মানুষ শয়তান ও জিন শয়তানের ক্ষতি থেকে বাঁচার উপায় আল্লাহ্ তা'আলা কুরআনের তিন স্থানে উল্লেখ করেছেন। আল্লাহ্ তা'আলা সূরা আরাফে বলেন-
(خُذِ الْعَفْوَ وَأْمُرْ بِالْعُرْفِ وَأَعْرِضْ عَنِ الْجَاهِلِينَ وَإِمَّا يَنْزَغَنَّكَ مِنَ الشَّيْطَانِ نَزْغٌ فَاسْتَعِذْ بِاللَّهِ إِنَّهُ سَمِيعٌ عَلِيمٌ)
"আর ক্ষমা করার অভ্যাস গড়ে তোল, সৎকাজের নির্দেশ দাও এবং মূর্খ জাহেলদের থেকে দূরে সরে থাক। আর যদি শয়তানের প্ররোচনা তোমাকে প্ররোচিত করে, তাহলে আল্লাহর শরনাপন্ন হও। তিনিই শ্রবণকারী, মহাজ্ঞানী"। ২৪৯

সুতরাং জাহেলদের ক্ষতি হতে বাঁচার জন্য তাদের থেকে মুখ ফিরানোর আদেশ দেয়া হয়েছে। আর শয়তান থেকে বাঁচার জন্য আউযুবিল্লাহ্ পাঠ করতে বলা হয়েছে। উপরোক্ত আয়াতে আল্লাহ্ তা'আলা সৎচরিত্রের সকল বৈশিষ্টই একত্রিত করেছেন। কেননা শাসকের সাথে প্রজাদের তিন রকমের অবস্থা হতে পারে। (১) তাদের উপর শাসকের একটি হক রয়েছে, যা পালন করা তাদের জন্য আবশ্যক। শাসক নিজেই তা পালন করার হুকুম দিবেন। আর এ ব্যাপারে যেহেতু প্রজাদের ত্রুটি ও অলসতা করার সম্ভাবনা রয়েছে, তাই আল্লাহ্ তা'আলা শাসককে আদেশ দিয়েছেন যে, তিনি যেন তার হক আদায় করে নেয়ার সময় প্রজাদের সন্তুষ্টির দিকে খেয়াল রাখেন এবং তাদের উপর সহজ করেন। কঠোরতা আরোপ করা থেকে যেন বিরত থাকেন। ক্ষমা করে দেয়ার এটিই অর্থ। এরূপ করলে তাদের কোন ক্ষতি ও কষ্ট হবেনা। আল্লাহ্ তা'আলা তাঁর রসূলকে হুকুম দিয়েছেন যে, তিনি যেন লোকদেরকে ভাল কাজের আদেশ দেন। সুস্থ বিবেক ও অবিকৃত স্বভাব যাকে সমর্থন করে এবং যাকে সুন্দর ও উপকারী হিসাবে স্বীকৃত দেয়, তাই ভাল। তাঁকে আরও আদেশ দেয়া হয়েছে যে, তিনি যেন নরম-ভদ্রভাবে ভাল কাজের আদেশ দেন এবং কঠোরতা পরিহার করেন। সাহাবীগণ তাঁর সাথে মূর্খতা সুলভ আচরণ করলে তিনি যেন তা পরিহার করে চলেন এবং মূর্খদের থেকে মুখ ফিরিয়ে নেন। এই ছিল জিন, ইনসান, মুমিন, কাফের তথা পৃথিবীবাসীদের সকল শ্রেণীর সাথে তাঁর চিরসুন্দর আচরণ।

টিকাঃ
২৪৯. সূরা আরাফ-৭: ১৯৯-২০০

আল্লাহ্ তা'আলা তাঁর নাবীকে আদেশ দিয়েছেন, তিনি যেন তাঁর সাথীদের সাথেই থাকেন এবং তাদের পক্ষ হতে কোন দুঃখ-কষ্ট আসলে তিনি যেন তা বরদাশত করেন। বিশেষ করে ঐ সমস্ত লোকদের সাথে তিনি যেন ধৈর্য ধারণ করেন, যারা সকাল-বিকাল আল্লাহকে স্মরণ করে এবং আল্লাহর সন্তুষ্টি কামনা করে। আরও আদেশ দেয়া হয়েছে যে, তিনি তাদের থেকে দৃষ্টি না উঠান, তাদেরকে ক্ষমা করে দেন, তাদের সাথে পরামর্শ করেন এবং তাদের জন্য দু'আ করতে থাকেন। আর যারা তাঁর কথা অমান্য করে এবং জিহাদে যাওয়া থেকে পিছিয়ে থাকে তাদের তাওবা কবুল না হওয়া পর্যন্ত আল্লাহ্ তা'আলা তাদেরকে পরিত্যাগ করার আদেশ দিয়েছেন। তিনি তাঁকে আরও আদেশ দিয়েছেন যে, তিনি যেন মুসলমানদের সম্ভ্রান্ত ও নিম্ন শ্রেণীর সকল লোকের উপরই শরীয়তের দন্ডবিধি কায়েম করেন।

মানব শয়তানদের মধ্যে তাঁর যে সমস্ত দুশমন রয়েছে, তাদেরকে উত্তম পন্থায় প্রতিহত করতে বলা হয়েছে। সুতরাং তারা খারাপ আচরণ করলে তার মুকাবেলায় তাদের সাথে উত্তম আচরণ করতে হবে, মূর্খতার মুকাবেলায় ধৈর্য ধারণ করতে হবে, জুলুমের মুকাবেলায় ক্ষমা করা এবং যে আত্মীয়তার সম্পর্ক ছিন্ন করে, তার সাথে তা বজায় রাখতে হবে। তিনি বলেছেন- যদি এরূপ করা হয়, তাহলে দেখা যাবে শত্রুও অন্তরঙ্গ বন্ধুতে পরিণত হয়েছে।

জিন শয়তান থেকে বাঁচার জন্য তিনি ইস্তিআযা পাঠ করার আদেশ দিয়েছেন তথা আউযুবিল্লাহি মিনাশ্ শাইতানির রাজীম পাঠ করতে বলেছেন। এই দুইটি বিষয় অর্থাৎ মানুষ শয়তান ও জিন শয়তানের ক্ষতি থেকে বাঁচার উপায় আল্লাহ্ তা'আলা কুরআনের তিন স্থানে উল্লেখ করেছেন। আল্লাহ্ তা'আলা সূরা আরাফে বলেন-
(خُذِ الْعَفْوَ وَأْمُرْ بِالْعُرْفِ وَأَعْرِضْ عَنِ الْجَاهِلِينَ وَإِمَّا يَنْزَغَنَّكَ مِنَ الشَّيْطَانِ نَزْغٌ فَاسْتَعِذْ بِاللَّهِ إِنَّهُ سَمِيعٌ عَلِيمٌ)
"আর ক্ষমা করার অভ্যাস গড়ে তোল, সৎকাজের নির্দেশ দাও এবং মূর্খ জাহেলদের থেকে দূরে সরে থাক। আর যদি শয়তানের প্ররোচনা তোমাকে প্ররোচিত করে, তাহলে আল্লাহর শরনাপন্ন হও। তিনিই শ্রবণকারী, মহাজ্ঞানী"। ২৪৯

সুতরাং জাহেলদের ক্ষতি হতে বাঁচার জন্য তাদের থেকে মুখ ফিরানোর আদেশ দেয়া হয়েছে। আর শয়তান থেকে বাঁচার জন্য আউযুবিল্লাহ্ পাঠ করতে বলা হয়েছে। উপরোক্ত আয়াতে আল্লাহ্ তা'আলা সৎচরিত্রের সকল বৈশিষ্টই একত্রিত করেছেন। কেননা শাসকের সাথে প্রজাদের তিন রকমের অবস্থা হতে পারে। (১) তাদের উপর শাসকের একটি হক রয়েছে, যা পালন করা তাদের জন্য আবশ্যক। শাসক নিজেই তা পালন করার হুকুম দিবেন। আর এ ব্যাপারে যেহেতু প্রজাদের ত্রুটি ও অলসতা করার সম্ভাবনা রয়েছে, তাই আল্লাহ্ তা'আলা শাসককে আদেশ দিয়েছেন যে, তিনি যেন তার হক আদায় করে নেয়ার সময় প্রজাদের সন্তুষ্টির দিকে খেয়াল রাখেন এবং তাদের উপর সহজ করেন। কঠোরতা আরোপ করা থেকে যেন বিরত থাকেন। ক্ষমা করে দেয়ার এটিই অর্থ। এরূপ করলে তাদের কোন ক্ষতি ও কষ্ট হবেনা। আল্লাহ্ তা'আলা তাঁর রসূলকে হুকুম দিয়েছেন যে, তিনি যেন লোকদেরকে ভাল কাজের আদেশ দেন। সুস্থ বিবেক ও অবিকৃত স্বভাব যাকে সমর্থন করে এবং যাকে সুন্দর ও উপকারী হিসাবে স্বীকৃত দেয়, তাই ভাল। তাঁকে আরও আদেশ দেয়া হয়েছে যে, তিনি যেন নরম-ভদ্রভাবে ভাল কাজের আদেশ দেন এবং কঠোরতা পরিহার করেন। সাহাবীগণ তাঁর সাথে মূর্খতা সুলভ আচরণ করলে তিনি যেন তা পরিহার করে চলেন এবং মূর্খদের থেকে মুখ ফিরিয়ে নেন। এই ছিল জিন, ইনসান, মুমিন, কাফের তথা পৃথিবীবাসীদের সকল শ্রেণীর সাথে তাঁর চিরসুন্দর আচরণ।

টিকাঃ
২৪৯. সূরা আরাফ-৭: ১৯৯-২০০

ফন্ট সাইজ
15px
17px