📘 মুখতাসার যাদুল মায়াদ 📄 গণীমতের মাল বণ্টন

📄 গণীমতের মাল বণ্টন


তিনি যখন দুশমনদের বিরুদ্ধে জয়লাভ করতেন, তখন একজন ঘোষককে ঘোষণা করার আদেশ দিতেন। তখন গণীমতের সমস্ত মাল একত্রিত করা হত। গণীমত বন্টনের পূর্বে নিহত কাফেরের সালাব তথা তার কাছ থেকে প্রাপ্ত সম্পদ তার হত্যাকারীকেই দিয়ে দিতেন। অতঃপর তিনি গণীমতের মাল থেকে পাঁচ ভাগের একভাগ বের করে নিতেন। আল্লাহর ইচ্ছা অনুযায়ী তিনি তা ব্যয় করতেন এবং মুসলমানদের কল্যাণমূলক কাজে খরচ করার আদেশ দিতেন। আর যা বাকী থাকত, তা থেকে ঐ সমস্ত লোকদেরকে দান করতেন, যাদের জন্য গণীমতের মাল থেকে অংশ দেয়ার বিধান রাখা হয়নি। যেমন নারী, শিশু এবং দাস-দাসীগণ। অতঃপর বাকী সম্পদ মুজাহিদদের মাঝে সমান হারে ভাগ করে দিতেন। অশ্বারোহী যোদ্ধাকে তিন অংশ প্রদান করতেন। এক অংশ অশ্বারোহী মুজাহিদের জন্য। দুই অংশ তার ঘোড়ার জন্য। পদাতিক সৈনিককে দিতেন এক অংশ। এটিই সঠিক মত। তিনি গণীমতের মূল সম্পদ থেকে প্রয়োজন অনুপাতে মুসলমানদের কাজেও ব্যয় করতেন।
কোন এক যুদ্ধে তিনি সালামা বিন আকওয়া কে পদাতিক ও অশ্বারোহীর অংশ একত্রিত করে মোট পাঁচ অংশ প্রদান করেছেন। যুদ্ধ ক্ষেত্রে তাঁর বীরত্ব এবং অন্যান্য ক্রিয়া কলাপের কারণেই তিনি এমনটি করেছিলেন। গণীমতের মাল বন্টনের ক্ষেত্রে তিনি দুর্বল ও শক্তিশালীর মধ্যে কোন পার্থক্য করতেন না। সকলকেই সমান করে প্রদান করতেন। তবে তিনি কাউকে অতিরিক্ত কিছু দিলে সে কথা ভিন্ন। শত্রুদের দেশে হামলা করার সময় তিনি প্রথমে সেনাবাহিনীর ছোট একটি দল প্রেরণ করতেন। তারা যদি গণীমত সংগ্রহ করতে পারত তাহলে তা থেকে এক পঞ্চমাংশ বের করে নিয়ে বাকী চার অংশের এক অংশ নফল হিসাবে হামলাকারী সৈনিকদের মাঝে ভাগ করে দিতেন। যা বাকী থাকত তা প্রেরিত সৈনিক এবং অন্যান্য সৈনিকদের মাঝে ভাগ করে দিতেন।

📘 মুখতাসার যাদুল মায়াদ 📄 যুদ্ধবন্দীদের ব্যাপারে নবী (সাঃ) এর হিদায়াত

📄 যুদ্ধবন্দীদের ব্যাপারে নবী (সাঃ) এর হিদায়াত


যুদ্ধবন্দীদের কারও উপর তিনি অনুগ্রহ করতেন এবং ছেড়ে দিতেন। বনী হানীফার সরদার ছুমানা বিন উছালকে বন্দী করে তিনি মাসজিদের খুঁটির সাথে বেঁধে রেখেছিলেন। পরে তিনি তাকে ছেড়ে দিলে সে মুসলমান হয়ে যায়। আবার কাউকে অর্থের বিনিময়ে ছেড়ে দিতেন। বদরের যুদ্ধে তিনি সকল বন্দীকে অর্থের বিনিময়ে ছেড়ে দিয়েছিলেন। আবার কখনও মুসলিম বন্দীদের বিনিময়েও ছাড়তেন।
নাবী বা তাঁর সাহাবীদের আমল দ্বারা প্রমাণিত হয়েছে যে, আরব বন্দীদেরকেও দাস বানানো জায়েয আছে। শিশু সন্তানসহ কোন মহিলা বন্দী হলে তিনি মা ও তার সন্তানের পার্থক্য করতে নিষেধ করতেন। তিনি বলতেন- যে ব্যক্তি কোন শিশু ও তার মাতার মধ্যে বিচ্ছেদ ঘটাবে, কিয়ামতের দিন আল্লাহ্ তা'আলা তার মাঝে এবং তার প্রিয়জনের মাঝে বিচ্ছেদ ঘটাবেন।
নাবী থেকে সহীহ সূত্রে বর্ণিত হয়েছে যে, তিনি একজন মুশরিক গোয়েন্দাকে হত্যা করেছেন। তবে হাতেব বিন আবী বালতাআকে হত্যা করেন নি, কারণ তিনি বদরের যুদ্ধে শরীক ছিলেন। তাঁর পবিত্র সুন্নাত এটিও ছিল যে, মুশরিকদের দাসেরা মুসলমানদের দেশে চলে আসলে এবং মুসলমান হয়ে গেলে তাদেরকে আযাদ মনে করা হত।

📘 মুখতাসার যাদুল মায়াদ 📄 গণীমত হিসাবে প্রাপ্ত যমীনে রসূল (সাঃ) এর হিদায়াত

📄 গণীমত হিসাবে প্রাপ্ত যমীনে রসূল (সাঃ) এর হিদায়াত


রসূল থেকে সহীহ সূত্রে বর্ণিত হয়েছে যে, বনী কুরায়যা, বনী নযীর এবং খায়বারের অর্ধেক ভূমি মুজাহিদদের মধ্যে ভাগ করে দিয়েছিলেন। মদীনা বিজয় করেছিলেন কুরআনের মাধ্যমে। মদীনা বাসীগণ স্বেচ্ছায় ইসলাম কবুল করেছে। সুতরাং তাদেরকে নিজ নিজ অবস্থানে রেখে দিয়েছেন।
মক্কা বিজয়ের পর মক্কার যমীন মুসলমানদের মধ্যে বণ্টন করা হয়নি। কারণ স্বরূপ কেউ কেউ বলেন, এটি হচ্ছে মুসলমানদের পবিত্র ও ইবাদতের স্থান। তাই এটি আল্লাহর পক্ষ হতে তাঁর বান্দাদের জন্য ওয়াক্ফ স্বরূপ। কেউ কেউ বলেছেন- যুদ্ধের মাধ্যমে বিজিত অঞ্চলের যমীনের ব্যাপারে ইমামের স্বাধীনতা রয়েছে। তিনি ইচ্ছা করলে এগুলো ভাগ করে দিবেন অথবা ওয়াক্ফ হিসেবে রেখে দিবেন। কেননা নাবী খায়বারের যমীন ভাগ করে দিয়েছেন এবং মক্কার যমীন ওয়াক্ফ হিসেবে রেখে দিয়েছেন। এতে বুঝা গেল উভয়টিই জায়েয আছে। আলেমগণ বলেন- যুদ্ধলব্ধ অন্যান্য সম্পদের বণ্টন ব্যবস্থা যমীনের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হবেনা। কেননা আল্লাহ্ তা'আলা এই উম্মাত ব্যতীত অন্য কোন উম্মাতের জন্য গণীমতের মাল হালাল করেন নি। আল্লাহ তাদের জন্য কাফেরদের ভূমি যমীন ও বসতবাড়ি হালাল করেছেন।

রসূল থেকে সহীহ সূত্রে বর্ণিত হয়েছে যে, বনী কুরায়যা, বনী নযীর এবং খায়বারের অর্ধেক ভূমি মুজাহিদদের মধ্যে ভাগ করে দিয়েছিলেন। মদীনা বিজয় করেছিলেন কুরআনের মাধ্যমে। মদীনা বাসীগণ স্বেচ্ছায় ইসলাম কবুল করেছে। সুতরাং তাদেরকে নিজ নিজ অবস্থানে রেখে দিয়েছেন।
মক্কা বিজয়ের পর মক্কার যমীন মুসলমানদের মধ্যে বণ্টন করা হয়নি। কারণ স্বরূপ কেউ কেউ বলেন, এটি হচ্ছে মুসলমানদের পবিত্র ও ইবাদতের স্থান। তাই এটি আল্লাহর পক্ষ হতে তাঁর বান্দাদের জন্য ওয়াক্ফ স্বরূপ। কেউ কেউ বলেছেন- যুদ্ধের মাধ্যমে বিজিত অঞ্চলের যমীনের ব্যাপারে ইমামের স্বাধীনতা রয়েছে। তিনি ইচ্ছা করলে এগুলো ভাগ করে দিবেন অথবা ওয়াক্ফ হিসেবে রেখে দিবেন। কেননা নাবী খায়বারের যমীন ভাগ করে দিয়েছেন এবং মক্কার যমীন ওয়াক্ফ হিসেবে রেখে দিয়েছেন। এতে বুঝা গেল উভয়টিই জায়েয আছে। আলেমগণ বলেন- যুদ্ধলব্ধ অন্যান্য সম্পদের বণ্টন ব্যবস্থা যমীনের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হবেনা। কেননা আল্লাহ্ তা'আলা এই উম্মাত ব্যতীত অন্য কোন উম্মাতের জন্য গণীমতের মাল হালাল করেন নি। আল্লাহ তাদের জন্য কাফেরদের ভূমি যমীন ও বসতবাড়ি হালাল করেছেন।

রসূল থেকে সহীহ সূত্রে বর্ণিত হয়েছে যে, বনী কুরায়যা, বনী নযীর এবং খায়বারের অর্ধেক ভূমি মুজাহিদদের মধ্যে ভাগ করে দিয়েছিলেন। মদীনা বিজয় করেছিলেন কুরআনের মাধ্যমে। মদীনা বাসীগণ স্বেচ্ছায় ইসলাম কবুল করেছে। সুতরাং তাদেরকে নিজ নিজ অবস্থানে রেখে দিয়েছেন।
মক্কা বিজয়ের পর মক্কার যমীন মুসলমানদের মধ্যে বণ্টন করা হয়নি। কারণ স্বরূপ কেউ কেউ বলেন, এটি হচ্ছে মুসলমানদের পবিত্র ও ইবাদতের স্থান। তাই এটি আল্লাহর পক্ষ হতে তাঁর বান্দাদের জন্য ওয়াক্ফ স্বরূপ। কেউ কেউ বলেছেন- যুদ্ধের মাধ্যমে বিজিত অঞ্চলের যমীনের ব্যাপারে ইমামের স্বাধীনতা রয়েছে। তিনি ইচ্ছা করলে এগুলো ভাগ করে দিবেন অথবা ওয়াক্ফ হিসেবে রেখে দিবেন। কেননা নাবী খায়বারের যমীন ভাগ করে দিয়েছেন এবং মক্কার যমীন ওয়াক্ফ হিসেবে রেখে দিয়েছেন। এতে বুঝা গেল উভয়টিই জায়েয আছে। আলেমগণ বলেন- যুদ্ধলব্ধ অন্যান্য সম্পদের বণ্টন ব্যবস্থা যমীনের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হবেনা। কেননা আল্লাহ্ তা'আলা এই উম্মাত ব্যতীত অন্য কোন উম্মাতের জন্য গণীমতের মাল হালাল করেন নি। আল্লাহ তাদের জন্য কাফেরদের ভূমি যমীন ও বসতবাড়ি হালাল করেছেন।

রসূল থেকে সহীহ সূত্রে বর্ণিত হয়েছে যে, বনী কুরায়যা, বনী নযীর এবং খায়বারের অর্ধেক ভূমি মুজাহিদদের মধ্যে ভাগ করে দিয়েছিলেন। মদীনা বিজয় করেছিলেন কুরআনের মাধ্যমে। মদীনা বাসীগণ স্বেচ্ছায় ইসলাম কবুল করেছে। সুতরাং তাদেরকে নিজ নিজ অবস্থানে রেখে দিয়েছেন।
মক্কা বিজয়ের পর মক্কার যমীন মুসলমানদের মধ্যে বণ্টন করা হয়নি। কারণ স্বরূপ কেউ কেউ বলেন, এটি হচ্ছে মুসলমানদের পবিত্র ও ইবাদতের স্থান। তাই এটি আল্লাহর পক্ষ হতে তাঁর বান্দাদের জন্য ওয়াক্ফ স্বরূপ। কেউ কেউ বলেছেন- যুদ্ধের মাধ্যমে বিজিত অঞ্চলের যমীনের ব্যাপারে ইমামের স্বাধীনতা রয়েছে। তিনি ইচ্ছা করলে এগুলো ভাগ করে দিবেন অথবা ওয়াক্ফ হিসেবে রেখে দিবেন। কেননা নাবী খায়বারের যমীন ভাগ করে দিয়েছেন এবং মক্কার যমীন ওয়াক্ফ হিসেবে রেখে দিয়েছেন। এতে বুঝা গেল উভয়টিই জায়েয আছে। আলেমগণ বলেন- যুদ্ধলব্ধ অন্যান্য সম্পদের বণ্টন ব্যবস্থা যমীনের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হবেনা। কেননা আল্লাহ্ তা'আলা এই উম্মাত ব্যতীত অন্য কোন উম্মাতের জন্য গণীমতের মাল হালাল করেন নি। আল্লাহ তাদের জন্য কাফেরদের ভূমি যমীন ও বসতবাড়ি হালাল করেছেন।

রসূল থেকে সহীহ সূত্রে বর্ণিত হয়েছে যে, বনী কুরায়যা, বনী নযীর এবং খায়বারের অর্ধেক ভূমি মুজাহিদদের মধ্যে ভাগ করে দিয়েছিলেন। মদীনা বিজয় করেছিলেন কুরআনের মাধ্যমে। মদীনা বাসীগণ স্বেচ্ছায় ইসলাম কবুল করেছে। সুতরাং তাদেরকে নিজ নিজ অবস্থানে রেখে দিয়েছেন।
মক্কা বিজয়ের পর মক্কার যমীন মুসলমানদের মধ্যে বণ্টন করা হয়নি। কারণ স্বরূপ কেউ কেউ বলেন, এটি হচ্ছে মুসলমানদের পবিত্র ও ইবাদতের স্থান। তাই এটি আল্লাহর পক্ষ হতে তাঁর বান্দাদের জন্য ওয়াক্ফ স্বরূপ। কেউ কেউ বলেছেন- যুদ্ধের মাধ্যমে বিজিত অঞ্চলের যমীনের ব্যাপারে ইমামের স্বাধীনতা রয়েছে। তিনি ইচ্ছা করলে এগুলো ভাগ করে দিবেন অথবা ওয়াক্ফ হিসেবে রেখে দিবেন। কেননা নাবী খায়বারের যমীন ভাগ করে দিয়েছেন এবং মক্কার যমীন ওয়াক্ফ হিসেবে রেখে দিয়েছেন। এতে বুঝা গেল উভয়টিই জায়েয আছে। আলেমগণ বলেন- যুদ্ধলব্ধ অন্যান্য সম্পদের বণ্টন ব্যবস্থা যমীনের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হবেনা। কেননা আল্লাহ্ তা'আলা এই উম্মাত ব্যতীত অন্য কোন উম্মাতের জন্য গণীমতের মাল হালাল করেন নি। আল্লাহ তাদের জন্য কাফেরদের ভূমি যমীন ও বসতবাড়ি হালাল করেছেন।

📘 মুখতাসার যাদুল মায়াদ 📄 নবী (সাঃ) এর নিরাপত্তা চুক্তি, সন্ধি, অমুসলিমদের দূত, জিযইয়া গ্রহণ, আহলে কিতাব এবং মুনাফিকদের সাথে তাঁর আচরণ ও ওয়াদা-অঙ্গীকার পূরণ সম্পর্কে

📄 নবী (সাঃ) এর নিরাপত্তা চুক্তি, সন্ধি, অমুসলিমদের দূত, জিযইয়া গ্রহণ, আহলে কিতাব এবং মুনাফিকদের সাথে তাঁর আচরণ ও ওয়াদা-অঙ্গীকার পূরণ সম্পর্কে


রসূল হতে সহীহ সূত্রে বর্ণিত হয়েছে যে, তিনি বলেছেন- সকল মুসলিমের অঙ্গিকার ও নিরাপত্তা একই রকম। তাদের সবচেয়ে কম মর্যাদাসম্পন্ন ব্যক্তির অঙ্গিকার এবং নিরাপত্তা প্রদানও পূর্ণ করতে হবে। সুতরাং যে ব্যক্তি কোন মুসলিমের নিরাপত্তা সম্পর্কিত চুক্তি ভঙ্গ করবে, তার উপর আল্লাহ্, ফিরিস্তা এবং সমস্ত মানুষের লা'নত। নাবী যখন হিজরত করে মদীনায় আসলেন, তখন মদীনার কাফেররা তিনভাগে বিভক্ত হয়ে গেল।
> একটি দল নাবী এর সাথে এই মর্মে চুক্তিবদ্ধ হল যে, তারা তাঁর বিরুদ্ধে যুদ্ধ করবেনা।
> একদল তার বিরুদ্ধে যুদ্ধ করল এবং তাঁর প্রতি শত্রুতা পোষণ করল।
> আরেক প্রকার কাফের তাঁর সাথে কোন প্রকার চুক্তি করলনা এবং তাঁর বিরুদ্ধে যুদ্ধও করলনা। তারা তাঁর এবং তাঁর শত্রুদের শেষ পরিণামের অপেক্ষায় থাকল।
রসূল এ সমস্ত কাফেরদের সাথে হুকমে ইলাহী অনুযায়ী কাজকারবার করেছেন। তাঁর পবিত্র সুন্নাত এই ছিল যে, তিনি যখন কোন গোত্রের সাথে চুক্তি করতেন, তখন তাদের কতক লোক যদি সেই চুক্তি ভঙ্গ করত আর কতক লোক সেই চুক্তি বহাল রাখত এবং তাতে সন্তুষ্ট থাকত, তাহলে সকলের বিরুদ্ধেই যুদ্ধ করতেন।
নাবী এর কাছে তাঁর শত্রুদের দূতগণ আগমণ করত। তাঁর প্রতি তাদের শত্রুতা থাকা সত্ত্বেও তিনি দূতদেরকে কোন প্রকার কষ্ট দিতেন না। তাঁর পবিত্র সুন্নাত এই ছিল যে, অমুসলিমদের কোন দূত যদি তাঁর কাছে এসে ইসলাম কবুল করত, তাহলে তিনি তাকে রেখে দিতেন না; বরং প্রেরকের নিকট ফেরত পাঠাতেন।
তিনি কুরাইশদের সাথে দশ বছর মেয়াদী (যুদ্ধ বিরত থাকার) চুক্তি করলেন। তাতে এই শর্ত রাখা হয়েছিল যে, মক্কাবাসীদের কেউ যদি মুসলমান হয়ে তাঁর নিকট আগমণ করে তাহলে তাকে মক্কায় ফেরত পাঠাতে হবে। পরবর্তীতে আল্লাহ্ তা'আলা মহিলাদের বিষয়টি রহিত করে দিলেন এবং তাদেরকে পরীক্ষা করার আদেশ দিলেন। তাদেরকে মুমিন মহিলা হিসাবে জানা গেলে তাকে আর কাফেরদের নিকট ফেরত দেয়া হতনা।

রসূল হতে সহীহ সূত্রে বর্ণিত হয়েছে যে, তিনি বলেছেন- সকল মুসলিমের অঙ্গিকার ও নিরাপত্তা একই রকম। তাদের সবচেয়ে কম মর্যাদাসম্পন্ন ব্যক্তির অঙ্গিকার এবং নিরাপত্তা প্রদানও পূর্ণ করতে হবে। সুতরাং যে ব্যক্তি কোন মুসলিমের নিরাপত্তা সম্পর্কিত চুক্তি ভঙ্গ করবে, তার উপর আল্লাহ্, ফিরিস্তা এবং সমস্ত মানুষের লা'নত। নাবী যখন হিজরত করে মদীনায় আসলেন, তখন মদীনার কাফেররা তিনভাগে বিভক্ত হয়ে গেল।
> একটি দল নাবী এর সাথে এই মর্মে চুক্তিবদ্ধ হল যে, তারা তাঁর বিরুদ্ধে যুদ্ধ করবেনা।
> একদল তার বিরুদ্ধে যুদ্ধ করল এবং তাঁর প্রতি শত্রুতা পোষণ করল।
> আরেক প্রকার কাফের তাঁর সাথে কোন প্রকার চুক্তি করলনা এবং তাঁর বিরুদ্ধে যুদ্ধও করলনা। তারা তাঁর এবং তাঁর শত্রুদের শেষ পরিণামের অপেক্ষায় থাকল।
রসূল এ সমস্ত কাফেরদের সাথে হুকমে ইলাহী অনুযায়ী কাজকারবার করেছেন। তাঁর পবিত্র সুন্নাত এই ছিল যে, তিনি যখন কোন গোত্রের সাথে চুক্তি করতেন, তখন তাদের কতক লোক যদি সেই চুক্তি ভঙ্গ করত আর কতক লোক সেই চুক্তি বহাল রাখত এবং তাতে সন্তুষ্ট থাকত, তাহলে সকলের বিরুদ্ধেই যুদ্ধ করতেন।
নাবী এর কাছে তাঁর শত্রুদের দূতগণ আগমণ করত। তাঁর প্রতি তাদের শত্রুতা থাকা সত্ত্বেও তিনি দূতদেরকে কোন প্রকার কষ্ট দিতেন না। তাঁর পবিত্র সুন্নাত এই ছিল যে, অমুসলিমদের কোন দূত যদি তাঁর কাছে এসে ইসলাম কবুল করত, তাহলে তিনি তাকে রেখে দিতেন না; বরং প্রেরকের নিকট ফেরত পাঠাতেন।
তিনি কুরাইশদের সাথে দশ বছর মেয়াদী (যুদ্ধ বিরত থাকার) চুক্তি করলেন। তাতে এই শর্ত রাখা হয়েছিল যে, মক্কাবাসীদের কেউ যদি মুসলমান হয়ে তাঁর নিকট আগমণ করে তাহলে তাকে মক্কায় ফেরত পাঠাতে হবে। পরবর্তীতে আল্লাহ্ তা'আলা মহিলাদের বিষয়টি রহিত করে দিলেন এবং তাদেরকে পরীক্ষা করার আদেশ দিলেন। তাদেরকে মুমিন মহিলা হিসাবে জানা গেলে তাকে আর কাফেরদের নিকট ফেরত দেয়া হতনা।

রসূল হতে সহীহ সূত্রে বর্ণিত হয়েছে যে, তিনি বলেছেন- সকল মুসলিমের অঙ্গিকার ও নিরাপত্তা একই রকম। তাদের সবচেয়ে কম মর্যাদাসম্পন্ন ব্যক্তির অঙ্গিকার এবং নিরাপত্তা প্রদানও পূর্ণ করতে হবে। সুতরাং যে ব্যক্তি কোন মুসলিমের নিরাপত্তা সম্পর্কিত চুক্তি ভঙ্গ করবে, তার উপর আল্লাহ্, ফিরিস্তা এবং সমস্ত মানুষের লা'নত।
নাবী যখন হিজরত করে মদীনায় আসলেন, তখন মদীনার কাফেররা তিনভাগে বিভক্ত হয়ে গেল। একটি দল নাবী এর সাথে এই মর্মে চুক্তিবদ্ধ হল যে, তারা তাঁর বিরুদ্ধে যুদ্ধ করবেনা, তাঁর বিরুদ্ধে কোন প্রকার হামলা করবেনা এবং তাঁর শত্রুকে তার বিরুদ্ধে সাহায্যও করবেনা। একদল তার বিরুদ্ধে যুদ্ধ করল এবং তাঁর প্রতি শত্রুতা পোষণ করল। আরেক প্রকার কাফের তাঁর সাথে কোন প্রকার চুক্তি করলনা এবং তাঁর বিরুদ্ধে যুদ্ধও করলনা।
নাবী এর কাছে তাঁর শত্রুদের দূতগণ আগমণ করত। তাঁর প্রতি তাদের শত্রুতা থাকা সত্ত্বেও তিনি দূতদেরকে কোন প্রকার কষ্ট দিতেন না। তাঁর পবিত্র সুন্নাত এটিও ছিল যে, তাঁর অনুমতি ছাড়াই কোন একজন সাহাবীর সাথে তাঁর শত্রুরা যদি এমন কোন চুক্তি করত, যাতে মুসলমানদের ক্ষতির কোন আশঙ্কা নেই, তাহলে তিনি সেই চুক্তি ও অঙ্গিকার বহাল রাখতেন।
তিনি কুরাইশদের সাথে দশ বছর মেয়াদী (যুদ্ধ বিরত থাকার) চুক্তি করলেন। তাতে এই শর্ত রাখা হয়েছিল যে, মক্কাবাসীদের কেউ যদি মুসলমান হয়ে তাঁর নিকট আগমণ করে তাহলে তাকে মক্কায় ফেরত পাঠাতে হবে। পরবর্তীতে আল্লাহ্ তা'আলা মহিলাদের বিষয়টি রহিত করে দিলেন এবং তাদেরকে পরীক্ষা করার আদেশ দিলেন।

রসূল হতে সহীহ সূত্রে বর্ণিত হয়েছে যে, তিনি বলেছেন- সকল মুসলিমের অঙ্গিকার ও নিরাপত্তা একই রকম। তাদের সবচেয়ে কম মর্যাদাসম্পন্ন ব্যক্তির অঙ্গিকার এবং নিরাপত্তা প্রদানও পূর্ণ করতে হবে। সুতরাং যে ব্যক্তি কোন মুসলিমের নিরাপত্তা সম্পর্কিত চুক্তি ভঙ্গ করবে, তার উপর আল্লাহ্, ফিরিস্তা এবং সমস্ত মানুষের লা'নত।
নাবী যখন হিজরত করে মদীনায় আসলেন, তখন মদীনার কাফেররা তিনভাগে বিভক্ত হয়ে গেল। একটি দল নাবী এর সাথে এই মর্মে চুক্তিবদ্ধ হল যে, তারা তাঁর বিরুদ্ধে যুদ্ধ করবেনা, তাঁর বিরুদ্ধে কোন প্রকার হামলা করবেনা এবং তাঁর শত্রুকে তার বিরুদ্ধে সাহায্যও করবেনা। একদল তার বিরুদ্ধে যুদ্ধ করল এবং তাঁর প্রতি শত্রুতা পোষণ করল। আরেক প্রকার কাফের তাঁর সাথে কোন প্রকার চুক্তি করলনা এবং তাঁর বিরুদ্ধে যুদ্ধও করলনা।
নাবী এর কাছে তাঁর শত্রুদের দূতগণ আগমণ করত। তাঁর প্রতি তাদের শত্রুতা থাকা সত্ত্বেও তিনি দূতদেরকে কোন প্রকার কষ্ট দিতেন না। তাঁর পবিত্র সুন্নাত এটিও ছিল যে, তাঁর অনুমতি ছাড়াই কোন একজন সাহাবীর সাথে তাঁর শত্রুরা যদি এমন কোন চুক্তি করত, যাতে মুসলমানদের ক্ষতির কোন আশঙ্কা নেই, তাহলে তিনি সেই চুক্তি ও অঙ্গিকার বহাল রাখতেন।
তিনি কুরাইশদের সাথে দশ বছর মেয়াদী (যুদ্ধ বিরত থাকার) চুক্তি করলেন। তাতে এই শর্ত রাখা হয়েছিল যে, মক্কাবাসীদের কেউ যদি মুসলমান হয়ে তাঁর নিকট আগমণ করে তাহলে তাকে মক্কায় ফেরত পাঠাতে হবে। পরবর্তীতে আল্লাহ্ তা'আলা মহিলাদের বিষয়টি রহিত করে দিলেন এবং তাদেরকে পরীক্ষা করার আদেশ দিলেন।

রসূল হতে সহীহ সূত্রে বর্ণিত হয়েছে যে, তিনি বলেছেন- সকল মুসলিমের অঙ্গিকার ও নিরাপত্তা একই রকম। তাদের সবচেয়ে কম মর্যাদাসম্পন্ন ব্যক্তির অঙ্গিকার এবং নিরাপত্তা প্রদানও পূর্ণ করতে হবে। সুতরাং যে ব্যক্তি কোন মুসলিমের নিরাপত্তা সম্পর্কিত চুক্তি ভঙ্গ করবে, তার উপর আল্লাহ্, ফিরিস্তা এবং সমস্ত মানুষের লা'নত।
নাবী যখন হিজরত করে মদীনায় আসলেন, তখন মদীনার কাফেররা তিনভাগে বিভক্ত হয়ে গেল। একটি দল নাবী এর সাথে এই মর্মে চুক্তিবদ্ধ হল যে, তারা তাঁর বিরুদ্ধে যুদ্ধ করবেনা, তাঁর বিরুদ্ধে কোন প্রকার হামলা করবেনা এবং তাঁর শত্রুকে তার বিরুদ্ধে সাহায্যও করবেনা। একদল তার বিরুদ্ধে যুদ্ধ করল এবং তাঁর প্রতি শত্রুতা পোষণ করল। আরেক প্রকার কাফের তাঁর সাথে কোন প্রকার চুক্তি করলনা এবং তাঁর বিরুদ্ধে যুদ্ধও করলনা।
নাবী এর কাছে তাঁর শত্রুদের দূতগণ আগমণ করত। তাঁর প্রতি তাদের শত্রুতা থাকা সত্ত্বেও তিনি দূতদেরকে কোন প্রকার কষ্ট দিতেন না। তাঁর পবিত্র সুন্নাত এটিও ছিল যে, তাঁর অনুমতি ছাড়াই কোন একজন সাহাবীর সাথে তাঁর শত্রুরা যদি এমন কোন চুক্তি করত, যাতে মুসলমানদের ক্ষতির কোন আশঙ্কা নেই, তাহলে তিনি সেই চুক্তি ও অঙ্গিকার বহাল রাখতেন।
তিনি কুরাইশদের সাথে দশ বছর মেয়াদী (যুদ্ধ বিরত থাকার) চুক্তি করলেন। তাতে এই শর্ত রাখা হয়েছিল যে, মক্কাবাসীদের কেউ যদি মুসলমান হয়ে তাঁর নিকট আগমণ করে তাহলে তাকে মক্কায় ফেরত পাঠাতে হবে। পরবর্তীতে আল্লাহ্ তা'আলা মহিলাদের বিষয়টি রহিত করে দিলেন এবং তাদেরকে পরীক্ষা করার আদেশ দিলেন।

ফন্ট সাইজ
15px
17px