📘 মুখতাসার যাদুল মায়াদ 📄 শয়তান তথ্য ফাঁস করে দিল

📄 শয়তান তথ্য ফাঁস করে দিল


চুক্তি সম্পাদিত হওয়ার পর শয়তান উঁচু একটি টিলার উপর উঠে চিৎকার করে বলল- হে মীনাবাসী! মুহাম্মাদ এবং বে-দ্বীন লোকেরা তোমাদের বিরুদ্ধে যুদ্ধ করার জন্যে একত্রিত হয়েছে। তোমরা কি তা অবগত আছ? আওয়াজ শুনে নাবী বললেন- এটা হচ্ছে এই ঘাঁটির শয়তান। ওরে আল্লাহর দুশমন অচিরেই আমি তোর জন্যে সময় পাবো। অতঃপর তিনি লোকদেরকে নিজ নিজ তাঁবুতে চলে যেতে বললেন।

চুক্তি সম্পাদিত হওয়ার পর শয়তান উঁচু একটি টিলার উপর উঠে চিৎকার করে বলল- হে মীনাবাসী! মুহাম্মাদ এবং বে-দ্বীন লোকেরা তোমাদের বিরুদ্ধে যুদ্ধ করার জন্যে একত্রিত হয়েছে। তোমরা কি তা অবগত আছ? আওয়াজ শুনে নাবী বললেন- এটা হচ্ছে এই ঘাঁটির শয়তান। ওরে আল্লাহর দুশমন অচিরেই আমি তোর জন্যে সময় পাবো। অতঃপর তিনি লোকদেরকে নিজ নিজ তাঁবুতে চলে যেতে বললেন।

চুক্তি সম্পাদিত হওয়ার পর শয়তান উঁচু একটি টিলার উপর উঠে চিৎকার করে বলল- হে মীনাবাসী! মুহাম্মাদ এবং বে-দ্বীন লোকেরা তোমাদের বিরুদ্ধে যুদ্ধ করার জন্যে একত্রিত হয়েছে। তোমরা কি তা অবগত আছ? আওয়াজ শুনে নাবী বললেন- এটা হচ্ছে এই ঘাঁটির শয়তান। ওরে আল্লাহর দুশমন অচিরেই আমি তোর জন্যে সময় পাবো। অতঃপর তিনি লোকদেরকে নিজ নিজ তাঁবুতে চলে যেতে বললেন।

চুক্তি সম্পাদিত হওয়ার পর শয়তান উঁচু একটি টিলার উপর উঠে চিৎকার করে বলল- হে মীনাবাসী! মুহাম্মাদ এবং বে-দ্বীন লোকেরা তোমাদের বিরুদ্ধে যুদ্ধ করার জন্যে একত্রিত হয়েছে। তোমরা কি তা অবগত আছ? আওয়াজ শুনে নাবী বললেন- এটা হচ্ছে এই ঘাঁটির শয়তান। ওরে আল্লাহর দুশমন অচিরেই আমি তোর জন্যে সময় পাবো। অতঃপর তিনি লোকদেরকে নিজ নিজ তাঁবুতে চলে যেতে বললেন।

চুক্তি সম্পাদিত হওয়ার পর শয়তান উঁচু একটি টিলার উপর উঠে চিৎকার করে বলল- হে মীনাবাসী! মুহাম্মাদ এবং বে-দ্বীন লোকেরা তোমাদের বিরুদ্ধে যুদ্ধ করার জন্যে একত্রিত হয়েছে। তোমরা কি তা অবগত আছ? আওয়াজ শুনে নাবী বললেন- এটা হচ্ছে এই ঘাঁটির শয়তান। ওরে আল্লাহর দুশমন অচিরেই আমি তোর জন্যে সময় পাবো। অতঃপর তিনি লোকদেরকে নিজ নিজ তাঁবুতে চলে যেতে বললেন।

📘 মুখতাসার যাদুল মায়াদ 📄 নবী (সাঃ) এবং মুসলিমদের মদীনায় হিজরত

📄 নবী (সাঃ) এবং মুসলিমদের মদীনায় হিজরত


আল্লাহর রসূল মুসলমানদেরকে মদীনায় হিজরতের অনুমতি দিলেন। মুসলিমগণ দ্রুত মদীনায় হিজরত করতে লাগলেন। আবু সালামা এবং তাঁর স্ত্রী উম্মে সালামা সর্বপ্রথম মদীনার পথে বের হলেন। আবু বকর ও আলী রসূল-এর আদেশেই মক্কায় রয়ে গেলেন। কুরাইশরা নাবী কে হত্যার ষড়যন্ত্র করল। জিবরীল ফিরিস্তা আল্লাহ্ তা'আলার নিকট থেকে অহীর মাধ্যমে এই ষড়যন্ত্রের কথা রসূল কে জানিয়ে দিলেন।
রসূল ঘর থেকে বের হয়ে এক মুষ্ঠি মাটি হাতে নিয়ে কাফেরদের মাথায় নিক্ষেপ করতে লাগলেন। তারা তাঁকে দেখতেই পায় নি। তিনি আবু বকরের বাড়ির দিকে গেলেন। তাঁরা গারে ছাওরে তিন দিন অবস্থান করলেন। মদীনার রাস্তা দেখিয়ে নিয়ে যাওয়ার জন্য আব্দুল্লাহ্ ইবনে উরাইকীত লাইছীকে নিযুক্ত করেছিলেন।
সফরের পথে সুরাকা বিন মালেক তাঁদের পিছু ধাওয়া করল কিন্তু অলৌকিক ভাবে সে পরাস্ত হল। পথ চলতে তাঁরা উম্মে মা'বাদের তাঁবুর পাশ দিয়ে অতিক্রম করলেন। উম্মে মা'বাদ অত্যন্ত চমৎকার ভাবে রসূল এর গুণাগুণ বর্ণনা করেছিলেন। আসমা বিনতে আবু বকর বলেন, মক্কায় এক অদৃশ্য আওয়াজ শুনে আমরা বুঝতে পারলাম যে মুহাম্মাদ মদীনার দিকে চলে গেছেন।

📘 মুখতাসার যাদুল মায়াদ 📄 মদীনায় মুহাম্মাদ (সাঃ)

📄 মদীনায় মুহাম্মাদ (সাঃ)


রসূল মক্কা হতে মদীনার উদ্দেশ্যে বের হয়ে গেছেন, এ কথা আনসারগণ যথা সময়েই জানতে পেরেছেন। নবুওয়াতের ১৩তম বর্ষে রবীউল আওয়াল মাসের সোমবারের দিন আল্লাহর রসূলকে স্বাগত জানালেন। কুবায় পৌঁছে তিনি বনী আমর বিন আওফ গোত্রে অবতরণ করলেন। তিনি সেখানে কুবা মাসজিদ প্রতিষ্ঠা করলেন। জুমআর দিন মদীনার উদ্দেশ্যে যাত্রা করলেন এবং বনী সালেমের উপত্যকায় জুমআর সলাত আদায় করলেন। উটনীটি আল্লাহর আদেশে চলে বর্তমানে যেখানে মাসজিদে নববী অবস্থিত সেখানে গিয়ে বসে পড়ল। তিনি আবু আইয়্যুব আনসারীর বাড়িতে অবতরণ করলেন। মদীনায় প্রিয় নাবীর আগমনে আনন্দের স্রোত বইতে লাগল।

📘 মুখতাসার যাদুল মায়াদ 📄 মসজিদে নববীর নির্মাণ

📄 মসজিদে নববীর নির্মাণ


ইমাম যুহরী বলেন- বর্তমানে যেখানে মাসজিদে নববী অবস্থিত সেখানে এসেই নাবী এর উটনী বসে পড়েছিল। সেই স্থানেই তাঁর হিজরতের পূর্বে মুসলিমগণ সলাত আদায় করতেন। এই জায়গাটি ছিল আসআদ বিন যুরারার প্রতিপালনাধীন সাহল ও সুহাইল নামক দুইজন ইয়াতীম বালকের। তাতে সে সময় উট বাঁধা হত। নাবী জায়গাটি খরীদ করে তাতে মাসজিদ নির্মাণের ব্যাপারে কথা বললেন। বালক দু'টি বলল- বরং আমরা তা বিনা মূল্যে দান করতে চাই। কিন্তু নাবী তা বিনা মূল্যে নিতে অস্বীকার করলেন। পরিশেষে তিনি উহা দশ দীনারের বিনিময়ে ক্রয় করে নিলেন।

সে সময় মাসজিদে নববীর চারটি দেয়াল ছিল। কোন ছাদ ছিলনা। কিবলা ছিল বাইতুল মাকদিস। রসূল এর মদীনায় আগমনের পূর্বে আসআদ বিন যুরারা সেখানে মুসলিমদেরকে সলাত ও জুমআ পড়াতেন। সেখানে ছিল গারকাদ ও খেজুর গাছ এবং মুশরিকদের কবর। রসূল এর আদেশে মুশরিকদের কবরগুলোকে উঠিয়ে ফেলা হয় এবং খেজুর ও অন্যান্য গাছগুলোকে কেটে কিবলার দিকে সারিবদ্ধভাবে রেখে দেয়া হয়। মাসজিদটি কিবলার দিক থেকে পিছনের দেয়াল পর্যন্ত একশ হাত লম্বা ছিল। বাকী দুই দিকেও অনুরূপ বা তার চেয়ে একটু কম ছিল। ভিত্তিমূল ছিল তিন হাত পরিমাণ। এর উপরই মুসলিমগণ তা কাঁচা ইট দিয়ে তৈরী করেছেন। রসূল ও তাদের সাথে নির্মাণ কাজে অংশ গ্রহণ করেছেন এবং পাথর ও ইট বহন করেছেন। এ সময় তিনি নিম্নের লাইনগুলো পাঠ করতেন-

اللهم لا عَيْشَ إِلا عَيْشُ الآخِرة + فَاغْفِرْ لِلأَنْصَارِ وَالمُهَاجِرَةُ
"হে আল্লাহ! আখিরাতের জীবনই আসল জীবন। তুমি আনসার ও মুহাজিরদেরকে ক্ষমা কর"। তিনি আরও বলতেন-
هَذَا الحِمَالُ لا حِمَالُ خَيْبَر + هَذَا أَبَرُّ رَبَّنَا وَأَطْهَرُ
“এগুলো খায়বার থেকে আগত খেজুর বা পণ্যের বোঝা নয়; বরং এগুলো ইটের বোঝা এবং এই কাজ আমাদের প্রভুর আনুগত্যের প্রতি ও পবিত্র জীবনের প্রতি উৎসাহ দানকারী"। সাহাবীগণও রসূল- এর সাথে ইট বহন করতেন আর এই ধরণের ছন্দ পাঠ করতেন। তাদের কেউ কেউ বলতেন-
لَئِنْ قَعَدْنَا وَالرَّسُولُ يَعْمل + لَذَاكَ مِنَّا العَمَلُ المُضَلَّلُ
"আমরা যদি বসে থাকি, আর আল্লাহর রসূল কাজ করেন, তাহলে আমাদের জন্য হবে এটি মারাত্মক ভুল।

তিনি বাইতুল মাকদিসের দিকে মাসজিদের কিবলা নির্ধারণ করেন। পিছনের দিকে তিনটি দরজা রাখেন। আরেকটি দরজা রাখেন, যার নাম ছিল বাবে রহমত। তৃতীয় আরেকটি দরজা রাখেন, যা দিয়ে রসূল মাসজিদে প্রবেশ করতেন। খেজুরের কাঠ দিয়ে এর খুঁটি নির্মাণ করেন আর ছাদে খেজুর গাছের শাখা স্থাপন করেন। তাঁকে জিজ্ঞেস করা হল- আপনি কি এর উপর ছাদ নির্মাণ করবেন না? তিনি বললেন- না, বরং এটি মুসা এর চালাঘরের ন্যায়ই থাকবে।

মাসজিদে নববীর পাশেই তিনি তাঁর স্ত্রীদের ঘরও কাঁচা ইট দিয়ে তৈরী করেন। খেজুরের শাখা ও কাঠ দিয়ে তার ছাদ নির্মাণ করেন। গৃহ নির্মাণ শেষে তিনি আয়িশা এর সাথে সেই নব নির্মিত ঘরে বাসর করেন, যেটি তিনি মাসজিদে নববীর পূর্ব প্রান্তে নির্মাণ করেছিলেন। তাঁর স্ত্রী সাওদার জন্য আরেকটি গৃহ নির্মাণ করেন।

ফন্ট সাইজ
15px
17px