📄 আল্লাহর যেই বান্দা সর্বোত্তম জিহাদ করেছেন
সেই বান্দা আল্লাহর নিকট সর্বাধিক কামেল যিনি জিহাদের সকল স্তর ও প্রকার বাস্তবায়ন করেছেন। এ জন্যই আল্লাহর সর্বশেষ নাবী মুহাম্মাদ ছিলেন আল্লাহর নিকট সর্বাধিক কামেল ও মর্যাদাবান। কারণ তিনি জিহাদের সকল স্তরই বাস্তবায়ন করেছেন। তিনি আল্লাহর রাস্তায় যথার্থরূপে জিহাদ করেছেন। নবুওয়াত ও রিসালাত পাওয়ার পর থেকে শুরু করে মৃত্যু পর্যন্ত তিনি আল্লাহর রাস্তায় জিহাদ করেছেন। তিনি দিনে ও রাতে এবং প্রকাশ্যে ও গোপনে দাওয়াতী কাজে মশগুল থাকলেন। তাঁর জাতির লোককে খোলাখুলি দাওয়াত দিলেন। এতে কোন নিন্দুকের নিন্দা এবং সমালোচকের সমালোচনার ভয় করেন নি। ছোট-বড়, স্বাধীন-ক্রীতদাস, নারী-পুরুষ, সাদা-কালো এবং জিন-ইনসান সকলকেই আল্লাহর দ্বীনে প্রবেশ করার আহবান জানালেন।
আল্লাহ্ তা'আলা তাঁর নাবীদেরকে এবং তাঁর অনুসারীদেরকেও এই বলে সান্তনা দিয়েছেন যে, মুমিনরা অবশ্যই পরীক্ষার সম্মুখীন হবে। সত্যবাদীগণ মিথ্যুকদের থেকে পৃথক হয়ে যাওয়ার জন্যই এই ফিতনা বা পরীক্ষার ব্যবস্থা। মুমিন ও মুনাফেকরা যেভাবে একসাথে মিশ্রিত অবস্থায় আছে, আল্লাহ্ তা'আলা তাদেরকে সে অবস্থায় রেখে দিবেন না। বরং তিনি প্রকৃত মুমিনদেরকে মুনাফেকদের থেকে আলাদা করবেন।
সেই বান্দা আল্লাহর নিকট সর্বাধিক কামেল যিনি জিহাদের সকল স্তর ও প্রকার বাস্তবায়ন করেছেন। এ জন্যই আল্লাহর সর্বশেষ নাবী মুহাম্মাদ ছিলেন আল্লাহর নিকট সর্বাধিক কামেল ও মর্যাদাবান। কারণ তিনি জিহাদের সকল স্তরই বাস্তবায়ন করেছেন। তিনি আল্লাহর রাস্তায় যথার্থরূপে জিহাদ করেছেন। নবুওয়াত ও রিসালাত পাওয়ার পর থেকে শুরু করে মৃত্যু পর্যন্ত তিনি আল্লাহর রাস্তায় জিহাদ করেছেন। তিনি দিনে ও রাতে এবং প্রকাশ্যে ও গোপনে দাওয়াতী কাজে মশগুল থাকলেন। তাঁর জাতির লোককে খোলাখুলি দাওয়াত দিলেন। এতে কোন নিন্দুকের নিন্দা এবং সমালোচকের সমালোচনার ভয় করেন নি। ছোট-বড়, স্বাধীন-ক্রীতদাস, নারী-পুরুষ, সাদা-কালো এবং জিন-ইনসান সকলকেই আল্লাহর দ্বীনে প্রবেশ করার আহবান জানালেন।
আল্লাহ্ তা'আলা তাঁর নাবীদেরকে এবং তাঁর অনুসারীদেরকেও এই বলে সান্তনা দিয়েছেন যে, মুমিনরা অবশ্যই পরীক্ষার সম্মুখীন হবে। সত্যবাদীগণ মিথ্যুকদের থেকে পৃথক হয়ে যাওয়ার জন্যই এই ফিতনা বা পরীক্ষার ব্যবস্থা। মুমিন ও মুনাফেকরা যেভাবে একসাথে মিশ্রিত অবস্থায় আছে, আল্লাহ্ তা'আলা তাদেরকে সে অবস্থায় রেখে দিবেন না। বরং তিনি প্রকৃত মুমিনদেরকে মুনাফেকদের থেকে আলাদা করবেন।
সেই বান্দা আল্লাহর নিকট সর্বাধিক কামেল যিনি জিহাদের সকল স্তর ও প্রকার বাস্তবায়ন করেছেন। এ জন্যই আল্লাহর সর্বশেষ নাবী মুহাম্মাদ ছিলেন আল্লাহর নিকট সর্বাধিক কামেল ও মর্যাদাবান। কারণ তিনি জিহাদের সকল স্তরই বাস্তবায়ন করেছেন। তিনি আল্লাহর রাস্তায় যথার্থরূপে জিহাদ করেছেন। নবুওয়াত ও রিসালাত পাওয়ার পর থেকে শুরু করে মৃত্যু পর্যন্ত তিনি আল্লাহর রাস্তায় জিহাদ করেছেন। যখন তাঁর উপর কুরআনের এই আয়াত গুলো নাযিল হল- (يَا أَيُّهَا الْمُدَّثِّرُ ، ثُمَّ فَأَنْذِرُ وَرَبَّكَ فَكَبِّرُ...) তখনই তিনি দাওয়াতের কাজে লেগে গেলেন। তিনি প্রকাশ্যে দাওয়াত দেয়া শুরু করলেন এবং আল্লাহর কথা প্রকাশ্যে জানিয়ে দিলেন। তাঁর জাতির লোককে খোলাখুলি দাওয়াত দিলেন। এতে কোন নিন্দুকের নিন্দা এবং সমালোচকের সমালোচনার ভয় করেন নি। ছোট-বড়, স্বাধীন-ক্রীতদাস, নারী-পুরুষ, সাদা-কালো এবং জিন-ইনসান সকলকেই আল্লাহর দ্বীনে প্রবেশ করার আহবান জানালেন।
নাবী-রসূল ও তাদের অনুসারীদের ক্ষেত্রে আল্লাহ্ তা'আলার বিশেষ একটি হিকমত ও রীতি হচ্ছে তারা কখনও জয়লাভ করবে আবার কখনও পরাজিত হবে। তবে সর্বশেষে তাদেরই বিজয় হবে। সবসময় তাদেরকে বিজয় দান করলে সত্যিকার মুমিন ও অন্যদের মাঝে পার্থক্য করা সম্ভব হবেনা।
সেই বান্দা আল্লাহর নিকট সর্বাধিক কামেল যিনি জিহাদের সকল স্তর ও প্রকার বাস্তবায়ন করেছেন। এ জন্যই আল্লাহর সর্বশেষ নাবী মুহাম্মাদ ছিলেন আল্লাহর নিকট সর্বাধিক কামেল ও মর্যাদাবান। কারণ তিনি জিহাদের সকল স্তরই বাস্তবায়ন করেছেন। তিনি আল্লাহর রাস্তায় যথার্থরূপে জিহাদ করেছেন। নবুওয়াত ও রিসালাত পাওয়ার পর থেকে শুরু করে মৃত্যু পর্যন্ত তিনি আল্লাহর রাস্তায় জিহাদ করেছেন। যখন তাঁর উপর কুরআনের এই আয়াত গুলো নাযিল হল- (يَا أَيُّهَا الْمُدَّثِّرُ ، ثُمَّ فَأَنْذِرُ وَرَبَّكَ فَكَبِّরُ...) তখনই তিনি দাওয়াতের কাজে লেগে গেলেন। তিনি প্রকাশ্যে দাওয়াত দেয়া শুরু করলেন এবং আল্লাহর কথা প্রকাশ্যে জানিয়ে দিলেন। তাঁর জাতির লোককে খোলাখুলি দাওয়াত দিলেন। এতে কোন নিন্দুকের নিন্দা এবং সমালোচকের সমালোচনার ভয় করেন নি। ছোট-বড়, স্বাধীন-ক্রীতদাস, নারী-পুরুষ, সাদা-কালো এবং জিন-ইনসান সকলকেই আল্লাহর দ্বীনে প্রবেশ করার আহবান জানালেন।
নাবী-রসূল ও তাদের অনুসারীদের ক্ষেত্রে আল্লাহ্ তা'আলার বিশেষ একটি হিকমত ও রীতি হচ্ছে তারা কখনও জয়লাভ করবে আবার কখনও পরাজিত হবে। তবে সর্বশেষে তাদেরই বিজয় হবে। সবসময় তাদেরকে বিজয় দান করলে সত্যিকার মুমিন ও অন্যদের মাঝে পার্থক্য করা সম্ভব হবেনা।
সেই বান্দা আল্লাহর নিকট সর্বাধিক কামেল যিনি জিহাদের সকল স্তর ও প্রকার বাস্তবায়ন করেছেন। এ জন্যই আল্লাহর সর্বশেষ নাবী মুহাম্মাদ ছিলেন আল্লাহর নিকট সর্বাধিক কামেল ও মর্যাদাবান। কারণ তিনি জিহাদের সকল স্তরই বাস্তবায়ন করেছেন। তিনি আল্লাহর রাস্তায় যথার্থরূপে জিহাদ করেছেন। নবুওয়াত ও রিসালাত পাওয়ার পর থেকে শুরু করে মৃত্যু পর্যন্ত তিনি আল্লাহর রাস্তায় জিহাদ করেছেন। যখন তাঁর উপর কুরআনের এই আয়াত গুলো নাযিল হল- (يَا أَيُّهَا الْمُدَّثِّرُ ، ثُمَّ فَأَنْذِرُ وَরَبَّكَ فَكَبِّরُ...) তখনই তিনি দাওয়াতের কাজে লেগে গেলেন। তিনি প্রকাশ্যে দাওয়াত দেয়া শুরু করলেন এবং আল্লাহর কথা প্রকাশ্যে জানিয়ে দিলেন। তাঁর জাতির লোককে খোলাখুলি দাওয়াত দিলেন। এতে কোন নিন্দুকের নিন্দা এবং সমালোচকের সমালোচনার ভয় করেন নি। ছোট-বড়, স্বাধীন-ক্রীতদাস, নারী-পুরুষ, সাদা-কালো এবং জিন-ইনসান সকলকেই আল্লাহর দ্বীনে প্রবেশ করার আহবান জানালেন।
নাবী-রসূল ও তাদের অনুসারীদের ক্ষেত্রে আল্লাহ্ তা'আলার বিশেষ একটি হিকমত ও রীতি হচ্ছে তারা কখনও জয়লাভ করবে আবার কখনও পরাজিত হবে। তবে সর্বশেষে তাদেরই বিজয় হবে। সবসময় তাদেরকে বিজয় দান করলে সত্যিকার মুমিন ও অন্যদের মাঝে পার্থক্য করা সম্ভব হবেনা।
📄 নবী (সাঃ) এর দাওয়াত এবং ইসলাম গ্রহণে যারা অগ্রগামী ছিলেন
যখন তিনি আল্লাহর দিকে আহবান করলেন তখন প্রত্যেক কবীলা (গোত্র) থেকেই লোকেরা সেই দাওয়াত কবুল করল। এই উম্মাতের সিদ্দীক আবু বকর পুরুষদের মধ্যে সর্বপ্রথম ইসলাম গ্রহণ করলেন। আবু বকরের আহবানে উছমান, তালহা এবং সা'দ ইসলামের সুশীতল ছায়াতলে আশ্রয় নিলেন। মহিলাদের মধ্যে সর্বপ্রথম বিশ্বাস স্থাপন করলেন তাঁর জীবন সঙ্গীনি খাদিজা। অতঃপর কিশোরদের মধ্যে আলী ইবনে আবী তালিব সর্বপ্রথম ইসলাম গ্রহণ করলেন। ক্রীতদাসদের মধ্যে যায়েদ বিন হারেছা সর্বাগ্রে ইসলাম কবুল করেন। পাদ্রী ওয়ারাকা বিন নাওফালও ইসলাম গ্রহণ করেছিল।
লোকেরা একের পর এক আল্লাহর দ্বীনে প্রবেশ করতে থাকল। পরবর্তীতে যখন তিনি তাদের প্রতিমাগুলোর অসারতা বর্ণনা করতে লাগলেন তখন তারা শক্তভাবে তাঁর দাওয়াতের বিরোধীতা শুরু করল। আল্লাহ্ তা'আলা তাঁকে তাঁর চাচা আবু তালেবের মাধ্যমে হেফাজত করলেন। আবু তালেবের কুরাইশদের ধর্মের উপর স্থির থাকাতেই ইসলাম ও মুসলিমদের জন্য বিরাট উপকার ও কল্যাণ নিহিত ছিল।
📄 নাজ্জাশীর রাজ্যে মুসলিমদের নিরাপদ বসবাস এবং কুরাইশদের ষড়যন্ত্র
মুসলিমগণ নাজ্জাশীর দেশে নিরাপদে ও শান্তিতে বসবাস করছিলেন। কুরাইশরা এই খবর জানতে পেরে তাদেরকে সেখান থেকে ফেরত আনার জন্য আব্দুল্লাহ বিন আবী রাবিআ এবং আমর বিন আসকে পাঠাল। তাদের সাথে নাজ্জাশীর মন জয় করার জন্য অনেক মূল্যবান উপঢৌকনও দিয়ে দিল। কিন্তু নাজ্জাশী তাদেরকে ফেরত পাঠাতে অস্বীকার করলেন।
কুরাইশ প্রতিনিধিরা রাজ্যের বড় বড় সেনাপতির মাধ্যমেও সুপারিশ করাল। কিন্তু তাতেও কোন কাজ হলনা। অতঃপর তারা নাজ্জাশীর কাছে মুসলিমদের বিরুদ্ধে এক নতুন ফন্দি বের করল। তারা বলল- মুসলিমরা ঈসা ইবনে মারইয়ামের ব্যাপারে এক বিরাট কথা বলে থাকে। মুসলিমরা তাঁকে আল্লাহর পুত্র না বলে আল্লাহর বান্দা বলে। নাজ্জাশী তাদেরকে পুনরায় স্বীয় দরবারে ডেকে পাঠালেন। জা'ফর বিন আবু তালেব ছিলেন তাদের দলনেতা। তারা নাজ্জাশীর কাছে প্রবেশ করলে নাজাশী জিজ্ঞেস করলেন- তোমরা ঈসার ব্যাপারে কি বল? জা'ফর সূরা মারইয়ামের প্রথমাংশ তিলাওয়াত করলেন। তিলাওয়াত শুনে নাজ্জাশী মাটি থেকে একটি কাষ্ঠখন্ড উঠিয়ে বললেন- আল্লাহর কসম! ঈসা (আঃ) এর চেয়ে একটুও বেশী বলেননি। নাজ্জাশী বললেন- তোমরা যাই বল, এটিই আমার কথা। অতঃপর তিনি মুসলিমদেরকে বললেন- তোমরা নিরাপদে আমার রাজ্যে বসবাস করতে থাক। এরপর তিনি কুরাইশদের প্রেরিত দূত দু'জনকে বললেন- তোমরা যদি আমাকে স্বর্ণের একটি পাহাড়ও দান কর তাতেও আমি মুসলিমদেরকে তোমাদের কাছে হস্তান্তর করবনা। অতঃপর তাদেরকে নাজ্জাশীর দরবার হতে তাদের উপঢৌকন ফেরত দিয়ে বের করে দেয়া হল। তারা লজ্জিত হয়ে মক্কায় ফেরত আসল।
📄 নবী (সাঃ) ও বনী হাশেমকে কুরাইশদের বয়কট
অতঃপর হামজাহ এবং অপর একটি দল ইসলাম গ্রহণ করল। কুরাইশরা যখন দেখল রসূল (সঃ) এর দাওয়াত উন্নত হচ্ছে তখন তারা বনী হাশেম এবং বনী আব্দুল মুত্তালিবের বিরুদ্ধে এই মর্মে চুক্তিবদ্ধ হল যে, মুহাম্মাদকে হত্যা করার জন্য তাদের হাতে সোপর্দ না করা পর্যন্ত তাদের বিরুদ্ধে অবরোধ বলবৎ থাকবে। এই চুক্তিপত্র লিখে তারা কাবা ঘরের দেয়ালে ঝুলিয়ে রাখে।
আবু লাহাব ব্যতীত বনী হাশেম এবং বনী আব্দুল মোত্তালেব গোত্রের সকল মুসলিম-কাফের শিআবে আবু তালেব তথা দুই পাহাড়ের মধ্যবর্তী একটি স্থানে আশ্রয় নিল। তারা সেখানে অবরুদ্ধ কোণঠাসা অবস্থায় তিন বছর যাবৎ বসবাস করতে থাকলেন। তারা প্রচন্ড অভাবের সম্মুখীন হলেন। পরিশেষে কতিপয় ব্যক্তির উদ্যোগে চুক্তিপত্রটি ছিঁড়ে ফেলার পর রসূল ঘাটি থেকে বের হলেন। এর ছয় মাস পর আবু তালেব মৃত্যু বরণ করেন। তার তিন দিন পর রসূল এর স্ত্রী খাদীজা মৃত্যু বরণ করেন।