📘 মুখতাসার যাদুল মায়াদ 📄 শয়তানের সাথে জিহাদ

📄 শয়তানের সাথে জিহাদ


শয়তানের সাথে জিহাদের দু'টি স্তর রয়েছে। (১) ঈমান নষ্ট করার জন্য শয়তান যে সমস্ত সন্দেহ এবং ওয়াসওয়াসা বান্দার অন্তরে প্রবেশ করিয়ে দেয় তা প্রতিহত করার সংগ্রাম করা। (২) শয়তান মানুষের অন্তরে পাপ কাজের প্রতি যে আগ্রহ ও আসক্তি নিক্ষেপ করে তা প্রতিহত করার সংগ্রামে সদা প্রচেষ্টা চালানো। মজবুত ঈমান ও দৃঢ় মনোবল দিয়ে প্রথমটির বিরুদ্ধে সংগ্রাম করতে হবে এবং ধৈর্যের মাধ্যমেই দ্বিতীয়টির মোকাবেলা করা সম্ভব।

📘 মুখতাসার যাদুল মায়াদ 📄 কাফের ও মুনাফেকদের বিরুদ্ধে জিহাদ

📄 কাফের ও মুনাফেকদের বিরুদ্ধে জিহাদ


কাফের ও মুনাফেকদের বিরুদ্ধে জিহাদেরও চারটি স্তর রয়েছে। (১) অন্তরের মাধ্যমে জিহাদ, (২) জবানের মাধ্যমে জিহাদ, (৩) মালের সাহায্যে জিহাদ ও (৪) জান ও হাতের মাধ্যমে জিহাদ। কাফেরদের সাথে জিহাদ করতে হবে অস্ত্রের সাহায্যে। আর জবানের সাহায্যে জিহাদ করতে হবে মুনাফেকদের সাথে।

কাফের ও মুনাফেকদের বিরুদ্ধে জিহাদেরও চারটি স্তর রয়েছে। (১) অন্তরের মাধ্যমে জিহাদ, (২) জবানের মাধ্যমে জিহাদ, (৩) মালের সাহায্যে জিহাদ ও (৪) জান ও হাতের মাধ্যমে জিহাদ। কাফেরদের সাথে জিহাদ করতে হবে অস্ত্রের সাহায্যে। আর জবানের সাহায্যে জিহাদ করতে হবে মুনাফেকদের সাথে।

কাফের ও মুনাফেকদের বিরুদ্ধে জিহাদেরও চারটি স্তর রয়েছে। (১) অন্তরের মাধ্যমে জিহাদ, (২) জবানের মাধ্যমে জিহাদ, (৩) মালের সাহায্যে জিহাদ ও (৪) জান ও হাতের মাধ্যমে জিহাদ। কাফেরদের সাথে জিহাদ করতে হবে অস্ত্রের সাহায্যে। আর জবানের সাহায্যে জিহাদ করতে হবে মুনাফেকদের সাথে।

কাফের ও মুনাফেকদের বিরুদ্ধে জিহাদেরও চারটি স্তর রয়েছে। (১) অন্তরের মাধ্যমে জিহাদ, (২) জবানের মাধ্যমে জিহাদ, (৩) মালের সাহায্যে জিহাদ ও (৪) জান ও হাতের মাধ্যমে জিহাদ। কাফেরদের সাথে জিহাদ করতে হবে অস্ত্রের সাহায্যে। আর জবানের সাহায্যে জিহাদ করতে হবে মুনাফেকদের সাথে।

কাফের ও মুনাফেকদের বিরুদ্ধে জিহাদেরও চারটি স্তর রয়েছে। (১) অন্তরের মাধ্যমে জিহাদ, (২) জবানের মাধ্যমে জিহাদ, (৩) মালের সাহায্যে জিহাদ ও (৪) জান ও হাতের মাধ্যমে জিহাদ। কাফেরদের সাথে জিহাদ করতে হবে অস্ত্রের সাহায্যে। আর জবানের সাহায্যে জিহাদ করতে হবে মুনাফেকদের সাথে।

📘 মুখতাসার যাদুল মায়াদ 📄 যালেম, পাপী ও বিদআতীদের সাথে জিহাদ

📄 যালেম, পাপী ও বিদআতীদের সাথে জিহাদ


এই প্রকার লোকদের সাথে জিহাদের তিনটি স্তর রয়েছে। (১) ক্ষমতা থাকলে তাদের বিরুদ্ধে হাত দিয়ে জিহাদ করতে হবে। (২) হাত দিয়ে করতে অক্ষম হলে জবান দিয়ে করতে হবে। (৩) আর তাতেও অক্ষম হলে অন্তর দিয়ে করতে হবে।

এই প্রকার লোকদের সাথে জিহাদের তিনটি স্তর রয়েছে। (১) ক্ষমতা থাকলে তাদের বিরুদ্ধে হাত দিয়ে জিহাদ করতে হবে। (২) হাত দিয়ে করতে অক্ষম হলে জবান দিয়ে করতে হবে। (৩) আর তাতেও অক্ষম হলে অন্তর দিয়ে করতে হবে।

এই প্রকার লোকদের সাথে জিহাদের তিনটি স্তর রয়েছে। (১) ক্ষমতা থাকলে তাদের বিরুদ্ধে হাত দিয়ে জিহাদ করতে হবে। (২) হাত দিয়ে করতে অক্ষম হলে জবান দিয়ে করতে হবে। (৩) আর তাতেও অক্ষম হলে অন্তর দিয়ে করতে হবে।

এই প্রকার লোকদের সাথে জিহাদের তিনটি স্তর রয়েছে। (১) ক্ষমতা থাকলে তাদের বিরুদ্ধে হাত দিয়ে জিহাদ করতে হবে। (২) হাত দিয়ে করতে অক্ষম হলে জবান দিয়ে করতে হবে। (৩) আর তাতেও অক্ষম হলে অন্তর দিয়ে করতে হবে।

এই প্রকার লোকদের সাথে জিহাদের তিনটি স্তর রয়েছে। (১) ক্ষমতা থাকলে তাদের বিরুদ্ধে হাত দিয়ে জিহাদ করতে হবে। (২) হাত দিয়ে করতে অক্ষম হলে জবান দিয়ে করতে হবে। (৩) আর তাতেও অক্ষম হলে অন্তর দিয়ে করতে হবে।

📘 মুখতাসার যাদুল মায়াদ 📄 আল্লাহর যেই বান্দা সর্বোত্তম জিহাদ করেছেন

📄 আল্লাহর যেই বান্দা সর্বোত্তম জিহাদ করেছেন


সেই বান্দা আল্লাহর নিকট সর্বাধিক কামেল যিনি জিহাদের সকল স্তর ও প্রকার বাস্তবায়ন করেছেন। এ জন্যই আল্লাহর সর্বশেষ নাবী মুহাম্মাদ ছিলেন আল্লাহর নিকট সর্বাধিক কামেল ও মর্যাদাবান। কারণ তিনি জিহাদের সকল স্তরই বাস্তবায়ন করেছেন। তিনি আল্লাহর রাস্তায় যথার্থরূপে জিহাদ করেছেন। নবুওয়াত ও রিসালাত পাওয়ার পর থেকে শুরু করে মৃত্যু পর্যন্ত তিনি আল্লাহর রাস্তায় জিহাদ করেছেন। তিনি দিনে ও রাতে এবং প্রকাশ্যে ও গোপনে দাওয়াতী কাজে মশগুল থাকলেন। তাঁর জাতির লোককে খোলাখুলি দাওয়াত দিলেন। এতে কোন নিন্দুকের নিন্দা এবং সমালোচকের সমালোচনার ভয় করেন নি। ছোট-বড়, স্বাধীন-ক্রীতদাস, নারী-পুরুষ, সাদা-কালো এবং জিন-ইনসান সকলকেই আল্লাহর দ্বীনে প্রবেশ করার আহবান জানালেন।
আল্লাহ্ তা'আলা তাঁর নাবীদেরকে এবং তাঁর অনুসারীদেরকেও এই বলে সান্তনা দিয়েছেন যে, মুমিনরা অবশ্যই পরীক্ষার সম্মুখীন হবে। সত্যবাদীগণ মিথ্যুকদের থেকে পৃথক হয়ে যাওয়ার জন্যই এই ফিতনা বা পরীক্ষার ব্যবস্থা। মুমিন ও মুনাফেকরা যেভাবে একসাথে মিশ্রিত অবস্থায় আছে, আল্লাহ্ তা'আলা তাদেরকে সে অবস্থায় রেখে দিবেন না। বরং তিনি প্রকৃত মুমিনদেরকে মুনাফেকদের থেকে আলাদা করবেন।

সেই বান্দা আল্লাহর নিকট সর্বাধিক কামেল যিনি জিহাদের সকল স্তর ও প্রকার বাস্তবায়ন করেছেন। এ জন্যই আল্লাহর সর্বশেষ নাবী মুহাম্মাদ ছিলেন আল্লাহর নিকট সর্বাধিক কামেল ও মর্যাদাবান। কারণ তিনি জিহাদের সকল স্তরই বাস্তবায়ন করেছেন। তিনি আল্লাহর রাস্তায় যথার্থরূপে জিহাদ করেছেন। নবুওয়াত ও রিসালাত পাওয়ার পর থেকে শুরু করে মৃত্যু পর্যন্ত তিনি আল্লাহর রাস্তায় জিহাদ করেছেন। তিনি দিনে ও রাতে এবং প্রকাশ্যে ও গোপনে দাওয়াতী কাজে মশগুল থাকলেন। তাঁর জাতির লোককে খোলাখুলি দাওয়াত দিলেন। এতে কোন নিন্দুকের নিন্দা এবং সমালোচকের সমালোচনার ভয় করেন নি। ছোট-বড়, স্বাধীন-ক্রীতদাস, নারী-পুরুষ, সাদা-কালো এবং জিন-ইনসান সকলকেই আল্লাহর দ্বীনে প্রবেশ করার আহবান জানালেন।
আল্লাহ্ তা'আলা তাঁর নাবীদেরকে এবং তাঁর অনুসারীদেরকেও এই বলে সান্তনা দিয়েছেন যে, মুমিনরা অবশ্যই পরীক্ষার সম্মুখীন হবে। সত্যবাদীগণ মিথ্যুকদের থেকে পৃথক হয়ে যাওয়ার জন্যই এই ফিতনা বা পরীক্ষার ব্যবস্থা। মুমিন ও মুনাফেকরা যেভাবে একসাথে মিশ্রিত অবস্থায় আছে, আল্লাহ্ তা'আলা তাদেরকে সে অবস্থায় রেখে দিবেন না। বরং তিনি প্রকৃত মুমিনদেরকে মুনাফেকদের থেকে আলাদা করবেন।

সেই বান্দা আল্লাহর নিকট সর্বাধিক কামেল যিনি জিহাদের সকল স্তর ও প্রকার বাস্তবায়ন করেছেন। এ জন্যই আল্লাহর সর্বশেষ নাবী মুহাম্মাদ ছিলেন আল্লাহর নিকট সর্বাধিক কামেল ও মর্যাদাবান। কারণ তিনি জিহাদের সকল স্তরই বাস্তবায়ন করেছেন। তিনি আল্লাহর রাস্তায় যথার্থরূপে জিহাদ করেছেন। নবুওয়াত ও রিসালাত পাওয়ার পর থেকে শুরু করে মৃত্যু পর্যন্ত তিনি আল্লাহর রাস্তায় জিহাদ করেছেন। যখন তাঁর উপর কুরআনের এই আয়াত গুলো নাযিল হল- (يَا أَيُّهَا الْمُدَّثِّرُ ، ثُمَّ فَأَنْذِرُ وَرَبَّكَ فَكَبِّرُ...) তখনই তিনি দাওয়াতের কাজে লেগে গেলেন। তিনি প্রকাশ্যে দাওয়াত দেয়া শুরু করলেন এবং আল্লাহর কথা প্রকাশ্যে জানিয়ে দিলেন। তাঁর জাতির লোককে খোলাখুলি দাওয়াত দিলেন। এতে কোন নিন্দুকের নিন্দা এবং সমালোচকের সমালোচনার ভয় করেন নি। ছোট-বড়, স্বাধীন-ক্রীতদাস, নারী-পুরুষ, সাদা-কালো এবং জিন-ইনসান সকলকেই আল্লাহর দ্বীনে প্রবেশ করার আহবান জানালেন।
নাবী-রসূল ও তাদের অনুসারীদের ক্ষেত্রে আল্লাহ্ তা'আলার বিশেষ একটি হিকমত ও রীতি হচ্ছে তারা কখনও জয়লাভ করবে আবার কখনও পরাজিত হবে। তবে সর্বশেষে তাদেরই বিজয় হবে। সবসময় তাদেরকে বিজয় দান করলে সত্যিকার মুমিন ও অন্যদের মাঝে পার্থক্য করা সম্ভব হবেনা।

সেই বান্দা আল্লাহর নিকট সর্বাধিক কামেল যিনি জিহাদের সকল স্তর ও প্রকার বাস্তবায়ন করেছেন। এ জন্যই আল্লাহর সর্বশেষ নাবী মুহাম্মাদ ছিলেন আল্লাহর নিকট সর্বাধিক কামেল ও মর্যাদাবান। কারণ তিনি জিহাদের সকল স্তরই বাস্তবায়ন করেছেন। তিনি আল্লাহর রাস্তায় যথার্থরূপে জিহাদ করেছেন। নবুওয়াত ও রিসালাত পাওয়ার পর থেকে শুরু করে মৃত্যু পর্যন্ত তিনি আল্লাহর রাস্তায় জিহাদ করেছেন। যখন তাঁর উপর কুরআনের এই আয়াত গুলো নাযিল হল- (يَا أَيُّهَا الْمُدَّثِّرُ ، ثُمَّ فَأَنْذِرُ وَرَبَّكَ فَكَبِّরُ...) তখনই তিনি দাওয়াতের কাজে লেগে গেলেন। তিনি প্রকাশ্যে দাওয়াত দেয়া শুরু করলেন এবং আল্লাহর কথা প্রকাশ্যে জানিয়ে দিলেন। তাঁর জাতির লোককে খোলাখুলি দাওয়াত দিলেন। এতে কোন নিন্দুকের নিন্দা এবং সমালোচকের সমালোচনার ভয় করেন নি। ছোট-বড়, স্বাধীন-ক্রীতদাস, নারী-পুরুষ, সাদা-কালো এবং জিন-ইনসান সকলকেই আল্লাহর দ্বীনে প্রবেশ করার আহবান জানালেন।
নাবী-রসূল ও তাদের অনুসারীদের ক্ষেত্রে আল্লাহ্ তা'আলার বিশেষ একটি হিকমত ও রীতি হচ্ছে তারা কখনও জয়লাভ করবে আবার কখনও পরাজিত হবে। তবে সর্বশেষে তাদেরই বিজয় হবে। সবসময় তাদেরকে বিজয় দান করলে সত্যিকার মুমিন ও অন্যদের মাঝে পার্থক্য করা সম্ভব হবেনা।

সেই বান্দা আল্লাহর নিকট সর্বাধিক কামেল যিনি জিহাদের সকল স্তর ও প্রকার বাস্তবায়ন করেছেন। এ জন্যই আল্লাহর সর্বশেষ নাবী মুহাম্মাদ ছিলেন আল্লাহর নিকট সর্বাধিক কামেল ও মর্যাদাবান। কারণ তিনি জিহাদের সকল স্তরই বাস্তবায়ন করেছেন। তিনি আল্লাহর রাস্তায় যথার্থরূপে জিহাদ করেছেন। নবুওয়াত ও রিসালাত পাওয়ার পর থেকে শুরু করে মৃত্যু পর্যন্ত তিনি আল্লাহর রাস্তায় জিহাদ করেছেন। যখন তাঁর উপর কুরআনের এই আয়াত গুলো নাযিল হল- (يَا أَيُّهَا الْمُدَّثِّرُ ، ثُمَّ فَأَنْذِرُ وَরَبَّكَ فَكَبِّরُ...) তখনই তিনি দাওয়াতের কাজে লেগে গেলেন। তিনি প্রকাশ্যে দাওয়াত দেয়া শুরু করলেন এবং আল্লাহর কথা প্রকাশ্যে জানিয়ে দিলেন। তাঁর জাতির লোককে খোলাখুলি দাওয়াত দিলেন। এতে কোন নিন্দুকের নিন্দা এবং সমালোচকের সমালোচনার ভয় করেন নি। ছোট-বড়, স্বাধীন-ক্রীতদাস, নারী-পুরুষ, সাদা-কালো এবং জিন-ইনসান সকলকেই আল্লাহর দ্বীনে প্রবেশ করার আহবান জানালেন।
নাবী-রসূল ও তাদের অনুসারীদের ক্ষেত্রে আল্লাহ্ তা'আলার বিশেষ একটি হিকমত ও রীতি হচ্ছে তারা কখনও জয়লাভ করবে আবার কখনও পরাজিত হবে। তবে সর্বশেষে তাদেরই বিজয় হবে। সবসময় তাদেরকে বিজয় দান করলে সত্যিকার মুমিন ও অন্যদের মাঝে পার্থক্য করা সম্ভব হবেনা।

ফন্ট সাইজ
15px
17px