📘 মুখতাসার যাদুল মায়াদ 📄 নফসের সাথে জিহাদ

📄 নফসের সাথে জিহাদ


নফসের সাথে জিহাদের চারটি স্তর রয়েছে। (১) ইলম, দ্বীনে হক ও হিদায়াতের তালাশের চেষ্টা করা এবং এর উপর নফসকে বাধ্য করা। কারণ দ্বীনে হকের জ্ঞান অর্জন ছাড়া সাফল্য অর্জনের কোন সুযোগ নেই। বান্দা তা অর্জনে ব্যর্থ হলে ইহকাল ও পরকালে সে হতভাগ্য হবে। (২) বান্দা ইলম অর্জন করার পর ইলমকে আমলে পরিণত করবে। কারণ আমল ছাড়া ইলম তার কোন উপকারে আসবেনা। (৩) ইলম ও আমলের প্রতি মানুষকে দাওয়াত দিবে। অজ্ঞদেরকে দ্বীন শিক্ষা দিবে। অন্যথায় সে আল্লাহর নাযিলকৃত হিদায়াত ও সত্য গোপন করার অপরাধে অপরাধী হবে এবং তার ইলম অন্যের উপকার করলেও তার নিজের কোন উপকার করবে না এবং তাকে আল্লাহর আযাব থেকে রক্ষাও করবেনা। (৪) আল্লাহর রাস্তায় দাওয়াতের কাজে যে সমস্ত বিপদ আসে বান্দা তার উপর নফসকে সবর করতে বাধ্য করবে। মানুষেরা তাকে কষ্ট দিলেও সে ধৈর্যধারণ করবে। আল্লাহর সন্তুষ্টি অর্জনের আশায় সে সব কিছুই মাথা পেতে মেনে নিবে। যার ভিতরে এই চারটি গুণ পাওয়া যাবে সে রাব্বানী তথা আল্লাহ্র প্রিয় অলী হতে পারবে।
সালাফগণের সকলেই এ ব্যাপারে একমত যে, কোন আলেমই ততক্ষণ পর্যন্ত রাব্বানী হওয়ার যোগ্য হয় না যতক্ষণ না সে সত্যকে ভালভাবে বুঝতে সক্ষম হয়, সে অনুযায়ী আমল করে এবং তা মানুষকে শিক্ষা দেয়। সুতরাং যে শিখল, আমল করল এবং শিক্ষা দিল তাকে উর্ধ্বাকাশে (জান্নাতে) মহা সম্মানের সাথে ডাকা হবে।

📘 মুখতাসার যাদুল মায়াদ 📄 শয়তানের সাথে জিহাদ

📄 শয়তানের সাথে জিহাদ


শয়তানের সাথে জিহাদের দু'টি স্তর রয়েছে। (১) ঈমান নষ্ট করার জন্য শয়তান যে সমস্ত সন্দেহ এবং ওয়াসওয়াসা বান্দার অন্তরে প্রবেশ করিয়ে দেয় তা প্রতিহত করার সংগ্রাম করা। (২) শয়তান মানুষের অন্তরে পাপ কাজের প্রতি যে আগ্রহ ও আসক্তি নিক্ষেপ করে তা প্রতিহত করার সংগ্রামে সদা প্রচেষ্টা চালানো। মজবুত ঈমান ও দৃঢ় মনোবল দিয়ে প্রথমটির বিরুদ্ধে সংগ্রাম করতে হবে এবং ধৈর্যের মাধ্যমেই দ্বিতীয়টির মোকাবেলা করা সম্ভব।

📘 মুখতাসার যাদুল মায়াদ 📄 কাফের ও মুনাফেকদের বিরুদ্ধে জিহাদ

📄 কাফের ও মুনাফেকদের বিরুদ্ধে জিহাদ


কাফের ও মুনাফেকদের বিরুদ্ধে জিহাদেরও চারটি স্তর রয়েছে। (১) অন্তরের মাধ্যমে জিহাদ, (২) জবানের মাধ্যমে জিহাদ, (৩) মালের সাহায্যে জিহাদ ও (৪) জান ও হাতের মাধ্যমে জিহাদ। কাফেরদের সাথে জিহাদ করতে হবে অস্ত্রের সাহায্যে। আর জবানের সাহায্যে জিহাদ করতে হবে মুনাফেকদের সাথে।

কাফের ও মুনাফেকদের বিরুদ্ধে জিহাদেরও চারটি স্তর রয়েছে। (১) অন্তরের মাধ্যমে জিহাদ, (২) জবানের মাধ্যমে জিহাদ, (৩) মালের সাহায্যে জিহাদ ও (৪) জান ও হাতের মাধ্যমে জিহাদ। কাফেরদের সাথে জিহাদ করতে হবে অস্ত্রের সাহায্যে। আর জবানের সাহায্যে জিহাদ করতে হবে মুনাফেকদের সাথে।

কাফের ও মুনাফেকদের বিরুদ্ধে জিহাদেরও চারটি স্তর রয়েছে। (১) অন্তরের মাধ্যমে জিহাদ, (২) জবানের মাধ্যমে জিহাদ, (৩) মালের সাহায্যে জিহাদ ও (৪) জান ও হাতের মাধ্যমে জিহাদ। কাফেরদের সাথে জিহাদ করতে হবে অস্ত্রের সাহায্যে। আর জবানের সাহায্যে জিহাদ করতে হবে মুনাফেকদের সাথে।

কাফের ও মুনাফেকদের বিরুদ্ধে জিহাদেরও চারটি স্তর রয়েছে। (১) অন্তরের মাধ্যমে জিহাদ, (২) জবানের মাধ্যমে জিহাদ, (৩) মালের সাহায্যে জিহাদ ও (৪) জান ও হাতের মাধ্যমে জিহাদ। কাফেরদের সাথে জিহাদ করতে হবে অস্ত্রের সাহায্যে। আর জবানের সাহায্যে জিহাদ করতে হবে মুনাফেকদের সাথে।

কাফের ও মুনাফেকদের বিরুদ্ধে জিহাদেরও চারটি স্তর রয়েছে। (১) অন্তরের মাধ্যমে জিহাদ, (২) জবানের মাধ্যমে জিহাদ, (৩) মালের সাহায্যে জিহাদ ও (৪) জান ও হাতের মাধ্যমে জিহাদ। কাফেরদের সাথে জিহাদ করতে হবে অস্ত্রের সাহায্যে। আর জবানের সাহায্যে জিহাদ করতে হবে মুনাফেকদের সাথে।

📘 মুখতাসার যাদুল মায়াদ 📄 যালেম, পাপী ও বিদআতীদের সাথে জিহাদ

📄 যালেম, পাপী ও বিদআতীদের সাথে জিহাদ


এই প্রকার লোকদের সাথে জিহাদের তিনটি স্তর রয়েছে। (১) ক্ষমতা থাকলে তাদের বিরুদ্ধে হাত দিয়ে জিহাদ করতে হবে। (২) হাত দিয়ে করতে অক্ষম হলে জবান দিয়ে করতে হবে। (৩) আর তাতেও অক্ষম হলে অন্তর দিয়ে করতে হবে।

এই প্রকার লোকদের সাথে জিহাদের তিনটি স্তর রয়েছে। (১) ক্ষমতা থাকলে তাদের বিরুদ্ধে হাত দিয়ে জিহাদ করতে হবে। (২) হাত দিয়ে করতে অক্ষম হলে জবান দিয়ে করতে হবে। (৩) আর তাতেও অক্ষম হলে অন্তর দিয়ে করতে হবে।

এই প্রকার লোকদের সাথে জিহাদের তিনটি স্তর রয়েছে। (১) ক্ষমতা থাকলে তাদের বিরুদ্ধে হাত দিয়ে জিহাদ করতে হবে। (২) হাত দিয়ে করতে অক্ষম হলে জবান দিয়ে করতে হবে। (৩) আর তাতেও অক্ষম হলে অন্তর দিয়ে করতে হবে।

এই প্রকার লোকদের সাথে জিহাদের তিনটি স্তর রয়েছে। (১) ক্ষমতা থাকলে তাদের বিরুদ্ধে হাত দিয়ে জিহাদ করতে হবে। (২) হাত দিয়ে করতে অক্ষম হলে জবান দিয়ে করতে হবে। (৩) আর তাতেও অক্ষম হলে অন্তর দিয়ে করতে হবে।

এই প্রকার লোকদের সাথে জিহাদের তিনটি স্তর রয়েছে। (১) ক্ষমতা থাকলে তাদের বিরুদ্ধে হাত দিয়ে জিহাদ করতে হবে। (২) হাত দিয়ে করতে অক্ষম হলে জবান দিয়ে করতে হবে। (৩) আর তাতেও অক্ষম হলে অন্তর দিয়ে করতে হবে।

ফন্ট সাইজ
15px
17px