📄 নবী (সাঃ) থেকে বর্ণিত খুতবাতুল হাজাতের পদ্ধতি
নাবী সাহাবীদেরকে নিম্নলিখিত পদ্ধতিতে খুতবাতুল হাজাত শিক্ষা দিয়েছেনঃ
«الْحَمْدُ لِلَّهِ نَسْتَعِينُهُ وَنَسْتَغْفِرُهُ... أَشْهَدُ أَنْ لَا إِلَهَ إِلَّا اللهُ وَأَشْهَدُ أَنَّ مُحَمَّدًا عَبْدُهُ وَرَسُولُه...»
ইমাম শু'বা বলেন- এটি প্রত্যেক প্রয়োজনীয় কাজ শুরু করার খুতবা। নাবী বলেন- তোমাদের কেউ যদি কোন মহিলা, খাদেম অথবা চতুষ্পদ জন্তুর মালিক হয় তখন সে যেন তার কপালে হাত রাখে তাতে বরকতের জন্য আল্লাহর কাছে দু'আ করে এবং 'বিসমিল্লাহ্' বলে। অতঃপর এই দু'আটি পাঠ করেঃ «اللَّهُمَّ إِنِّي أَسْأَلُكَ خَيْرَهَا وَخَيْرَ مَا جَبَلْتَهَا عَلَيْهِ...»
তিনি নব বিবাহিত ব্যক্তির জন্য দু'আ করার সময় বলতেন- «بَارَكَ اللهُ لَكَ وَبَارَكَ عَلَيْكَ وَجَمَعَ بَيْنَكُمَا فِي خَيْرٍ»
নাবী বলেন- কেউ যদি রোগে আক্রান্ত কোন লোককে দেখে এই দু'আটি পাঠ করে তবে সেই রোগটি তাকে কখনই আক্রমণ করবে নাঃ «الْحَمْدُ لِلَّهِ الَّذِي عَافَانِي مِمَّا ابْتَلَاكَ بِهِ...»
টিকাঃ
১৯৯. আবু দাউদ, আলএ, হা/২১৬০, মিশকাত, মাশা. হা/২৪৪৬, হাসান সহীহ: আলবানী।
২০০. আবু দাউদ, আলএ, হা/২১৩০, মিশকাত, মাশা. হা/২৪৪৫, সহীহ: আলবানী।
২০১. সহীহ আত-তিরমিযী, মাপ, হা/৩৪৩১, মিশকাত, হাএ. হা/২৩২৯
📄 নবী (সাঃ) যে সমস্ত কথা অপছন্দ করতেন
তিনি যে সমস্ত শব্দ ও বাক্য পছন্দ করতেন না তার অন্যতম হচ্ছে, খাবুছাত নাফসী অর্থাৎ আমার চরিত্র নোংরা হয়ে গেছে। এর পরিবর্তে তিনি লাকিসাত নাফসী বলার উপদেশ দিয়েছেন। উভয় বাক্যের অর্থ কাছাকাছি। তা হচ্ছে অভ্যাস ও চরিত্র নষ্ট হয়ে গেছে। নাবী খাবুছ শব্দটি প্রয়োগ করা অপছন্দ করেছেন। কারণ তা কদর্যতা ও নোংরামীর মাত্রাতিরিক্ত অর্থ প্রকাশ করে। তিনি আঙ্গুর ফলকে কারাম বলতেও নিষেধ করেছেন। কারণ কারাম হচ্ছে মুমিনের গুণ। তিনি কাউকে এ কথা বলতে নিষেধ করেছেন যে, হালুকান নাস ‘মানুষেরা ধ্বংস হয়ে গেছে’। নাবী বলেন- যে ব্যক্তি এরূপ বলল, মূলতঃ সেই যেন লোকদেরকে ধ্বংস করে দিল। এমনি ফাসাদান নাস ওয়া ফাসাদায যামান ‘লোকেরা নষ্ট হয়ে গেছে, যামানা খারাপ হয়ে গেছে’ বলাও অপছন্দনীয়। তিনি অমুক অমুক তারকার কারণে বৃষ্টিপ্রাপ্ত হয়েছি বলতেও নিষেধ করেছেন।
আর তিনি মা-শা-আল্লাহ ওয়া শিইতা ‘আল্লাহ যা চান’ এবং ‘তুমি যা চাও’ বলতেও নিষেধ করেছেন। রসূল আল্লাহ ছাড়া অন্যের নামে শপথ করতে নিষেধ করেছেন। নাবী থেকে সহীহ সূত্রে বর্ণিত হয়েছে যে, তিনি বলেছেন- মান হালাফা বি-গায়রিল্লাহ ফাক্বাদ আশরাকা “যে ব্যক্তি আল্লাহ ছাড়া অন্যের নামে শপথ করল সে শিরক করল।” এমনি শপথের মধ্যে এ কথাও বলা নিষিদ্ধ যে, সে যদি এমন করে তাহলে ইহুদী হয়ে যাবে। তিনি বাদশাহকে মালিকুল মুল্ক তথা শাহানশাহ বা রাজাধিরাজ বলতে নিষেধ করেছেন। চাকর ও খাদেমকে আমার বান্দা বা আমার বান্দী বলাও নিষিদ্ধ। বাতাসকে গালি দেয়া, জ্বরকে (রোগকে) দোষারোপ করা, মোরগকে গালি দেয়ার ব্যাপারেও নিষিদ্ধতা বর্ণিত হয়েছে।
আইয়্যামে জাহেলীয়াত তথা অন্ধকার যুগের সকল আহবান ও শ্লোগানকে তিনি বর্জন করার আদেশ দিয়েছেন। মুসলিমদেরকে গোত্র, বংশ এবং জাতীয়তাবাদের দিকে আহবান করতে এবং এর ভিত্তিতে বিভক্ত হতে নিষেধ করেছেন। অনুরূপ মাজহাব ভিত্তিক দলাদলি, বিভিন্ন তরীকা ও মাশায়েখের অনুসরণ করাও নিষিদ্ধ।
টিকাঃ
২১৩. বৃষ্টি আল্লাহর বিশেষ একটি নেয়ামত ও রহমত। আল্লাহই এটিকে মানুষের কল্যাণের জন্য বর্ষণ করেন। সুতরাং বৃষ্টি বর্ষিত হলে আল্লাহর প্রশংসা ও শুকরিয়া আদায় করা উচিত। তা না করে যদি কেউ বলে আমরা উমুক উমুক তারকার কারণে কিংবা পহেলা বৈশাখের কারণে বা অন্য কোন কারণে বৃষ্টি প্রাপ্ত হয়েছি, তাহলে আল্লাহর নেয়ামতকে অন্য কিছুর দিকে সম্পৃক্ত করার কারণে কথাটি কুফরীর অন্তর্ভুক্ত হবে।
২১৪. এতে (এবং) শব্দের মাধ্যমে বান্দা ও আল্লাহর ইচ্ছাকে সমান করে দেয়া হয়। তাই (এবং) শব্দ পরিহার করে অতঃপর শব্দটি প্রয়োগ করতে হবে। অর্থাৎ এভাবে বলতে হবে যে, আল্লাহ্ যা চান অতঃপর সে যা চায়।
২১৫. মুসনাদে আহমাদ।
তিনি যে সমস্ত শব্দ ও বাক্য পছন্দ করতেন না তার অন্যতম হচ্ছে, খাবুছাত নাফসী অর্থাৎ আমার চরিত্র নোংরা হয়ে গেছে। এর পরিবর্তে তিনি লাকিসাত নাফসী বলার উপদেশ দিয়েছেন। উভয় বাক্যের অর্থ কাছাকাছি। তা হচ্ছে অভ্যাস ও চরিত্র নষ্ট হয়ে গেছে। নাবী খাবুছ শব্দটি প্রয়োগ করা অপছন্দ করেছেন। কারণ তা কদর্যতা ও নোংরামীর মাত্রাতিরিক্ত অর্থ প্রকাশ করে। তিনি আঙ্গুর ফলকে কারাম বলতেও নিষেধ করেছেন। কারণ কারাম হচ্ছে মুমিনের গুণ। তিনি কাউকে এ কথা বলতে নিষেধ করেছেন যে, হালুকান নাস ‘মানুষেরা ধ্বংস হয়ে গেছে’। নাবী বলেন- যে ব্যক্তি এরূপ বলল, মূলতঃ সেই যেন লোকদেরকে ধ্বংস করে দিল। এমনি ফাসাদান নাস ওয়া ফাসাদায যামান ‘লোকেরা নষ্ট হয়ে গেছে, যামানা খারাপ হয়ে গেছে’ বলাও অপছন্দনীয়। তিনি অমুক অমুক তারকার কারণে বৃষ্টিপ্রাপ্ত হয়েছি বলতেও নিষেধ করেছেন।
আর তিনি মা-শা-আল্লাহ ওয়া শিইতা ‘আল্লাহ যা চান’ এবং ‘তুমি যা চাও’ বলতেও নিষেধ করেছেন। রসূল আল্লাহ ছাড়া অন্যের নামে শপথ করতে নিষেধ করেছেন। নাবী থেকে সহীহ সূত্রে বর্ণিত হয়েছে যে, তিনি বলেছেন- মান হালাফা বি-গায়রিল্লাহ ফাক্বাদ আশরাকা “যে ব্যক্তি আল্লাহ ছাড়া অন্যের নামে শপথ করল সে শিরক করল।” এমনি শপথের মধ্যে এ কথাও বলা নিষিদ্ধ যে, সে যদি এমন করে তাহলে ইহুদী হয়ে যাবে। তিনি বাদশাহকে মালিকুল মুল্ক তথা শাহানশাহ বা রাজাধিরাজ বলতে নিষেধ করেছেন। চাকর ও খাদেমকে আমার বান্দা বা আমার বান্দী বলাও নিষিদ্ধ। বাতাসকে গালি দেয়া, জ্বরকে (রোগকে) দোষারোপ করা, মোরগকে গালি দেয়ার ব্যাপারেও নিষিদ্ধতা বর্ণিত হয়েছে।
আইয়্যামে জাহেলীয়াত তথা অন্ধকার যুগের সকল আহবান ও শ্লোগানকে তিনি বর্জন করার আদেশ দিয়েছেন। মুসলিমদেরকে গোত্র, বংশ এবং জাতীয়তাবাদের দিকে আহবান করতে এবং এর ভিত্তিতে বিভক্ত হতে নিষেধ করেছেন। অনুরূপ মাজহাব ভিত্তিক দলাদলি, বিভিন্ন তরীকা ও মাশায়েখের অনুসরণ করাও নিষিদ্ধ।
টিকাঃ
২১৩. বৃষ্টি আল্লাহর বিশেষ একটি নেয়ামত ও রহমত। আল্লাহই এটিকে মানুষের কল্যাণের জন্য বর্ষণ করেন। সুতরাং বৃষ্টি বর্ষিত হলে আল্লাহর প্রশংসা ও শুকরিয়া আদায় করা উচিত। তা না করে যদি কেউ বলে আমরা উমুক উমুক তারকার কারণে কিংবা পহেলা বৈশাখের কারণে বা অন্য কোন কারণে বৃষ্টি প্রাপ্ত হয়েছি, তাহলে আল্লাহর নেয়ামতকে অন্য কিছুর দিকে সম্পৃক্ত করার কারণে কথাটি কুফরীর অন্তর্ভুক্ত হবে।
২১৪. এতে (এবং) শব্দের মাধ্যমে বান্দা ও আল্লাহর ইচ্ছাকে সমান করে দেয়া হয়। তাই (এবং) শব্দ পরিহার করে অতঃপর শব্দটি প্রয়োগ করতে হবে। অর্থাৎ এভাবে বলতে হবে যে, আল্লাহ্ যা চান অতঃপর সে যা চায়।
২১৫. মুসনাদে আহমাদ।