📄 পানাহার গ্রহণের সময় প্রয়োজনীয় কথা বলা
কাউকে খাওয়ার দাওয়াত দেয়া হলে অন্য কেউ যদি বিনা দাওয়াতে তার সাথে চলে আসে তাহলে মেজবানকে তথা নিমন্ত্রণকারীকে বলতে হবে যে, এই লোকটি বিনা দাওয়াতে আমাদের সাথে চলে এসেছে। আপনি ইচ্ছা করলে তাকে প্রবেশের অনুমতি দিতে পারেন। নাবী খাদ্য গ্রহণ করার সময় প্রয়োজনীয় কথাও বলতেন। যেমন তিনি একবার খাদেমকে বলেছিলেন- বিসমিল্লাহ্ বল এবং খাও।
কারও বাড়ীতে দাওয়াত খেলে বাড়ী ওয়ালার জন্য দু'আ করাঃ তিনি কারও বাড়িতে দাওয়াত খেতে গেলে বাড়ি ওয়ালার জন্য দু'আ না করে ফেরত আসতেন না। রসূল এর কাছে এ রকম দু'আ বর্ণিত হয়েছেঃ «أَفْطَرَ عِنْدَكُم الصَّائِمُونَ وَأَكَلَ طَعَامَكُمُ الْأَبْرَارُ وَصَلَّتْ عَلَيْكُمُ الْمَلَائِكَةُ» "রোযাদারগণ তোমাদের নিকট ইফতার করেছে, সৎ লোকেরা তোমাদের খাবার গ্রহণ করেছেন এবং ফিরিস্তাগণ তোমাদের জন্য দু'আ করেছে”। তিনি ডান হাতে খেতে আদেশ করেছেন এবং বাম হাতে খেতে নিষেধ করেছেন।
টিকাঃ
১৮০. বুখারী, অধ্যায়ঃ কিতাবুর রিকাক।
১৮১. আবু দাউদ, আলএ. হা/৩৮৫৪
১৮২. মুসলিম, হাএ. হা/৫২৫৭ ইফা.৫১৮৯, ইসে, হা/৫২০, মুসনাদে আহমাদ, মাশা, হা/২৩৮০৯
১৮৩. এই হাদীসটি সহীহ নয়। ইবনুস সুন্নী দিবা-রাত্রির আমলে হাদীসটি উল্লেখ করেছেন।
কাউকে খাওয়ার দাওয়াত দেয়া হলে অন্য কেউ যদি বিনা দাওয়াতে তার সাথে চলে আসে তাহলে মেজবানকে তথা নিমন্ত্রণকারীকে বলতে হবে যে, এই লোকটি বিনা দাওয়াতে আমাদের সাথে চলে এসেছে। আপনি ইচ্ছা করলে তাকে প্রবেশের অনুমতি দিতে পারেন। নাবী খাদ্য গ্রহণ করার সময় প্রয়োজনীয় কথাও বলতেন। যেমন তিনি একবার খাদেমকে বলেছিলেন- বিসমিল্লাহ্ বল এবং খাও।
কারও বাড়ীতে দাওয়াত খেলে বাড়ী ওয়ালার জন্য দু'আ করাঃ তিনি কারও বাড়িতে দাওয়াত খেতে গেলে বাড়ি ওয়ালার জন্য দু'আ না করে ফেরত আসতেন না। রসূল এর কাছে এ রকম দু'আ বর্ণিত হয়েছেঃ «أَفْطَرَ عِنْدَكُم الصَّائِمُونَ وَأَكَلَ طَعَامَكُمُ الْأَبْرَارُ وَصَلَّتْ عَلَيْكُمُ الْمَلَائِكَةُ» "রোযাদারগণ তোমাদের নিকট ইফতার করেছে, সৎ লোকেরা তোমাদের খাবার গ্রহণ করেছেন এবং ফিরিস্তাগণ তোমাদের জন্য দু'আ করেছে”। তিনি ডান হাতে খেতে আদেশ করেছেন এবং বাম হাতে খেতে নিষেধ করেছেন।
টিকাঃ
১৮০. বুখারী, অধ্যায়ঃ কিতাবুর রিকাক।
১৮১. আবু দাউদ, আলএ. হা/৩৮৫৪
১৮২. মুসলিম, হাএ. হা/৫২৫৭ ইফা.৫১৮৯, ইসে, হা/৫২০, মুসনাদে আহমাদ, মাশা, হা/২৩৮০৯
১৮৩. এই হাদীসটি সহীহ নয়। ইবনুস সুন্নী দিবা-রাত্রির আমলে হাদীসটি উল্লেখ করেছেন।
কাউকে খাওয়ার দাওয়াত দেয়া হলে অন্য কেউ যদি বিনা দাওয়াতে তার সাথে চলে আসে তাহলে মেজবানকে তথা নিমন্ত্রণকারীকে বলতে হবে যে, এই লোকটি বিনা দাওয়াতে আমাদের সাথে চলে এসেছে। আপনি ইচ্ছা করলে তাকে প্রবেশের অনুমতি দিতে পারেন। আর যদি তা না করেন তাহলে সে ফেরত যাবে। নাবী খাদ্য গ্রহণ করার সময় প্রয়োজনীয় কথাও বলতেন। যেমন তিনি একবার খাদেমকে বলেছিলেন- বিসমিল্লাহ্ বল এবং খাও। আতিথেয়তায় অভ্যস্থ এবং দানশীল লোকদের ন্যায় কখনও তিনি মেহমানদের কাছে বেশী পরিমাণ খাওয়ার জন্য একাধিকবার আবেদন করতেন।
কাউকে খাওয়ার দাওয়াত দেয়া হলে অন্য কেউ যদি বিনা দাওয়াতে তার সাথে চলে আসে তাহলে মেজবানকে তথা নিমন্ত্রণকারীকে বলতে হবে যে, এই লোকটি বিনা দাওয়াতে আমাদের সাথে চলে এসেছে। আপনি ইচ্ছা করলে তাকে প্রবেশের অনুমতি দিতে পারেন। নাবী খাদ্য গ্রহণ করার সময় প্রয়োজনীয় কথাও বলতেন। যেমন তিনি একবার খাদেমকে বলেছিলেন- বিসমিল্লাহ্ বল এবং খাও।
কারও বাড়ীতে দাওয়াত খেলে বাড়ী ওয়ালার জন্য দু'আ করাঃ তিনি কারও বাড়িতে দাওয়াত খেতে গেলে বাড়ি ওয়ালার জন্য দু'আ না করে ফেরত আসতেন না। রসূল এর কাছে এ রকম দু'আ বর্ণিত হয়েছেঃ «أَفْطَرَ عِنْدَكُم الصَّائِمُونَ وَأَكَلَ طَعَامَكُمُ الْأَبْرَارُ وَصَلَّتْ عَلَيْكُمُ الْمَلَائِكَةُ» "রোযাদারগণ তোমাদের নিকট ইফতার করেছে, সৎ লোকেরা তোমাদের খাবার গ্রহণ করেছেন এবং ফিরিস্তাগণ তোমাদের জন্য দু'আ করেছে”।
টিকাঃ
১৮০. বুখারী, অধ্যায়ঃ কিতাবুর রিকাক।
১৮১. আবু দাউদ, আলএ. হা/ ৩৮৫৪
১৮২. মুসলিম, হাএ. হা/ ৫২৫৭
১৮৩. এই হাদীসটি সহীহ নয়। ইবনুস সুন্নী দিবা-রাত্রির আমলে হাদীসটি উল্লেখ করেছেন।
কাউকে খাওয়ার দাওয়াত দেয়া হলে অন্য কেউ যদি বিনা দাওয়াতে তার সাথে চলে আসে তাহলে মেজবানকে তথা নিমন্ত্রণকারীকে বলতে হবে যে, এই লোকটি বিনা দাওয়াতে আমাদের সাথে চলে এসেছে। আপনি ইচ্ছা করলে তাকে প্রবেশের অনুমতি দিতে পারেন। নাবী খাদ্য গ্রহণ করার সময় প্রয়োজনীয় কথাও বলতেন। যেমন তিনি একবার খাদেমকে বলেছিলেন- বিসমিল্লাহ্ বল এবং খাও। আতিথেয়তায় অভ্যস্থ এবং দানশীল লোকদের ন্যায় কখনও তিনি মেহমানদের কাছে বেশী পরিমাণ খাওয়ার জন্য একাধিকবার আবেদন করতেন।
টিকাঃ
১৮০. বুখারী, অধ্যায়ঃ কিতাবুর রিকাক।
১৮১. আবু দাউদ, আলএ. হা/ ৩৮৫৪
১৮২. মুসলিম, হাএ. হা/ ৫২৫৭
১৮৩. এই হাদীসটি সহীহ নয়। ইবনুস সুন্নী দিবা-রাত্রির আমলে হাদীসটি উল্লেখ করেছেন।
📄 কারও বাড়ীতে দাওয়াত খেলে বাড়ী ওয়ালার জন্য দু‘আ করা
তিনি কারও বাড়িতে দাওয়াত খেতে গেলে বাড়ি ওয়ালার জন্য দু'আ না করে ফেরত আসতেন না। ইমাম আবু দাউদ আবুল হাইছাম এর ঘটনায় উল্লেখ করেছেন যে, আবুল হাইছাম তাঁকে এবং তাঁর সাহাবীদেরকে দাওয়াত করলেন। খাওয়া শেষে তিনি বললেন- তোমাদের ভাইকে ছাওয়াব দান কর। তারা বললেন- কিভাবে আমরা তাকে ছাওয়াব প্রদান করব? তিনি বললেন- কাউকে যখন কোন ঘরে খাওয়ার জন্য ডাকা হবে তখন পানাহার করার পর সে যদি মেজবানের জন্য (নিমন্ত্রণকারীর জন্য) দু'আ করে তাহলে এটিই হবে ঘর ওয়ালাকে ছাওয়াব দেয়ার নামান্তর। বর্ণিত হয়েছে যে, তিনি একবার সাদ বিন উবাদার ঘরে দাওয়াত খেয়ে এই দু'আ করেছেনঃ «أَفْطَرَ عِنْدَكُم الصَّائِمُونَ وَأَكَلَ طَعَامَكُمُ الْأَبْرَارُ وَصَلَّتْ عَلَيْكُمُ الْمَلَائِكَةُ» "রোযাদারগণ তোমাদের নিকট ইফতার করেছে, সৎ লোকেরা তোমাদের খাবার গ্রহণ করেছেন এবং ফিরিস্তাগণ তোমাদের জন্য দু'আ করেছে”।
টিকাঃ
১৮১. আবু দাউদ, আলএ. হা/৩৮৫৪
📄 সালাম ও সালামের উত্তর প্রদানে নবী (সাঃ) এর হিদায়াত
নাবী বলেন- ইসলামের সর্বোত্তম বৈশিষ্ট্য হচ্ছে, খাদ্য প্রদান করা এবং পরিচিত-অপরিচিত সকলকে সালাম দেয়া। তিনি সালামের প্রসার ঘটানোর আদেশ দিয়েছেন। নাবী একদা একদল বালকের পাশ দিয়ে অতিক্রম করার সময় তাদেরকে সালাম দিলেন। একবার এক দল মহিলার পাশ দিয়ে যাওয়ার সময় হাতের ইশারায় তাদেরকে সালাম দিলেন।
নাবী এর বাণী- ছোট বড়কে সালাম দিবে, পথচারী উপবিষ্ট লোককে সালাম দিবে এবং কম সংখ্যক লোক বেশী সংখ্যক লোককে সালাম দিবে। কোন গোত্রের কাছে গিয়ে প্রথমেই সালাম দেয়া নাবী -এর পবিত্র সুন্নাতের অন্তর্ভূক্ত ছিল। তিনি যখন রাত্রে ঘরে প্রবেশ করতেন তখন এমনভাবে সালাম দিতেন, যাতে ঘরে ঘুমন্ত লোকদের নিদ্রার কোন ব্যঘাত না ঘটে। নাবী এর পবিত্র সুন্নাত এই ছিল যে, তিনি সালাম দেয়ার সময় ‘ওয়া বারাকাতুহু’ পর্যন্ত বলতেন। তিনবার সালাম দেয়া তাঁর পবিত্র সুন্নাত ছিল। মুসলিমদের সালামের জবাবে তিনি ‘ওয়া আলাইকুমুস সালাম’ বলতেন।
📄 ইহুদী-খৃষ্টানদেরকে সালাম দেয়ার ব্যাপারে নবী (সাঃ) এর সুন্নাত
নাবী থেকে সহীহ সূত্রে বর্ণিত হয়েছে যে, তিনি বলেছেন- তোমরা ইহুদী-খৃষ্টানদেরকে আগে সালাম দিওনা। আর তোমরা যখন তাদের সাথে রাস্তায় সাক্ষাত করবে তখন তাদেরকে সবচেয়ে সংক্ষিপ্ত রাস্তার দিকে যেতে বাধ্য কর। তাদের সালামের জবাব দেয়া ওয়াজিব। নাবী একদা একটি মজলিসের পাশ দিয়ে যাচ্ছিলেন যেখানে মুসলিম-অমুসলিম সকল শ্রেণীর লোকই ছিল, তিনি তাদের সকলকে সালাম দিলেন।
টিকাঃ
১৮৯. আবু দাউদ, আধ্যায়ঃ কিতাবুল আদাব, আলএ. হা/৫২০৫