📄 তিন নিঃশ্বাসে পান করা
নাবী থেকে বর্ণনা করা হয় যে, তিনি যখন পাত্র থেকে কিছু পান করতেন তখন তিন নিঃশ্বাসে পান করতেন। প্রত্যেক নিঃশ্বাসের সময় আল্লাহর প্রশংসা করতেন। তিনি পানাহারের শেষে 'আলহামদুলিল্লাহ' বলতেন। নাবী থেকে খাদ্য গ্রহণ শেষে এই দু'আটি পাঠ করার কথা বর্ণিত হয়েছেঃ
الْحَمْدُ لِلَّهِ الَّذِي أَطْعَمَنِي هَذَا وَرَزَقَنِيهِ مِنْ غَيْرِ حَوْلٍ مِنِّى وَلَا قُوَّةٍ
"আমি সেই আল্লাহর প্রশংসা করছি, যিনি আমাকে বিনা পরিশ্রমে, সহজভাবে এবং আমার পক্ষ হতে শক্তি ব্যয় করা ছাড়াই এই রিযিক প্রদান করেছেন"। অর্থাৎ আল্লাহর ইচ্ছা ব্যতীত আমার নিজের জন্য কোন কল্যাণ অর্জন করা সম্ভব নয়। নাবী থেকে নিম্নের দু'আটিও বর্ণনা করা হয়ঃ
الْحَمْدُ لِلَّهِ الَّذِي أَطْعَمَنَا وَسَقَانَا وَجَعَلَنَا مُسْلِمِينَ
"সেই আল্লাহর প্রশংসা করছি, যিনি আমাদেরকে পানাহার করিয়েছেন এবং আমাদেরকে মুসলিম করেছেন।”
নাবী কখনও কোন খাদ্যের দোষ-ত্রুটি বর্ণনা করতেন না। বরং তিনি কোন খাদ্য অপছন্দ করলে তা বর্জন করতেন এবং চুপ থাকতেন। কখনও তিনি বলতেন- এটিের প্রতি আমার আগ্রহ নেই।
টিকাঃ
১৭৮. সহীহ আত-তিরমিযী, হা/৩৪৫৮, সহীহ ইবনে মাজাহ, হা/৩২৭৬, মুসনাদে আহমাদ, মাশা. হা/১৫৬৩২, মিশকাত, মাশা. হা/৪৩৪৩, হাসান সহীহ: আলবানী।
১৭৯. আবুদাউদ, আলএ. হা/ ৩৮৫০, সহীহ আত- তিরমিযী, হা/৩৪৫৭, মিশকাত, মাশা. হা/৪২০৪, ইমাম আলবানী এই হাদীছকে যঈফ বলেছেন।
নাবী থেকে বর্ণনা করা হয় যে, তিনি যখন পাত্র থেকে কিছু পান করতেন তখন তিন নিঃশ্বাসে পান করতেন। প্রত্যেক নিঃশ্বাসের সময় আল্লাহর প্রশংসা করতেন। তিনি পানাহারের শেষে 'আলহামদুলিল্লাহ' বলতেন। নাবী থেকে খাদ্য গ্রহণ শেষে এই দু'আটি পাঠ করার কথা বর্ণিত হয়েছেঃ
الْحَمْدُ لِلَّهِ الَّذِي أَطْعَمَنِي هَذَا وَرَزَقَنِيهِ مِنْ غَيْرِ حَوْلٍ مِنِّى وَلَا قُوَّةٍ
"আমি সেই আল্লাহর প্রশংসা করছি, যিনি আমাকে বিনা পরিশ্রমে, সহজভাবে এবং আমার পক্ষ হতে শক্তি ব্যয় করা ছাড়াই এই রিযিক প্রদান করেছেন"। অর্থাৎ আল্লাহর ইচ্ছা ব্যতীত আমার নিজের জন্য কোন কল্যাণ অর্জন করা সম্ভব নয়। নাবী থেকে নিম্নের দু'আটিও বর্ণনা করা হয়ঃ
الْحَمْدُ لِلَّهِ الَّذِي أَطْعَمَنَا وَسَقَانَا وَجَعَلَنَا مُسْلِمِينَ
"সেই আল্লাহর প্রশংসা করছি, যিনি আমাদেরকে পানাহার করিয়েছেন এবং আমাদেরকে মুসলিম করেছেন।”
নাবী কখনও কোন খাদ্যের দোষ-ত্রুটি বর্ণনা করতেন না। বরং তিনি কোন খাদ্য অপছন্দ করলে তা বর্জন করতেন এবং চুপ থাকতেন। কখনও তিনি বলতেন- এটিের প্রতি আমার আগ্রহ নেই।
টিকাঃ
১৭৮. সহীহ আত-তিরমিযী, হা/৩৪৫৮, সহীহ ইবনে মাজাহ, হা/৩২৭৬, মুসনাদে আহমাদ, মাশা. হা/১৫৬৩২, মিশকাত, মাশা. হা/৪৩৪৩, হাসান সহীহ: আলবানী।
১৭৯. আবুদাউদ, আলএ. হা/ ৩৮৫০, সহীহ আত- তিরমিযী, হা/৩৪৫৭, মিশকাত, মাশা. হা/৪২০৪, ইমাম আলবানী এই হাদীছকে যঈফ বলেছেন।
নাবী থেকে বর্ণনা করা হয় যে, তিনি যখন পাত্র থেকে কিছু পান করতেন তখন তিন নিঃশ্বাসে পান করতেন। প্রত্যেক নিঃশ্বাসের সময় আল্লাহর প্রশংসা করতেন। তিনি পানাহারের শেষে 'আলহামদুলিল্লাহ' বলতেন। নাবী থেকে খাদ্য গ্রহণ শেষে এই দু'আটি পাঠ করার কথা বর্ণিত হয়েছেঃ
«الْحَمْدُ لِلَّهِ الَّذِي أَطْعَمَنِي هَذَا وَرَزَقَنِيهِ مِنْ غَيْرِ حَوْلٍ مِنِّى وَلَا قُوَّةٍ»
"আমি সেই আল্লাহর প্রশংসা করছি, যিনি আমাকে বিনা পরিশ্রমে, সহজভাবে এবং আমার পক্ষ হতে শক্তি ব্যয় করা ছাড়াই এই রিযিক প্রদান করেছেন"। অর্থাৎ আল্লাহর ইচ্ছা ব্যতীত আমার নিজের জন্য কোন কল্যাণ অর্জন করা সম্ভব নয়। হাদীছের শেষাংশে এসেছে, যে ব্যক্তি খাদ্য গ্রহণ শেষে এই দু'আ পাঠ করবে তার জীবনের গুনাহ সমূহ ক্ষমা করা হবে। নাবী থেকে নিম্নের দু'আটিও বর্ণনা করা হয়ঃ
«الْحَمْدُ لِلَّهِ الَّذِي أَطْعَمَنَا وَسَقَانَا وَجَعَلَنَا مُسْلِمِينَ»
"সেই আল্লাহর প্রশংসা করছি, যিনি আমাদেরকে পানাহার করিয়েছেন এবং আমাদেরকে মুসলিম করেছেন।”
নাবী কখনও কোন খাদ্যের দোষ-ত্রুটি বর্ণনা করতেন না। বরং তিনি কোন খাদ্য অপছন্দ করলে তা বর্জন করতেন এবং চুপ থাকতেন। কখনও তিনি বলতেন- এটির প্রতি আমার আগ্রহ নেই। তিনি কখনও কোন কোন খাদ্যের প্রশংসা করতেন। যেমন তিনি বলেছেন- সির্কা হচ্ছে সর্বোত্তম তরকারি। তিনি ঐ ব্যক্তির অন্তরকে খুশী করার জন্য কথাটি বলেছিলেন, যে নাবী এর জন্য সির্কা পেশ করে বলেছিল- আমাদের কাছে খাল্ তথা সির্কা (ফলের রস বিশেষ) ব্যতীত অন্য কোন তরকারি নেই। সকল প্রকার খাদ্যের উপর সির্কার মর্যাদা বর্ণনা করা উদ্দেশ্য ছিলনা। তাঁর কাছে সিয়াম অবস্থায় খাদ্য পেশ করা হলে তিনি বলতেন- আমি সায়িম। কোন সিয়ামদারের নিকট খাদ্য পেশ করা হলে তিনি সায়িমকে আদেশ দিতেন, সে যেন খাদ্য পেশকারীর জন্য দু'আ করে। যার নিকট খাদ্য পেশ করা হবে সে যদি সায়িম না হয়ে থাকে তাহলে তার উচিত সেখান থেকে খাওয়া।
টিকাঃ
১৭৭. আবুদাউদ, মাপ, হা/ ৩৭৬৭, সহীহ আত- তিরমিযী, হা/১৮৫৮, সহীহ ইবনে মাজাহ, হা/৩২৫৫, মিশকাত, মাশা. হা/৪২০২, হাসান সহীহ, তাহক্বীক্ব: আলবানী।
১৭৮. সহীহ আত-তিরমিযী, হা/৩৪৫৮, সহীহ ইবনে মাজাহ, হা/৩২৭৬, মুসনাদে আহমাদ, মাশা. হা/১৫৬৩২, মিশকাত, মাশা. হা/৪৩৪৩, হাসান সহীহ: আলবানী।
১৭৯. আবুদাউদ, আলএ. হা/ ৩৮৫০, সহীহ আত- তিরমিযী, হা/৩৪৫৭, মিশকাত, মাশা. হা/৪২০৪, ইমাম আলবানী এই হাদীছকে যঈফ বলেছেন।
নাবী থেকে বর্ণনা করা হয় যে, তিনি যখন পাত্র থেকে কিছু পান করতেন তখন তিন নিঃশ্বাসে পান করতেন। প্রত্যেক নিঃশ্বাসের সময় আল্লাহর প্রশংসা করতেন। তিনি পানাহারের শেষে 'আলহামদুলিল্লাহ' বলতেন। নাবী থেকে খাদ্য গ্রহণ শেষে এই দু'আটি পাঠ করার কথা বর্ণিত হয়েছেঃ
«الْحَمْدُ لِلَّهِ الَّذِي أَطْعَمَنِي হ্যদা وَرَزَقَنِيهِ مِنْ غَيْرِ حَوْلٍ مِنِّى وَلَا قُوَّةٍ»
"আমি সেই আল্লাহর প্রশংসা করছি, যিনি আমাকে বিনা পরিশ্রমে, সহজভাবে এবং আমার পক্ষ হতে শক্তি ব্যয় করা ছাড়াই এই রিযিক প্রদান করেছেন"। অর্থাৎ আল্লাহর ইচ্ছা ব্যতীত আমার নিজের জন্য কোন কল্যাণ অর্জন করা সম্ভব নয়। হাদীছের শেষাংশে এসেছে, যে ব্যক্তি খাদ্য গ্রহণ শেষে এই দু'আ পাঠ করবে তার জীবনের গুনাহ সমূহ ক্ষমা করা হবে। নাবী থেকে নিম্নের দু'আটিও বর্ণনা করা হয়ঃ
«الْحَمْدُ لِلَّهِ الَّذِي أَطْعَمَنَا وَسَقَانَا وَجَعَلَنَا مُسْلِمِينَ»
"সেই আল্লাহর প্রশংসা করছি, যিনি আমাদেরকে পানাহার করিয়েছেন এবং আমাদেরকে মুসলিম করেছেন।”
নাবী কখনও কোন খাদ্যের দোষ-ত্রুটি বর্ণনা করতেন না। বরং তিনি কোন খাদ্য অপছন্দ করলে তা বর্জন করতেন এবং চুপ থাকতেন। কখনও তিনি বলতেন- এটিির প্রতি আমার আগ্রহ নেই। তিনি কখনও কোন কোন খাদ্যের প্রশংসা করতেন। যেমন তিনি বলেছেন- সির্কা হচ্ছে সর্বোত্তম তরকারি।
নাবী থেকে বর্ণনা করা হয় যে, তিনি যখন পাত্র থেকে কিছু পান করতেন তখন তিন নিঃশ্বাসে পান করতেন। প্রত্যেক নিঃশ্বাসের সময় আল্লাহর প্রশংসা করতেন। তিনি পানাহারের শেষে 'আলহামদুলিল্লাহ' বলতেন। নাবী থেকে খাদ্য গ্রহণ শেষে এই দু'আটি পাঠ করার কথা বর্ণিত হয়েছেঃ
«الْحَمْدُ لِلَّهِ الَّذِي أَطْعَمَنِي হ্যদা وَرَজَقَنِيهِ مِنْ غَيْرِ حَوْلٍ مِنِّى وَلَا قُوَّةٍ»
"আমি সেই আল্লাহর প্রশংসা করছি, যিনি আমাকে বিনা পরিশ্রমে, সহজভাবে এবং আমার পক্ষ হতে শক্তি ব্যয় করা ছাড়াই এই রিযিক প্রদান করেছেন"। অর্থাৎ আল্লাহর ইচ্ছা ব্যতীত আমার নিজের জন্য কোন কল্যাণ অর্জন করা সম্ভব নয়। নাবী থেকে নিম্নের দু'আটিও বর্ণনা করা হয়ঃ
«الْحَمْدُ لِلَّهِ الَّذِي أَطْعَمَنَا وَسَقَانَا وَجَعَلَنَا مُسْلِمِينَ»
"সেই আল্লাহর প্রশংসা করছি, যিনি আমাদেরকে পানাহার করিয়েছেন এবং আমাদেরকে মুসলিম করেছেন।”
নাবী কখনও কোন খাদ্যের দোষ-ত্রুটি বর্ণনা করতেন না। বরং তিনি কোন খাদ্য অপছন্দ করলে তা বর্জন করতেন এবং চুপ থাকতেন। কখনও তিনি বলতেন- এটিির প্রতি আমার আগ্রহ নেই।
টিকাঃ
১৭৭. আবুদাউদ, মাপ, হা/ ৩৭৬৭, সহীহ আত- তিরমিযী, হা/১৮৫৮, সহীহ ইবনে মাজাহ, হা/৩২৫৫, মিশকাত, মাশা. হা/৪২০২, হাসান সহীহ, তাহক্বীক্ব: আলবানী।
১৭৮. সহীহ আত-তিরমিযী, হা/৩৪৫৮, সহীহ ইবনে মাজাহ, হা/৩২৭৬, মুসনাদে আহমাদ, মাশা. হা/১৫৬৩২, মিশকাত, মাশা. হা/৪৩৪৩, হাসান সহীহ: আলবানী।
১৭৯. আবুদাউদ, আলএ. হা/ ৩৮৫০, সহীহ আত- তিরমিযী, হা/৩৪৫৭, মিশকাত, মাশা. হা/৪২০৪, ইমাম আলবানী এই হাদীছকে যঈফ বলেছেন।
📄 পানাহার গ্রহণের সময় প্রয়োজনীয় কথা বলা
কাউকে খাওয়ার দাওয়াত দেয়া হলে অন্য কেউ যদি বিনা দাওয়াতে তার সাথে চলে আসে তাহলে মেজবানকে তথা নিমন্ত্রণকারীকে বলতে হবে যে, এই লোকটি বিনা দাওয়াতে আমাদের সাথে চলে এসেছে। আপনি ইচ্ছা করলে তাকে প্রবেশের অনুমতি দিতে পারেন। নাবী খাদ্য গ্রহণ করার সময় প্রয়োজনীয় কথাও বলতেন। যেমন তিনি একবার খাদেমকে বলেছিলেন- বিসমিল্লাহ্ বল এবং খাও।
কারও বাড়ীতে দাওয়াত খেলে বাড়ী ওয়ালার জন্য দু'আ করাঃ তিনি কারও বাড়িতে দাওয়াত খেতে গেলে বাড়ি ওয়ালার জন্য দু'আ না করে ফেরত আসতেন না। রসূল এর কাছে এ রকম দু'আ বর্ণিত হয়েছেঃ «أَفْطَرَ عِنْدَكُم الصَّائِمُونَ وَأَكَلَ طَعَامَكُمُ الْأَبْرَارُ وَصَلَّتْ عَلَيْكُمُ الْمَلَائِكَةُ» "রোযাদারগণ তোমাদের নিকট ইফতার করেছে, সৎ লোকেরা তোমাদের খাবার গ্রহণ করেছেন এবং ফিরিস্তাগণ তোমাদের জন্য দু'আ করেছে”। তিনি ডান হাতে খেতে আদেশ করেছেন এবং বাম হাতে খেতে নিষেধ করেছেন।
টিকাঃ
১৮০. বুখারী, অধ্যায়ঃ কিতাবুর রিকাক।
১৮১. আবু দাউদ, আলএ. হা/৩৮৫৪
১৮২. মুসলিম, হাএ. হা/৫২৫৭ ইফা.৫১৮৯, ইসে, হা/৫২০, মুসনাদে আহমাদ, মাশা, হা/২৩৮০৯
১৮৩. এই হাদীসটি সহীহ নয়। ইবনুস সুন্নী দিবা-রাত্রির আমলে হাদীসটি উল্লেখ করেছেন।
কাউকে খাওয়ার দাওয়াত দেয়া হলে অন্য কেউ যদি বিনা দাওয়াতে তার সাথে চলে আসে তাহলে মেজবানকে তথা নিমন্ত্রণকারীকে বলতে হবে যে, এই লোকটি বিনা দাওয়াতে আমাদের সাথে চলে এসেছে। আপনি ইচ্ছা করলে তাকে প্রবেশের অনুমতি দিতে পারেন। নাবী খাদ্য গ্রহণ করার সময় প্রয়োজনীয় কথাও বলতেন। যেমন তিনি একবার খাদেমকে বলেছিলেন- বিসমিল্লাহ্ বল এবং খাও।
কারও বাড়ীতে দাওয়াত খেলে বাড়ী ওয়ালার জন্য দু'আ করাঃ তিনি কারও বাড়িতে দাওয়াত খেতে গেলে বাড়ি ওয়ালার জন্য দু'আ না করে ফেরত আসতেন না। রসূল এর কাছে এ রকম দু'আ বর্ণিত হয়েছেঃ «أَفْطَرَ عِنْدَكُم الصَّائِمُونَ وَأَكَلَ طَعَامَكُمُ الْأَبْرَارُ وَصَلَّتْ عَلَيْكُمُ الْمَلَائِكَةُ» "রোযাদারগণ তোমাদের নিকট ইফতার করেছে, সৎ লোকেরা তোমাদের খাবার গ্রহণ করেছেন এবং ফিরিস্তাগণ তোমাদের জন্য দু'আ করেছে”। তিনি ডান হাতে খেতে আদেশ করেছেন এবং বাম হাতে খেতে নিষেধ করেছেন।
টিকাঃ
১৮০. বুখারী, অধ্যায়ঃ কিতাবুর রিকাক।
১৮১. আবু দাউদ, আলএ. হা/৩৮৫৪
১৮২. মুসলিম, হাএ. হা/৫২৫৭ ইফা.৫১৮৯, ইসে, হা/৫২০, মুসনাদে আহমাদ, মাশা, হা/২৩৮০৯
১৮৩. এই হাদীসটি সহীহ নয়। ইবনুস সুন্নী দিবা-রাত্রির আমলে হাদীসটি উল্লেখ করেছেন।
কাউকে খাওয়ার দাওয়াত দেয়া হলে অন্য কেউ যদি বিনা দাওয়াতে তার সাথে চলে আসে তাহলে মেজবানকে তথা নিমন্ত্রণকারীকে বলতে হবে যে, এই লোকটি বিনা দাওয়াতে আমাদের সাথে চলে এসেছে। আপনি ইচ্ছা করলে তাকে প্রবেশের অনুমতি দিতে পারেন। আর যদি তা না করেন তাহলে সে ফেরত যাবে। নাবী খাদ্য গ্রহণ করার সময় প্রয়োজনীয় কথাও বলতেন। যেমন তিনি একবার খাদেমকে বলেছিলেন- বিসমিল্লাহ্ বল এবং খাও। আতিথেয়তায় অভ্যস্থ এবং দানশীল লোকদের ন্যায় কখনও তিনি মেহমানদের কাছে বেশী পরিমাণ খাওয়ার জন্য একাধিকবার আবেদন করতেন।
কাউকে খাওয়ার দাওয়াত দেয়া হলে অন্য কেউ যদি বিনা দাওয়াতে তার সাথে চলে আসে তাহলে মেজবানকে তথা নিমন্ত্রণকারীকে বলতে হবে যে, এই লোকটি বিনা দাওয়াতে আমাদের সাথে চলে এসেছে। আপনি ইচ্ছা করলে তাকে প্রবেশের অনুমতি দিতে পারেন। নাবী খাদ্য গ্রহণ করার সময় প্রয়োজনীয় কথাও বলতেন। যেমন তিনি একবার খাদেমকে বলেছিলেন- বিসমিল্লাহ্ বল এবং খাও।
কারও বাড়ীতে দাওয়াত খেলে বাড়ী ওয়ালার জন্য দু'আ করাঃ তিনি কারও বাড়িতে দাওয়াত খেতে গেলে বাড়ি ওয়ালার জন্য দু'আ না করে ফেরত আসতেন না। রসূল এর কাছে এ রকম দু'আ বর্ণিত হয়েছেঃ «أَفْطَرَ عِنْدَكُم الصَّائِمُونَ وَأَكَلَ طَعَامَكُمُ الْأَبْرَارُ وَصَلَّتْ عَلَيْكُمُ الْمَلَائِكَةُ» "রোযাদারগণ তোমাদের নিকট ইফতার করেছে, সৎ লোকেরা তোমাদের খাবার গ্রহণ করেছেন এবং ফিরিস্তাগণ তোমাদের জন্য দু'আ করেছে”।
টিকাঃ
১৮০. বুখারী, অধ্যায়ঃ কিতাবুর রিকাক।
১৮১. আবু দাউদ, আলএ. হা/ ৩৮৫৪
১৮২. মুসলিম, হাএ. হা/ ৫২৫৭
১৮৩. এই হাদীসটি সহীহ নয়। ইবনুস সুন্নী দিবা-রাত্রির আমলে হাদীসটি উল্লেখ করেছেন।
কাউকে খাওয়ার দাওয়াত দেয়া হলে অন্য কেউ যদি বিনা দাওয়াতে তার সাথে চলে আসে তাহলে মেজবানকে তথা নিমন্ত্রণকারীকে বলতে হবে যে, এই লোকটি বিনা দাওয়াতে আমাদের সাথে চলে এসেছে। আপনি ইচ্ছা করলে তাকে প্রবেশের অনুমতি দিতে পারেন। নাবী খাদ্য গ্রহণ করার সময় প্রয়োজনীয় কথাও বলতেন। যেমন তিনি একবার খাদেমকে বলেছিলেন- বিসমিল্লাহ্ বল এবং খাও। আতিথেয়তায় অভ্যস্থ এবং দানশীল লোকদের ন্যায় কখনও তিনি মেহমানদের কাছে বেশী পরিমাণ খাওয়ার জন্য একাধিকবার আবেদন করতেন।
টিকাঃ
১৮০. বুখারী, অধ্যায়ঃ কিতাবুর রিকাক।
১৮১. আবু দাউদ, আলএ. হা/ ৩৮৫৪
১৮২. মুসলিম, হাএ. হা/ ৫২৫৭
১৮৩. এই হাদীসটি সহীহ নয়। ইবনুস সুন্নী দিবা-রাত্রির আমলে হাদীসটি উল্লেখ করেছেন।
📄 কারও বাড়ীতে দাওয়াত খেলে বাড়ী ওয়ালার জন্য দু‘আ করা
তিনি কারও বাড়িতে দাওয়াত খেতে গেলে বাড়ি ওয়ালার জন্য দু'আ না করে ফেরত আসতেন না। ইমাম আবু দাউদ আবুল হাইছাম এর ঘটনায় উল্লেখ করেছেন যে, আবুল হাইছাম তাঁকে এবং তাঁর সাহাবীদেরকে দাওয়াত করলেন। খাওয়া শেষে তিনি বললেন- তোমাদের ভাইকে ছাওয়াব দান কর। তারা বললেন- কিভাবে আমরা তাকে ছাওয়াব প্রদান করব? তিনি বললেন- কাউকে যখন কোন ঘরে খাওয়ার জন্য ডাকা হবে তখন পানাহার করার পর সে যদি মেজবানের জন্য (নিমন্ত্রণকারীর জন্য) দু'আ করে তাহলে এটিই হবে ঘর ওয়ালাকে ছাওয়াব দেয়ার নামান্তর। বর্ণিত হয়েছে যে, তিনি একবার সাদ বিন উবাদার ঘরে দাওয়াত খেয়ে এই দু'আ করেছেনঃ «أَفْطَرَ عِنْدَكُم الصَّائِمُونَ وَأَكَلَ طَعَامَكُمُ الْأَبْرَارُ وَصَلَّتْ عَلَيْكُمُ الْمَلَائِكَةُ» "রোযাদারগণ তোমাদের নিকট ইফতার করেছে, সৎ লোকেরা তোমাদের খাবার গ্রহণ করেছেন এবং ফিরিস্তাগণ তোমাদের জন্য দু'আ করেছে”।
টিকাঃ
১৮১. আবু দাউদ, আলএ. হা/৩৮৫৪
📄 সালাম ও সালামের উত্তর প্রদানে নবী (সাঃ) এর হিদায়াত
নাবী বলেন- ইসলামের সর্বোত্তম বৈশিষ্ট্য হচ্ছে, খাদ্য প্রদান করা এবং পরিচিত-অপরিচিত সকলকে সালাম দেয়া। তিনি সালামের প্রসার ঘটানোর আদেশ দিয়েছেন। নাবী একদা একদল বালকের পাশ দিয়ে অতিক্রম করার সময় তাদেরকে সালাম দিলেন। একবার এক দল মহিলার পাশ দিয়ে যাওয়ার সময় হাতের ইশারায় তাদেরকে সালাম দিলেন।
নাবী এর বাণী- ছোট বড়কে সালাম দিবে, পথচারী উপবিষ্ট লোককে সালাম দিবে এবং কম সংখ্যক লোক বেশী সংখ্যক লোককে সালাম দিবে। কোন গোত্রের কাছে গিয়ে প্রথমেই সালাম দেয়া নাবী -এর পবিত্র সুন্নাতের অন্তর্ভূক্ত ছিল। তিনি যখন রাত্রে ঘরে প্রবেশ করতেন তখন এমনভাবে সালাম দিতেন, যাতে ঘরে ঘুমন্ত লোকদের নিদ্রার কোন ব্যঘাত না ঘটে। নাবী এর পবিত্র সুন্নাত এই ছিল যে, তিনি সালাম দেয়ার সময় ‘ওয়া বারাকাতুহু’ পর্যন্ত বলতেন। তিনবার সালাম দেয়া তাঁর পবিত্র সুন্নাত ছিল। মুসলিমদের সালামের জবাবে তিনি ‘ওয়া আলাইকুমুস সালাম’ বলতেন।