📄 যিকির তথা আল্লাহর স্মরণের ক্ষেত্রে নবী (সাঃ) এর সুন্নাত
সমগ্র সৃষ্টির মধ্যে আল্লাহর যিকির তিনিই সবচেয়ে বেশী করতেন। মূলতঃ তার সকল কথাই আল্লাহর যিকিরের অন্তর্ভূক্ত ছিল। উম্মাতের জন্য তাঁর আদেশ, নিষেধ, শরীয়ততের বিভিন্ন বিধান নির্ধারণ করা, আল্লাহর নাম ও সিফাত সম্পর্কে সংবাদ দেয়া, আল্লাহর হুকুম-আহকাম, আল্লাহর কর্মসমূহ সম্পর্কে সংবাদ দেয়াও রসূল এর সুন্নাতের অন্তর্ভুক্ত। তিনি যখন চুপ থাকতেন তখনও অন্তরের মাধ্যমে আল্লাহকে স্মরণ করতেন। দাঁড়ানো, বসা, শায়িত, চলন্ত, আরোহন, ভ্রমণ এবং নিজ দেশে অবস্থানসহ সকল অবস্থাতেই তিনি আল্লাহর যিকির করতেন।
ঘুম থেকে জেগে তিনি পাঠ করতেনঃ আলহামদুলিল্লাহিল্লাযী আহইয়ানা বা'দা মা আমাতানা ওয়া ইলাইহিন্ নুশুর "সমস্ত প্রশংসা সেই আল্লাহর জন্য যিনি আমাদেরকে মৃত্যুর (ঘুমের) পর জাগ্রত করেছেন। তাঁর দিকেই সকলকে একত্রিত হতে হবে"।
ঘর থেকে বের হওয়ার সময় তিনি বলতেন- «بِسْمِ اللهِ تَوَكَّلْتُ عَلَى اللَّهِ لَا حَوْلَ وَلَا قُوَّةَ إِلَّا بِاللَّهِ» "বিসমিল্লাহ্। আল্লাহর উপর ভরসা করেছি। আল্লাহর সাহায্য ব্যতীত গুনাহ হইতে বিরত থাকা যায়না এবং আল্লাহর তাওফীক ছাড়া আনুগত্য করার ক্ষমতা লাভ করা যায়না"।
টিকাঃ
১৬৫. বুখারী, তাও. হা/৬৩১৪
১৬৬. আবু দাউদ, আলএ, হা/৫০৯৫
সমগ্র সৃষ্টির মধ্যে আল্লাহর যিকির তিনিই সবচেয়ে বেশী করতেন। মূলতঃ তার সকল কথাই আল্লাহর যিকিরের অন্তর্ভূক্ত ছিল। উম্মাতের জন্য তাঁর আদেশ, নিষেধ, শরীয়ততের বিভিন্ন বিধান নির্ধারণ করা, আল্লাহর নাম ও সিফাত সম্পর্কে সংবাদ দেয়া, আল্লাহর হুকুম-আহকাম, আল্লাহর কর্মসমূহ সম্পর্কে সংবাদ দেয়াও রসূল এর সুন্নাতের অন্তর্ভুক্ত। তিনি যখন চুপ থাকতেন তখনও অন্তরের মাধ্যমে আল্লাহকে স্মরণ করতেন। দাঁড়ানো, বসা, শায়িত, চলন্ত, আরোহন, ভ্রমণ এবং নিজ দেশে অবস্থানসহ সকল অবস্থাতেই তিনি আল্লাহর যিকির করতেন।
ঘুম থেকে জেগে তিনি পাঠ করতেনঃ আলহামদুলিল্লাহিল্লাযী আহইয়ানা বা'দা মা আমাতানা ওয়া ইলাইহিন্ নুশুর "সমস্ত প্রশংসা সেই আল্লাহর জন্য যিনি আমাদেরকে মৃত্যুর (ঘুমের) পর জাগ্রত করেছেন। তাঁর দিকেই সকলকে একত্রিত হতে হবে"।
ঘর থেকে বের হওয়ার সময় তিনি বলতেন- «بِسْمِ اللهِ تَوَكَّلْتُ عَلَى اللَّهِ لَا حَوْلَ وَلَا قُوَّةَ إِلَّا بِاللَّهِ» "বিসমিল্লাহ্। আল্লাহর উপর ভরসা করেছি। আল্লাহর সাহায্য ব্যতীত গুনাহ হইতে বিরত থাকা যায়না এবং আল্লাহর তাওফীক ছাড়া আনুগত্য করার ক্ষমতা লাভ করা যায়না"।
টিকাঃ
১৬৫. বুখারী, তাও. হা/৬৩১৪
১৬৬. আবু দাউদ, আলএ, হা/৫০৯৫
📄 সফর থেকে ফেরত এসে গৃহে প্রবেশের পূর্বে যা করণীয়
নাবী আগাম সংবাদ না দিয়ে হঠাৎ করে গৃহে প্রবেশ করতেন না। বরং তিনি সফর থেকে আগমণের সংবাদ আগেই জানিয়ে দিতেন। ঘরে প্রবেশের সময় গৃহবাসীকে সালাম দিতেন। প্রথমেই তিনি মিসওয়াক করতেন। তাদের অবস্থা জিজ্ঞেস করতেন।
ঘরে প্রবেশের সময় তিনি বলতেন- «بِسْمِ اللَّهِ وَلَجْنَا وَبِسْمِ اللَّهِ خَرَجْنَا وَعَلَى اللَّهِ رَبَّنَا تَوَكَّلْنَا» "আল্লাহর নামে প্রবেশ করলাম। আল্লাহর নামেই বের হয়েছিলাম। আর আমাদের প্রভু আল্লাহর উপরই ভরসা করলাম"।
টয়লেটে প্রবেশের পূর্বে তিনি এই দু'আ পাঠ করতেনঃ «اللَّهُمَّ إِنِّي أَعُوذُ بِكَ مِنَ الْخُبُثِ وَالْخَبَائِثِ» "হে আল্লাহ্! তোমার নিকট আশ্রয় কামনা করি-যাবতীয় নোংরা জিন ও জিন্নী থেকে”। সেখান থেকে বের হয়ে পাঠ করতেনঃ গুফরানাকা "তোমার ক্ষমা চাই হে প্রভু!” নাবী পেশাব-পায়খানার সময় কিবলা সামনে বা পিছনে রাখতেন না।
মাসজিদে প্রবেশের সময় তিনি বলতেন- বিসমিল্লাহি ওয়াস্সালাতু ওয়াস্সালামু আলা রাসূলিল্লাহি আল্লাহুম্মাফ তাহলী আবওয়াবা রাহমাতিকাল্লাহুম্মাগ ফিরলী "আল্লাহর নামে প্রবেশ করছি, দুরুদ ও সালাম বর্ষিত হোক আল্লাহর রসুলের উপর। হে আল্লাহ! তোমার রহমতের দরজাসমুহ আমার জন্য খুলে দাও। হে আল্লাহ! আমার পাপরাশী ক্ষমা কর"।
টিকাঃ
১৬৭. আবু দাউদ, আলএ, হা/৫০৯৫, যঈফ: আলবানী
১৬৮. বুখারী, তাও. হা/৬৩১৪, মুসলিম, হাএ. হা/৭১৭
১৬৯. তবে পরবর্তীতে পবিত্র হয়ে উত্তর দিয়েছেন।
নাবী আগাম সংবাদ না দিয়ে হঠাৎ করে গৃহে প্রবেশ করতেন না। বরং তিনি সফর থেকে আগমণের সংবাদ আগেই জানিয়ে দিতেন। ঘরে প্রবেশের সময় গৃহবাসীকে সালাম দিতেন। প্রথমেই তিনি মিসওয়াক করতেন। তাদের অবস্থা জিজ্ঞেস করতেন।
ঘরে প্রবেশের সময় তিনি বলতেন- «بِسْمِ اللَّهِ وَلَجْنَا وَبِسْمِ اللَّهِ خَرَجْنَا وَعَلَى اللَّهِ رَبَّنَا تَوَكَّلْنَا» "আল্লাহর নামে প্রবেশ করলাম। আল্লাহর নামেই বের হয়েছিলাম। আর আমাদের প্রভু আল্লাহর উপরই ভরসা করলাম"।
টয়লেটে প্রবেশের পূর্বে তিনি এই দু'আ পাঠ করতেনঃ «اللَّهُمَّ إِنِّي أَعُوذُ بِكَ مِنَ الْخُبُثِ وَالْخَبَائِثِ» "হে আল্লাহ্! তোমার নিকট আশ্রয় কামনা করি-যাবতীয় নোংরা জিন ও জিন্নী থেকে”। সেখান থেকে বের হয়ে পাঠ করতেনঃ গুফরানাকা "তোমার ক্ষমা চাই হে প্রভু!” নাবী পেশাব-পায়খানার সময় কিবলা সামনে বা পিছনে রাখতেন না।
মাসজিদে প্রবেশের সময় তিনি বলতেন- বিসমিল্লাহি ওয়াস্সালাতু ওয়াস্সালামু আলা রাসূলিল্লাহি আল্লাহুম্মাফ তাহলী আবওয়াবা রাহমাতিকাল্লাহুম্মাগ ফিরলী "আল্লাহর নামে প্রবেশ করছি, দুরুদ ও সালাম বর্ষিত হোক আল্লাহর রসুলের উপর। হে আল্লাহ! তোমার রহমতের দরজাসমুহ আমার জন্য খুলে দাও। হে আল্লাহ! আমার পাপরাশী ক্ষমা কর"।
টিকাঃ
১৬৭. আবু দাউদ, আলএ, হা/৫০৯৫, যঈফ: আলবানী
১৬৮. বুখারী, তাও. হা/৬৩১৪, মুসলিম, হাএ. হা/৭১৭
১৬৯. তবে পরবর্তীতে পবিত্র হয়ে উত্তর দিয়েছেন।