📘 মুখতাসার যাদুল মায়াদ 📄 নাম ও কুনীয়ত (উপনাম) রাখা সম্পর্কে নবী (সাঃ) এর সুন্নাত

📄 নাম ও কুনীয়ত (উপনাম) রাখা সম্পর্কে নবী (সাঃ) এর সুন্নাত


নাবী থেকে সহীহ সূত্রে বর্ণিত হয়েছে যে, তিনি বলেছেন- আল্লাহর নিকট সবচেয়ে ঘৃণিত ঐ ব্যক্তির নাম যে নিজের নাম মালিকুল আমলাক তথা শাহানশাহ বা রাজাধিরাজ রাখল। কেননা আল্লাহই একমাত্র বাদশাহ। তিনি আরও বলেন- আল্লাহর কাছে সবচেয়ে অধিক প্রিয় নাম হচ্ছে আব্দুল্লাহ ও আব্দুর রহমান। সবচেয়ে অধিক সুন্দর নাম হচ্ছে, হারিছ ও হাম্মাম এবং মন্দ নাম হচ্ছে হারব (যুদ্ধ) ও মুররা (তিক্ত)। নাবী আরও বলেন- তোমরা ছেলে সন্তানের নাম ইয়াসার, রাবাহ, নাজিহ এবং আফলাহ্ রাখবেনা।

মন্দ নামকে ভাল নামে পরিবর্তন করা তার পবিত্র সুন্নাতের অন্তর্ভুক্ত ছিল। নাবী থেকে সহীহ সূত্রে বর্ণিত হয়েছে যে, তিনি আসীয়া (পাপী) নাম পরিবর্তন করে জামীলাহ নাম রেখেছেন। উম্মুল মুমিনীন জুওয়াইরিয়া এর পূর্বের নাম ছিল বারা (পূণ্যবান)। নাবী তাঁর নাম পরিবর্তন করে রাখলেন জুওয়াইরিয়া। আসরামের নাম বদল করে যারআ রেখেছেন। সাঈদ ইবনুল মুসায়্যেব এর দাদার নাম ছিল হাম্ন (শক্ত মাটি)। তিনি তা পরিবর্তন করে রাখলেন সাহল (নরম ভূমি), যাতে চলাচল করা সহজ এবং যা চাষাবাদের জন্য উপযোগী।

টিকাঃ
১৪৬. ইয়াসার অর্থ সহজ, রাবাহ, নাজিহ ও আফলাহ-এই তিনটি নামের অর্থ হচ্ছে সফল, সফলতা ইত্যাদি ভাল অর্থ। এই শব্দগুলোর দ্বারা কোন ছেলে সন্তানের নাম রাখতে নিষেধ করার কারণ হল, উপরোক্ত নামে যদি কারও নাম রাখা হয় তাহলে সম্ভাবনা আছে যে, অচিরেই তাকে উক্ত নাম ধরে ডাকা হবে। বলা হবে এখানে আফলাহ (সফলতা) নাজিহ (সফলকাম) রাবাহ (লাভবান) আছে কি? সে যদি ঐ স্থানে উপস্থিত না থাকে তাহলে অবশ্যই উত্তর আসবে এখানে সে নাই।
১৪৭. বাব্রা বা এ জাতীয় যে সমস্ত নামের মধ্যে নামকরণকৃত ব্যক্তির পবিত্রতা ও প্রশংসার আভাস রয়েছে সে সমস্ত নাম রাখা ঠিক নয়। তিনি এমন নামে সন্তানের নাম করণ করতে বলেছেন, যাতে বিনয়-নম্রতা ও আল্লাহর আনুগত্যের বহিঃপ্রকাশ রয়েছে। যেমন আব্দুল্লাহ্ অর্থাৎ আল্লাহর দাস-বান্দা।

নাবী থেকে সহীহ সূত্রে বর্ণিত হয়েছে যে, তিনি বলেছেন- আল্লাহর নিকট সবচেয়ে ঘৃণিত ঐ ব্যক্তির নাম যে নিজের নাম মালিকুল আমলাক তথা শাহানশাহ বা রাজাধিরাজ রাখল। কেননা আল্লাহই একমাত্র বাদশাহ। তিনি আরও বলেন- আল্লাহর কাছে সবচেয়ে অধিক প্রিয় নাম হচ্ছে আব্দুল্লাহ ও আব্দুর রহমান। সবচেয়ে অধিক সুন্দর নাম হচ্ছে, হারিছ ও হাম্মাম এবং মন্দ নাম হচ্ছে হারব (যুদ্ধ) ও মুররা (তিক্ত)। নাবী আরও বলেন- তোমরা ছেলে সন্তানের নাম ইয়াসার, রাবাহ, নাজিহ এবং আফলাহ্ রাখবেনা।

মন্দ নামকে ভাল নামে পরিবর্তন করা তার পবিত্র সুন্নাতের অন্তর্ভুক্ত ছিল। নাবী থেকে সহীহ সূত্রে বর্ণিত হয়েছে যে, তিনি আসীয়া (পাপী) নাম পরিবর্তন করে জামীলাহ নাম রেখেছেন। উম্মুল মুমিনীন জুওয়াইরিয়া এর পূর্বের নাম ছিল বারা (পূণ্যবান)। নাবী তাঁর নাম পরিবর্তন করে রাখলেন জুওয়াইরিয়া। আসরামের নাম বদল করে যারআ রেখেছেন। সাঈদ ইবনুল মুসায়্যেব এর দাদার নাম ছিল হাম্ন (শক্ত মাটি)। তিনি তা পরিবর্তন করে রাখলেন সাহল (নরম ভূমি), যাতে চলাচল করা সহজ এবং যা চাষাবাদের জন্য উপযোগী।

টিকাঃ
১৪৬. ইয়াসার অর্থ সহজ, রাবাহ, নাজিহ ও আফলাহ-এই তিনটি নামের অর্থ হচ্ছে সফল, সফলতা ইত্যাদি ভাল অর্থ। এই শব্দগুলোর দ্বারা কোন ছেলে সন্তানের নাম রাখতে নিষেধ করার কারণ হল, উপরোক্ত নামে যদি কারও নাম রাখা হয় তাহলে সম্ভাবনা আছে যে, অচিরেই তাকে উক্ত নাম ধরে ডাকা হবে। বলা হবে এখানে আফলাহ (সফলতা) নাজিহ (সফলকাম) রাবাহ (লাভবান) আছে কি? সে যদি ঐ স্থানে উপস্থিত না থাকে তাহলে অবশ্যই উত্তর আসবে এখানে সে নাই।
১৪৭. বাব্রা বা এ জাতীয় যে সমস্ত নামের মধ্যে নামকরণকৃত ব্যক্তির পবিত্রতা ও প্রশংসার আভাস রয়েছে সে সমস্ত নাম রাখা ঠিক নয়। তিনি এমন নামে সন্তানের নাম করণ করতে বলেছেন, যাতে বিনয়-নম্রতা ও আল্লাহর আনুগত্যের বহিঃপ্রকাশ রয়েছে। যেমন আব্দুল্লাহ্ অর্থাৎ আল্লাহর দাস-বান্দা।

📘 মুখতাসার যাদুল মায়াদ 📄 কারও নাম বা উপনাম আবুল কাসেম রাখা

📄 কারও নাম বা উপনাম আবুল কাসেম রাখা


যার সন্তান ছিল এবং যার ছিল না তাদের সকলেরই কুনিয়ত তথা উপনাম রাখা তাঁর পবিত্র সুন্নাতের অন্তর্ভূক্ত ছিল। শুধু আবুল কাসেম ব্যতীত তিনি অন্য যে কোন উপনাম রাখতে নিষেধ করেন নি। সঠিক কথা হচ্ছে, রসূল এর কুনিয়ত গ্রহণ করা নিষিদ্ধ। তার জীবদ্দশায় কঠোরভাবে নিষিদ্ধ ছিল। এমনিভাবে নাম ও কুনিয়ত একসাথে রাখাও নিষিদ্ধ।

সালাফদের একটি দল আবু ঈসা কুনিয়ত রাখাকে অপছন্দ করেছেন। অন্য একটি দল অনুমতি দিয়েছেন। তিনি আঙ্গুরকে কারাম বলতে নিষেধ করেছেন। তিনি বলেন- কারাম হচ্ছে মুমিন ব্যক্তির অন্তর। রসূল বলেন- তোমাদের সলাতের নামকরণে গ্রাম্য লোকেরা যেন তোমাদের উপর বিজয়ী না হয়। দেখো সেটি হচ্ছে এশার সলাত। আর গ্রাম্য লোকেরা এটিকে আতামাহ বলে থাকে।

টিকাঃ
১৫১. আবু ঈসা অর্থ ঈসা-এর পিতা। আল্লাহর নাবী ঈসা (আঃ) এর যেহেতু পিতা ছিল না, তাই আবু ঈসা বা ঈসার বাপ হিসাবে কুনিয়াত রাখাকে একদল আলেম অপছন্দ করেছেন।
১৫২. জাহেলী যুগের আরবরা আঙ্গুর, আঙ্গুরের গাছ এবং আঙ্গুর থেকে নির্মিত মদকে কারাম বলত। ইসলাম এসে আঙ্গুরকে কারাম বলতে নিষেধ করেছে।

যার সন্তান ছিল এবং যার ছিল না তাদের সকলেরই কুনিয়ত তথা উপনাম রাখা তাঁর পবিত্র সুন্নাতের অন্তর্ভূক্ত ছিল। শুধু আবুল কাসেম ব্যতীত তিনি অন্য যে কোন উপনাম রাখতে নিষেধ করেন নি। সঠিক কথা হচ্ছে, রসূল এর কুনিয়ত গ্রহণ করা নিষিদ্ধ। তার জীবদ্দশায় কঠোরভাবে নিষিদ্ধ ছিল। এমনিভাবে নাম ও কুনিয়ত একসাথে রাখাও নিষিদ্ধ।

সালাফদের একটি দল আবু ঈসা কুনিয়ত রাখাকে অপছন্দ করেছেন। অন্য একটি দল অনুমতি দিয়েছেন। তিনি আঙ্গুরকে কারাম বলতে নিষেধ করেছেন। তিনি বলেন- কারাম হচ্ছে মুমিন ব্যক্তির অন্তর। রসূল বলেন- তোমাদের সলাতের নামকরণে গ্রাম্য লোকেরা যেন তোমাদের উপর বিজয়ী না হয়। দেখো সেটি হচ্ছে এশার সলাত। আর গ্রাম্য লোকেরা এটিকে আতামাহ বলে থাকে।

টিকাঃ
১৫১. আবু ঈসা অর্থ ঈসা-এর পিতা। আল্লাহর নাবী ঈসা (আঃ) এর যেহেতু পিতা ছিল না, তাই আবু ঈসা বা ঈসার বাপ হিসাবে কুনিয়াত রাখাকে একদল আলেম অপছন্দ করেছেন।
১৫২. জাহেলী যুগের আরবরা আঙ্গুর, আঙ্গুরের গাছ এবং আঙ্গুর থেকে নির্মিত মদকে কারাম বলত। ইসলাম এসে আঙ্গুরকে কারাম বলতে নিষেধ করেছে।

📘 মুখতাসার যাদুল মায়াদ 📄 কথা-বার্তায় সংযত হওয়া এবং শব্দ নির্বাচন ও তা প্রয়োগে নবী (সাঃ) এর সতর্কতা

📄 কথা-বার্তায় সংযত হওয়া এবং শব্দ নির্বাচন ও তা প্রয়োগে নবী (সাঃ) এর সতর্কতা


তিনি তাঁর ভাষণে সুন্দরতম শব্দ নির্বাচন করতেন এবং তাঁর উম্মাতের জন্যও তাই নির্বাচন করেছেন। অশণ্টীল ও কঠোর শব্দ ব্যবহার করতে নিষেধ করেছেন। তিনি কর্কশভাষী ছিলেন না। সম্মানী ব্যক্তি নয়- এমন ব্যক্তির জন্য তিনি উত্তম শব্দ ব্যবহার করা অপছন্দ করতেন। মুনাফিক লোককে কখনই সাইয়্যেদ (নেতা) বলা যাবেনা। তিনি আবুল হাকামের নাম পরিবর্তন করে আবু শুরাইহ রেখেছেন। কারণ হিসেবে তিনি বলেন- প্রকৃত বিচারক তো একমাত্র আল্লাহ্। তিনি চাকরকে আদেশ দিয়েছেন, সে যেন তার মনিবকে রাব্বী তথা আমার প্রভু না বলে। মনিবকে বলেছেন সে যেন স্বীয় চাকরকে আবদী তথা আমার বান্দা না বলে।

এক ব্যক্তি নিজেকে ডাক্তার (চিকিৎসক) হিসাবে দাবী করলে নাবী বললেন- তুমি হলে রফীক (রোগীর প্রতি দয়াকারী)। নাবী বলেন- তোমরা এ কথা বলোনা যে, মা-শা-আল্লাহু ওয়া শা-আ ফুলানু অর্থাৎ আল্লাহ যা চান এবং অমুক যা চায়। বরং বলতে হবে যদি আল্লাহ চান অতঃপর আপনি যদি চান। 'এবং'-এর মাধ্যমে উভয়কে একই বিষয়ে একত্রিত করা হলে উভয়ই সমান ক্ষমতার অধিকারী হওয়ার সন্দেহ সৃষ্টি হতে পারে।

তিনি তাঁর ভাষণে সুন্দরতম শব্দ নির্বাচন করতেন এবং তাঁর উম্মাতের জন্যও তাই নির্বাচন করেছেন। অশণ্টীল ও কঠোর শব্দ ব্যবহার করতে নিষেধ করেছেন। তিনি কর্কশভাষী ছিলেন না। সম্মানী ব্যক্তি নয়- এমন ব্যক্তির জন্য তিনি উত্তম শব্দ ব্যবহার করা অপছন্দ করতেন। মুনাফিক লোককে কখনই সাইয়্যেদ (নেতা) বলা যাবেনা। তিনি আবুল হাকামের নাম পরিবর্তন করে আবু শুরাইহ রেখেছেন। কারণ হিসেবে তিনি বলেন- প্রকৃত বিচারক তো একমাত্র আল্লাহ্। তিনি চাকরকে আদেশ দিয়েছেন, সে যেন তার মনিবকে রাব্বী তথা আমার প্রভু না বলে। মনিবকে বলেছেন সে যেন স্বীয় চাকরকে আবদী তথা আমার বান্দা না বলে।

এক ব্যক্তি নিজেকে ডাক্তার (চিকিৎসক) হিসাবে দাবী করলে নাবী বললেন- তুমি হলে রফীক (রোগীর প্রতি দয়াকারী)। নাবী বলেন- তোমরা এ কথা বলোনা যে, মা-শা-আল্লাহু ওয়া শা-আ ফুলানু অর্থাৎ আল্লাহ যা চান এবং অমুক যা চায়। বরং বলতে হবে যদি আল্লাহ চান অতঃপর আপনি যদি চান। 'এবং'-এর মাধ্যমে উভয়কে একই বিষয়ে একত্রিত করা হলে উভয়ই সমান ক্ষমতার অধিকারী হওয়ার সন্দেহ সৃষ্টি হতে পারে।

📘 মুখতাসার যাদুল মায়াদ 📄 যদি এমন করতাম, তাহলে এমন হত, যদি এমন না করতাম, তাহলে এমন হতনা- এ ধরণের কথা বলা নিষেধ

📄 যদি এমন করতাম, তাহলে এমন হত, যদি এমন না করতাম, তাহলে এমন হতনা- এ ধরণের কথা বলা নিষেধ


কোন কিছু অর্জন করতে ব্যর্থ হলে তিনি এ কথা বলতে নিষেধ করেছেন যে, যদি এমন করতাম তাহলে এমন হত। কেননা এরূপ ক্ষেত্রে 'যদি' কথাটি শয়তানের কাজকে সহজ করে দেয়। তিনি এর চেয়ে উত্তম কথা শিক্ষা দিয়েছেন এবং এ কথা বলার আদেশ দিয়েছেন যে, ক্বাদারুল্লাহু ওয়া মা-শা-আ ফা'আলা। এটি ছিল আল্লাহর ফয়সালা, তিনি যা চান তাই করেন। যা চলে গেছে তা পুনরায় ফেরত আসবেনা এবং 'যদি' কথাটি ব্যবহার করে ভবিষ্যতেও কোন উপকার পাওয়া যাবেনা।

আল্লাহ্ তা'আলা অপারগতা-অক্ষমতা প্রকাশ করাকে অপছন্দ করেন এবং সতর্কতা অবলম্বন ও কর্মঠ হওয়াকে ভালবাসেন। যা করলে কল্যাণের পথ খুলবে তিনি তা করার আদেশ দিয়েছেন। এই জন্যই নাবী অপারগতা-অক্ষমতা ও অলসতা থেকে আল্লাহর কাছে আশ্রয় চেয়েছেন। এ দু’টিই সকল অকল্যাণের দ্বারকে উন্মুক্ত করে।

টিকাঃ
১৫৮. লাও (যদি) শব্দ ব্যবহারের হুকুমঃ অতীতে হাত ছাড়া হয়েছে এমন জিনিসের জন্য বিষণ্ণ, চিন্তিত ও হতাশাগ্রস্ত হয়ে কিংবা অতীতে সংঘটিত কোন দুর্ঘটনার জন্য আফসোস করে এবং তাকদীরের প্রতি বিরক্তি প্রকাশ করে লাও শব্দটি ব্যবহার করা নিষিদ্ধ।

কোন কিছু অর্জন করতে ব্যর্থ হলে তিনি এ কথা বলতে নিষেধ করেছেন যে, যদি এমন করতাম তাহলে এমন হত। কেননা এরূপ ক্ষেত্রে 'যদি' কথাটি শয়তানের কাজকে সহজ করে দেয়। তিনি এর চেয়ে উত্তম কথা শিক্ষা দিয়েছেন এবং এ কথা বলার আদেশ দিয়েছেন যে, ক্বাদারুল্লাহু ওয়া মা-শা-আ ফা'আলা। এটি ছিল আল্লাহর ফয়সালা, তিনি যা চান তাই করেন। যা চলে গেছে তা পুনরায় ফেরত আসবেনা এবং 'যদি' কথাটি ব্যবহার করে ভবিষ্যতেও কোন উপকার পাওয়া যাবেনা।

আল্লাহ্ তা'আলা অপারগতা-অক্ষমতা প্রকাশ করাকে অপছন্দ করেন এবং সতর্কতা অবলম্বন ও কর্মঠ হওয়াকে ভালবাসেন। যা করলে কল্যাণের পথ খুলবে তিনি তা করার আদেশ দিয়েছেন। এই জন্যই নাবী অপারগতা-অক্ষমতা ও অলসতা থেকে আল্লাহর কাছে আশ্রয় চেয়েছেন। এ দু’টিই সকল অকল্যাণের দ্বারকে উন্মুক্ত করে।

টিকাঃ
১৫৮. লাও (যদি) শব্দ ব্যবহারের হুকুমঃ অতীতে হাত ছাড়া হয়েছে এমন জিনিসের জন্য বিষণ্ণ, চিন্তিত ও হতাশাগ্রস্ত হয়ে কিংবা অতীতে সংঘটিত কোন দুর্ঘটনার জন্য আফসোস করে এবং তাকদীরের প্রতি বিরক্তি প্রকাশ করে লাও শব্দটি ব্যবহার করা নিষিদ্ধ।

ফন্ট সাইজ
15px
17px