📘 মুখতাসার যাদুল মায়াদ 📄 রামাযান মাসে উমরাহ করা

📄 রামাযান মাসে উমরাহ করা


বাকী থাকল রমযান মাসে উমরা করার বিষয়টি। নাবী থেকে সহীহ হাদীছে বর্ণিত হয়েছে যে, রমযান মাসের উমরাহ ছাওয়াবের দিক দিয়ে হজ্জের সমান। রমযান মাসে উমরাহ করার এত গুরুত্ব থাকা সত্ত্বেও রসূল তাতে উমরাহ না করার কারণ সম্পর্কে বলা হয় যে, তিনি রমযান মাসে উমরা করার চেয়ে অধিক গুরুত্বপূর্ণ ইবাদতে মশগুল থাকতেন। তা ছাড়া তাতে উমরাহ করা ছেড়ে দিয়ে উম্মাতের উপর রহমত ও সহজ করেছেন। সুতরাং তিনি যদি রমযান মাসে উমরা করতেন তাহলে সমস্ত উম্মাত এই মাসে উমরাহ করার জন্য তৎপর হয়ে উঠত।
এক বছরের মধ্যে তিনি একটির বেশী উমরাহ করেছেন বলে প্রমাণিত নেই। এ ব্যাপারে কোন দ্বিমত নেই যে, তিনি হিজরতের পরে দশম হিজরীতে কেবল একবারই হাজ্জ করেছেন।

📘 মুখতাসার যাদুল মায়াদ 📄 কাবা ঘরের তাওয়াফের ক্ষেত্রে রসূল (সাঃ) এর হিদায়াত

📄 কাবা ঘরের তাওয়াফের ক্ষেত্রে রসূল (সাঃ) এর হিদায়াত


মাসজিদুল হারামে প্রবেশ করে তিনি কাবা ঘরের দিকে চলে গেলেন। তাহিয়াতুল মাসজিদ তথা মাসজিদে প্রবেশের দুই রাকআত সলাত পড়েন নি। কেননা মাসজিদুল হারামের তাহিয়াতুল মাসজিদই হচ্ছে কাবা ঘরের তাওয়াফ। হাজরে আসওয়াদের নিকটবর্তী হয়ে তিনি তাতে চুমু দিলেন। হাজরে আসওয়াদ ও রুকনে ইয়ামানী ব্যতীত কাবা ঘরের অন্য কোন স্থান স্পর্শ বা চুম্বন করেন নি। তাওয়াফ শেষ করে তিনি মাকামে ইবরাহীমের পিছনে এসে দুই রাকআত সলাত পড়লেন। প্রথম রাকআতে সূরা কাফিরুন এবং দ্বিতীয় রাকআতে সূরা ইখলাস পাঠ করলেন। সলাত শেষে তিনি হাজরে আসওয়াদের কাছে ফেরত আসলেন এবং তাতে চুম্বন করে সামনের দরজা দিয়ে 'সাফা'এর দিকে অগ্রসর হলেন।

টিকাঃ
১২৬. তাকবীরের মাধ্যমে তাওয়াফ শুরু করা হাদীছ দ্বারা সুসাব্যস্ত। এমন কি বিসমিল্লাহ সহ তাকবীর বলা সাহাবী থেকে সুসাব্যস্ত।

📘 মুখতাসার যাদুল মায়াদ 📄 আরাফার দিনে নবী (সাঃ) এর পবিত্র হিদায়াত

📄 আরাফার দিনে নবী (সাঃ) এর পবিত্র হিদায়াত


মিনায় গিয়ে তিনি যোহর ও আসর সলাত পড়েছেন এবং তথায় রাত্রি যাপন করেছেন। পরের দিন সূর্য উঠার পর আরাফার উদ্দেশ্যে যাত্রা করলেন। আরাফার পূর্ব প্রান্তে নামেরায় পৌঁছে দেখেন তাঁর আদেশ মোতাবেক তাঁর জন্য তাঁবু টানানো হয়েছে। সূর্য পশ্চিম আকাশে ঢলে যাওয়ার পর উরানার নিম্নভূমিতে পৌঁছলেন। সেখানে তিনি উটের উপর আরোহী অবস্থায় এক মহান ঐতিহাসিক ভাষণ প্রদান করলেন। এই ভাষনে তিনি ইসলামের মূল বুনিয়াদগুলো পরিষ্কারভাবে বর্ণনা করলেন এবং শিরক ও অন্ধকার যুগের সকল প্রথা বাতিল করলেন।
খুতবা শেষে তিনি বিলালকে আযান দেয়ার আদেশ দিলেন। তিনি সলাত আদায় করলেন। সলাত শেষে তিনি বাহনে আরোহন করে আরাফার সীমানায় ঢুকলেন এবং কিবলামুখী হয়ে দাঁড়ালেন। সেখানে থেকেই তিনি দু'আ শুরু করলেন। তিনি সূর্য ডুবা পর্যন্ত আল্লাহর দরবারে দু'আয় কাকুতি-মিনতি করতে থাকলেন।

টিকাঃ
১২৯. তিরমিযী ও ইবনে খুযায়মা। তবে ইমাম আলবানী এই হাদীসটিকে যঈফ বলেছেন।
১৩০. ইমাম তাবারানী আল-মু'জামুল কাবীরে বর্ণনা করেছেন। ইমাম আলবানী এই হাদীসটিকেও যঈফ বলেছেন।
১৩১. কিন্তু সর্বশেষ দুআর হাদীছ বিশুদ্ধ।
১৩২. সূরা মায়েদা-৫:৩

📘 মুখতাসার যাদুল মায়াদ 📄 ইহরাম অবস্থায় কেউ মারা গেলে

📄 ইহরাম অবস্থায় কেউ মারা গেলে


আরাফার ময়দানে এক লোক তার বাহন থেকে পড়ে গিয়ে মারা গেলে রসূল দুই কাপড়েই কাফন পরাতে বলেছেন এবং তার শরীরে খুশবো না লাগানোর আদেশ দিয়েছেন। তিনি তাকে বড়ই পাতা ও পানি দিয়ে গোসল দিতে বলেছেন। তার চেহারা ও মাথা ঢাকতে নিষেধ করেছেন। তিনি আরও সংবাদ দিয়েছেন যে, উক্ত সাহাবীকে কিয়ামতের দিন আল্লাহ্ তা'আলা তালবীয়া পাঠরত অবস্থায় পুনরুজ্জিবীত করবেন। এই ঘটনা বিশ্লেষণ করলে বারটি হুকুম পাওয়া যাচ্ছে। যথা- ১. মৃত ব্যক্তিকে গোসল দেয়া ওয়াজিব। ২. মুমিন ব্যক্তি মারা যাওয়ার কারণে অপবিত্র হয়না। ৩. মৃত ব্যক্তিকে বড়ই পাতা ও পানি দিয়ে গোসল দিতে হবে। ৪. পানিতে পবিত্র জিনিস পতিত হওয়ার কারণে পানির রং বদল হয়ে গেলেও তার পবিত্রতা নষ্ট হয় না। ৫. মুহরিম ব্যক্তির জন্য গোসল করা জায়েয। ৬. মুহরিম ব্যক্তির জন্য পানি ও বরই পাতা ব্যবহার করা অবৈধ নয়। ৭. মীরাছ ও ঋণ পরিশোধ করার পূর্বে কাফন-দাফনকে প্রাধান্য দিতে হবে। ৮. মাত্র দুই কাপড়ে কাফন পরানো জায়েয আছে। ৯. মুহরিম ব্যক্তির জন্য সুগন্ধি ব্যবহার করা নিষেধ। ১০. মুহরিমের জন্য মাথা ঢাকা নিষেধ। ১১. মুহরিমের জন্য মুখ ঢাকাও নিষেধ। ১২. মুহরিম ব্যক্তি ইহরাম অবস্থায় মারা গেলেও সে ইহরাম অবস্থার হুকুমেই থাকে।

আরাফার ময়দানে এক লোক তার বাহন থেকে পড়ে গিয়ে মারা গেলে রসূল দুই কাপড়েই কাফন পরাতে বলেছেন এবং তার শরীরে খুশবো না লাগানোর আদেশ দিয়েছেন। তিনি তাকে বড়ই পাতা ও পানি দিয়ে গোসল দিতে বলেছেন। তার চেহারা ও মাথা ঢাকতে নিষেধ করেছেন। তিনি আরও সংবাদ দিয়েছেন যে, উক্ত সাহাবীকে কিয়ামতের দিন আল্লাহ্ তা'আলা তালবীয়া পাঠরত অবস্থায় পুনরুজ্জিবীত করবেন। এই ঘটনা বিশ্লেষণ করলে বারটি হুকুম পাওয়া যাচ্ছে। যথা- ১. মৃত ব্যক্তিকে গোসল দেয়া ওয়াজিব। ২. মুমিন ব্যক্তি মারা যাওয়ার কারণে অপবিত্র হয়না। ৩. মৃত ব্যক্তিকে বড়ই পাতা ও পানি দিয়ে গোসল দিতে হবে। ৪. পানিতে পবিত্র জিনিস পতিত হওয়ার কারণে পানির রং বদল হয়ে গেলেও তার পবিত্রতা নষ্ট হয় না। ৫. মুহরিম ব্যক্তির জন্য গোসল করা জায়েয। ৬. মুহরিম ব্যক্তির জন্য পানি ও বরই পাতা ব্যবহার করা অবৈধ নয়। ৭. মীরাছ ও ঋণ পরিশোধ করার পূর্বে কাফন-দাফনকে প্রাধান্য দিতে হবে। ৮. মাত্র দুই কাপড়ে কাফন পরানো জায়েয আছে। ৯. মুহরিম ব্যক্তির জন্য সুগন্ধি ব্যবহার করা নিষেধ। ১০. মুহরিমের জন্য মাথা ঢাকা নিষেধ। ১১. মুহরিমের জন্য মুখ ঢাকাও নিষেধ। ১২. মুহরিম ব্যক্তি ইহরাম অবস্থায় মারা গেলেও সে ইহরাম অবস্থার হুকুমেই থাকে।

আরাফার ময়দানে এক লোক তার বাহন থেকে পড়ে গিয়ে মারা গেলে রসূল দুই কাপড়েই কাফন পরাতে বলেছেন এবং তার শরীরে খুশবো না লাগানোর আদেশ দিয়েছেন। তিনি তাকে বড়ই পাতা ও পানি দিয়ে (গরম পানিতে বড়ই পাতা দিয়ে) গোসল দিতে বলেছেন। তার চেহারা ও মাথা ঢাকতে নিষেধ করেছেন। তিনি আরও সংবাদ দিয়েছেন যে, উক্ত সাহাবীকে কিয়ামতের দিন আল্লাহ্ তা'আলা তালবীয়া পাঠরত অবস্থায় পুনরুজ্জিবীত করবেন। এই ঘটনা বিশ্লেষণ করলে বারটি হুকুম পাওয়া যাচ্ছে। যথা- ১. মৃত ব্যক্তিকে গোসল দেয়া ওয়াজিব। ২. মুমিন ব্যক্তি মারা যাওয়ার কারণে অপবিত্র হয়না। ৩. মৃত ব্যক্তিকে বড়ই পাতা ও পানি দিয়ে গোসল দিতে হবে। ৪. পানিতে পবিত্র জিনিস পতিত হওয়ার কারণে পানির রং বদল হয়ে গেলেও তার পবিত্রতা নষ্ট হয় না। ৫. মুহরিম ব্যক্তির জন্য গোসল করা জায়েয। ৬. মুহরিম ব্যক্তির জন্য পানি ও বরই পাতা ব্যবহার করা অবৈধ নয়। ৭. মীরাছ ও ঋণ পরিশোধ করার পূর্বে কাফন-দাফনকে প্রাধান্য দিতে হবে। ৮. মাত্র দুই কাপড়ে কাফন পরানো জায়েয আছে। ৯. মুহরিম ব্যক্তির জন্য সুগন্ধি ব্যবহার করা নিষেধ। ১০. মুহরিমের জন্য মাথা ঢাকা নিষেধ। ১১. মুহরিমের জন্য মুখ ঢাকাও নিষেধ। ১২. মুহরিম ব্যক্তি ইহরাম অবস্থায় মারা গেলেও সে ইহরাম অবস্থার হুকুমেই থাকে।

আরাফার ময়দানে এক লোক তার বাহন থেকে পড়ে গিয়ে মারা গেলে রসূল দুই কাপড়েই কাফন পরাতে বলেছেন এবং তার শরীরে খুশবো না লাগানোর আদেশ দিয়েছেন। তিনি তাকে বড়ই পাতা ও পানি দিয়ে (গরম পানিতে বড়ই পাতা দিয়ে) গোসল দিতে বলেছেন। তার চেহারা ও মাথা ঢাকতে নিষেধ করেছেন। তিনি আরও সংবাদ দিয়েছেন যে, উক্ত সাহাবীকে কিয়ামতের দিন আল্লাহ্ তা'আলা তালবীয়া পাঠরত অবস্থায় পুনরুজ্জিবীত করবেন। এই ঘটনা বিশ্লেষণ করলে বারটি হুকুম পাওয়া যাচ্ছে। যথা- ১. মৃত ব্যক্তিকে গোসল দেয়া ওয়াজিব। ২. মুমিন ব্যক্তি মারা যাওয়ার কারণে অপবিত্র হয়না। ৩. মৃত ব্যক্তিকে বড়ই পাতা ও পানি দিয়ে গোসল দিতে হবে। ৪. পানিতে পবিত্র জিনিস পতিত হওয়ার কারণে পানির রং বদল হয়ে গেলেও তার পবিত্রতা নষ্ট হয় না। ৫. মুহরিম ব্যক্তির জন্য গোসল করা জায়েয। ৬. মুহরিম ব্যক্তির জন্য পানি ও বরই পাতা ব্যবহার করা অবৈধ নয়। ৭. মীরাছ ও ঋণ পরিশোধ করার পূর্বে কাফন-দাফনকে প্রাধান্য দিতে হবে। ৮. মাত্র দুই কাপড়ে কাফন পরানো জায়েয আছে। ৯. মুহরিম ব্যক্তির জন্য সুগন্ধি ব্যবহার করা নিষেধ। ১০. মুহরিমের জন্য মাথা ঢাকা নিষেধ। ১১. মুহরিমের জন্য মুখ ঢাকাও নিষেধ। ১২. মুহরিম ব্যক্তি ইহরাম অবস্থায় মারা গেলেও সে ইহরাম অবস্থার হুকুমেই থাকে।

আরাফার ময়দানে এক লোক তার বাহন থেকে পড়ে গিয়ে মারা গেলে রসূল দুই কাপড়েই কাফন পরাতে বলেছেন এবং তার শরীরে খুশবো না লাগানোর আদেশ দিয়েছেন। তিনি তাকে বড়ই পাতা ও পানি দিয়ে গোসল দিতে বলেছেন। তার চেহারা ও মাথা ঢাকতে নিষেধ করেছেন। তিনি আরও সংবাদ দিয়েছেন যে, উক্ত সাহাবীকে কিয়ামতের দিন আল্লাহ্ তা'আলা তালবীয়া পাঠরত অবস্থায় পুনরুজ্জিবীত করবেন। এই ঘটনা বিশ্লেষণ করলে বারটি হুকুম পাওয়া যাচ্ছে। যথা- ১. মৃত ব্যক্তিকে গোসল দেয়া ওয়াজিব। ২. মুমিন ব্যক্তি মারা যাওয়ার কারণে অপবিত্র হয়না। ৩. মৃত ব্যক্তিকে বড়ই পাতা ও পানি দিয়ে গোসল দিতে হবে। ৪. পানিতে পবিত্র জিনিস পতিত হওয়ার কারণে পানির রং বদল হয়ে গেলেও তার পবিত্রতা নষ্ট হয় না। ৫. মুহরিম ব্যক্তির জন্য গোসল করা জায়েয। ৬. মুহরিম ব্যক্তির জন্য পানি ও বরই পাতা ব্যবহার করা অবৈধ নয়। ৭. মীরাছ ও ঋণ পরিশোধ করার পূর্বে কাফন-দাফনকে প্রাধান্য দিতে হবে। ৮. মাত্র দুই কাপড়ে কাফন পরানো জায়েয আছে। ৯. মুহরিম ব্যক্তির জন্য সুগন্ধি ব্যবহার করা নিষেধ। ১০. মুহরিমের জন্য মাথা ঢাকা নিষেধ। ১১. মুহরিমের জন্য মুখ ঢাকাও নিষেধ। ১২. মুহরিম ব্যক্তি ইহরাম অবস্থায় মারা গেলেও সে ইহরাম অবস্থার হুকুমেই থাকে।

ফন্ট সাইজ
15px
17px