📄 স্ত্রী সহবাসের পর গোসল করার পূর্বেই ফজরের সময় হয়ে গেলে
স্ত্রী সহবাস করে অপবিত্র হওয়ার পর গোসল করার আগেই ফজরের সময় হয়ে যেত। অতঃপর তিনি ফজর হয়ে যাওয়ার পর গোসল করতেন এবং সিয়াম রাখতেন।
📄 রোযা অবস্থায় স্ত্রীকে চুম্বন করা
তিনি রমযান মাসের দিনের বেলায় সিয়াম অবস্থায় তাঁর কতক স্ত্রীকে চুম্বন করতেন। তিনি সায়িম ব্যক্তি কর্তৃক তার স্ত্রীকে চুম্মন করার বিষয়টিকে মুখে পানি নিয়ে কুলি করার সাথে তুলনা করেছেন। স্ত্রীকে চুম্বন করার ক্ষেত্রে তিনি যুবক ও বৃদ্ধের মধ্যে পার্থক্য করেন নি। অর্থাৎ উভয়ের জন্যই তা জায়েয।
ভুলক্রমে সায়িম ব্যক্তি দিনের বেলা পানাহার করে ফেললে তিনি কাযা করতে বলেন নি। কেননা আল্লাহই তাকে পানাহার করিয়েছেন।
টিকাঃ
১১৯. তবে শর্ত হল স্মরণ হওয়ার পর থেকে সূর্য ডুবা পর্যন্ত পানাহার থেকে অবশ্যই বিরত থাকতে হবে।
তিনি রমযান মাসের দিনের বেলায় সিয়াম অবস্থায় তাঁর কতক স্ত্রীকে চুম্বন করতেন। তিনি সায়িম ব্যক্তি কর্তৃক তার স্ত্রীকে চুম্মন করার বিষয়টিকে মুখে পানি নিয়ে কুলি করার সাথে তুলনা করেছেন। স্ত্রীকে চুম্বন করার ক্ষেত্রে তিনি যুবক ও বৃদ্ধের মধ্যে পার্থক্য করেন নি। অর্থাৎ উভয়ের জন্যই তা জায়েয।
ভুলক্রমে সায়িম ব্যক্তি দিনের বেলা পানাহার করে ফেললে তিনি কাযা করতে বলেন নি। কেননা আল্লাহই তাকে পানাহার করিয়েছেন।
টিকাঃ
১১৯. তবে শর্ত হল স্মরণ হওয়ার পর থেকে সূর্য ডুবা পর্যন্ত পানাহার থেকে অবশ্যই বিরত থাকতে হবে।
তিনি রমযান মাসের দিনের বেলায় সিয়াম অবস্থায় তাঁর কতক স্ত্রীকে চুম্বন করতেন। তিনি সায়িম ব্যক্তি কর্তৃক তার স্ত্রীকে চুম্মন করার বিষয়টিকে মুখে পানি নিয়ে কুলি করার সাথে তুলনা করেছেন। স্ত্রীকে চুম্বন করার ক্ষেত্রে তিনি যুবক ও বৃদ্ধের মধ্যে পার্থক্য করেন নি। অর্থাৎ উভয়ের জন্যই তা জায়েয।
ভুলক্রমে সায়িম ব্যক্তি দিনের বেলা পানাহার করে ফেললে তিনি কাযা করতে বলেন নি। কেননা আল্লাহই তাকে পানাহার করিয়েছেন।
তিনি রমযান মাসের দিনের বেলায় সিয়াম অবস্থায় তাঁর কতক স্ত্রীকে চুম্বন করতেন। তিনি সায়িম ব্যক্তি কর্তৃক তার স্ত্রীকে চুম্মন করার বিষয়টিকে মুখে পানি নিয়ে কুলি করার সাথে তুলনা করেছেন। স্ত্রীকে চুম্বন করার ক্ষেত্রে তিনি যুবক ও বৃদ্ধের মধ্যে পার্থক্য করেন নি। অর্থাৎ উভয়ের জন্যই তা জায়েয।
ভুলক্রমে সায়িম ব্যক্তি দিনের বেলা পানাহার করে ফেললে তিনি কাযা করতে বলেন নি। কেননা আল্লাহই তাকে পানাহার করিয়েছেন।
তিনি রমযান মাসের দিনের বেলায় সিয়াম অবস্থায় তাঁর কতক স্ত্রীকে চুম্বন করতেন। তিনি সায়িম ব্যক্তি কর্তৃক তার স্ত্রীকে চুম্মন করার বিষয়টিকে মুখে পানি নিয়ে কুলি করার সাথে তুলনা করেছেন। স্ত্রীকে চুম্বন করার ক্ষেত্রে তিনি যুবক ও বৃদ্ধের মধ্যে পার্থক্য করেন নি। অর্থাৎ উভয়ের জন্যই তা জায়েয।
ভুলক্রমে সায়িম ব্যক্তি দিনের বেলা পানাহার করে ফেললে তিনি কাযা করতে বলেন নি। কেননা আল্লাহই তাকে পানাহার করিয়েছেন।
টিকাঃ
১১৯. তবে শর্ত হল স্মরণ হওয়ার পর থেকে সূর্য ডুবা পর্যন্ত পানাহার থেকে অবশ্যই বিরত থাকতে হবে।
📄 যে সমস্ত কারণে সিয়াম ভেঙে যায়
যে সমস্ত কারণে সিয়াম ভঙ্গ হয়ে যায় তার মধ্যে রয়েছে, > ১. ইচ্ছাকৃত পানাহার করা। > ২. শিঙ্গা লাগানো। > ৩. ইচ্ছাকৃত বমি করা। > ৪. স্ত্রী সহবাস করা।
নাবী থেকে সহীহ সূত্রে বর্ণিত হয়েছে যে, তিনি সিয়াম অবস্থায় মিসওয়াক করতেন। সিয়াম অবস্থায় নাকে অতিরিক্ত পরিমাণ পানি ঢুকাতে নিষেধ করেছেন।
টিকাঃ
১২০. সিয়াম অবস্থায় শিঙ্গা লাগালে সিয়াম ভঙ্গ হবে কি না? এ ব্যাপারে আলেমদের মতভেদ রয়েছে। ইমাম আহমাদ বিন হাম্বাল ও পরবর্তী যামানার কতিপয় আলেমের মতে সিয়াম অবস্থায় শিঙ্গা লাগালে সিয়াম ভঙ্গ হয়ে যাবে।
যে সমস্ত কারণে সিয়াম ভঙ্গ হয়ে যায় তার মধ্যে রয়েছে, > ১. ইচ্ছাকৃত পানাহার করা। > ২. শিঙ্গা লাগানো। > ৩. ইচ্ছাকৃত বমি করা। > ৪. স্ত্রী সহবাস করা।
নাবী থেকে সহীহ সূত্রে বর্ণিত হয়েছে যে, তিনি সিয়াম অবস্থায় মিসওয়াক করতেন। সিয়াম অবস্থায় নাকে অতিরিক্ত পরিমাণ পানি ঢুকাতে নিষেধ করেছেন।
টিকাঃ
১২০. সিয়াম অবস্থায় শিঙ্গা লাগালে সিয়াম ভঙ্গ হবে কি না? এ ব্যাপারে আলেমদের মতভেদ রয়েছে। ইমাম আহমাদ বিন হাম্বাল ও পরবর্তী যামানার কতিপয় আলেমের মতে সিয়াম অবস্থায় শিঙ্গা লাগালে সিয়াম ভঙ্গ হয়ে যাবে।
যে সমস্ত কারণে সিয়াম ভঙ্গ হয়ে যায় তার মধ্যে রয়েছে, > ১. ইচ্ছাকৃত পানাহার করা। > ২. শিঙ্গা লাগানো। > ৩. ইচ্ছাকৃত বমি করা। > ৪. স্ত্রী সহবাস করা। স্ত্রী সহবাস করলে সিয়াম ভঙ্গ হয়ে যাওয়ার বিষয়টি কুরআনেই উল্লেখ আছে। চোখে সুরমা লাগালে সিয়াম ভঙ্গ হবেনা। নাবী থেকে সহীহ সূত্রে বর্ণিত হয়েছে যে, তিনি সিয়াম অবস্থায় মিসওয়াক করতেন। তিনি নাকে অতিরিক্ত পরিমাণ পানি ঢুকাতে নিষেধ করেছেন।
টিকাঃ
১২০. সিয়াম অবস্থায় শিঙ্গা লাগালে সিয়াম ভঙ্গ হবে কি না? এ ব্যাপারে আলেমদের মতভেদ রয়েছে। তবে অধিকাংশ আলেমের মতে শিংগা লাগালে সিয়ামর কোন ক্ষতি হবেনা।
যে সমস্ত কারণে সিয়াম ভঙ্গ হয়ে যায় তার মধ্যে রয়েছে, > ১. ইচ্ছাকৃত পানাহার করা। > ২. শিঙ্গা লাগানো। > ৩. ইচ্ছাকৃত বমি করা। > ৪. স্ত্রী সহবাস করা। স্ত্রী সহবাস করলে সিয়াম ভঙ্গ হয়ে যাওয়ার বিষয়টি কুরআনেই উল্লেখ আছে। চোখে সুরমা লাগালে সিয়াম ভঙ্গ হবেনা। নাবী থেকে সহীহ সূত্রে বর্ণিত হয়েছে যে, তিনি সিয়াম অবস্থায় মিসওয়াক করতেন। তিনি নাকে অতিরিক্ত পরিমাণ পানি ঢুকাতে নিষেধ করেছেন।
টিকাঃ
১২০. সিয়াম অবস্থায় শিঙ্গা লাগালে সিয়াম ভঙ্গ হবে কি না? এ ব্যাপারে আলেমদের মতভেদ রয়েছে। তবে অধিকাংশ আলেমের মতে শিংগা লাগালে সিয়ামর কোন ক্ষতি হবেনা।
যে সমস্ত কারণে সিয়াম ভঙ্গ হয়ে যায় তার মধ্যে রয়েছে, > ১. ইচ্ছাকৃত পানাহার করা। > ২. শিঙ্গা লাগানো। > ৩. ইচ্ছাকৃত বমি করা। > ৪. স্ত্রী সহবাস করা। স্ত্রী সহবাস করলে সিয়াম ভঙ্গ হয়ে যাওয়ার বিষয়টি কুরআনেই উল্লেখ আছে। চোখে সুরমা লাগালে সিয়াম ভঙ্গ হবেনা। নাবী থেকে সহীহ সূত্রে বর্ণিত হয়েছে যে, তিনি সিয়াম অবস্থায় মিসওয়াক করতেন। সিয়াম অবস্থায় নাকে অতিরিক্ত পরিমাণ পানি ঢুকাতে নিষেধ করেছেন।
টিকাঃ
১২০. সিয়াম অবস্থায় শিঙ্গা লাগালে সিয়াম ভঙ্গ হবে কি না? এ ব্যাপারে আলেমদের মতভেদ রয়েছে। তবে অধিকাংশ আলেমের মতে শিংগা লাগালে সিয়ামর কোন ক্ষতি হবেনা।
📄 নফল সিয়াম রাখার ক্ষেত্রে নবী (সাঃ) এর সুন্নাত
তিনি একাধারে এত বেশী নফল সিয়াম রাখতেন, যাতে বলা হত, তিনি আর কখনও সিয়াম ছাড়বেন না। আর যখন সিয়াম রাখা ছেড়ে দিতেন, তখন এমন বলা হত যে তিনি আর নফল সিয়াম রাখবেনই না। রমযান মাস ব্যতীত তিনি আর কোন পূর্ণমাস সিয়াম রাখেন নি। তিনি শাবান মাসের চেয়ে অধিক নফল সিয়াম অন্য কোন মাসে রাখেন নি। এ ছাড়া এমন কোন মাস তিনি পার করেন নি, যাতে তিনি নফল সিয়াম রাখেন নি। তিনি সোমবার ও বৃহস্পতিবার দিন নফল সিয়ামর প্রতি খুবই যত্নশীল ছিলেন। তিনি আইয়্যামে বীযের (প্রতি মাসের ১৩, ১৪ ও ১৫ তারিখের) সিয়াম কখনই ছাড়েন নি। শাওয়াল মাসের ছয় সিয়াম সম্পর্কে সহীহ সূত্রে তাঁর থেকে বর্ণিত হয়েছে যে, তিনি বলেছেন- শাওয়ালের ছয় সিয়াম রামাযানের সিয়ামর সাথে এক বছরের সিয়ামর সমান।
আশুরার সিয়াম সম্পর্কে তিনি সিয়াম রেখেছেন এবং তাঁর সাহাবীদেরকেও সিয়াম রাখার আদেশ দিয়েছেন। আরাফার দিন আরাফায় অবস্থান কালে রোযা রাখা তাঁর পবিত্র সুন্নাতের অন্তর্ভুক্ত ছিল না। সারা বছর একটানা সিয়াম রাখা নাবী এর সুন্নাতের অন্তর্ভুক্ত ছিলনা। তিনি কখনও নফল সিয়ামর নিয়ত করতেন, অতঃপর তা ছেড়ে দিতেন। নাবী সিয়াম অবস্থায় কোন কোন গোত্রের কাছে গেলে তিনি সিয়াম পূর্ণ করতেন। জুমআর দিন এককভাবে সিয়াম রাখাকে তিনি মাকরূহ বলেছেন।