📄 রামাযান মাসের আগমন ও সিয়ামর বিভিন্ন আহকাম
নাবী (সাঃ) এর পবিত্র সুন্নাত ছিল যে, চাঁদ উঠার খবরটি প্রমাণিত না হওয়া পর্যন্ত অথবা কমপক্ষে এক জনের সাক্ষীর উপর ভিত্তি না করে রমযান মাসের সিয়াম রাখা শুরু করতেন না। নিজে চাঁদ না দেখলে কিংবা কোন সাক্ষী পাওয়া না গেলে শাবান মাসকে ত্রিশ দিনে পূর্ণ করতে হবে। শাবান মাসের ২৯তম রাতে আকাশ মেঘাচ্ছন্ন থাকার কারণে যদি চাঁদ দেখা না যেত, তাহলে তিনি শাবান মাসকে ত্রিশ দিনের মাধ্যমে পূর্ণ করতেন। আকাশ মেঘাচ্ছন্ন থাকার কারণে চাঁদ দেখা না গেলে অর্থাৎ সন্দেহের দিনে তিনি সিয়াম রাখতেন না এবং সাহাবীদেরকে সিয়াম রাখার আদেশও দিতেন না; বরং শাবান মাসকে ত্রিশ দিনে পূর্ণ করতে বলেছেন। আর এটি নাবী এর বাণীঃ "আকাশ মেঘাচ্ছন্ন থাকলে তোমরা অনুমান করে নাও"-এর বিরোধী নয়।
রমযান মাসের আগমণ ও চাঁদ উঠা প্রমাণিত হওয়ার জন্য একজনের সাক্ষ্য গ্রহণযোগ্য হলেও রমযান মাসের পরিসমাপ্তি প্রমাণিত হওয়ার জন্য দুই জনের সাক্ষ্য দেয়া জরুরী। ঈদের সলাতের সময় চলে যাওয়ার পরও যদি দুইজন লোক সাক্ষ্য দিত তাহলে তিনি রোযা ছেড়ে দিয়ে খেয়ে নেয়ার আদেশ দিতেন। তবে পরের দিন ঈদের সলাতের সময়েই তা আদায় করতেন।
তিনি সূর্য অস্ত যাওয়ার পরপরই দ্রুত ইফতার করতেন এবং এর উপরই লোকদেরকে উৎসাহ দিতেন। তিনি সেহরী খেতেন এবং সেহরী খাওয়ার প্রতি সকলকে উৎসাহ দিতেন। তিনি বিলম্বে সেহরী খেতেন এবং বিলম্বে খাওয়ার প্রতি উৎসাহ দিতেন। তিনি খেজুর দিয়ে ইফতার করার জন্য উৎসাহ দিতেন। তা পাওয়া না গেলে পানি দ্বারা ইফতার করতে বলতেন।
নাবী সায়িমকে স্ত্রী সহবাস, শোরগোল, কাউকে গালি দেয়া, গালির জবাবে গালি দিতে নিষেধ করেছেন। কেউ গালি দিলে গালি প্রদত্ত ব্যক্তিকে এ কথা বলতে বলেছেন যে, আমি সায়িম।
টিকাঃ
১১৬. বুখারী, অধ্যায়ঃ সিয়াম।
১১৭. বুখারী, তাও. হা/১৯০০, আবু দাউদ, আলএ. হা/২৩২০, ইবনে মাজাহ, তাও. হা/১৬৫৪
📄 সফর অবস্থায় সিয়াম রাখা
তিনি রমযান মাসে ভ্রমণ করেছেন। সফর অবস্থায় তিনি কখনও সিয়াম রেখেছেন আবার কখনও সিয়াম ছেড়ে দিয়েছেন। তিনি সাহাবীদেরকে সফর অবস্থায় উভয়টির যে কোন একটি গ্রহণ করার স্বাধীনতা দিয়েছেন। শত্রুদের নিকটবর্তী হলে মুজাহিদদেরকে সিয়াম ছেড়ে দেয়ার আদেশ দিতেন। কতটুকু রাস্তা ভ্রমণ করলে মুসাফিরের জন্য সিয়াম ভঙ্গ করা জায়েয তার কোন নির্ধারিত সীমা রেখা তিনি নির্ধারণ করে দেন নি। সাহাবীগণ যখন সফর শুরু করতেন তখন সিয়াম ছেড়ে দিতেন।
টিকাঃ
১১৮. বিদ্বানদের নিকট সফরে স্বাভাবিক অবস্থায় সিয়াম রাখা না রাখা উভয়ই সমান। তবে কষ্টকর হলে সিয়াম ভাঙ্গা ভাল আর কষ্টকর না হলে সিয়াম রাখাই ভাল।
১১৯. তবে শর্ত হল স্মরণ হওয়ার পর থেকে সূর্য ডুবা পর্যন্ত পানাহার থেকে অবশ্যই বিরত থাকতে হবে।
📄 স্ত্রী সহবাসের পর গোসল করার পূর্বেই ফজরের সময় হয়ে গেলে
স্ত্রী সহবাস করে অপবিত্র হওয়ার পর গোসল করার আগেই ফজরের সময় হয়ে যেত। অতঃপর তিনি ফজর হয়ে যাওয়ার পর গোসল করতেন এবং সিয়াম রাখতেন।
📄 রোযা অবস্থায় স্ত্রীকে চুম্বন করা
তিনি রমযান মাসের দিনের বেলায় সিয়াম অবস্থায় তাঁর কতক স্ত্রীকে চুম্বন করতেন। তিনি সায়িম ব্যক্তি কর্তৃক তার স্ত্রীকে চুম্মন করার বিষয়টিকে মুখে পানি নিয়ে কুলি করার সাথে তুলনা করেছেন। স্ত্রীকে চুম্বন করার ক্ষেত্রে তিনি যুবক ও বৃদ্ধের মধ্যে পার্থক্য করেন নি। অর্থাৎ উভয়ের জন্যই তা জায়েয।
ভুলক্রমে সায়িম ব্যক্তি দিনের বেলা পানাহার করে ফেললে তিনি কাযা করতে বলেন নি। কেননা আল্লাহই তাকে পানাহার করিয়েছেন।
টিকাঃ
১১৯. তবে শর্ত হল স্মরণ হওয়ার পর থেকে সূর্য ডুবা পর্যন্ত পানাহার থেকে অবশ্যই বিরত থাকতে হবে।
তিনি রমযান মাসের দিনের বেলায় সিয়াম অবস্থায় তাঁর কতক স্ত্রীকে চুম্বন করতেন। তিনি সায়িম ব্যক্তি কর্তৃক তার স্ত্রীকে চুম্মন করার বিষয়টিকে মুখে পানি নিয়ে কুলি করার সাথে তুলনা করেছেন। স্ত্রীকে চুম্বন করার ক্ষেত্রে তিনি যুবক ও বৃদ্ধের মধ্যে পার্থক্য করেন নি। অর্থাৎ উভয়ের জন্যই তা জায়েয।
ভুলক্রমে সায়িম ব্যক্তি দিনের বেলা পানাহার করে ফেললে তিনি কাযা করতে বলেন নি। কেননা আল্লাহই তাকে পানাহার করিয়েছেন।
টিকাঃ
১১৯. তবে শর্ত হল স্মরণ হওয়ার পর থেকে সূর্য ডুবা পর্যন্ত পানাহার থেকে অবশ্যই বিরত থাকতে হবে।
তিনি রমযান মাসের দিনের বেলায় সিয়াম অবস্থায় তাঁর কতক স্ত্রীকে চুম্বন করতেন। তিনি সায়িম ব্যক্তি কর্তৃক তার স্ত্রীকে চুম্মন করার বিষয়টিকে মুখে পানি নিয়ে কুলি করার সাথে তুলনা করেছেন। স্ত্রীকে চুম্বন করার ক্ষেত্রে তিনি যুবক ও বৃদ্ধের মধ্যে পার্থক্য করেন নি। অর্থাৎ উভয়ের জন্যই তা জায়েয।
ভুলক্রমে সায়িম ব্যক্তি দিনের বেলা পানাহার করে ফেললে তিনি কাযা করতে বলেন নি। কেননা আল্লাহই তাকে পানাহার করিয়েছেন।
তিনি রমযান মাসের দিনের বেলায় সিয়াম অবস্থায় তাঁর কতক স্ত্রীকে চুম্বন করতেন। তিনি সায়িম ব্যক্তি কর্তৃক তার স্ত্রীকে চুম্মন করার বিষয়টিকে মুখে পানি নিয়ে কুলি করার সাথে তুলনা করেছেন। স্ত্রীকে চুম্বন করার ক্ষেত্রে তিনি যুবক ও বৃদ্ধের মধ্যে পার্থক্য করেন নি। অর্থাৎ উভয়ের জন্যই তা জায়েয।
ভুলক্রমে সায়িম ব্যক্তি দিনের বেলা পানাহার করে ফেললে তিনি কাযা করতে বলেন নি। কেননা আল্লাহই তাকে পানাহার করিয়েছেন।
তিনি রমযান মাসের দিনের বেলায় সিয়াম অবস্থায় তাঁর কতক স্ত্রীকে চুম্বন করতেন। তিনি সায়িম ব্যক্তি কর্তৃক তার স্ত্রীকে চুম্মন করার বিষয়টিকে মুখে পানি নিয়ে কুলি করার সাথে তুলনা করেছেন। স্ত্রীকে চুম্বন করার ক্ষেত্রে তিনি যুবক ও বৃদ্ধের মধ্যে পার্থক্য করেন নি। অর্থাৎ উভয়ের জন্যই তা জায়েয।
ভুলক্রমে সায়িম ব্যক্তি দিনের বেলা পানাহার করে ফেললে তিনি কাযা করতে বলেন নি। কেননা আল্লাহই তাকে পানাহার করিয়েছেন।
টিকাঃ
১১৯. তবে শর্ত হল স্মরণ হওয়ার পর থেকে সূর্য ডুবা পর্যন্ত পানাহার থেকে অবশ্যই বিরত থাকতে হবে।