📄 যার উপর শরীয়তের নির্ধারিত শাস্তি কায়েম করা হয়েছে, তার জানাযা
তিনি পুরুষ মাইয়্যেতের মাথা বরাবর দাঁড়াতেন এবং মহিলা মাইয়্যেতের মাঝামাঝি দাঁড়াতেন। তিনি শিশুর উপরও জানাযা সলাত পড়তেন। আত্মহত্যাকারীর উপর তা পড়তেন না। গণীমতের মাল খেয়ানতকারীর উপরও না। শরীয়তের দন্ডবিধি কার্যকর করে যেমন জেনার অপরাধে যাকে রজম করে হত্যা করা হয়েছে তার উপর জানাযা পড়ার ব্যাপারে মতভেদ রয়েছে। সহীহ সূত্রে বর্ণিত হয়েছে যে জুহাইনা গোত্রের যে মহিলাটিকে রজম করা হয়েছিল তার উপর তিনি জানাযা সলাত পড়েছেন।
টিকাঃ
৯৮. সহীহ মুসলিমে ঘটনার বিস্তারিত বিবরণ রয়েছে।
তিনি পুরুষ মাইয়্যেতের মাথা বরাবর দাঁড়াতেন এবং মহিলা মাইয়্যেতের মাঝামাঝি দাঁড়াতেন। তিনি শিশুর উপরও জানাযা সলাত পড়তেন। আত্মহত্যাকারীর উপর তা পড়তেন না। গণীমতের মাল খেয়ানতকারীর উপরও না। শরীয়তের দন্ডবিধি কার্যকর করে যেমন জেনার অপরাধে যাকে রজম করে হত্যা করা হয়েছে তার উপর জানাযা পড়ার ব্যাপারে মতভেদ রয়েছে। সহীহ সূত্রে বর্ণিত হয়েছে যে জুহাইনা গোত্রের যে মহিলাটিকে রজম করা হয়েছিল তার উপর তিনি জানাযা সলাত পড়েছেন।
টিকাঃ
৯৮. সহীহ মুসলিমে ঘটনার বিস্তারিত বিবরণ রয়েছে।
তিনি পুরুষ মাইয়্যেতের মাথা বরাবর দাঁড়াতেন এবং মহিলা মাইয়্যেতের মাঝামাঝি দাঁড়াতেন। তিনি শিশুর উপরও জানাযা সলাত পড়তেন। আত্মহত্যাকারীর উপর তা পড়তেন না। গণীমতের মাল খেয়ানতকারীর উপরও না। শরীয়তের দন্ডবিধি কার্যকর করে যেমন জেনার অপরাধে যাকে রজম করে হত্যা করা হয়েছে তার উপর জানাযা পড়ার ব্যাপারে মতভেদ রয়েছে। সহীহ সূত্রে বর্ণিত হয়েছে যে জুহাইনা গোত্রের যে মহিলাটিকে রজম করা হয়েছিল তার উপর তিনি জানাযা সলাত পড়েছেন। মায়েয (রাঃ) এর জানাযা পড়া বা না পড়ার ব্যাপারে পরস্পর বিরোধপূর্ণ বর্ণনা রয়েছে। আসলে উভয় বর্ণনার শব্দের মধ্যে কোন দ্বন্দ নেই।
টিকাঃ
৯৮. সহীহ মুসলিমে ঘটনার বিস্তারিত বিবরণ রয়েছে।
তিনি পুরুষ মাইয়্যেতের মাথা বরাবর দাঁড়াতেন এবং মহিলা মাইয়্যেতের মাঝামাঝি দাঁড়াতেন। তিনি শিশুর উপরও জানাযা সলাত পড়তেন। আত্মহত্যাকারীর উপর তা পড়তেন না। গণীমতের মাল খেয়ানতকারীর উপরও না। শরীয়তের দন্ডবিধি কার্যকর করে যেমন জেনার অপরাধে যাকে রজম করে হত্যা করা হয়েছে তার উপর জানাযা পড়ার ব্যাপারে মতভেদ রয়েছে। সহীহ সূত্রে বর্ণিত হয়েছে যে জুহাইনা গোত্রের যে মহিলাটিকে রজম করা হয়েছিল তার উপর তিনি জানাযা সলাত পড়েছেন। মায়েয (রাঃ) এর জানাযা পড়া বা না পড়ার ব্যাপারে পরস্পর বিরোধপূর্ণ বর্ণনা রয়েছে। আসলে উভয় বর্ণনার শব্দের মধ্যে কোন দ্বন্দ নেই।
টিকাঃ
৯৮. সহীহ মুসলিমে ঘটনার বিস্তারিত বিবরণ রয়েছে।
তিনি পুরুষ মাইয়্যেতের মাথা বরাবর দাঁড়াতেন এবং মহিলা মাইয়্যেতের মাঝামাঝি দাঁড়াতেন। তিনি শিশুর উপরও জানাযা সলাত পড়তেন। আত্মহত্যাকারীর উপর তা পড়তেন না। গণীমতের মাল খেয়ানতকারীর উপরও না। শরীয়তের দন্ডবিধি কার্যকর করে যেমন জেনার অপরাধে যাকে রজম করে হত্যা করা হয়েছে তার উপর জানাযা পড়ার ব্যাপারে মতভেদ রয়েছে। সহীহ সূত্রে বর্ণিত হয়েছে যে জুহাইনা গোত্রের যে মহিলাটিকে রজম করা হয়েছিল তার উপর তিনি জানাযা সলাত পড়েছেন। মায়েয (রাঃ) এর জানাযা পড়া বা না পড়ার ব্যাপারে পরস্পর বিরোধপূর্ণ বর্ণনা রয়েছে। আসলে উভয় বর্ণনার শব্দের মধ্যে কোন দ্বন্দ নেই।
টিকাঃ
৯৮. সহীহ মুসলিমের ঘটনা বিস্তারিত বিবরণ রয়েছে।
📄 জানাযার (লাশের) আগে ও পিছনে গমন করা
নাবী এর পবিত্র সুন্নাত ছিল যে, কারও জানাযা সলাত পড়ার পর তিনি লাশের আগে আগে পায়ে হেঁটে কবর পর্যন্ত যেতেন। আর যারা আরোহন করে যাবে তাদের জন্য লাশের পিছনে যাওয়াকে সুন্নাত হিসাবে সাব্যস্ত করেছেন। আর যারা পায়ে হেঁটে যাবে তাদের উচিত হবে লাশের খুব কাছাকাছি থাকা। চাই সামনে হোক বা পিছনে, ডানে হোক বা বামে। তিনি জানাযা নিয়ে দ্রুত চলতে আদেশ করতেন। সাহাবীগণ লাশ নিয়ে দৌড়িয়ে চলতেন। আর তিনিও পায়ে হেঁটে চলতেন এবং বলতেন- ফিরিস্তারা যেহেতু হেঁটে চলছে, তাই আমি আরোহন করতে পারি না। ফেরত আসার সময় তিনি কখনও কখনও আরোহন করেছেন। লাশ কবরে না রাখা পর্যন্ত তিনি বসতেন না।
টিকাঃ
৯৯. আবু দাউদ। ইমাম আলবানী সহীহ বলেছেন। দেখুনঃ সহীহ আবু দাউদ হা/ ২৭২০।
📄 গায়েবানা জানাযা
তিনি প্রত্যেক মৃতের গায়েবানা জানাযা পড়তেন না। সহীহ সূত্রে বর্ণিত হয়েছে যে, তিনি উপস্থিত মাইয়্যেতের জানাযা সলাতের মতই নাজাশীর গায়েবানা জানাযা পড়েছেন। গায়েবানা জানাযা পড়া এবং না পড়া উভয়টিই সুন্নাত। কোন ব্যক্তি যদি এমন দেশে মারা যায় যেখানে জানাযা সলাত পড়া সম্ভব হয় নি, তার জানাযা সলাত পড়তে হবে।
টিকাঃ
১০১. যার উপর জানাযা সলাত পড়া হয়ে গেছে, তার জন্য গায়েবানা জানাযা পড়ার কোন সুস্পষ্ট প্রমাণ নেই।
📄 জানাযা দেখে দাঁড়ানো
সহীহ সূত্রে বর্ণিত হয়েছে যে, তাঁর পাশ দিয়ে জানাযা বহন করে নিয়ে যাওয়ার সময় সাহাবীদেরকে দাঁড়াতে বলেছেন। সহীহ সূত্রে এও বর্ণিত হয়েছে যে, পাশ দিয়ে জানাযা অতিক্রম করার সময় তিনি বসেই ছিলেন। বলা হয়েছে যে, দাঁড়ানোর হুকুম রহিত হয়ে গেছে। আবার বলা হয় যে, দাঁড়ানো মুস্তাহাব আর বসে থাকা জায়েয।
টিকাঃ
১০২. এই দাঁড়ানো মৃতকে সম্মানের জন্য নয়। মূলতঃ যিনি মৃত্যু ঘটিয়েছেন তাঁর তথা আল্লাহ্ তা'আলার সম্মানের জন্য এবং মৃত্যুর ভয়ের কারণেই।