📄 জানাযার সালাতে তাকবীর বলার সময় রাফউল ইয়াদাইন করা
জানাযা সলাতে তাকবীর পাঠ করার সময় রাফউল ইয়াদাইন সম্পর্কে ইমাম শাফেয়ী (রহঃ) বলেন- এ ব্যাপারে সাহাবী থেকে বর্ণিত একটি আছারের (হাদীস) উপর ভিত্তি করে এবং সলাতের সুন্নাতের উপর কিয়াস করে রাফউল ইয়াদাইন করা যাবে। ইবনে উমার ও আনাস (রাঃ) হতে বর্ণিত হয়েছে যে, তারা জানাযা সলাতে যখনই তাকবীর বলতেন তখনই রাফউল ইয়াদাইন করতেন।
📄 কারো জানাযার সালাত ছুটে গেলে কবরের উপর পড়তে পারে
রসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর কোন জানাযা সলাত ছুটে গেলে কবরের উপর সলাত পড়তেন। তিনি একবার এক রাত পরে একটি কবরের উপর জানাযা সলাত পড়েছেন। আরেকবার তিন রাত পর একটি কবরের উপর জানাযা সলাত পড়েছেন। আরেকবার একমাস পর। এ ব্যাপারে তিনি কোন সময় সীমা নির্ধারণ করে দেন নি। ইমাম মালেক (রহঃ) শুধু অলী তথা শাসকের জন্য কবরের উপর জানাযা সলাত পড়া জায়েয বলেছেন। বিশেষ করে যখন তিনি জানাযায় উপস্থিত না থাকেন।
টিকাঃ
৯৭. তাই এ ব্যাপারে আলেমদের একটি সুন্দর সিদ্বান্ত হচ্ছে কোন মানুষের আপন কিংবা বিশেষ ব্যক্তির জানাযায় উপস্থিত না হতে পারলে কবরে তা পড়া যাবে। আল্লাহই ভাল জানেন। উহুদের শহীদদের জানাযা নাবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আট বছর পর আদায় করেছেন।
রসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর কোন জানাযা সলাত ছুটে গেলে কবরের উপর সলাত পড়তেন। তিনি একবার এক রাত পরে একটি কবরের উপর জানাযা সলাত পড়েছেন। আরেকবার তিন রাত পর একটি কবরের উপর জানাযা সলাত পড়েছেন। আরেকবার একমাস পর। এ ব্যাপারে তিনি কোন সময় সীমা নির্ধারণ করে দেন নি। ইমাম মালেক (রহঃ) শুধু অলী তথা শাসকের জন্য কবরের উপর জানাযা সলাত পড়া জায়েয বলেছেন। বিশেষ করে যখন তিনি জানাযায় উপস্থিত না থাকেন।
টিকাঃ
৯৭. তাই এ ব্যাপারে আলেমদের একটি সুন্দর সিদ্বান্ত হচ্ছে কোন মানুষের আপন কিংবা বিশেষ ব্যক্তির জানাযায় উপস্থিত না হতে পারলে কবরে তা পড়া যাবে। আল্লাহই ভাল জানেন। উহুদের শহীদদের জানাযা নাবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আট বছর পর আদায় করেছেন।
রসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর কোন জানাযা সলাত ছুটে গেলে কবরের উপর সলাত পড়তেন। তিনি একবার এক রাত পরে একটি কবরের উপর জানাযা সলাত পড়েছেন। আরেকবার তিন রাত পর একটি কবরের উপর জানাযা সলাত পড়েছেন। আরেকবার একমাস পর। এ ব্যাপারে তিনি কোন সময় সীমা নির্ধারণ করে দেন নি। ইমাম মালেক (রহঃ) শুধু অলী তথা শাসকের জন্য কবরের উপর জানাযা সলাত পড়া জায়েয বলেছেন। বিশেষ করে যখন তিনি জানাযায় উপস্থিত না থাকেন।
টিকাঃ
৯৭. তাই এ ব্যাপারে আলেমদের একটি সুন্দর সিদ্বান্ত হচ্ছে কোন মানুষের আপন কিংবা বিশেষ ব্যক্তির জানাযায় উপস্থিত না হতে পারলে কবরে তা পড়া যাবে। আল্লাহই ভাল জানেন। উহুদের শহীদদের জানাযা নাবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আট বছর পর আদায় করেছেন।
রসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর কোন জানাযা সলাত ছুটে গেলে কবরের উপর সলাত পড়তেন। তিনি একবার এক রাত পরে একটি কবরের উপর জানাযা সলাত পড়েছেন। আরেকবার তিন রাত পর একটি কবরের উপর জানাযা সলাত পড়েছেন। আরেকবার একমাস পর। এ ব্যাপারে তিনি কোন সময় সীমা নির্ধারণ করে দেন নি। ইমাম মালেক (রহঃ) শুধু অলী তথা শাসকের জন্য কবরের উপর জানাযা সলাত পড়া জায়েয বলেছেন। বিশেষ করে যখন তিনি জানাযায় উপস্থিত না থাকেন।
টিকাঃ
৯৭. তাই এ ব্যাপারে আলেমদের একটি সুন্দর সিদ্বান্ত হচ্ছে কোন মানুষের আপন কিংবা বিশেষ ব্যক্তির জানাযায় উপস্থিত না হতে পারলে কবরে তা পড়া যাবে। আল্লাহই ভাল জানেন। উহুদের শহীদদের জানাযা নাবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আট বছর পর আদায় করেছেন।
রসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর কোন জানাযা সলাত ছুটে গেলে কবরের উপর সলাত পড়তেন। তিনি একবার এক রাত পরে একটি কবরের উপর জানাযা সলাত পড়েছেন। আরেকবার তিন রাত পর একটি কবরের উপর জানাযা সলাত পড়েছেন। আরেকবার একমাস পর। এ ব্যাপারে তিনি কোন সময় সীমা নির্ধারণ করে দেন নি। ইমাম মালেক (রহঃ) শুধু অলী তথা শাসকের জন্য কবরের উপর জানাযা সলাত পড়া জায়েয বলেছেন। বিশেষ করে যখন তিনি জানাযায় উপস্থিত না থাকেন।
টিকাঃ
৯৭. তাই এ ব্যাপারে আলেমদের একটি সুন্দর সিদ্বান্ত হচ্ছে কোন মানুষের আপন কিংবা বিশেষ ব্যক্তির জানাযায় উপস্থিত না হতে পারলে কবরে তা পড়া যাবে। আল্লাহই ভাল জানেন। উহুদের শহীদদের জানাযা নাবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আট বছর পর আদায় করেছেন।
📄 যার উপর শরীয়তের নির্ধারিত শাস্তি কায়েম করা হয়েছে, তার জানাযা
তিনি পুরুষ মাইয়্যেতের মাথা বরাবর দাঁড়াতেন এবং মহিলা মাইয়্যেতের মাঝামাঝি দাঁড়াতেন। তিনি শিশুর উপরও জানাযা সলাত পড়তেন। আত্মহত্যাকারীর উপর তা পড়তেন না। গণীমতের মাল খেয়ানতকারীর উপরও না। শরীয়তের দন্ডবিধি কার্যকর করে যেমন জেনার অপরাধে যাকে রজম করে হত্যা করা হয়েছে তার উপর জানাযা পড়ার ব্যাপারে মতভেদ রয়েছে। সহীহ সূত্রে বর্ণিত হয়েছে যে জুহাইনা গোত্রের যে মহিলাটিকে রজম করা হয়েছিল তার উপর তিনি জানাযা সলাত পড়েছেন।
টিকাঃ
৯৮. সহীহ মুসলিমে ঘটনার বিস্তারিত বিবরণ রয়েছে।
তিনি পুরুষ মাইয়্যেতের মাথা বরাবর দাঁড়াতেন এবং মহিলা মাইয়্যেতের মাঝামাঝি দাঁড়াতেন। তিনি শিশুর উপরও জানাযা সলাত পড়তেন। আত্মহত্যাকারীর উপর তা পড়তেন না। গণীমতের মাল খেয়ানতকারীর উপরও না। শরীয়তের দন্ডবিধি কার্যকর করে যেমন জেনার অপরাধে যাকে রজম করে হত্যা করা হয়েছে তার উপর জানাযা পড়ার ব্যাপারে মতভেদ রয়েছে। সহীহ সূত্রে বর্ণিত হয়েছে যে জুহাইনা গোত্রের যে মহিলাটিকে রজম করা হয়েছিল তার উপর তিনি জানাযা সলাত পড়েছেন।
টিকাঃ
৯৮. সহীহ মুসলিমে ঘটনার বিস্তারিত বিবরণ রয়েছে।
তিনি পুরুষ মাইয়্যেতের মাথা বরাবর দাঁড়াতেন এবং মহিলা মাইয়্যেতের মাঝামাঝি দাঁড়াতেন। তিনি শিশুর উপরও জানাযা সলাত পড়তেন। আত্মহত্যাকারীর উপর তা পড়তেন না। গণীমতের মাল খেয়ানতকারীর উপরও না। শরীয়তের দন্ডবিধি কার্যকর করে যেমন জেনার অপরাধে যাকে রজম করে হত্যা করা হয়েছে তার উপর জানাযা পড়ার ব্যাপারে মতভেদ রয়েছে। সহীহ সূত্রে বর্ণিত হয়েছে যে জুহাইনা গোত্রের যে মহিলাটিকে রজম করা হয়েছিল তার উপর তিনি জানাযা সলাত পড়েছেন। মায়েয (রাঃ) এর জানাযা পড়া বা না পড়ার ব্যাপারে পরস্পর বিরোধপূর্ণ বর্ণনা রয়েছে। আসলে উভয় বর্ণনার শব্দের মধ্যে কোন দ্বন্দ নেই।
টিকাঃ
৯৮. সহীহ মুসলিমে ঘটনার বিস্তারিত বিবরণ রয়েছে।
তিনি পুরুষ মাইয়্যেতের মাথা বরাবর দাঁড়াতেন এবং মহিলা মাইয়্যেতের মাঝামাঝি দাঁড়াতেন। তিনি শিশুর উপরও জানাযা সলাত পড়তেন। আত্মহত্যাকারীর উপর তা পড়তেন না। গণীমতের মাল খেয়ানতকারীর উপরও না। শরীয়তের দন্ডবিধি কার্যকর করে যেমন জেনার অপরাধে যাকে রজম করে হত্যা করা হয়েছে তার উপর জানাযা পড়ার ব্যাপারে মতভেদ রয়েছে। সহীহ সূত্রে বর্ণিত হয়েছে যে জুহাইনা গোত্রের যে মহিলাটিকে রজম করা হয়েছিল তার উপর তিনি জানাযা সলাত পড়েছেন। মায়েয (রাঃ) এর জানাযা পড়া বা না পড়ার ব্যাপারে পরস্পর বিরোধপূর্ণ বর্ণনা রয়েছে। আসলে উভয় বর্ণনার শব্দের মধ্যে কোন দ্বন্দ নেই।
টিকাঃ
৯৮. সহীহ মুসলিমে ঘটনার বিস্তারিত বিবরণ রয়েছে।
তিনি পুরুষ মাইয়্যেতের মাথা বরাবর দাঁড়াতেন এবং মহিলা মাইয়্যেতের মাঝামাঝি দাঁড়াতেন। তিনি শিশুর উপরও জানাযা সলাত পড়তেন। আত্মহত্যাকারীর উপর তা পড়তেন না। গণীমতের মাল খেয়ানতকারীর উপরও না। শরীয়তের দন্ডবিধি কার্যকর করে যেমন জেনার অপরাধে যাকে রজম করে হত্যা করা হয়েছে তার উপর জানাযা পড়ার ব্যাপারে মতভেদ রয়েছে। সহীহ সূত্রে বর্ণিত হয়েছে যে জুহাইনা গোত্রের যে মহিলাটিকে রজম করা হয়েছিল তার উপর তিনি জানাযা সলাত পড়েছেন। মায়েয (রাঃ) এর জানাযা পড়া বা না পড়ার ব্যাপারে পরস্পর বিরোধপূর্ণ বর্ণনা রয়েছে। আসলে উভয় বর্ণনার শব্দের মধ্যে কোন দ্বন্দ নেই।
টিকাঃ
৯৮. সহীহ মুসলিমের ঘটনা বিস্তারিত বিবরণ রয়েছে।
📄 জানাযার (লাশের) আগে ও পিছনে গমন করা
নাবী এর পবিত্র সুন্নাত ছিল যে, কারও জানাযা সলাত পড়ার পর তিনি লাশের আগে আগে পায়ে হেঁটে কবর পর্যন্ত যেতেন। আর যারা আরোহন করে যাবে তাদের জন্য লাশের পিছনে যাওয়াকে সুন্নাত হিসাবে সাব্যস্ত করেছেন। আর যারা পায়ে হেঁটে যাবে তাদের উচিত হবে লাশের খুব কাছাকাছি থাকা। চাই সামনে হোক বা পিছনে, ডানে হোক বা বামে। তিনি জানাযা নিয়ে দ্রুত চলতে আদেশ করতেন। সাহাবীগণ লাশ নিয়ে দৌড়িয়ে চলতেন। আর তিনিও পায়ে হেঁটে চলতেন এবং বলতেন- ফিরিস্তারা যেহেতু হেঁটে চলছে, তাই আমি আরোহন করতে পারি না। ফেরত আসার সময় তিনি কখনও কখনও আরোহন করেছেন। লাশ কবরে না রাখা পর্যন্ত তিনি বসতেন না।
টিকাঃ
৯৯. আবু দাউদ। ইমাম আলবানী সহীহ বলেছেন। দেখুনঃ সহীহ আবু দাউদ হা/ ২৭২০।