📘 মুখতাসার যাদুল মায়াদ 📄 জানাযার সালাতের তাকবীর সংখ্যা

📄 জানাযার সালাতের তাকবীর সংখ্যা


তিনি চার তাকবীরে জানাযা সলাত পড়তেন। তাঁর থেকে পাঁচ তাকবীরের কথাও সহীহ সূত্রে বর্ণিত হয়েছে। সাহাবীগণ চার, পাঁচ এবং ছয় তাকবীরেও জানাযা সলাত পড়তেন। আব্দুল্লাহ্ ইবনে মাসউদের ছাত্র আলকামা বলেন- আমি আব্দুল্লাহ্ ইবনে মাসউদ কে বললাম- শাম থেকে মুআয বিন জাবালের কিছু সাথী আগমণ করেছে। তারা তাদের একজন মাইয়্যেতের জানাযা সলাতে পাঁচ তাকবীর দিয়েছে। তিনি বললেন- মাইয়্যেতের জানাযা সলাতে তাকবীরের কোন নির্দিষ্ট সংখ্যা নেই। ইমাম যে কয়টি তাকবীর দেয় তুমিও সেই কয়টি তাকবীর দাও। আর ইমাম যখন সালাম ফেরাবে তখন তুমিও সালাম ফিরাও।

টিকাঃ
৯৫. মুসনাদে আহমাদ, ইমাম আলবানী এই হাদীছকে যঈফ বলেছেন।
৯৬. চার তাকবীরে জানাযার সলাত পড়ার পদ্ধতি হচ্ছেঃ প্রথম তাকবীরের পর সূরা ফাতিহা পড়ে কুরআন থেকে আরেকটি সূরা পাঠ করবে। অতঃপর দ্বিতীয় তাকবীর দিবে। দ্বিতীয় তাকবীরের পর নাবী এর উপর তাশাহুদের দুরূদের ন্যায় দুরূদ পাঠ করবে। অতঃপর তৃতীয় তাকবীর দিয়ে ক্ষমা প্রার্থনা করবে। অতঃপর চতুর্থ তাকবীর দিয়ে সালাম ফেরাবে।

📘 মুখতাসার যাদুল মায়াদ 📄 জানাযার সালাতে তাকবীর বলার সময় রাফউল ইয়াদাইন করা

📄 জানাযার সালাতে তাকবীর বলার সময় রাফউল ইয়াদাইন করা


জানাযা সলাতে তাকবীর পাঠ করার সময় রাফউল ইয়াদাইন সম্পর্কে ইমাম শাফেয়ী (রহঃ) বলেন- এ ব্যাপারে সাহাবী থেকে বর্ণিত একটি আছারের (হাদীস) উপর ভিত্তি করে এবং সলাতের সুন্নাতের উপর কিয়াস করে রাফউল ইয়াদাইন করা যাবে। ইবনে উমার ও আনাস (রাঃ) হতে বর্ণিত হয়েছে যে, তারা জানাযা সলাতে যখনই তাকবীর বলতেন তখনই রাফউল ইয়াদাইন করতেন।

📘 মুখতাসার যাদুল মায়াদ 📄 কারো জানাযার সালাত ছুটে গেলে কবরের উপর পড়তে পারে

📄 কারো জানাযার সালাত ছুটে গেলে কবরের উপর পড়তে পারে


রসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর কোন জানাযা সলাত ছুটে গেলে কবরের উপর সলাত পড়তেন। তিনি একবার এক রাত পরে একটি কবরের উপর জানাযা সলাত পড়েছেন। আরেকবার তিন রাত পর একটি কবরের উপর জানাযা সলাত পড়েছেন। আরেকবার একমাস পর। এ ব্যাপারে তিনি কোন সময় সীমা নির্ধারণ করে দেন নি। ইমাম মালেক (রহঃ) শুধু অলী তথা শাসকের জন্য কবরের উপর জানাযা সলাত পড়া জায়েয বলেছেন। বিশেষ করে যখন তিনি জানাযায় উপস্থিত না থাকেন।

টিকাঃ
৯৭. তাই এ ব্যাপারে আলেমদের একটি সুন্দর সিদ্বান্ত হচ্ছে কোন মানুষের আপন কিংবা বিশেষ ব্যক্তির জানাযায় উপস্থিত না হতে পারলে কবরে তা পড়া যাবে। আল্লাহই ভাল জানেন। উহুদের শহীদদের জানাযা নাবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আট বছর পর আদায় করেছেন।

রসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর কোন জানাযা সলাত ছুটে গেলে কবরের উপর সলাত পড়তেন। তিনি একবার এক রাত পরে একটি কবরের উপর জানাযা সলাত পড়েছেন। আরেকবার তিন রাত পর একটি কবরের উপর জানাযা সলাত পড়েছেন। আরেকবার একমাস পর। এ ব্যাপারে তিনি কোন সময় সীমা নির্ধারণ করে দেন নি। ইমাম মালেক (রহঃ) শুধু অলী তথা শাসকের জন্য কবরের উপর জানাযা সলাত পড়া জায়েয বলেছেন। বিশেষ করে যখন তিনি জানাযায় উপস্থিত না থাকেন।

টিকাঃ
৯৭. তাই এ ব্যাপারে আলেমদের একটি সুন্দর সিদ্বান্ত হচ্ছে কোন মানুষের আপন কিংবা বিশেষ ব্যক্তির জানাযায় উপস্থিত না হতে পারলে কবরে তা পড়া যাবে। আল্লাহই ভাল জানেন। উহুদের শহীদদের জানাযা নাবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আট বছর পর আদায় করেছেন।

রসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর কোন জানাযা সলাত ছুটে গেলে কবরের উপর সলাত পড়তেন। তিনি একবার এক রাত পরে একটি কবরের উপর জানাযা সলাত পড়েছেন। আরেকবার তিন রাত পর একটি কবরের উপর জানাযা সলাত পড়েছেন। আরেকবার একমাস পর। এ ব্যাপারে তিনি কোন সময় সীমা নির্ধারণ করে দেন নি। ইমাম মালেক (রহঃ) শুধু অলী তথা শাসকের জন্য কবরের উপর জানাযা সলাত পড়া জায়েয বলেছেন। বিশেষ করে যখন তিনি জানাযায় উপস্থিত না থাকেন।

টিকাঃ
৯৭. তাই এ ব্যাপারে আলেমদের একটি সুন্দর সিদ্বান্ত হচ্ছে কোন মানুষের আপন কিংবা বিশেষ ব্যক্তির জানাযায় উপস্থিত না হতে পারলে কবরে তা পড়া যাবে। আল্লাহই ভাল জানেন। উহুদের শহীদদের জানাযা নাবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আট বছর পর আদায় করেছেন।

রসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর কোন জানাযা সলাত ছুটে গেলে কবরের উপর সলাত পড়তেন। তিনি একবার এক রাত পরে একটি কবরের উপর জানাযা সলাত পড়েছেন। আরেকবার তিন রাত পর একটি কবরের উপর জানাযা সলাত পড়েছেন। আরেকবার একমাস পর। এ ব্যাপারে তিনি কোন সময় সীমা নির্ধারণ করে দেন নি। ইমাম মালেক (রহঃ) শুধু অলী তথা শাসকের জন্য কবরের উপর জানাযা সলাত পড়া জায়েয বলেছেন। বিশেষ করে যখন তিনি জানাযায় উপস্থিত না থাকেন।

টিকাঃ
৯৭. তাই এ ব্যাপারে আলেমদের একটি সুন্দর সিদ্বান্ত হচ্ছে কোন মানুষের আপন কিংবা বিশেষ ব্যক্তির জানাযায় উপস্থিত না হতে পারলে কবরে তা পড়া যাবে। আল্লাহই ভাল জানেন। উহুদের শহীদদের জানাযা নাবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আট বছর পর আদায় করেছেন।

রসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর কোন জানাযা সলাত ছুটে গেলে কবরের উপর সলাত পড়তেন। তিনি একবার এক রাত পরে একটি কবরের উপর জানাযা সলাত পড়েছেন। আরেকবার তিন রাত পর একটি কবরের উপর জানাযা সলাত পড়েছেন। আরেকবার একমাস পর। এ ব্যাপারে তিনি কোন সময় সীমা নির্ধারণ করে দেন নি। ইমাম মালেক (রহঃ) শুধু অলী তথা শাসকের জন্য কবরের উপর জানাযা সলাত পড়া জায়েয বলেছেন। বিশেষ করে যখন তিনি জানাযায় উপস্থিত না থাকেন।

টিকাঃ
৯৭. তাই এ ব্যাপারে আলেমদের একটি সুন্দর সিদ্বান্ত হচ্ছে কোন মানুষের আপন কিংবা বিশেষ ব্যক্তির জানাযায় উপস্থিত না হতে পারলে কবরে তা পড়া যাবে। আল্লাহই ভাল জানেন। উহুদের শহীদদের জানাযা নাবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আট বছর পর আদায় করেছেন।

📘 মুখতাসার যাদুল মায়াদ 📄 যার উপর শরীয়তের নির্ধারিত শাস্তি কায়েম করা হয়েছে, তার জানাযা

📄 যার উপর শরীয়তের নির্ধারিত শাস্তি কায়েম করা হয়েছে, তার জানাযা


তিনি পুরুষ মাইয়্যেতের মাথা বরাবর দাঁড়াতেন এবং মহিলা মাইয়্যেতের মাঝামাঝি দাঁড়াতেন। তিনি শিশুর উপরও জানাযা সলাত পড়তেন। আত্মহত্যাকারীর উপর তা পড়তেন না। গণীমতের মাল খেয়ানতকারীর উপরও না। শরীয়তের দন্ডবিধি কার্যকর করে যেমন জেনার অপরাধে যাকে রজম করে হত্যা করা হয়েছে তার উপর জানাযা পড়ার ব্যাপারে মতভেদ রয়েছে। সহীহ সূত্রে বর্ণিত হয়েছে যে জুহাইনা গোত্রের যে মহিলাটিকে রজম করা হয়েছিল তার উপর তিনি জানাযা সলাত পড়েছেন।

টিকাঃ
৯৮. সহীহ মুসলিমে ঘটনার বিস্তারিত বিবরণ রয়েছে।

তিনি পুরুষ মাইয়্যেতের মাথা বরাবর দাঁড়াতেন এবং মহিলা মাইয়্যেতের মাঝামাঝি দাঁড়াতেন। তিনি শিশুর উপরও জানাযা সলাত পড়তেন। আত্মহত্যাকারীর উপর তা পড়তেন না। গণীমতের মাল খেয়ানতকারীর উপরও না। শরীয়তের দন্ডবিধি কার্যকর করে যেমন জেনার অপরাধে যাকে রজম করে হত্যা করা হয়েছে তার উপর জানাযা পড়ার ব্যাপারে মতভেদ রয়েছে। সহীহ সূত্রে বর্ণিত হয়েছে যে জুহাইনা গোত্রের যে মহিলাটিকে রজম করা হয়েছিল তার উপর তিনি জানাযা সলাত পড়েছেন।

টিকাঃ
৯৮. সহীহ মুসলিমে ঘটনার বিস্তারিত বিবরণ রয়েছে।

তিনি পুরুষ মাইয়্যেতের মাথা বরাবর দাঁড়াতেন এবং মহিলা মাইয়্যেতের মাঝামাঝি দাঁড়াতেন। তিনি শিশুর উপরও জানাযা সলাত পড়তেন। আত্মহত্যাকারীর উপর তা পড়তেন না। গণীমতের মাল খেয়ানতকারীর উপরও না। শরীয়তের দন্ডবিধি কার্যকর করে যেমন জেনার অপরাধে যাকে রজম করে হত্যা করা হয়েছে তার উপর জানাযা পড়ার ব্যাপারে মতভেদ রয়েছে। সহীহ সূত্রে বর্ণিত হয়েছে যে জুহাইনা গোত্রের যে মহিলাটিকে রজম করা হয়েছিল তার উপর তিনি জানাযা সলাত পড়েছেন। মায়েয (রাঃ) এর জানাযা পড়া বা না পড়ার ব্যাপারে পরস্পর বিরোধপূর্ণ বর্ণনা রয়েছে। আসলে উভয় বর্ণনার শব্দের মধ্যে কোন দ্বন্দ নেই।

টিকাঃ
৯৮. সহীহ মুসলিমে ঘটনার বিস্তারিত বিবরণ রয়েছে।

তিনি পুরুষ মাইয়্যেতের মাথা বরাবর দাঁড়াতেন এবং মহিলা মাইয়্যেতের মাঝামাঝি দাঁড়াতেন। তিনি শিশুর উপরও জানাযা সলাত পড়তেন। আত্মহত্যাকারীর উপর তা পড়তেন না। গণীমতের মাল খেয়ানতকারীর উপরও না। শরীয়তের দন্ডবিধি কার্যকর করে যেমন জেনার অপরাধে যাকে রজম করে হত্যা করা হয়েছে তার উপর জানাযা পড়ার ব্যাপারে মতভেদ রয়েছে। সহীহ সূত্রে বর্ণিত হয়েছে যে জুহাইনা গোত্রের যে মহিলাটিকে রজম করা হয়েছিল তার উপর তিনি জানাযা সলাত পড়েছেন। মায়েয (রাঃ) এর জানাযা পড়া বা না পড়ার ব্যাপারে পরস্পর বিরোধপূর্ণ বর্ণনা রয়েছে। আসলে উভয় বর্ণনার শব্দের মধ্যে কোন দ্বন্দ নেই।

টিকাঃ
৯৮. সহীহ মুসলিমে ঘটনার বিস্তারিত বিবরণ রয়েছে।

তিনি পুরুষ মাইয়্যেতের মাথা বরাবর দাঁড়াতেন এবং মহিলা মাইয়্যেতের মাঝামাঝি দাঁড়াতেন। তিনি শিশুর উপরও জানাযা সলাত পড়তেন। আত্মহত্যাকারীর উপর তা পড়তেন না। গণীমতের মাল খেয়ানতকারীর উপরও না। শরীয়তের দন্ডবিধি কার্যকর করে যেমন জেনার অপরাধে যাকে রজম করে হত্যা করা হয়েছে তার উপর জানাযা পড়ার ব্যাপারে মতভেদ রয়েছে। সহীহ সূত্রে বর্ণিত হয়েছে যে জুহাইনা গোত্রের যে মহিলাটিকে রজম করা হয়েছিল তার উপর তিনি জানাযা সলাত পড়েছেন। মায়েয (রাঃ) এর জানাযা পড়া বা না পড়ার ব্যাপারে পরস্পর বিরোধপূর্ণ বর্ণনা রয়েছে। আসলে উভয় বর্ণনার শব্দের মধ্যে কোন দ্বন্দ নেই।

টিকাঃ
৯৮. সহীহ মুসলিমের ঘটনা বিস্তারিত বিবরণ রয়েছে।

ফন্ট সাইজ
15px
17px