📘 মুখতাসার যাদুল মায়াদ 📄 রসূল (সাঃ) খুতবায় যেসব বিষয়ের প্রতি গুরুত্ব দিতেন

📄 রসূল (সাঃ) খুতবায় যেসব বিষয়ের প্রতি গুরুত্ব দিতেন


এ ছাড়া রসূল যখন জুমআর খুতবায় দাঁড়াতেন তখন তাঁর চক্ষুদ্বয় লাল হয়ে যেতো, আওয়াজ উঁচু হতো এবং চেহারা মোবারকে ক্রোধের লক্ষণ পরিলক্ষিত হতো। মনে হতো তিনি যেন কোন সেনাবাহিনীর আক্রমণের ভয় দেখাচ্ছেন। তিনি খুতবায় আম্মা বাদ বলতেন। খুতবা সংক্ষিপ্ত করতেন এবং সলাত দীর্ঘ করতেন। তিনি খুতবায় ইসলামের মূলনীতি ও শরীয়তের হুকুম-আহকাম বর্ণনা করতেন। সময়ের দাবি অনুপাতে তিনি খুতবা দিতেন।
খুতবায় দু'আ করার সময় কিংবা আল্লাহর যিকির করার সময় শাহাদত আঙ্গুল দিয়ে ইঙ্গিত করতেন। মিম্বারে আরোহন করে উপস্থিত মুসল্লীদের দিকে মুখ ফিরিয়ে সালাম দিতেন।
তিনি মুসলিমদেরকে খুতবার সময় ইমামের নিকটবর্তী হওয়ার আদেশ দিতেন এবং চুপ থাকতে বলতেন। তিনি বলতেন- জুমআর দিন খুতবার সময় যে ব্যক্তি তার পাশের ব্যক্তিকে বলবেঃ চুপ থাকো, সে অনর্থক কাজ করল। আর যে ব্যক্তি অনর্থক কাজ করবে তার জুমআ বাতিল হয়ে যাবে।
জুমআর সলাত শেষে তিনি স্বীয় ঘরে প্রবেশ করতেন এবং দুই রাকআত জুমআর সুন্নাত সলাত আদায় করতেন।

এ ছাড়া রসূল যখন জুমআর খুতবায় দাঁড়াতেন তখন তাঁর চক্ষুদ্বয় লাল হয়ে যেতো, আওয়াজ উঁচু হতো এবং চেহারা মোবারকে ক্রোধের লক্ষণ পরিলক্ষিত হতো। মনে হতো তিনি যেন কোন সেনাবাহিনীর আক্রমণের ভয় দেখাচ্ছেন। তিনি খুতবায় আম্মা বাদ বলতেন। খুতবা সংক্ষিপ্ত করতেন এবং সলাত দীর্ঘ করতেন। তিনি খুতবায় ইসলামের মূলনীতি ও শরীয়তের হুকুম-আহকাম বর্ণনা করতেন। সময়ের দাবি অনুপাতে তিনি খুতবা দিতেন।
খুতবায় দু'আ করার সময় কিংবা আল্লাহর যিকির করার সময় শাহাদত আঙ্গুল দিয়ে ইঙ্গিত করতেন। মিম্বারে আরোহন করে উপস্থিত মুসল্লীদের দিকে মুখ ফিরিয়ে সালাম দিতেন।
তিনি মুসলিমদেরকে খুতবার সময় ইমামের নিকটবর্তী হওয়ার আদেশ দিতেন এবং চুপ থাকতে বলতেন। তিনি বলতেন- জুমআর দিন খুতবার সময় যে ব্যক্তি তার পাশের ব্যক্তিকে বলবেঃ চুপ থাকো, সে অনর্থক কাজ করল। আর যে ব্যক্তি অনর্থক কাজ করবে তার জুমআ বাতিল হয়ে যাবে।
জুমআর সলাত শেষে তিনি স্বীয় ঘরে প্রবেশ করতেন এবং দুই রাকআত জুমআর সুন্নাত সলাত আদায় করতেন।

রসূল যখন জুমআর খুতবায় দাঁড়াতেন তখন তাঁর চক্ষুদ্বয় লাল হয়ে যেতো, আওয়াজ উঁচু হতো এবং চেহারা মোবারকে ক্রোধের লক্ষণ পরিলক্ষিত হতো। তিনি খুতবায় আম্মা বাদ বলতেন। খুতবা সংক্ষিপ্ত করতেন এবং সলাত দীর্ঘ করতেন। তিনি খুতবায় ইসলামের মূলনীতি ও শরীয়তের হুকুম-আহকাম বর্ণনা করতেন। সময়ের দাবি অনুপাতে তিনি খুতবা দিতেন। মুসলিমদের মধ্যে অভাব-অনটন দেখা দিলে দান-খয়রাত করার আদেশ দিতেন এবং সাদকাহ করার প্রতি তাদেরকে উৎসাহ দিতেন। খুতবায় দু'আ করার সময় কিংবা আল্লাহর যিকির করার সময় শাহাদত আঙ্গুল দিয়ে ইঙ্গিত করতেন।
অনাবৃষ্টি দেখা দিলে এবং বৃষ্টির প্রয়োজন অনুভব করলে তিনি খুতবাতেই বৃষ্টির জন্য দু'আ করতেন। তিনি দাঁড়িয়ে খুতবা দিতেন। তারপর সামান্য সময় বসতেন। অতঃপর দাঁড়িয়ে দ্বিতীয় খুতবা দিতেন। খুতবা শেষ করলেই বিলাল ইকামত দেয়া শুরু করতেন। তিনি মুসলিমদেরকে খুতবার সময় ইমামের নিকটবর্তী হওয়ার আদেশ দিতেন এবং চুপ থাকতে বলতেন।

রসূল যখন জুমআর খুতবায় দাঁড়াতেন তখন তাঁর চক্ষুদ্বয় লাল হয়ে যেতো, আওয়াজ উঁচু হতো এবং চেহারা মোবারকে ক্রোধের লক্ষণ পরিলক্ষিত হতো। তিনি খুতবায় আম্মা বাদ বলতেন। খুতবা সংক্ষিপ্ত করতেন এবং সলাত দীর্ঘ করতেন। তিনি খুতবায় ইসলামের মূলনীতি ও শরীয়তের হুকুম-আহকাম বর্ণনা করতেন। সময়ের দাবি অনুপাতে তিনি খুতবা দিতেন। মুসলিমদের মধ্যে অভাব-অনটন দেখা দিলে দান-খয়রাত করার আদেশ দিতেন এবং সাদকাহ করার প্রতি তাদেরকে উৎসাহ দিতেন। খুতবায় দু'আ করার সময় কিংবা আল্লাহর যিকির করার সময় শাহাদত আঙ্গুল দিয়ে ইঙ্গিত করতেন।
অনাবৃষ্টি দেখা দিলে এবং বৃষ্টির প্রয়োজন অনুভব করলে তিনি খুতবাতেই বৃষ্টির জন্য দু'আ করতেন। তিনি দাঁড়িয়ে খুতবা দিতেন। তারপর সামান্য সময় বসতেন। অতঃপর দাঁড়িয়ে দ্বিতীয় খুতবা দিতেন। খুতবা শেষ করলেই বিলাল ইকামত দেয়া শুরু করতেন। তিনি মুসলিমদেরকে খুতবার সময় ইমামের নিকটবর্তী হওয়ার আদেশ দিতেন এবং চুপ থাকতে বলতেন।

রসূল যখন জুমআর খুতবায় দাঁড়াতেন তখন তাঁর চক্ষুদ্বয় লাল হয়ে যেতো, আওয়াজ উঁচু হতো এবং চেহারা মোবারকে ক্রোধের লক্ষণ পরিলক্ষিত হতো। তিনি খুতবায় আম্মা বাদ বলতেন। খুতবা সংক্ষিপ্ত করতেন এবং সলাত দীর্ঘ করতেন। তিনি খুতবায় ইসলামের মূলনীতি ও শরীয়তের হুকুম-আহকাম বর্ণনা করতেন। সময়ের দাবি অনুপাতে তিনি খুতবা দিতেন। মুসলিমদের মধ্যে অভাব-অনটন দেখা দিলে দান-খয়রাত করার আদেশ দিতেন এবং সাদকাহ করার প্রতি তাদেরকে উৎসাহ দিতেন। খুতবায় দু'আ করার সময় কিংবা আল্লাহর যিকির করার সময় শাহাদত আঙ্গুল দিয়ে ইঙ্গিত করতেন।
অনাবৃষ্টি দেখা দিলে এবং বৃষ্টির প্রয়োজন অনুভব করলে তিনি খুতবাতেই বৃষ্টির জন্য দু'আ করতেন। তিনি দাঁড়িয়ে খুতবা দিতেন। তারপর সামান্য সময় বসতেন। অতঃপর দাঁড়িয়ে দ্বিতীয় খুতবা দিতেন। খুতবা শেষ করলেই বিলাল ইকামত দেয়া শুরু করতেন। তিনি মুসলিমদেরকে খুতবার সময় ইমামের নিকটবর্তী হওয়ার আদেশ দিতেন এবং চুপ থাকতে বলতেন।

📘 মুখতাসার যাদুল মায়াদ 📄 সালাতুল ঈদাঈন তথা দুই ঈদের সালাতে নবী (সাঃ) এর হিদায়াত

📄 সালাতুল ঈদাঈন তথা দুই ঈদের সালাতে নবী (সাঃ) এর হিদায়াত


পূর্ব দিক দিয়ে মদীনার প্রবেশ পথে অবস্থিত ঈদগাহে (মুসাল্লায়) তিনি দুই ঈদের সলাত আদায় করতেন। ঈদের দিন তিনি সর্বোত্তম পোশাক পরিধান করতেন। ঈদুল ফিতরের দিন বের হওয়ার পূর্বে বেজোড় সংখ্যায় খেজুর খেয়ে বের হতেন। আর ঈদুল আযহার দিন ঈদগাহ থেকে ফেরত আসার আগে কিছুই খেতেন না। রসূল পায়ে হেঁটে ঈদগাহে যেতেন।
ঈদগাহে পৌঁছে তিনি আযান, ইকামত ও সলাতের জন্য ডাকাডাকি ছাড়াই সলাত শুরু করে দিতেন। তিনি এবং তাঁর সাহাবীগণ ঈদের মাঠে গিয়ে সলাতের পূর্বে বা পরে কোন সুন্নাত বা নফল সলাত পড়তেন না। তিনি খুতবার পূর্বে সলাত পড়তেন। প্রথম রাকআতে তাকবীরে তাহরীমাসহ মোট সাতটি তাকবীর পাঠ করতেন এবং দ্বিতীয় রাকআতে পাঁচটি অতিরিক্ত তাকবীর পাঠ করতেন। তিনি প্রথম রাকআতে সূরা ফাতিহা অতঃপর সূরা ক্ব-ফ অথবা সূরা আ’লা পাঠ করতেন এবং দ্বিতীয় রাকআতে সূরা কামার অথবা সূরা গা-শীয়া পাঠ করতেন। সলাত শেষে মানুষের দিকে মুখ ফিরিয়ে দাঁড়িয়ে তাদেরকে উপদেশ দিতেন।

📘 মুখতাসার যাদুল মায়াদ 📄 ঈদের সালাতে কে সর্বপ্রথম মিম্বার স্থাপন করেন?

📄 ঈদের সালাতে কে সর্বপ্রথম মিম্বার স্থাপন করেন?


সে সময় ঈদগাহে কোন মিম্বার ছিলনা। মাটিতে দাঁড়িয়ে তিনি খুতবা দিতেন। বুখারী ও মুসলিম শরীফের যে হাদীছে বলা হয়েছে অতঃপর তিনি নামলেন এবং মহিলাদের কাছে গেলেন সেই হাদীছের মর্মার্থ হচ্ছে সম্ভবতঃ তিনি উঁচু স্থানে দাঁড়িয়ে ছিলেন, যা থেকে তিনি নেমেছেন। মদীনার ঈদগাহে উমাইয়া শাসক মারওয়ান ইবনুল হাকামই সর্বপ্রথম মিম্বার স্থাপন করেন। লোকেরা তার এই কাজের প্রতিবাদ করেছে। আর কাছীর ইবনুস সালতই সর্বপ্রথম মারওয়ানের শাসনামলে পাকা মিম্বার তৈরী করেন। ঈদের সলাতে উপস্থিত লোকদেরকে সলাত শেষ হলে বসে খুতবা শুনা এবং তা না শুনে চলে যাওয়া উভয়টির অনুমতি দিয়েছেন।

📘 মুখতাসার যাদুল মায়াদ 📄 জুমআর দিন ঈদ হলে

📄 জুমআর দিন ঈদ হলে


জুমআর দিন ঈদ হলে তিনি লোকদের জন্য ঐ দিনের জুমআর সলাতে না আসার অনুমতি দিয়েছেন এবং ঈদের সলাতকেই যথেষ্ট বলে ঘোষণা দিয়েছেন। (তবে যোহরের সলাত আদায় করতে হবে এবং মাসজিদে জুমআর সলাত অবশ্যই পড়ানো হবে)। ঈদের দিন তিনি এক রাস্তা দিয়ে ঈদগাহে যেতেন এবং অন্য রাস্তা দিয়ে ফেরত আসতেন।

টিকাঃ
৬৬. ইরওয়াউল গালীল, মাশা.৩/১২৮, মুসান্নাফ ইবনে আবী শাইবা, মাশা. হা/৫৬৯৭, সহীহ।

ফন্ট সাইজ
15px
17px